পরিচয় শিশু সাহিত্য | ৩১তম সংখ্যা


|। পরিচয় শিশু সাহিত্য ।| 

● ৩১তম সংখ্যা ●
তৈরি: মিলন পুরকাইত।

📢 প্রকাশ:

  • বাংলা: ১৯শে ফাল্গুন ১৪৩০
  • ইংরেজী: ০৩ই মার্চ ২০২৪
  • বার: রবিবার।
  • সময়: সকাল ০৭টা ( কলকাতা টাইম জোন)
  • এই "●" পয়েন্ট গুলো গত সপ্তাহের কারেন্ট অ্যাফেয়ার।
ই-সার্টিফিকেট দেখুন ফেসবুক পেজে লিংক সবার শেষ।

✒️ লিখেছেন:

খেলাধূলা 

গোবিন্দ মোদক

খেলা মানে ফুটবল 
খেলা ভলিবল, 
মাঠে গিয়ে দৌড়ানো 
চল! চল! চল!! 

খেলা মানে ক্রিকেট 
হাডুডু-ও আছে, 
যোগব্যায়ামে রোগ যায় 
সাঁতারে বা নাচে। 

হাইজাম্প, লংজাম্প 
ডিসকাস ছোড়া,
রিলেরেসে সারামাঠ 
বেশ করে ঘোরা। 


খেলা চাই নিয়মিত 
সাথে পড়াশোনা, 
আসন করলে পরে 
হবে একমনা। 


শরীর নীরোগ থাকে 
খেলাধূলা করে, 
ছুটে যাও ছুটে এসো 
বাঁচো প্রাণ ভরে!

গুলি-ড্যাঙ

অঞ্জলি দেনন্দী, মম

দুর্গা দালানের সামনের উঠোনে আমরা খেলি।
গুলি-ড্যাঙ - সারা দুপুর - ছুটির দিনে।
ইচ্ছা করে মজায় আবার সবাই মিলে করি ঠেলাঠেলি।
ফেরিওলার কাছ থেকে ছোলা ভাজাও খাই কিনে।
বেদম জোরে ছুঁড়ে, গুলি যায় হারিয়ে, দূরের ঝোপে।
ওদিকে দুর্গা দালানের ওপরের খোপে
বকুম বকুম বকুম - পায়রার দল ডেকেই চলে।
দালানের পাশের নারকোল গাছের পাতায়
টিয়া বসে সারি দিয়ে - টি টি টি করে কথা বলে।
সূর্য্য জ্বল জ্বল জ্বল করে দালানের মাথায়।
গুলি হারিয়ে গেলে
বহু দূরে ড্যাঙ ছুঁড়ে ফেলে
আমরা বাড়ি ফিরে যাই।
পুকুরে তারপরে স্নান করে ভাত খাই।
গ্রীষ্মের ছুটি চলছে, হ্যাঁ তাই
স্কুলে যাওয়ার বালাই নাই।
খুব আনন্দ পাই।

খেলাধুলা 

উদয় নারায়ণ বাগ 

সব-সময়ই কেন মা গো 
পড়তে আমায় বলো?
আমার সাথে খেলবে খেলা 
চলো না মা চলো। 

খেলাধুলা না করিলে 
ক্যামনে বুদ্ধি হবে, 
জটিল জটিল পড়াগুলো 
তবেই মনে রবে। 

এইতো সেদিন ক্লাসের সময় 
বলল দিদিমণি, 
খেলাধুলার মধ্যে থাকে 
রোগ মুক্তির খনি।

সুস্থ-সবল শরীরখানি 
তবেই তো মা পাবো, 
বিকেল হলো চলো না মা 
খেলতে আমরা যাবো। 

মাঠের মাঝে খেলছে কত
পাড়ার ছেলেমেয়ে, 
একবারটি উঁকি দিয়ে 
দেখো না মা চেয়ে। 

খেলাধুলা করে মা গো 
করব লেখাপড়া, 
অ আ ক খ ধারাপাত ও
খুকুমণির ছড়া। 

খেলাধূলা

জীবন সরখেল

শরীর মনের সমন্বয়ে
চাই যে খেলাধূলা
সবল শরীর মনের টানে 
করবো না তাই হেলা ।
আউটডোর বা ইনডোর গেমে
ভারসাম্য ঠিক রেখে
শিশুর কথা ভেবে সবাই
চলবো নিয়ম মেপে।
আগামী প্রজন্মের জন্য
খেলাধুলা যে চাই
দেশ ও দশের প্রয়োজনে
কোনো বিকল্প নাই।
কৃষি শিল্প শিক্ষা স্বাস্থ্যে
করতে ঠিক উন্নতি
খেলাধুলাই হবে মাধ্যম
পৃথিবীর সদগতি।



Mobile World Congress 2024 শুরু হলো স্পেনের বার্সেলোনায়
   প্রযুক্তি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইভেন্ট মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস 2024, 26 ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে। এই বছর স্পেনের বার্সেলোনায় আয়োজন করা হচ্ছে। এই ইভেন্টে সারা বিশ্বের কোম্পানিগুলো তাদের পণ্য সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে উপস্থাপন করছে।

ভারতের প্রথম মহিলা পিচ কিউরেটর হলেন জ্যাসিন্থা কল্যাণ
  WPL 2024: BCCI সেক্রেটারি, জয় শাহ ভারতের প্রথম মহিলা পিচ কিউরেটর হওয়ার জন্য জেসিন্থা কল্যাণকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে WPL 2024 ম্যাচের পিচ-কিউরেশন দায়িত্বের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

ভারতের বৃহত্তম Drone Pilot Training Organisation লঞ্চ করলো IIT Guwahati

সম্প্রতি ৩৪ বছর বয়সে হৃদাক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হলেন কর্ণাটকের ক্রিকেটার কে. হয়শালা

কর্ণাটকের ক্রিকেটার কে হোয়সালা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে 34 বছর বয়সে মারা গেছেন। চলমান এজিস সাউথ জোন টুর্নামেন্টে একটি ম্যাচের পরে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। তিনি RSI গ্রাউন্ডে সাউথ জোন IA & AD টুর্নামেন্টে তামিলনাড়ুর বিরুদ্ধে খেলছিলেন।।

✒️ লিখেছেন:

আবার ফেরা চেনা বিকেলে 

সুদীপ্ত দে

শৈশবের স্মৃতিগুলো
                         টাটকা হয়ে ফিরবে আবার
ময়দানের সবুজ বুকে
                       ব্যাট হাতে নামবো এবার।
হার জিত সব পরের ব্যাপার
                                সামনে শুধুই খেলার লড়াই।
মধ্য বয়স পেরিয়ে মোরা
                            ফিরবো সবাই কুড়ির কোঠায়।
দিন দু'য়েকের মুক্তি মাঝে
                             থাকনা দূরে সকল কাজ।
চলো সাথী ফিরে যাই
                           ফেলে আসা বিকেল বেলায়।
আনন্দ গান কণ্ঠে সবার
                          জিতবো মোরা আশা এটাই।
প্রশ্ন ওটাই শত চোখে
                         কটা বল বাউন্ডারি পার!
খেলা শেষে জয়ের হাসি
                          হাসবে কে দেখা সেটাই। 

খেলাধুলা 

তপন মাইতি

খেলা দেখলে দেখতে চলো 
আগের খেলা যত 
আমার গাঁয়ে যেতে হবে 
মাটি মাখে কত।

ছোট্টবেলা ভূতের মত 
সন্ধ্যাবেলা ঝপাং 
নদীর এপার ওপার ডোঙায় 
মায়ের হাতে খপাং। 

বউ বাসন্তী কাছিটানা 
হাডুডু কবাডি 
গজি ক্রিকেট ফুটবলের মাঠ 
ফুটছে ফুল চাঁপাটি। 

পুতুল খেলা এখন আছে 
সন্ধ্যা বেলা পাবজি 
লবন পোড়া চোর চৌকিদার 
জন্মদিনের তাবজি।

কানামাছি হাঁড়ি ভাঙা 
পিন্টু ডিগল বাটুল 
বর বউ খেলা খেলতে হলে 
সাজাতে হয় মাতুল। 

ছোঁয়াছুঁয়ি খেলা আছে 
আরো কত রকম 
পাখির মত মাগা মাইতি
ডাকে বকম বকম। 

শৈশবের খেলা 

কাজল মৈত্র

ডাংগুলিতে রক্ত লেখা
হাডুডুতে ভাঙ্গত পা
মার্বেলেতে হাতের টিপ
শৈশবতে খেলতাম ঠিক
ফুটবলেতে মাঠের ধারে
শৈশবের খেলা অনেক দূরে
লাটাই হাতে এক দৌড়ে
ঘুড়ি উড়ত আকাশ জুড়ে
ইলাটিং বিলাটিং সইলো
রাজার কথা কইলো
সাতচাড়া পিঠেতে দুম
চড়াইভাতির রান্নার ধুম
রুমাল চুরির মধুর স্মৃতি
হারিয়ে গিয়েছে সঙ্গী সাথী ।

সবই তো খেলা

প্রত্যুষ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়

খেলতে এসেছি রান দিয়ে খেলেই যাবো, 
না বলা কথাগুলো কল্পসুতোয় উড়িয়ে দেবো |
ছক্কা, চার, ওভার বাউন্ডারী সবই তো বুঝলাম,
উইকেটে লাগা জীবনের সত্য হুইশেলে চিনলাম |
গোলকিপারের চাল, রেফারির তাল, সবই তো করুনার ছল ---
অন্ধকারে সংগ্রামী মূর্তি নামিয়েছে জেদের আবেগী নদীর অশ্রুজল |
ব্যাডমিন্টন কোটে দেওয়ালের বাইরে সবসময় বল পাঠিয়েছি,
সার্ভিস কোটে টেনিসের মতো হৃদয়ে বেদনার ঘর সাজিয়েছি |
কাবাডি কাবাডি করতে করতে জীবনের স্রোতমুখী কোথায় কে তা জানে?
খো খো খেলতে খেলতে, স্বরলিপি বুনতে বুনতে, সীমানার মধ্যম মানে |
ধরতে গিয়েও তো নাগাল পেলাম না দাবার ঘুঁটির অসহায়কে ছুঁতে,
গল্ফদন্ড দিয়ে বল ছুঁড়েও জীবনটা টালমাটাল, থাকুক না একাকীত্বে !
হকি কিংবা বাস্কেটবল কোনো খেলাই কিন্তু খুব সহজ প্রকৃতির নয়,
পরিশ্রম ও একাগ্রতা কাননে শিল্প সাধনে লক্ষ্য পাবে সাফল্যতার জয় ||
ধূলো মাখা জীবনে আজ-কাল সবই যেন যোগ-বিয়োগের খেলা,
বাইবে কি আদৌ সেই তরণী, যেদিন আলোর স্নানে সাজবে প্রভাতী সন্ধ্যেবেলা ||

পলাশ দিনে

অনুপ কুমার জানা

হয়েছে অতীত রুক্ষতা শুষ্কতা
পরিবেশ আজ মুক্ত হিয়ায় , 
আনন্দে উদ্বেল উদ্ভিদ প্রাণী 
খুশির জোয়ার এসেছে ধরায় !

কুহু কুহু কণ্ঠে জেগেছে শিমুল
পলাশও সাথে মারছে উঁকি ;
  শাখায় শাখায় রক্তিম চুমু 
হৃদয়ে হৃদয়ে প্রেম দিয়েছে আঁকি !

  পলাশ দিনে বসন্ত আসে 
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রেম লীলা ;
  আবিরে আবিরে অঙ্গ রাঙে
  পিচকারিতেও রঙের খেলা !

  পলাশ দিনে পত্র ঝরিয়ে 
বিদায় জানায় বৃক্ষ পল্লব , 
আম্র মুকুলের সুবাস ছড়িয়ে
দখিনা বাতাস জানায় কলরব !

  ভোর সকালে শুভ্র চাদরে 
  পরিবেশ ঢাকে অবগুণ্ঠনে ,
   পথ ভ্রষ্ট হয় প্রকৃতি বাসী 
সাম্যতা ফিরে ভাস্করের আলিঙ্গনে ! 

  পলাশ দিনে হৃদয় মনে 
বিদায় নেয় হিংসা বিদ্বেষ ;
প্রীতির বাঁধনে প্রতিটি হৃদয়
শুভ্রতায় শুচিতায় থাকে বেশ !

  পলাশ দিনে পতঙ্গ বিহঙ্গ
মধুর নেশায় উরে ফুলে ফুলে ,
ছন্দে নৃত্যে মকরন্দ সংগ্ৰহে 
মৌমাছি সঙ্গীদের জানায় কৌশলে ! 

পলাশ দিনের পরশ চিরদিন
লাগুক মানব জাতির হৃদয় ,
সুবাসে সুশোভনে রাঙুক হিয়া
দুর্গম দুর্জয়ে আসুক অভয় !



Freestyle Chess G.O.A.T. Challenge জিতলেন নরওয়ের দাবা খেলোয়াড় ম্যাগনাস কার্লসেন
   উদ্বোধনী ফ্রিস্টাইল দাবা জিওএটি জয়ের পর ম্যাগনাস কার্লসেন বলেছিলেন, "ইভেন্টটি জেতার জন্য এটি দুর্দান্ত লাগছে।" ফাইনালের দ্বিতীয় খেলায় ফ্যাবিয়ানো কারুয়ানাকে হারিয়ে শুক্রবার চ্যালেঞ্জ। কার্লসেন $60,000 প্রথম পুরস্কার ঘরে নেবেন, যেখানে কারুয়ানা $40,000 অর্জন করেছেন। 2024 ফ্রিস্টাইল দাবা G.O.A.T

ভারতের প্রথম Gati Shakti Research Chair প্রতিষ্ঠা করা হলো IIM Shilong-এ

কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগের ডিরেক্টর পদে নিযুক্ত হলেন সুনীল শর্মা
    শ্রী সুনীল শর্মা, আইআরএস (আইটি) (2010) যাকে ডি/ও রাজস্ব দ্বারা কেন্দ্রীয় ডেপুটেশনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল তাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কেন্দ্রীয় স্টাফিং স্কিমের অধীনে ডি/ও স্কুল এডুকেশন অ্যান্ড লিটারেসি, দিল্লিতে ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। পদের দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে পাঁচ বছর বা পরবর্তী পর্যন্ত...

সম্প্রতি পঞ্চম প্রজন্মের ফাইটার জেট তৈরি করলো তুর্কি
আরেকটি সামরিক সংবাদ সাইট "warriormaven.com" KAAN সম্পর্কে বলেছে যে Türkiye এর "দেশীয়ভাবে ডিজাইন করা এবং তৈরি করা পঞ্চম প্রজন্মের ফাইটার জেট, তুর্কি অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ কান, 21শে ফেব্রুয়ারি আকাশে নিয়ে গেছে।"

✒️ লিখেছেন:




4th Khelo India Winter Games হোস্ট করলো গুলমার্গ।
      রবিবার (২৭|০২|২৪) কাশ্মীরে চতুর্থ খেলো ইন্ডিয়া শীতকালীন গেমস সমাপ্ত হয়েছে উপত্যকার শহীদ আহমেদ চাচি জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য একমাত্র স্বর্ণপদক জিতে নিয়ে। সেনাবাহিনী 10টি স্বর্ণ, 5টি রৌপ্য এবং 6টি ব্রোঞ্জ পদক নিয়ে পদক তালিকায় শীর্ষে রয়েছে, তারপরে কর্ণাটক (9টি স্বর্ণ এবং 2টি রৌপ্য) এবং মহারাষ্ট্র (7টি স্বর্ণ, 8টি রৌপ্য এবং 7টি ব্রোঞ্জ)।

● International Tourism Expo হোস্ট করলো গ্রেটার নয়ডা।

● ট্রেনে অগ্রিম বুক করা খাবার গুলো ডেলিভার করার জন্য Swiggy কোম্পানির সাথে পার্টনারশীপ গড়লো IRCTC

● U.S.-India Strategic and Partnership Forum-এর ডিরেক্টরস বোর্ডে যোগদান করলেন সলিল পরেখ।

● নিউ দিল্লিতে Bharat Tex 2024 উদ্বোধন করলেন নরেন্দ্র মোদী।

টাইম ম্যাগাজিনের দ্বারা Person of the Year হিসাবে নির্বাচিত হলেন লীনা নায়ার
  লীনা নায়ারের পোস্ট। TIME এর 2024 সালের নারীদের তালিকায় নাম লেখাতে পেরে আমি খুবই কৃতজ্ঞ, যারা আরও সমান বিশ্বের পক্ষে কথা বলে তাদের স্বীকৃতি দিয়ে। এই তালিকায় থাকা সমস্ত মহিলাকে অভিনন্দন। আমার 10 বছর বয়সী স্ব সমান পরিমাপ আনন্দ এবং অবিশ্বাস অভিজ্ঞতা হবে!

✒️ লিখেছেন:

খেলবি যদি আয় চলে

মীনাক্ষী চক্রবর্তী সোম

ছোটবেলার খেলাধুলায় লুকোচুরি প্রথম সোপান 
খেলত শিশু কড়িখেলা, ষোলগুটি, লুডো, ক‍্যারম।
খোলা মাঠে গাছের তলায় অথবা ধূ ধূ প্রান্তরে
এলাটিং বেলাটিঙের হাত ধরে সই পাতার আসরে।
কুমীর-ডাঙা, দাঁড়িয়াবান্ধা, হাডুডু আর ফুটবল 
ছিল ডাংগুলি আর পকেটে ভরা নানা রঙের মার্বল।
রুমালচুরি, এক্কা-দোক্কা, বুদ্ধির খেল গোলাপ-টগর  
মোরগ লড়াই, কুমীর-ডাঙা, ওপেনটি বায়োস্কোপ খেলা জবর।
ডাক পড়তো পাড়ার মাঠে সঙ্গীসাথীর উৎসাহে
বিকেল হলে মধুর অপেক্ষা "খেলবি যদি আয় চলে"।
এখন চারদেয়ালে বন্দি শিশু খেলে একা বসে
মোবাইল আর ল‍্যাপটপ ঠাসা ভিডিওগেম আর অ‍্যাপে।।

পড়ন্ত বিকেল

আব্দুল রাহাজ

     শীত আর নেই বললেই চলে। তাই রাজু ও তার বন্ধু শেখর বেশ খুশি কারণ আর তাদের ঠান্ডা জলে স্নান করতে হবে না। তবে ওরা অনেক কিছুই শীতের দিনের খেলা থেকে বিরত থাকবে একটা বছর। সেইসব আলোচনা করছিল সেদিন তেলিপাড়ার মাঠে খেলা শেষ হয়ে যাওয়ার পর। সকলে মিলে গোল হয়ে বসে। এদিকে শীতের একেবারে শেষ সময়ে এসে গ্রামের পাঠশালার নতুন বছরের ক্লাস শুরু হয়েছে। রাজু ও তার বন্ধু শেখর দুজনেই সেই ছোটবেলা থেকে একে অপরের খেলার সাথী। ওদের বাড়ি ও প্রায় পাশাপাশি দুজনেই একসাথে পড়াশোনা করে গ্রামের পাঠশালায়। এবারে ওরা গ্রামের পাঠশালায় চতুর্থ শ্রেণীতে ভর্তি হয়েছে। গ্রামের পন্ডিতমশাই ওদের স্কুলের দেখাশোনার দায়িত্ব দিয়েছে । তাই প্রতিদিন গ্রামের পাঠশালায় গিয়ে রাজু ওশেখর দুই বন্ধু প্রতিটি ছেলে মেয়ের খোঁজ খবর নেয়। পাঠশালার সমস্ত কিছু যেন ওদের এক নজরে থাকে। সেদিন ছিল শনিবার দুই বন্ধু গ্রামের পাঠশালা ছুটি হয়ে যাওয়ার পর শেখর পুরো পাঠশালাটা একবার ঘুরে দেখলো। কোথাও কোন দরজা খোলা আছে কিনা জানালা খোলা আছে কিনা। তারপর পন্ডিতমশাইয়ের কাছে এসে বলল পন্ডিত মশাই গ্রামের পাঠশালার কোন ঘরের জানালা দরজা খোলা নেই। এদিকে রাজু শেখরের জন্য অপেক্ষা করছিল বাইরের বটতলায়। তারপর দুই বন্ধু হাত ধরাধরি করে গ্রামের মেঠো পথ দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে। এমন সময় রাজু বলল শেখর আগের থেকে দিনটা অনেক বড় হয়ে গেছে তাই না। তখন শেখর একটু ভেবে বলল তাও তো ঠিক আমি তো এটা খেয়াল করিনি। রাজু বলল শীতের দিনে খুব তাড়াতাড়ি সন্ধ্যা হয়ে যেত খেলার সময় থাকতো না কিন্তু এইতো দিন বড় হয়ে গেছে। তেলিপাড়ার মাঠে এবার গ্রামের ছেলে মেয়েদের নিয়ে চুটিয়ে খেলা করব কি বলিস শেখর । তখন রাজু মুখে চওড়া হাসি নিয়ে বলল তা তুই ঠিকই বলেছিস। এরপর দুই বন্ধু মেঠো পথ ধরে ধনা দের আম বাগানের ওখানে এসে দেখল গাছের তলায় বসে গ্রামের মানুষেরা গল্প গুজব করছে। শীতের দিনে এগুলো ছিল না। তখন শেখর বলল গরম পড়ে গেছে বুঝলি কি সুন্দর বাতাস বইছে। তখন রাজু বলল আরে এটা তো চৈত্র মাস জানিস না তুই কাল ঠাকুর দাদার কাছে কাছে শুনেছি। তখন শেখর বলল ও আচ্ছা আচ্ছা বুঝতে পেরেছি। এরপর রাজু বলল এই সময় তো বেশ গরম পরে চারিদিকে পুকুর শুকিয়ে যায়। গরমের ছুটি পড়ে জানিস না তুই ‌। তখন শেখর বলল জানি তো কিন্তু মনে নেই । তখন রাজু একটু হেসে বলল তাহলে তো আমার কাছ থেকে সবই জেনে গেলি । তারপর শেখর বলল তা তুই বেশ বলেছিস। এসব কথা বলতে বলতে দুই বন্ধু বাড়ি ফিরেছিল। তারপর কিছু খেয়ে রাজু দুপুর বেলা বাবা মা ঘুমিয়ে পড়লে শেখর দের বাড়ির দক্ষিণ দিকের জানালার কাছে এসে একবার টোকা মারতেই জানালা খুলে শেখর বলল কিরে খেলতে যাবি না। তখন রাজু বাবা-মায়ের দিকে একবার তাকিয়ে খাটের থেকে নেমে বাইরে বেরিয়ে এসে দুই বন্ধু চলে গেল তেলিপাড়ার মাঠে খেলতে। চৈত্র মাসের পড়ন্ত বিকেলে সকলের সাথে হই হই রই রই করে খেলাধুলা করে সন্ধ্যাবেলায় রায় বাড়ির পুকুরে জল ছিটিয়ে সাঁতার কেটে সকলে যে যার বাড়ি ফেরে মহা আনন্দে।

জীবনেরই অন্য নাম খেলা

সামসুজ জামান

খেলা হলো জীবনের অন্য নাম। খেলা কোন ছেলে খেলা নয়।
অনেক সময় পার ক'রে সাধনার বিনিময়ে ,তবেই সঠিক খেলা হয়।।

এ পথ সহজ নয়, মাথার অনেক ঘাম ফেলে,
আরামের হাতছানি দুই হাতে সব দূরে ঠেলে,
পাহাড় সমান যত প্রতিকূলতা রাশি রাশি, 
সরাতে পারলে তবে তুমি ফিরে পাবে সেই হাসি।
 বিজয় মাল্যখানি আসবে তোমার গলে
পিছু হটবেই যেন যত কিছু সংশয় আর পরাজয়।।

প্রতিদিন নিয়মিত কঠোর কঠিন অনুশীলনের পথ ধ'রে ধ'রে।
একমুখী হয়ে যদি আগে যাও তবে সব বাধা যাবে স'রে স'রে।

একতিল ভুল হলে পাবে তুমি ঘৃণা, অপমান,বিদ্রুপ আর তিরস্কার।
কটু কথা ছুঁড়ে দেবে কতশত লোক জানাবে সহস্র গঞ্জনা, ধিক্কার।
যত অপমান সব ফুলমালা ভেবে তুলে নাও।
লক্ষ্যে অটল থেকে সামনে গন্তব্যে শুধু ছুটে যাও।
অনেক সংকল্প আর প্রতিজ্ঞা থাকলে তবে পাবে তুমি অনিবার্য আর সুনিশ্চিত জয়।
মনে রেখো খেলা হল জীবনেরই অন্য নাম, খেলা মানে ছেলে খেলা নয়।।

রঙ-বেরঙ

ছন্দা পাল

শাল্মলী বৃক্ষ তলে রয়েছে ছড়ানো--
হাজারো ফুল দল যেন গালিচা বিছানো।
লালে লাল রঙে বসন্ত সেজেছে, কিংশুক
আর কৃষ্ণচূড়া শাখে শাখে 
লালিমা ছড়াতেছে!
দারুণ "বসন্ত"--এসেছে দুয়ারে,
চেয়ে দেখো কতটা রক্তিম হয়ে
কড়া নাড়ে।
এমনি রঙিন যদি হতো সব কিছু---
ক্ষতি তো হতো না কোনো কারোর কিছু!
তবু হায়! অনাদরে কতো জনের জীবনের রঙ অকালে মুছে যায়।
এভাবেই কতো সুর তাল, জানি না কেন যেন কেটে কেটে যায়!



BBC-এর প্রথম ভারতীয় হলেন ড. বংশোদ্ভূত চেয়‍্যারম্যান শাহ সমীর

71st Miss World 2024 শুরু হলো ভারতে:
  28 বছরের বিরতির পরে, ভারত মর্যাদাপূর্ণ 71 তম মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতার জন্য তার হোস্টিং দায়িত্ব পুনরুদ্ধার করতে প্রস্তুত। মূলত সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছিল, প্রতিযোগিতাটি এখন 9 ই মার্চ, 2024-এ মুম্বাইয়ের জিও ওয়ার্ল্ড কনভেনশন সেন্টারে উন্মোচিত হবে।

লতা মঙ্গেশকর অ্যাওয়ার্ড জিতলেন সঙ্গীত শিল্পী সুরেশ বারকর
   প্রবীণ প্লেব্যাক গায়ক সুরেশ ওয়াদকর মুম্বাইয়ে গণসামরাগিনী লতা মঙ্গেশকর পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ও উপ-মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে বিশেষ স্মারক উপহার দেন। ওয়াদকর পদ্মশ্রী পেয়েছেন এবং 'সপনে মে মিলতি হ্যায়', 'পেহলি বার মহব্বত কি হ্যায়' এবং 'লাগি আজ সাওয়ান কি'-এর মতো জনপ্রিয় ট্র্যাকগুলির জন্য পরিচিত।

কর্মক্ষেত্রে হিংসা ও উৎপীড়ন বন্ধ করতে ILO Convention অনুমোদন করা প্রথম এশিয়ান দেশ হলো ফিলিপিন্স।

● গুজরাটের দ্বারকাতে "সুদর্শন সেতু" নামে ভারতের দীর্ঘতম কেবল- স্টেড ব্রিজ উদ্বোধন করলেন নরেন্দ্র মোদী।

● প্রতিবন্ধীদের জন্য 'Purple Fest' লঞ্চ করছেন দ্রৌপদী মুর্মু ।

✒️ লিখেছেন:

কানামাছি খেলা

শান্তি দাস

ছোট বেলায় খেলা গুলো
এখনো মনে পড়ে, 
কানামাছি খেলার আনন্দ 
ভুলবো কেমন করে। 

কানামাছি ভোঁ ভোঁ যাকে
তাকে ছোঁয় মজার খেলা,
চোখ বেঁধে একে অপরকে
ধরতে দৌড়ঝাঁপ ছেলেবেলা।

যাকে ছোঁব তার চোখ বাঁধতে
সে কানামাছি ভোঁ ভোঁ করবে ,
চোখের বাঁধনে সারা মাঠ জুড়ে
ছুটাছুটিতে বন্ধুকে যাবে ধরতে।

ভোঁ ভোঁ কানামাছি ছুট ক্ষেতে
 মাঠে চল চল চিরসবুজ অফুরান,
চোখবাধাঁ মাছিরা পথ চলছে ও
হাতরে হাতরে কাঁপে তার পরান।

কালো কাপড়ে বাঁধন ছিঁড়তে
 অট্টহাসি উল্লাস ভেসে আসে,
হোঁচট খায় দাঁড়ায় ছুঁতে পারে না
আলোর খোঁজে লড়াইয়ে বাড়ায় পা।

মউ

পম্পা ঘোষ

পাশের বাড়ির দিদি 
পাখির,নাম দিয়েছে মউ।
নীল শাড়িটা পরে যেনো 
বসে আছে বউ।

কাজল কালো চোখ দুটি তার 
ভীষণ মায়া ভরা।
ঠোঁটে যেনো লাল গোলাপি
লিপস্টিক তার পরা।

ভিনদেশী ওই পাখি হেতায় 
আসলো মায়ার টানে।

ডালে বসে খুঁজছে
যেনো কাকে মনে মনে!

রঙবেরঙের নানান পাখি 
নিত্যি আসে উড়ে।
দেখতো যদি চাও তবে--
এসো ব্যারাক পুরে।

মন মজেছে খেলাধুলায় 

আলমগীর 

এখন আমরা খেলতে যাব
তোরা আছিস কই
শীতের আমেজ মন ডেকেছে
কদম তলায় ওই ।
খেলবো মোরা চার গুঠি তো
দলাদলি করে
ঝগড়া কভু করবো না যে
প্রানের সখি মিলে।
শীতের দিনে মন মজেছে
কুয়াশারি ঢলে
কদম তলায় বৃষ্টি পড়ে
ফিটফিটানি করে।
খেলা শেষে আমরা সবাই
যাব রাস্তা ধারে 
রবিকে যে ডাকবো মোরা
এসো আপন আপন ঘরে ।
পশ্চিমেরই হাওয়া যেন
বইছে মৃদু স্বরে
খেলাধুলা ভালো লাগছে
কুয়াশার ভোরে ।



বিশ্ব NGO দিবস পালন করা হয় ২৭শে ফেব্রুয়ারি; এবছরের থিম হলো- "Building a Sustainable Future: The Role of NGOs in Achieving the Sustainable Development Goals (SDGs)

● ভারতের ভ্রমণকারীদের জন্য ৫ বছরের মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসা চালু করেছে দুবাই।

● প্রাথমিক স্তন ক্যান্সার সনাক্তকরণের জন্য "Savera" প্রোগ্রাম চালু করলো হরিয়ানা:
      হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর রবিবার ( ২৫|০২|২৪) সাভেরা প্রোগ্রামের উদ্বোধন করেছেন - স্তন ক্যান্সারের প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং প্রতিরোধের লক্ষ্যে - যা মেদান্ত ফাউন্ডেশন গুরগাঁওয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগিতায় শুরু করেছিল।

● জাপানের সাথে 'Dharma Guardian' নামে মিলিটারি অনুশীলন শুরু করলো ভারত।

● সম্প্রতি ৭২ বছর বয়সে মারা গেলেন গজল সঙ্গীত শিল্পী পঙ্কজ উদাস:
    পঙ্কজ উধাস, একজন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী এবং পদ্মশ্রী বিজয়ী গত 26/02/24 ফেব্রুয়ারি মারা গেছেন। প্রবীণ গজল গায়ক, যিনি চণ্ডী জয় রঙ এবং চিত্তি আই হ্যায়-এর মতো গানের জন্য সুপরিচিত ছিলেন, দীর্ঘ অসুস্থতার পরে মারা গেছেন। ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে প্রবীণ গায়ক মারা গেছেন বলে জানা গেছে।

✒️ লিখেছেন:

আমার অন্তরেতে ভাসানিয়া

ইয়াহইয়া আহমেদ মাঝারভূইয়া

উদঘাটন অদ্ভুত সৃষ্টি মহাবিশ্ব খানি 
পাহাড় পর্বত শৃঙ্গ বন্ধনে ঘেরা,
তটিনী হিল্লোল বহে যায় কোন দেশে
ভুবন তোমারি এই সৃষ্টি হেরা।।

নিমেষে নিমেষে দিয়েছো কত সুবিত
এযে মহাবিশ্বকে দিয়েছ প্রাণ,
পাখিদের কন্ঠে দিয়েছো কত মধুর
হাসি কলরব শিল্পীর এই গান।।

সৃজিলে জগৎ লগনে তখনই অদ্ভুত
সৃজিলে হেন জমিন আসমান,
বাতাসে দুলে দুলে রয়েছে তরুলতা
জাগরিত করতে দিয়েছো প্রাণ।।

অন্তর মাঝে অনন্তকাল ধরেছে কল্প
ভূ-ধরে হেরিয়া আসনে কান্তি,
তোমারি ওই সৃষ্টির অদৃশ্যের জ্ঞানী
তুমি আমাদের হৃদয়ের শান্তি।।

বুকের কবাটে সাগরের যে তরঙ্গে মগ্ন
মাদল বাজিয়ে শুনি মৃদু বাঁশি,
প্রদীপের ঊষা মাখা খেলেছে মম হৃদে
সরলান্তরে লেগেছে পরশ হাসি।।

 অপরূপ সৌন্দর্য দেখিয়া আমার মনে
 পল্লবের কল্লোলে জাগানিয়া,
 নদীরভঙ্গি দেখে ফিরে আসিতে মানেনা 
হে আমার অন্তরেতে ভাসানিয়া।।

ভালোবাসা

পূর্ণা গাঙ্গুলী

ভালোবাসি খোলা আকাশের নিচে ঘুরতে,
খেলতে লুকোচুরি গাছের ফাঁকে,
কখনো বা সবুজ মাঠের ওপর খেলি ফুটবল,
কিম্বা খেলি যখন ক্রিকেট,হকি,
ভাবি নিজেকে রাজার রাজা,
কোনো দুঃখ নেই তো আমার,
আমার মত সুখী দুটো আর নেই।।

হারানো শৈশব 

মনোজ কুমার রায়

       আজকাল শৈশব অবস্থায় কিশোর কিশোরীরা খেলাধূলা ছেড়ে সমস্ত দিন মুঠোফোন নিয়ে গৃহবন্দী হয়ে থাকতে ওদের খুব ভাল লাগে। শৈশবের আঙিনায় যে সমস্ত খেলাধূলা করতে হয় তাঁরা এই সমস্ত খেলাধূলা করতে রাজি হয়না। পরিবর্তে গৃহকোণে বসে স্মার্টফোন নিয়ে নানা ধরণের গেইম খেলতে চায়।এই ধরনের আচরণএর জন্য ওদের ভবিষ্যত কখনও নিরাপদ নয়। খেলাধূলা আমাদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থাকে সুস্থ করে রাখে। শিশু, কিশোর ও কিশোরীরা খেলাধূলার প্রতি খুব একটা আগ্রহী হয়না। এদের মধ্যে খেলাধূলার প্রতি সচেতনতা আনতে হলে ওদের এ বিষয়ে অবগত করা প্রয়োজন। তাছাড়া খেলাধূলায় পারদর্শী হতে পারলে ভবিষ্যতের পথ প্রশস্ত হবে। শুধু যে পড়াশোনা করতে হবে তা নয়। পড়াশোনা খেলাধূলার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

          পরম্পরাগতভাবে অনেক খেলাধূলা আজ অতীত হয়ে গেছে। শৈশবের আঙ্গিনায় ছেলে মেয়েরা মাটির ঘটি বাটি দিয়ে খেলত। কিন্ত এধরনের খেলা সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে। এরকম যে কোন খেলা অতীতে ছিল কেউ বর্তমানে ভাবতেই পারছে না।নানা রকম প্রচলিত খেলাধূলার ধারাবাহিকতায় অনেকেই মুখোমুখি হয়েছিল। ইদানীং খেলার জগৎ পাল্টে যাচ্ছে। খেলার প্রতি সরকারের দায়ভার যথেষ্ট বলে মনে হয়। কচিকাঁচাদের নিয়ে প্রতিটি বিদ্যালয়ে বিনোদন মূলক আকর্ষনীয় খেলাধূলা করানো হয়।যাতে খেলার প্রতি সবার আগ্রহ জেগে উঠে।

       খেলাধূলা নিয়ে একটি ছোট্ট গল্পের উপর আলোকপাত করতে যাচ্ছি। অনন্ত কুড়ি পঁচিশ বছর আগে গ্রাম শহরের ছেলে মেয়েরা নানা ধরনের খেলাধূলা করত। ফুটবল,বলিবল ও মার্বেল খেলা সবার কাছে খুব আকর্ষণীয় ছিল। মেয়েদের খেলার মধ্যে বন্দী ,কূতকূত ও হাডু ডুডু খেলা করত।ওরা নানা ধরনের প্রতিযোগিতা মূলক খেলাতে প্রস্তুতি নিত।রমলা,সরলা ও সবিতা তিনজন খুব কাছাকাছি বন্ধু ছিল। গ্রামের শেষ প্রান্তে ওদের বাড়ি। গ্রামের নাম বকুল তলা। অন্তত কুড়ি পঁচিশ পরিবার নিয়ে এই ছোট্ট গ্রাম।
         
      রমলার বাবা অভীক দিনমজুর। খেটেখুটে কোন রকম পরিবারের ভরণপোষণ করেন। রমলার মা নিবাসীনি দত্ত রমলাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেন।রমলা ছোট্ট বেলা থেকেই খেলাধূলার প্রতি আসক্ত।রমলা খুব স্লিম ফিগার ও সুন্দর চেহারা।যে কেউ তার দিকে তাকালে মোহিত হয়ে যায়।যেমন তার দীর্ঘ কেশ তেমন ছিল তার ব্যবহার। রমলা পড়াশুনার সাথে যোগ ব্যায়াম ও খেলাধূলা করত।রমলা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসার আগে জেলা স্তরে খেল মোহর প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় এবং প্রথম পুরষ্কার অর্জন করে গ্রামের সম্মান বাড়িয়ে দেয়। রমলার মা নিবাসীনি রমলাকে সদা খেলার প্রতি উৎসাহ দিতেন। পড়াশুনার সঙ্গে রমলা তালমিলিয়ে খেলাধূলায় অনেক প্রশংসা কুড়ায়। একদিন রমলা দত্ত রাজ্যিক স্তরে এক হাজার মিটার দৌড়ে প্রথম স্থান অর্জন করে স্বর্ণপদক লাভ করে। এভাবেই রমলার জীবন ধাপে ধাপে এগিয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে রমলা দত্ত আন্তর্জাতিক স্তরে হকি, ক্রিকেট ও হাডু ডুডু ইত্যাদি খেলা প্রদর্শন করে গ্রামের সম্মান অটুট রাখে। রমলা দত্তের কথা শুধু পড়াশোনা নয়, পড়াশুনার সঙ্গে খেলাধূলায় পারদর্শী হতে হবে। তাহলেই একজন সুনাগরিক হওয়া সম্ভব।

টরোন্টোতে Goodfellow Classic PSA Challenger Tour Title জিতলেন ভারতীয় স্কোয়াশ খেলোয়াড় অভয় সিং
     ভারতের অভয় সিং শনিবার কানাডার টরন্টোতে গুডফেলো ক্লাসিক 2024 স্কোয়াশ টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওয়েলসের এলিয়ট মরিস ডেভরেডকে 3-0 (11-7, 11-9, 11-9) পরাজিত করার পরে জিতেছেন। দ্য গুডফেলো ক্লাসিক, একটি পিএসএ চ্যালেঞ্জার ট্যুর স্কোয়াশ ইভেন্ট, শুধুমাত্র পুরুষদের একক প্রতিযোগিতার বৈশিষ্ট্যযুক্ত।

World Bank's GEF-এর প্রথম মহিলা ডিরেক্টর পদে নিযুক্ত হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত অর্থনীতিবিদ গীতা বাত্রা।

● Hockey India-এর CEO পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইলিনা নরম্যান।

Paytm Payments Bank-এর চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করলেন বিজয় শেখর শর্মা :
  বিজয় শেখর শর্মা Paytm পেমেন্টস ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যানের ভূমিকা থেকে পদত্যাগ করেছেন কারণ RBI সম্মতির সমস্যাগুলির পরে আমানত এবং ক্রেডিট লেনদেন নিষিদ্ধ করেছে৷ বোর্ড পুনর্গঠনের লক্ষ্য নিয়ন্ত্রক উদ্বেগের সমাধান করা।

ব্রিটিশ যুগের মুসলিম বিবাহ আইন বাতিল করলো আসাম সরকার:
   আসাম সরকার 1935 সালের মুসলিম বিবাহ ও বিবাহবিচ্ছেদ নিবন্ধন আইন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, 23 শে ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভা 'আসাম রিপিলিং অর্ডিন্যান্স 2024' অনুমোদন করেছে। আরও জানতে ভিডিওটি দেখুন।

সত্যব্রত

ইন্দ্রনীল চ্যাটার্জী

সে প্রায় ছয় হাজার বছর আগেকার কথা,সংযত মনের অধিকারী -আযুধ থাকা সত্তেও আয়ুধহীন মানসিকতার অধিকারী বীর বিশেষ!বিজয় আর পরাজয়ের মাঝে উপনীত এক দরদী দার্শনিক সত্তা,প্রতীক্ষায় রত!!গভীর দুর্যোগময় ভয়াল পরিস্থিতি-চতুর্দিক থেকে যেন অন্ধকার নেমে আসছে!বাতায়নের ধারে রক্তিম পর্দা বাতাসের দমকা হাওয়ায় সরে গেল।রাত অনেকটা;একাকী চিন্তামগ্ন সত্যব্রত-আগামি পরিস্থিতি কি হতে চলেছে বা আগামি দিনের লিখিত ইতিহাস তাঁকে কি বলবে বা যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে তাঁর দায় কতটা বর্তায়!চোখের কোণে জল ধরে রাখতে পাড়লেন না,জল ছলকে পরল!এ কি ভাগ্যের নিষ্ঠুর পরিহাস!!!পাশে তাঁর অব্যক্ত দূ:খে সহানুভূতি,তাঁর দূ:খে দূ:খি হবার মত বা তিনি কারো কোলে মাথা রেখে নিজের ভারাক্রান্ত হৃদয়ের ব্যথা ব্যক্ত করবেন-সে উপায়ও নেই!কিন্তু এই যুদ্ধ আর তাঁর ভালো লাগে না,শান্তির খোঁজে ঋষি সর্বজ্ঞের আশ্রমে গেলেন এক সাধারন শিষ্য রূপে।ঋষি সর্বজ্ঞ ধ্যান আসনে উপবিষ্ট!শিষ্য সত্যব্রত স্নান করে মহাদেবের পূজা করে জোড়হস্ত এ তার সম্মুখে উপস্থিত হলেন।তিনি চোখ উন্মীলিত করলেন।শিষ্যকে বসার আদেশ এবং অত:পর শুরু হলো কল্প আয়ুধ-ঔষধ বৃক্ষে তথা প্রাকৃতিক সম্পদে ঋদ্ধ তপোবনে গুরু শিষ্যের একান্ত আলোচনা!-ঋষি সর্বজ্ঞ মানবজাতির কল্যাণার্থে অতি গুপ্ত স্বপ্নদর্শণ শিষ্যের নিকট পেশ করলেন! ঋষির মুখে মৃদু হাস্য,তার গূর্হ্য অর্থ অবশ্যই রয়েছে!আবার তাঁর জন্ম হল এক মাহেন্দ্রক্ষণে!

ফাগুন হাওয়া

নিতাই শর্মা

ফাগুন হাওয়া বইছে আকাশে বাতাসে,
নীল আকাশে রাঙা মেঘের দল ভাসে।
পত্রহীন বৃক্ষশাখা শীতের বিদায় ক্ষণে,
নব কিশলয় গজায় বসন্তের আগমনে।

শিমুল পলাশ কৃষ্ণচূড়া আবির বরণে ,
শোভিত বনে বনান্তে আর দূর গগণে।
পরিযায়ী পাখিরা ডানা মেলে উড়ে,
যাবার তরে আপন নীড়ে বহু দূরে।

আম্রকুঞ্জে ধরেছে শ্বেতশুভ্র মুকুল,
মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণে উড়ে অলিকুল।
বসন্তের বাগিচায় ফুটেছে নানা ফুল,
বসন্তের আগমনে হোলি উৎসব দোল।

প্রকৃতি সেজে উঠে অপরূপ বরণে,
কচিকাঁচারা মেতে ওঠে সারদা পার্বণে।
নানা রঙের পাখি আসে ঋতু বসন্তে,
পাখির কলতানে ঘুম ভেঙে যায় প্রাতে।

রঙের উৎসব হোলি দোল পূর্ণিমাতে,
নাচে গানে মাতে সাঁওতাল পল্লিতে।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উৎসব হোলিতে,
আবির ছড়ায় কৃষ্ণ চরণে দোল বেদীতে।

মধু কবি

শিবনাথ মন্ডল

মাইকেল মধুসূদন দত্ত এক
অন্যতম বাঙালি কবি,
তাঁর কলমে ফুটিয়ে ছিলেন
মনের নানা ছবি ।
জন্ম তাঁর যশোর জেলায়
সাগড় দাঁড়ি গ্রামে
বাংলা কবিতা লিখেছিলেন
অমিত্রাক্ষর ছন্দ নামে।
বিদেশ থেকে ফিরে এসে
হলেন বাংলা কবি
প্রেরণা তাকে যুগিয়ে ছিলেন
মা জাহ্নবীদেবী।
মাত্র চার বছর বাংলা চর্চা করে
হলেন কবি কালজয়ী
বাংলায় ফিরে বাংলা লিখে
হলেন কবি স্থায়ী।
মেঘনদ বধ মহাকাব্য
তাঁর‌ই অমোঘ সৃষ্টি
আজও তা বিশ্ব বাংলার
সেরার সেরা কৃষ্টি।
চলে গেছেন তিনি অনেক দূরে
মণি মাণিক্য রেখে
তবু সবার হৃদয়ে রয়েছেন
স্মৃতির সুরভি মেখে ।।

মানে না কারও বাঁধা

প্রহ্লাদ কুমার প্রভাস

মানে না কারো বাঁধা, মেখে মাটি কাদা খেলে চলে নিজ মনে।
যত করো ডাকাডাকি, যতো করো হাঁকাহাঁকি দুরন্ত সে ছুটবে দলবল সনে।।
সকাল গড়িয়ে রাত হবে, খেলবে সে আপন মনে কিছুই না ভাববে।
বাবা- মা একের পর এক, দিতে আসবে ডাক তবু সে ফিরতে না চায়বে।।

এক গ্রাম অন‍্য গ্রামে, উড়ে বেড়ায় যেন পাখি সে এইতো সময়।
দুরন্ত আর সাহসী কত, দেখ যাই করে ইচ্ছে মতো পাবে কোথায় যদি এই সময় হারিয়ে যায়??
সারাদিন ছুটোছুটি, কাদামাটিতে লুটোপুটি তবুও হবে না সে ক্লান্ত।
সকাল থেকে রাত অবধি, সর্বক্ষণ সে খেলে যদি তবুও হবে না সে শান্ত।।

সে বীর, হবেনা কভু ধীর নিজেকে নিয়েই মশগুল।
কত দুরন্ত আর উদ্দীপনা, কোন কিছুতেই হার মানে না বারেবারে যতই হোক ভুল।।

খেলাধুলা

রবিন রায় 

খেলা নিছক ক্রীড়া নয়,
কর্মকাণ্ডের নব স্পৃহা;
নিয়মিত খেলাই শেখায় -
ভুলতে অলসতার অনিহা। 

শৈশবের এই হাসি খেলা -
জানায় কর্মে ঝরে ঘাম, 
খেলায় খেলায় হয় গো-
সারা স্ফূর্ত দৈহিক ব্যায়াম।

নতুন খেলায় নতুন তর শিক্ষা, 
ভিন্ন প্রকারের নিয়মানুবর্তিতা ;
একাগ্র খেলোয়াড়ই জানে মনে-
কিভাবে করতে হয় সহযোগিতা। 

অন্যায়ে নিয়ম ভঙ্গে যেমন -
সোচ্চার হয় কচি ঠোঁট, 
দল বেঁধে খেলার থেকেই -
হতে শেখে এক জোট। 

খেলতে গেলে হতেই পারে,
একদিন হার, একদিন জিত;
এই হারজিতটা সহে গেলেই -
গাইতে পারে সুষ্ঠ জীবন গীত। 

এমন ভাবেই খেলা মোদের -
হয়ে ওঠে জীবনের অঙ্গ, 
কৈশোরের খেলার প্রভাব, 
দেয় বাকি জীবনে সঙ্গ। 

এসো গায়ে মেখে কাদামাটি, 
খেলি খেলা মনের আনন্দে ;
মিলন মেলায় বাড়ুক সৌহার্দ্য 
কেউ ভাঙতে না পারে দ্বন্দ্বে। 

খেলা যখন ধূলায় ছিলো, 
মানুষ ছিলো খাটি;
ধুলোর ভয়ে যেদিন মাঠ -
ছেড়েছে জীবন হয়েছে মাটি।

মানুষ ছিলো সুস্থ সবল,
মানসিক দৃঢ়তায় পোক্ত ;
সামাজিকতায় বা লৌকিকতায়-
সমীহে সম্মান জানাতে রপ্ত।

এই দূষণ ভরা পৃথিবীতে -
ক্যামিক্যালের মরন পাশা;
মাটি থেকে সরে চাও কি -
দেহে বাঁধুক রোগের বাসা ? 

এখন দেখি সব ঘরে ঘরে -
সবাই মুঠোফোনে বন্দী, 
নষ্ট মস্তিষ্ক কালের প্রভাবে, 
একে অপরের ঘোর প্রতিদ্বন্দ্বী!

ওই গগনতলে খোলা মাঠে -
হোক আবার খেলা শুরু,
মনুষ্যত্বে মান বৃদ্ধি পাবার -
খেলা এক অলিক কল্পতরু। 


 

পরিচয় শিশু সাহিত্যের ই-সম্মাননা পত্র ডাউনলোড করুন*

ডাউনলোড

পরিচয় শিশু সাহিত্যের জন্য লেখা/ছবি নিয়মাবলী দেখুন*

নিয়মাবলী

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

1মন্তব্যসমূহ
  1. ✍️ খেলাধুলোয় ঘেরা শৈশবের স্বর্গীয় সুখানুভূতি ফিরে এল সংখ্যাটির মধ্য দিয়ে।সঙ্গে রয়েছে সুদক্ষ সম্পাদনা!
    রবিবারের শুভেচ্ছা সকল পাঠক বন্ধুদের প্রতি।
    🙏

    উত্তরমুছুন
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন