পরিচয় শিশু সাহিত্য
পঞ্চম সংখ্যা
প্রকাশ ২ই অক্টোবর ২০২৩
কবির নাম:- সুশান্ত সেন।
রামবাবু আজ বেজায় ব্যস্ত
স্কন্ধেতে বিস্তর কাজ নস্ত
নিয়ে হাতে হামান দিস্তে
চান সবার মস্তক পিষতে ।
কেমন লাগবে সেই কাজ
ভেবে মাথায় পড়ে বাজ,
ঠ্যালায় নাম হয় বাবাজি
যা বলেন তাতেই রাজি ।
বিধি বুঝি হলেন বাম
সবাই বলে থাম থাম ।
কবিতার নাম:- রাজার রাজা
কবির নাম:- তাপস কুমার দাস।
বসে বসে সারাদিন লিখি,
চোখে শুধু সূর্ষে ফুল দেখি।
ভয়ে ভয়ে কত কী ভাবি,
কী করে হারিয়ে গেল সাইকেলের চাবি?
আমার একটাই দাবি,
পরিক্ষায় নাই বা কিছু লিখি,
তবুও আমি স্বপ্ন দেখি,
একশোতে পেয়েছি একশত দশ।
আসলে আমি জগতের বস।
আঃ হাঃ কী মজা,
সবাইকে খাওয়াবো বস্তা বস্তা গজা।
এমন করেই
আমি হবো এক দিন রাজার রাজা।
কবিতার নাম:- সাঁঝ।
কবির নাম:- পলাশ পোড়েল।
গোয়াল ঘরে
উঠেছে ধোঁয়া
দিনের হলো শেষ,
সূর্য্যি ডোবে
তাইতো এবার
শান্ত যে পরিবেশ।
সাঁঝবেলায়
আকাশেতে
ফুটতে থাকে তারা,
পাখিরা সব
বাসায় ফেরে
কাজ হলো যে সারা।
মন্দিরে বাজে
কাঁসর ঘণ্টা
তুলসীতলায় ধূপ,
সন্ধ্যা ঘনায়
তাইনা দেখে
খোকা খুকু চুপ।
কবিতার নাম:- রেলগাড়ি।
কবির নাম:- মানস দেব।
রেলগাড়ি ঝিক ঝিক
দেখে নাকো কোনো দিক।
ছুটে চলে আনমনে
যাত্রী ছোটে তার সনে।
মাঝে মাঝে যায় থেমে
কত যাত্রী ওঠে - নামে।
রামবাবু রেলে করে
কত শত ধাম ঘোরে।
একা একা সেই বার
দিলে ঘুম জোরদার।
হুঁশ নেই কোন দিকে
রেল চলে এঁকে -বেঁকে।
ধুপ করে হলো শব্দ
পড়ে গিয়ে রামবাবু জব্দ।
লাজে মুখ হল লাল
রেলে ঘুমোয়নি আর কোনো কাল।
কবিতার নাম:- রবিঠাকুর
কবির নাম:- অনুদীপা দত্ত দাস
রবিঠাকুর, রবিঠাকুর
দাড়িওলার ছবি !
তুমি আমার পড়ার বইয়ের
সহজ পাঠের কবি ৷
আমি এখন, অনেক ছোটো
অতো কি আর জানি ?
কত্ত যে বই লিখে গেছো
এক দুই গাঁট গুনি ৷
বাড়ি তোমার জোড়াসাঁকো
জন্ম এ বৈশাখে ৷
খেলতে কেন দেয় না আমায় ?
দাও তো ওদের বোকে ৷
কবিতার নাম:- আজব ডাক্তার।
কবির নাম:- তাপস মাইতি।
চেম্বারে ভিড় নেই মাছি তাড়ায় ডাক্তার
সিরিয়াস রুগী এলে ঘরে ডাকে নাক তার।
শুট্ - বুট- কোট- টাই গলায় টেথিস্কোপ
সাদা- মাটা রুগীদের ঝোপ বুঝে মারে কোপ।
পেট ব্যথায় বলে, ধরে গেছে আলসার
কিছু ঘা - দেখলেই বলে বসে ক্যান্সার!
সর্দি-জ্বরে কাবু হলে মিক্সার দেওয়া চাই---
দশ টাকার ওষুধে পাঁচ শত নেওয়া চাই।
এমন ঘরোয়া ডাক্তার ফোঁড়া কাটে ব্লেড নিয়ে
রুগীর যত বকেয়া হিসেব কষে শ্লেট দিয়ে।
কবিতার নাম:- ভোরে এলো বৃষ্টি।
কবির নাম:- বিবেকানন্দ মাইতি।
ভোরে এলো বৃষ্টি
এ কী অনাসৃষ্টি !
সকালে উঠে ফুল তুলি
জুঁই , গাঁদা ভরে ডালি
ঝমঝমিয়ে পড়ছে বৃষ্টি
যেন লক্ষ্মীছাড়া সৃষ্টি।
কি করে যে ফুল তুলি?
টগর, গোলাপ,শিউলি
মনে মনে ডাকছি ঠাকুর
থামাও তুমি বৃষ্টি অসুর ।
দিনেরবেলা অন্ধকার
এ যে বড় অনাচার
জগৎ থাকে কর্মমুখর
তা না হয়ে বৃষ্টিমুখর !
গুনগুনিয়ে গান ধরি
"বরিষ ধরা মাঝে... "--
তুমি অবিরাম বারি
ঘরে বসে চুপচাপ
নেই কোনো উত্তাপ ।
হাতে নেই কোন কাজ
শুনি শুধু বৃষ্টির আওয়াজ ।
Story Name:- Nancy, the dream girl!
Written by Supriya Gangopadhyay
Nancy was a tiny jungle bird, blue in colour. She used to stay with her Mom,
Dad, Grand Mom & Grand Paa in a hilly bush. She was the princess of their
Mulberry nest. Dad and Grand Paa taught so many lessons to her. Grand Mom
taught how to feed by herself. Moms lesson of flying was being completed few
days back.
All of a sudden, a Demon 😈 namely COVID entered into the happy family. Death
came to Grand Paa,Grand Mom, Dad & Mom gradually. Nancy became orphan that
day. None was there to take care of her. Nobody loved her. Nobody pated her
also.
Nancy recalled her dad's saying," Good deeds pay a manyfold blessings
always..." Nancy was so little that she didn't know the good deeds and it's
functions. But she had a pitiful heart 💓 inside.
She was not getting food properly in those days of sadness. That's why she
became too weak to move... She fell asleep one day. Suddenly a paragon of
beauty entered into her dream. She advised to Nancy, " Get up early in the
morning. Bend your head towards the living lord, the Sun ☀️. Start flying out.
Drive in search of love and care. And, there lies the hidden blessings of your
beloved parents. You will feel the presence of your Mom & Dad in this
way."
She got up at around 4 o' clock in the dawn. Waited for the new sunrise. Time
was going on. The sun ☀️ rised at last. She prayed to the sun, " Oh God, bless
me and help me to reach my goal, please."
The sun smiled. She got her answer. She started flying then.
Perhaps she was crossing a small river. After a while, she sat on the shaded
branch of a 🌲 tree. She expected to have rest & experience an unknown
fruit by herself.
Destiny forced her to hear the voice of the crying bird of her age group from
a nearby jungle. She felt it by 💓 heart. She flied and looked down from the
top of the tree 🌲." Oh my God! A tiny bird, red in colour is being trapped by
a hunter! I shall try my level best, my friend. Don't worry. God has brought
me here to save you, dear 💞." She uttered in a soliloquy.
The bird was continuing to cry, " I ' m Fancy. Is there anybody? Call my Mom
please. My Mom stays at the Black berry bush in the northern corner of the
jungle." She shouted again and again.
Nancy flied then and there to call Fancys Mom as early as possible. The brave
lady listened to the problem. Arranged a battalion to attack the hunter. Nancy
joined the group. The battalion started fighting with natural weapons like
sharp beak and nails of their boby. They jumped upon the head of the hunter.
The man became afraid and ran away. The wire cutter in the battalion cut the
net. Fancy became freed.
Nancy started flying once again to move & search for love and care. Fancys
Mom stopped her. The wise lady embraced hug with both of Nancy & Fancy.
Nancy explained her self - description to satisfy the queries of the lady.
Fancys Mom uttered, " Nancy, dear 💞 you're like an angel; you ' re God's
grace to me! You ' re my child. I ' ve two daughters from today." Tears
showered from Nancy's eyes...
Nancy realised the fulfillment of the paragons direction. " This is the real '
love ' , I think. I was flying in search of the same."
Dad's advices also became crystal clear to her, " I just tried to save a life.
God has offered a manyfold blessings to me. Love & care are the partial
fractions to that, no doubt."
Lesson/ learnings:" Good deeds pay a manyfold blessings always."
কবিতার নাম:- অভিমান।
কবির নাম:- বাপী নাগ।
ভালোবাসার পরশমণি আমার
কাছে থাকলে না।
ভালোবেসে তোমার মনের কথা
আমায় বললে না।
অভিমানের চাদরে যতই তুমি
নিজকে রাখো আড়ালে।
এই ভাবে চলে গেলে বহুদূরে
আমাকে যে তুমি হারালে।
তোমার অন্তরে হৃদয়ের মাঝে
আমি আজ বেঁচে নেই।
ভালোবেসে ছিলাম উজার করে
ছিলাম তোমার নিজেরই।
আমি প্রতিদিন তোমাকে হৃদয়ে
উপলব্ধি নিঃশ্বাস নেই।
আমার আশা এই জীবনের নীড়ে
তুমি আসবে আশা নেই।
হঠাৎ তুমি এসেছিলে আমার এই
দুই চোখের আলোতে।
হারিয়ে ফেলেছি তোমায় আমি
এই হৃদয়ের এক ঝলকে।
তুমি ছিলে আমার চোখের কোণে
আগলে রেখেছি যত্নে।
ভালোবেসেছি যে তোমায় প্রথম
এসেছিলে এই মনে।
তোমায় ঘিরে আমার মনে আছে
জীবনে কত বেদনা।
তোমার না পাওয়া আমার জীবনে
আছে যে কত যন্ত্রনা।
হাজারো কষ্ট মনে বাসা বেঁধেছে
আমার এই জীবনে।
আজ তুমি আমায় না বুঝে চলে
গেলে যে অকারনে।
মান অভিমানের মাঝে আজও
তোমায় যে ভালোবাসি।
নিশি রাতে স্বপ্নে তোমায় দেখে
বারে বারে কাছে আসি।
|
| অঙ্কন শিল্প:- অমৃতা চক্রবর্তী। |
কবিতার নাম:- তেলাপোকা।
কবির নাম:- শুভব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ।
ঘরের কোণে থাকিস তোরা
অন্ধকারে হয় যে ঘোরা
এদিক ওদিক তোদের খাবার তরে,
থাকিস মিলে সাথে সবে
জঞ্জাল যেথা সেথা তবে
যেথায় সবার আঁখি নাহি পরে।
তেলেপোকা তেলেপোকা
তোরা হলি ভীষণ বোকা
মানুষ সবে পছন্দ নাই করে,
জামা কাপড় দিস তো কেটে
খাদ্য দেখলে যাস তো হেঁটে
রাতের বেলায় উড়ে বেড়াস ঘরে।
আছে তোদের দুটি ডানা
উড়তে তোদের নেই তো মানা
কেন থাকিস অন্ধকারে বন্দী,
যেথায় আছে গগন খোলা
উড়ে বেরা হয়ে ভোলা
মরবি কেনো শিকার হয়ে ফন্দি।
কবিতার নাম:- খুকুর অভিমান।
কবির নাম:- শ্রাবণী কোল্যা।
খুকুর পুতুল গেছে হারিয়ে
তাই জুড়েছে খুকু কান্না,
পাইনি খুঁজে তার খেলনা
তাই বলে কী সে সবার কাছে ফেলনা।
খুকুর হল ভারী রাগ
বন্ধ হয়েছে কথা তার,
ভাঙ্গে না অভিমান তার
ভাইয়ের সাথে খেলবে না আর।
খুঁজে চলে এ ঘর, ও ঘর সে
পায় না খুঁজে কোথাও
সকাল থেকে মন বেজায় ভার
নতুন পুতুল চাই তার।
জুড়েছে শেষে কান্না
মা বলে থামো! আর না,
চলো গিয়ে এইবার পড়ো না
বন্ধ করো এইবার কান্না।
তোমার ছোট সে ভাই
শেখেনি কথা কওয়া,
ভেঙেছে সে তোমার পুতুল
তাই নিয়ে কেউ করে কান্না?
খুকু করেছে পন
নতুন পুতুল চাই- ই চাই তার এখন
নেবে না আর পুরানো খেলনা
চায় না সে ভাঙা খেলনা।
গল্পের নাম:- অভিশপ্ত মোবাইল।
লেখক:- বিমল চন্দ্র পাল।
হুগলী জেলার উত্তর প্রান্তে জিরাট রেল
স্টেশন অবস্হিত। একেবারে দক্ষিণ প্রান্তে রেল গেট। বলাগড় থানার প্রধান গঞ্জ
এলাকা হওয়ায় এখানে লোক যাতায়াত খুবই বেশি। তার উপর একমাত্র রাস্তা হওয়ায় সব
সময়ই কর্ম ব্যস্ত। গাড়ি আসার সময় রেল গেট পড়লেই বহু মানুষের জমায়েত হয়।
গেট খুললেই লোক ও যানবাহনের এক সাথে যাতায়াত শুরু হয়ে যায়।
প্রগতির সাফল্যে এখন প্রায় সকলের হাতেই মোবাইল নামক যন্ত্রের অধিষ্ঠান।
একটি ১৬-১৭ বছরের মেয়ে একহাতে সাইকেল চালিয়ে ও অন্য হাতে কানে মোবাইল দিয়ে
চলেছে। এমন সময় রমেশ বাবু, পেশায় অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক, মেয়েটির
পাশ দিয়ে যেতে যেতে বললেন,' এটা কী হচ্ছে। সাইকেল চালাতে চালাতে কানে মোবাইল
কেন?' মেয়েটি বলল, 'তাতে আপনার কি হয়েছে ? আপনি নিজের কাজে যান।'
অপমানিত রমেশ বাবু নীরবে চলে যান। কিছু দূরে বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে একটি
মোটর সাইকেল অস্বাভাবিক বেগে চলে গেল। কিছু মানুষ ছুটতে ছুটতে বলছে,ধর ধর। রমেশ
বাবু পাশে দাঁড়িয়ে পড়ল। একটি লোককে জিজ্ঞাসা করল,' ব্যাপার কি , কী ঘটেছে?
লোকটি বলল, ঐ গাড়িটি একটি মেয়েকে চাপা দিয়ে মেরে ফেলেছে।'
রমেশ বাবুর মনটা কেমন করে উঠল। তিনি রেল গেটের দিকে ফিরে গেলেন। কিছুটা এগুতেই
দেখলেন জনতার ভিড়। ভিড়ের মাঝে পরে আছে সেই মেয়েটি। মাথাটা ফেটে গেছে । ঘটনা
স্হলেই মৃত্যু হয়েছে। পাশে পড়ে আছে সেই মোবাইল টা।। দুঃখ ও ভাড়াক্রান্ত হৃদয়ে
রমেশ বাবু দীর্ঘশ্বাস ফেলে বাড়ির দিকে রওনা হল।
কবিতার নাম:- খোকার সাধ।
কবির নাম:- অধীর কুমার রায়।
এবার আমি তারা হবো
নীল আকাশে জন্ম নেবো।
আঁধার রাতে হাসবো আমি
তোমার পানে চেয়ে।
তুমি ডাকবে 'আয়রে খোকা
মাকে যেন দিসনে ধোকা।'
জ্যোৎস্না গাঙে নৌকা বেয়ে
আসবো কূলে ধেয়ে।
যদি দেখো নেইকো আমি
কোন অধরে খাবে হামি।
ভেবে ভেবে আকুল হয়ে
তুমি কাঁদবে তক্ষুনি।
হঠাৎ আমি তোমার কূলে
মেঘের পর্দা দূরে ঢেলে
আসবো লুকোচুরি খেলে
তুমি ডাকবে যক্ষনি।
কবিতার নাম:- ম্যাও।
কবির নাম:- স্বাগতা দাস।
ছোট্ট মেনি বললো ডেকে, বলবো তোমায় কি আর
মিনসে গুলোর কান্ড দেখে হয়েছি আমি অবাক।
বলে কিনা; মাছগুলো সব শুধুই ওদের তরে
বলি আমরা কি সব ভেসে এসেছি
কোনো বাণের তোরে?
শুনে সুধায় মেনির বাবা, বলিস কিরে বেটি
মিনসেগুলোর সাহস দেখি বেজায় বড়ই বেশি।
মাছগুলোকে রেখেছে কোথায়; সেটা একবার বল,
মাছ যদি তুই খেতে চাস; আমার সঙ্গে চল।
বুঝলি কিছু ;আজ ওখানে কি মাছ হচ্ছে রান্না
ওখানে আজ রান্না হচ্ছে ইলিশ ,চিংড়ি, কাতলা
কাতলা কালিয়া, মালাইকারি, ইলিশ মাছের ভাপা!
ভেবে জিভে জল আসছে লোভ যাচ্ছে না চাপা।
চলরে মেনি ওখানে যাই; আর করিসনে দেরি,
আজ আমরা এখানে নয়; খাব ওদের বাড়ি।
কবিতার নাম:- নিজের জগতে।
কবির নাম:- মোহাঃ নাসিমুদ্দিন হক।
শিক্ষাদান ও শিক্ষা গ্রহণ
এটাই প্রতিদিনের জীবন ;
উঁচুতে স্থান তার, তাইতো
বেশি গুরুত্ব দেয় এ ভুবন।
এটি জাতির মেরুদন্ড,
তা সর্বজনবিদিত ;
তাইতো বহু মানুষ করেছে
পুরো জীবন নিবেদিত।
পারস্পরিক শ্রদ্ধা আর
স্নেহ দিয়ে থাকে অবিরত ;
জীবনকে সাফল্যের চূড়ায়
এগিয়ে নিয়ে চলার মূল ব্রত।
একদমই করে না কারোর
সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা;
তবুও কেন করি তার সঙ্গে
আমরা চরম অভব্যতা !?
ব্যর্থতার দংশনে যে বিদ্ধ
হচ্ছি বারেবারে ;
অবহেলা ছেড়ে কখন হৃদয়
দিয়ে বুঝবো তারে !?
কবিতার নাম:- অন্তহীন।
কবির নাম:- গোরাচাঁদ পাল (চন্দ্রকলা)।
আমি সুদূর পানে চেয়েছিলেম
ওই অন্তহীন আকাশ পানে,
দক্ষিনা আকাশ জুড়ে, ঝড়ের
দাপট লাগলো হৃদয় রণে।
নাম না জানা পথের ধারে
দেখেছিলাম আমি তারে,
যারে বড্ড ভালোবেসেছিলেম...!
ওই অবলা অস্ত যাওয়া সূর্যের মত।
কোন এক নিরব সন্ধায়,
আঁকতে চেয়েছিলেম, তোমার রূপরেখা!
কোন এক মায়ার রাতে,
তোমারে দেখতে চেয়েছিলেম, সেই দেখা...!
তোমায় বলবো বলে, বলা হয়নি,
আমার কল্প গড়ের সেই গল্প কথা!
তোমায় রাখবো বলে রাখা হয়নি!
আমার প্রেম কাব্যের সেই পাতায়।
নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে,
রয়েছো নয়নে নয়নে ।
হৃদয় তোমারে পায় না জানিতে,
হৃদয়ে রয়েছো গোপনে ।
ফুরফুরে ওই দমকা হওয়া
মারলো ঝাপট মোর পানে,
হৃদয় জুড়ে আঁখি বারি
পড়লো মোর সুদূর পানে।
অপেক্ষা হতে অপেক্ষার তারে...
যত দিন থাকবো বেঁচে, রাখবো মনে!
যত কষ্ট হোক সব মেনে নেবো,
তবুও চিরদিন তোমায় ভালোবাসবো।
কবিতার নাম:- রুমার পুজো।
কবির নাম:- তপন মাইতি।
পরির মতন দেখতে রুমা
শরৎ মেঘে আঁকা উমা
পুজোয় নতুন জামা
স্কুলে অনেক ছুটি পাবে
কি আনন্দ ঘুরতে যাবে
বাড়ি ফিরবেন মামা।
ছুটির ঘণ্টায় গল্প বাসর
বন্ধুবান্ধব জমায় আসর
ঠাকুর দেখা হবে
খুশির খবর দেব কবে?
মহালয়া সবে!
রুমার মনে অন্য ছবি
অন্ন বস্ত্র দানি হবি?
দায় দায়িত্ব অনেক
রুমার সাথে বহু জনেক।
🔹️ ই- সম্মাননা পত্র ডাউনলোড করুন
🔸️ লেখা ও শিল্পকলা পাঠান...



