পরিচয় শিশু সাহিত্য | এগারো সংখ্যা | প্রকাশ ৮ই অক্টোবর ২০২৩

পরিচয় শিশু সাহিত্য

এগারো সংখ্যা
 
পরিচয় শিশু সাহিত্য | এগারো সংখ্যা | প্রকাশ ৮ই অক্টোবর ২০২৩

প্রকাশ:
  • বাংলা: ১৮ই আশ্বিন ১৪৩০
  • ইংরেজী: ০৭ই অক্টোবর ২০২৩ 
  • বার: রবিবার।
  • সময়: সকাল ০৭টা ( কলকাতা টাইম জোন)
আজ আবহাওয়া: ৩৩°C   (পশ্চিমবঙ্গ)
  • আংশিক মেঘলা
  • বৃষ্টিপাত: ২০%
  • আর্দ্রতা: ৭৭%
  • বাতাস: ৬ কিমি/ঘন্টা
আজ ঘটনা:
  • ৬২৪ - ( ২ হিজরী ) কিবলা বায়তুল মোকাদ্দাস হতে কাবায় পরিবর্তন করা হয়।
  •  ১২৫৬ - ফ্রান্সের রাজধানী প্যারির দেশের সারবন কাউন্সিল করা হয়।
  •  ১৭৩৫ ফরাসী গণিত ও ভূগোলবিদরা সঠিক চিহ্নিত চিহ্নিত করার জন্য প্রথম গবেষণার কাজ শুরু করেন। এ লক্ষ্যে ফরাসী সরকার বিজ্ঞান একাডেমীর ঐ সংস্থার জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দ করে। ভোটারা বিস্তৃত পরীক্ষা অব্যাহত গুরুত্বপূর্ণ বিষুব রেখা ও আমার দুই দিকের দিকে চেপে থাকার সময় দেখা করেন।
  •  ১৮৮১ - ভিতনামের দক্ষিণে সামরিক ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। আপনি এ অনেক বাড়িঘর, প্রতিষ্ঠান ও ক্ষেত খামার চটি হয়। এ ঝড়ে জেটি প্রায় তিন লক্ষ মানুষ হারিয়েছিল।
  •  ১৮৮৫ - ফরাসীরা ভিয়েতনামে উপনিবেশ স্থাপন করে। এর আগে ভিয়েতনাম বহুদিন চীনের অন্তর্গত ছিল। অভ্যন্তরীণ লড়াই সংঘাত ও ইউরোপীয় নিবেশবাদী দেশগুলির সাথে বিগ্রহের কারণে চীন অনেক যুদ্ধ উপদেশ ফাঁস চীনের কিছু অংশ নিয়েছিল। ১৯ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে ভিয়েতনামের জন্য শুরু করে এবং আজকের এই দিনে তারা ভিয়েতনাম চালাতে সক্ষম হয়।
  •  ১৯১৯ - মহাত্মা গান্ধীর শেষায় ইংরাজী সাপ্তাহিক ইয়ং প্রথম দেখা হয়।
  •  ১৯৩২ - রয়্যাল বিনিয়োগ এয়ার ফোর্ন্স প্রতিষ্ঠা হয়।
  •  ১৯৩৯ - পোল্যান্ডকে জলির অঙ্গীভূত করা হয়।
  •  ১৯৫৪ - হো চি মিনের নিজের ইচ্ছায় কমিউনিস্টরা হানায়ফা করেন।
  •  ১৯৬২ - আলজেরিয়া জাতিসংঘে যোগদান করে।
  •  ১৯৭৩ - ব্রিটেনের প্রথম আইন সামাজিক বাণিজ্যিক বেতারকেন্দ্র (এলবিসি) সম্প্রচার শুরু করে।
  •  ১৯৮৯ - হাঙ্গেরিতে কমিউনিস্ট পার্টিকে বিলুপ্ত করা হয়।
  •  ১৯৯০ -পাদার রাইলী সেনারা আল আকসা মসজিদে নামাজ ফিলিস্তিনদের উপর নৃশংস যুদ্ধ চালায়। এলোয়ার ২০ জন জন এবং আরো বেশি ফিলিস্তিনি অধিকারী হয়।
  •  ১৯৯১ - স্পিকার আবদুর রহমান বিশ্বাস মুসলিম হন।
  •  ২০০৫ উত্তর পূর্ব পূর্বে কাশ্মীরের শহরের শহর মোজাফরাবাদে সাতটি লড়াইমী রিক্তার স্কেলের দল ভূমি কম্পিউটার সংঘটিত হয়। স্থানীয় এ ভূমি কম্পিউটারে প্রায় ৯০ হাজার মানুষ এবং ৩৩ লক্ষ মানুষ চিহ্নিত হয়েছিল।
লিখেছেন:

কবিতার নাম: হাবিজাবি।

কবির নাম: সুশান্ত সেন।

বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো
আমার জিত তুমিই হেরো।
গান জুড়েছে ভীষ্ম মামা
অনেক হলো এবার থামা।
ঢান কুড় কুড় বাদ্যি বাজে
তুমি এলে না যে কাজে।
আদ্দি কালের বন্দী ভূত
পেত্নী দানো'র ছোট্ট পুত,
কত গান ত হলো গাওয়া
শেষ হলো কি চাওয়া পাওয়া।
চালের ভেতর এটেল পোকা
ফুল ফুটেছে থোকা থোকা।
হারিয়ে গেছে ঘরের চাবি
লিখছি বসে হাবিজাবি।

কবিতার নাম: লেখাপড়ায় গণিত শেখা।

কবির নাম: মোহাঃ নাসিমুদ্দিন হক।
 
মোরা গণিত করি সবাই
ভালোবেসে করি না তাই,
রোজ গণিত করেও 
পায় না মজা ভাই।
 
অনেকে বলে হায়-রে-হায়,  
কে করেছে এ এক অনাসৃষ্টি !!? 
গণিত করে হয় না মোদের
একদমই আত্মতুষ্টি। 
 
অন্যেরা বলে গণিত ছাড়া
কিছুতেই বাঁচবো না মোরা !! 
কষা যায় যদি মন দিয়ে, তবে
গণিতের মজা থাকবে না অধরা।
 
মন দিয়ে কষলে যদি
গণিতে বাড়বে ভালোবাসা ;
সে সুবাদে জন্ম নেবে
উচ্চমানের প্রত্যাশা।

ভারতীয় বায়ুসেনা দিবস।
ভারতীয় বায়ুসেনার ছবি
ভারতীয় বায়ুসেনা দিবস:
প্রতি বছর ৮ অক্টোবর পালিত হয় ভারতীয় বায়ুসেনা দিবস (The Indian Air Force Day)। এই বছর ভারতীয় বিমান বাহিনী (IAF) ৮৮তম বায়ুসেনা দিবস পালন করছে। দেশের বিভিন্ন শক্তিশালী যুদ্ধবিমান আকাশে নানা কসরত দেখায় এই দিনে। দিল্লির কাছে গাজিয়াবাদে হিন্দানে এয়ার ফোর্স স্টেশনে পালিত হয় এই দিবস। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বেলা ১১টা পর্যন্ত চলবে ভারতীয় বায়ুসেনা দিবস (The Indian Air Force Day) পালন।

গল্পের নাম: বিট্টু ও তার মাছরাঙা।

লেখক: কমল ঘোষ।

ভীষণ ব্যস্ত মস্ত নগরের ছোট্ট নাগরিক বিট্টু। সেই বিট্টু স্কুলে পড়াশোনা করতে গিয়ে হাঁপিয়ে ওঠে, মন অস্থির হয়ে ওঠে বাড়ি ফেরার জন্য। পড়াশোনা তার ভালো লাগে না এমনটা নয়, জানার আগ্রহ তার প্রবল। আসলে এই নগরের একমাত্র যে পুকুর, কুঁজি পুকুর তার পাড়েই তাদের বাড়ি। পুকুরের পাড়ে কত গাছ-গাছালি, লতাপাতা, হাজারো পাখির আনাগোনা। যেমন সুন্দর তাদের রঙ তেমনি সুন্দর তাদের ডাক। তাদের নানান ভঙ্গি দেখতে দেখতে বিট্টু খুশিতে নেচে ওঠে ।ঐ সব গাছপালা আর পাখিদের সঙ্গে কখন যে তার বন্ধুত্ব হয়ে গেছে সেটা বোধ হয় বিট্টুও জানে না। তাই তাদেরকে দীর্ঘ সময় না দেখতে পেলে ধোঁয়া ধুলো আর ইমারতে ভরা নগরে তার মন ছটফট করে। এই তো ক'দিন আগের কথা স্কুল ছুটি থাকায় বাড়িতেই ছিল বিট্টু, দুপুরবেলায় বাড়ির ঝুলবারান্দায় বসে বন্ধুদেরকে দেখছিল। হঠাৎ একটা কাক একটা মাছরাঙার বাচ্চাকে আক্রমণ করে বসল। আক্রমণের ধরন দেখে সে কাঁদতে কাঁদতে ছুটলো মায়ের কাছে। মা রান্না করছিলেন তাই তার যাওয়ার ইচ্ছে ছিল না। বিট্টু রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের গ্যাস বন্ধ করে মাকে টেনে নিয়ে গেল পুকুরের পাড়ে।ততক্ষণে আহত মাছরাঙাটি প্রাণের ভয়ে পালাতে গিয়ে পড়েছে জলে, তাও নিস্তার নেই। কাকটি সেখানে উড়ে এসে আবারও ঠোকরাতে শুরু করেছে বাচ্চাটিকে। বিট্টুর মা তড়িঘড়ি তার কাছে গিয়ে পৌঁছল বলে কাকটি নিরুপায় হয়ে সরে পড়ল। সেযাত্রায় বেঁচে গেল মাছরাঙাটি। বিট্টু আজ বন্ধুকে হাতের নাগালে পেয়ে খুব সেবা শুশ্রুষা করতে লাগল। তারপর আহত অবস্থায় পালাতে গিয়ে যাতে কোন বিপদে না পড়ে সেই জন্য একটা ঝুড়িতে ঢাকা দিয়ে রাখল। সন্ধ্যেবেলায় মাছরাঙাটি হুলস্থূল মাচিয়ে দিল। নিজেকে মুক্ত করার জন্য তার চেয়ে বেশ বড় এবং ওজনেও অনেক ভারি ঝুড়িটাকে ঠোঁটের ঠোক্করে যেন ভেঙে ফেলবে মনে হল। এই অবস্থা দেখে বিট্টু পড়ল উভয় সঙ্কটে - ছেড়ে দিলে যদি বাসায় পৌঁছতে না পারে তাহলে বিপদ । আবার মা ছাড়া ঐ ঝুড়িতে ঢেকে রাখলেও বিপদ, কারণ ভয়েই হয়ত সে মারা পড়বে।শেষে মায়ের পরামর্শে পাখিটিকে মুক্ত করে দিল সে। মুক্ত করে দিতেই পাখিটি সন্ধ্যার আলো-আঁধারি পরিবেশে উড়ে গেল। বন্ধুর দুশ্চিন্তায় সারারাত্রি প্রায় জেগেই কাটালো বিট্টু।ভোর বেলায় শুরু পাখির কলতান। এই পাখির কলতানেই বিট্টুর ঘুম ভাঙে, কিন্তু আজ তো ঘুম ভাঙার ব্যাপার নেই কারণ ও তো আজ জেগেই আছে। বিট্টু ঝুলবারান্দায় দাঁড়ালো, তার দু'চোখ খুঁজে বেড়াচ্ছে ছোট্ট মাছরাঙাটিকে কিন্তু তখনও সূর্যের আলোতে চারিদিকটা ঠিক মতো আলোকিত হয় নি, তাই ছোট্ট মাছরাঙাকে দেখতে পাওয়ার কথা নয়। ক্রমেই সূর্যের আলোর প্রখরতা বাড়লো, ঝলমল করে উঠল চারিদিক । কিন্তু মাছরাঙাটির দেখা নেই।বিট্টুর মন বেশ খারাপ, চুপচাপ মনভার করে বসে থাকলো বারান্দায়। দৃষ্টি পুকুর পাড়ের গাছের ডালে। মা তাকে স্কুল যাওয়ার জন্য তৈরী হয়ে নিতে বলে, কিন্তু বন্ধুর সঙ্গে দেখা না করে স্কুলে যেতে মন চাইছে না বিট্টুর মা তার ছেলের মনের অবস্থা খুব ভালো ভাবে জানেন, তাই জোর দিয়ে কিছু বলেছেন না। মায়েরও মনটা খারাপ, দরজা খুলে উঠনে পা ফেলতেই চোখ পড়ল গতকালের সেই বাচ্চা মাছরাঙা আর তার মা-বাবা খুরে বেড়াচ্ছে। বিট্টুকে সেকথা জানাতেই দৌড়ে নেমে এলো উঠনে। মা ও ছেলেকে তাদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেও ভয় পেল না তারা, বরং তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করে দিল। বোধ হয় বাচ্চা মাছরাঙাটি তার মা-বাবাকে চিনিয়ে দিল তার বন্ধুদেরকে যারা গতকাল তার প্রাণ বাঁচিয়ে ছিল, আর তাই বোধ হয় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে তারা অমন করে চেঁচামেচি শুরু করল। বিট্টু তার মাকে বলল, 'মা, তার মানে ওরাও মানুষের ভালোবাসা বোঝে আর উপকারীকে কৃতজ্ঞতা জানায়?'
মা বলেন, 'নিশ্চয়, নিজের চোখে তো দেখলি।'
তারপর থেকে সেই মাছরাঙাটি প্রতিদিন সকাল হলেই নির্ভয়ে বাড়ির উঠোনে, ঝুলবারান্দায় এবং বিট্টুর পড়ার ঘরে ঘুরে বেড়াতো। সকালবেলায় কোন কারণে ঘুম থেকে উঠতে দেরী হয়ে গেলে বন্ধ জানালায় ঠোঁট দিয়ে টোকা দিত। তাই নিয়ে শুরু হল বিট্টুর ছড়া লেখা, তেমনি একটা ছড়া দিলাম -

বন্ধ জানালায় দিচ্ছে ঠোকা
বন্ধু যে গো মোর! 
আর শুয়ে থাকা চলবে নাকো
হয়েছে বুঝি ভোর!

এশিয়ান গেমস
এশিয়াডে ১০০-র স্বপ্ন পূরণ করে ১০৭-এ থামল ভারত, ফিরছে ২৮ সোনা, ৩৮ রুপো, ৪১ ব্রোঞ্জ নিয়ে
শনিবার ১০০টি পদক পেরিয়ে গেল ভারত। দিনের শেষে থামল ১০৭টি পদক নিয়ে। সোনা জয়ই হোক বা মোট পদকসংখ্যা, সবেতেই রেকর্ড হয়েছে এ বার।

এশিয়ান গেমস
সোনা জয়ী ভারতের ক্রিকেট দল।

আপডেট: ০৭ অক্টোবর ২০২৩
নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল আগেই। শনিবার এশিয়ান গেমসে অপেক্ষা ছিল কখন আনুষ্ঠানিক ভাবে ১০০টি পদক ছোঁয় ভারত। বেশি ক্ষণ অপেক্ষা করতে হল না। মেয়েদের কবাডি দল সোনা জিততেই ১০০ পদক ছুঁয়ে ফেলে ভারত। এশিয়ান গেমসে সবচেয়ে ভাল ফল হল এ বারই। পাশাপাশি, দিনের হিসাবে সবচেয়ে বেশি সোনাও এসেছে শনিবার। আনুষ্ঠানিক ভাবে এশিয়ান গেমস রবিবার শেষ হবে। কিন্তু ভারতীয় খেলোয়াড়দের প্রতিযোগিতা শনিবারই শেষ হয়ে গেল। এশিয়াডের শেষে ভারতের দখলে ২৮টি সোনা, ৩৮টি রুপো এবং ৪১টি ব্রোঞ্জ। মোট ১০৭টি পদক নিয়ে শেষ করেছে চতুর্থ স্থানে। কেমন গেল ভারতের চতুর্থ দিন?

ক্রিকেট:
তিতাস সাধুদের হাত ধরে মেয়েদের ক্রিকেটে সোনা জিতেছিল ভারত। ছেলেদের ক্রিকেটেও সোনা জিতল তারা। বৃষ্টির কারণে ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়ে যায়। ক্রমতালিকায় এগিয়ে থাকার কারণে সোনা জেতে ভারত। ফাইনালে পুরো খেলাই হল না। বৃষ্টির কারণে প্রথমে ২০ মিনিট দেরিতে শুরু হয় ম্যাচ। আফগানিস্তানকে ব্যাট করতে পাঠায় ভারত। বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ১৮.২ ওভারে ১১২ রান তোলে আফগানিস্তান। পাঁচ উইকেট হারিয়েছিল তারা। সেখানেই খেলা বন্ধ হয়ে যায় বৃষ্টির কারণে। আফগানিস্তানের হয়ে ৪৯ রান করেন শাহিদুল্লা। তিনি অপরাজিত থেকে যান। অপরাজিত থেকে যান গুলবাদিন নাইবও। তিনি ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন। ভারতের হয়ে একটি করে উইকেট নেন আরশদীপ সিংহ, শিবম দুবে, শাহবাজ আহমেদ এবং রবি বিষ্ণোই। সেই ম্যাচ আর খেলা সম্ভব হয়নি।
আপডেট: ০৭ অক্টোবর ২০২৩


তিরন্দাজি:
এশিয়ান গেমসে শনিবার শেষ দিন ভারতের শুরু হয়েছিল জোড়া পদক দিয়ে। প্রথমে ব্রোঞ্জ জ‌েতার কিছু ক্ষণের মধ্যেই ভারত সোনা জিতে নেয়। দু’টি পদকই আসে তিরন্দাজি থেকে। মহিলাদের কম্পাউন্ড বিভাগে সোনা জেতেন জ্যোতি সুরেখা ভেন্নাম। তিনি ফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়ার চেয়োন সো-কে হারান। একই ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জেতেন অদিতি স্বামী। জ্যোতি এর আগে কম্পাউন্ড মিক্সড ইভেন্টে সোনা জিতেছিলেন। সেখানে তাঁর সঙ্গী ছিলেন ওজাস দেওতালে। তিনি ছেলেদের কম্পাউন্ড ইভেন্টে ব্যক্তিগত বিভাগে সোনা জিতেছেন। শনিবার জ্যোতি হারিয়ে দেন দক্ষিণ কোরিয়ার সো চায়েওনকে। ১৪৯-১৪৫ পয়েন্টের ব্যবধানে জেতেন ভারতীয় তিরন্দাজ। জ্যোতি ফাইনালে শুরুটা করেছিলেন ৯ পয়েন্টে তির মেরে। তার পরের ১৪টি তিরই ছিল ১০ পয়েন্টে। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিযোগী প্রথম রাউন্ডে তিন বার ১০ মারার পর প্রতিটি রাউন্ডেই একটি করে তির ৯ বা ৮ পয়েন্টে মারেন। প্রতি রাউন্ডেই পিছিয়ে পড়ছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত তাঁর পক্ষে জেতা সম্ভব হয়নি।

এ ছাড়া, শনিবার তিরন্দাজিতে ছেলেদের ব্যক্তিগত বিভাগে সোনা জেতেন ওজাস দেওতালে। সেই ইভেন্টেই রুপো পেলেন অভিষেক বর্মা। তাঁরা দু'জনেই কম্পাউন্ড তিরন্দাজির ফাইনালে উঠেছিলেন। আগেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল যে দু'টি পদক তাঁরা আনবেন। কিন্তু কে কোন রঙের পদক আনবেন সেটাই ছিল প্রশ্ন। শনিবার ওজাস জিতে যাওয়ায় সোনার পদক তাঁর।ওজাস তিরন্দাজির বিশ্বকাপেও সোনা জিতেছিলেন। এই বছর অগস্টে বার্লিনে বিশ্ব তিরন্দাজি প্রতিযোগিতার ফাইনালে তিনি হারিয়েছিলেন পোলান্ডের লুকাস প্রিবিলিস্কিকে। শনিবার ওজাসের লড়াই ছিল নিজের দেশের অভিষেকের সঙ্গে। সেখানে ১৪৯-১৪৭ পয়েন্টে জেতেন ওজাস। ফাইনালে ১৫ বার তির ছোড়েন তিনি। এর মধ্যে এক বার ৯ পয়েন্ট পান। বাকি ১৪ বার ১০ পয়েন্ট তুলে নেন ওজাস। অভিষেকও প্রায় সমানে সমানে লড়লেন। কিন্তু দ্বিতীয় রাউন্ডে এক বার ৯ এবং তৃতীয় রাউন্ডে এক বার ৮ পয়েন্ট পান তিনি। তাতেই সোনা জয় কঠিন হয়ে যায় অভিষেকের পক্ষে।

কবিতার নাম: সাহিত্যের অঙ্গন।

কবির নাম: নিতাই শর্মা।

ভাবি বসে মনে মনে সামান্যই ছিল পরিচিত জন,
সাহিত্যের কল্যানে এখন হয়ে গেছে সহস্রজন।
সাহিত্য অঙ্গনে প্রবেশিলাম গত ডিসেম্বর মাসে,
প্রথম সম্মাননা পেলাম আমি ডিসেম্বরের শেষে।

বিনোদন ছিল সাহিত্য পত্রিকাটির নামখানা,
যার তরে লেখা দিয়ে পেয়েছিলাম সম্মাননা।
লেখার অভ্যাসখানা আমার ছিল না খুব বেশী,
এক কবি বন্ধুর নিকট সন্ধান পেয়ে এখানে আসি।

প্রতিদিন লিখে যাই আবুল তাবুল যা মনে আসে,
সনদ আর সম্মাননা যেন পেয়ে যাই সেই আশে।
পেয়ে গেলে সনদটা মন ভরে যায় আনন্দ উল্লাসে,
নিজের লেখার অভ্যাসটা গড়ে উঠে অবশেষে।

বন্ধু অনেক রাজ্যে বহির্রাজ্যে বিদেশে দেশে ,
লেখক আর পাঠক হয়ে যাই ভালোবেসে।
অনলাইনে লেখালেখি শুরু হয় কভিড কালে,
শতাধিক সাহিত্য পত্রিকার অভ্যুত্থান সেকালে।

একে একে প্রবেশ করি বিবিধ সাহিত্য পত্রিকায়,
লেখার সাথে সাথে থাকি পাঠকের ভূমিকায়।
বিবিধ কাব্য কৌশল আমার আয়ত্বে আসে,
সাহিত্যের অনুরাগে সাহিত্যকে ভালোবেশে।

আমি পারিনি কবি সাহিত্যিক লেখক হতে,
প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবো যতোদিন বাঁচি জগতে।
সাহিত্য সংস্কৃতি ছাড়া কোন জাতি বাঁচে না,
মননশীল চেতনা জাগ্রত করে সাহিত্য ভাবনা।

ছড়া: স্বপ্নেরা ভাসে।

কবির নাম: পূর্ণা গাঙ্গুলী।

স্বপ্নেরা জেগে থাকে মনের গোড়ায়,
শুধু তাদের করতে হবে সক্রিয়,
তাহলে স্বপ্নদের তোরে যাবে ভেসে..
কোন্ এক অচিনপুরের দেশে,
যেখানে থাকবে পাশে বেঙ্গমা বেঙ্গমী,
পক্ষীরাজ ঘোড়ায় চড়ে যাবে চলে... বহু দূরে ।।

চিত্রের নাম:কৃষ্ণ কোলে যশোদা।শিল্পী:অনুরিমা দাস।
চিত্রের নাম:কৃষ্ণ কোলে যশোদা।
শিল্পী:অনুরিমা দাস।

কবিতার নাম: রঞ্জা পিসির বিয়ে।

কবির নাম: বিমল চন্দ্র পাল।

রঞ্জা পিসি বেজায় খুশি 
যায়নি সে বুড়িয়ে
বয়স তার পঞ্চ পঞ্চাশ
চলে ফুর ফুরিয়ে।

মিলনগড়ের সুমন ভাওয়াল
বয়স তার ষাট
বিয়েটা এখনো হয়নি তার
ঘুরেছে নানান ঘাট।

ঘরে বাইরে সুমন খুড়োর
তিন কুলে নেই কেউ
নদীর পাড়ে বাস তার 
গোনে নদীর ঢেউ।

রান্না খাওয়া নিজের হাতে
নদীর পাড়ে বসা
দিনে চারবার চা খায় শুধু
নেই অন্য নেশা।

রঞ্জা পিসি সদাই হাসি
বেজার কভু হয়না
দাদার ঘরে আহার জোটে
স্বভাবে মন্দ রয়না।

সেদিন পিসি চাকদা যাবে
এলো খেয়া ঘাটে
সু্মন দাদা সেই ঘাটেতে
ছিলো বসে বটে।

দুই প্রবীনে চোখা চুখি
মোচর দিল মনে
পাশাপাশি বসে কথা 
হলো যে দুজনে।

দেয়ানেয়া করে নেয়
দুজনের মন 
ঘাট আলো করে তারা
থাকে অকারণ।

ঘাটে কত লোক আসে
কত কথা বলে
সোনার জুটি কভু
যায় নাতো চলে।

একদিন দুজনে 
নিল সিদ্ধান্ত
মনের লুকোচুরি খেলা
হোক তবে অন্ত।

সিঁথি ভরা সিন্দুরে
পিসির মাথা রাঙে
এতদিন পরে তার
অধবা দোষ ভাঙে।

কেউ বলে ছিঃ ছিঃ
কেউ বলে বেশ
দুয়ে মিলে ভালো আছে
আনন্দ অশেষ।

বাংলার প্রথম মহিলা ইঞ্জিনিয়ার

বাংলার প্রথম মহিলা ইঞ্জিনিয়ার:

লেখিকা: বেবি চক্রবর্ত্তী।

১৯৪৭ সাল | দেশ স্বাধীন হল | প্রযুক্তিবিদ্যার অধ্যয়নে তখন পুরুষদের একচ্ছত্র আধিপত্য | পশ্চিমবাংলার বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ তখন প্রযুক্তিবিদ্যার অধ্যয়নের অন্যতম পীঠস্থান | ১৯৪৭ সালেই পশ্চিমবাংলার তৎকালীন নিকুঞ্জ বিহারী মাইতি বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের দরজা খুলে দিলেন মহিলাদের জন্যে | প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন দুইজন ছাত্রী | ভর্তি হলেন দুজনেই | কিন্তু একজন দ্বিতীয় বর্ষেই কলেজ ছাড়লেন | রইলেন একজন ছাত্রী | ১৯৫১ সালে তিনি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করলেন | তিনিই ছিলেন বাংলার প্রথম ইঞ্জিনিয়ার | গোটা ব্যাচে তিনিই ছিলেন একমাত্র ছাত্রী | বাকি সকলেই ছিলেন ছাত্র |

তিনি ইলা মজুমদার | জন্ম ১৯৩০ সালের ২৪শে জুলাই বর্তমান বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার মাদারীপুর গ্রামে | পিতা যতীন্দ্র কুমার মজুমদার ছিলেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট | মা ছিলেন গৃহবধূ | যতীন্দ্রবাবু ছোট থেকেই মেয়েকে মুক্ত পরিবেশে বড় করে তোলেন | ১২ বছর বয়সেই ইলা সাইকেল চালাতে পারত | মাত্র ১৬ বছর বয়সে শিখেছিলেন জিপ চালানো | খুলনায় তিনি নবম শ্রেণী অবধি পড়াশোনা করেন | এরপর ১৯৪৫ সালে ইলাদের পুরো পরিবার কলকাতায় চলে আসে | সেই বছর ইলা স্কুলে ভর্তি হতে পারেনি | ভর্তি হন পরের বছর | দ্বিতীয় বিভাগে ম্যাট্রিক পাস করেন | এরপর তিনি ভর্তি হন আশুতোষ কলেজে | সেখান থেকে প্রথম বিভাগে আইএসসি তে উত্তীর্ণ হন |

এরই মধ্যে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ইলা ভর্তি হন বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে | প্রচন্ড শারীরিক পরিশ্রম দরকার বলে অধ্যক্ষ তাকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে নিষেধ করেন | শেষে ইলা ভর্তি হন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে | প্রসঙ্গত উল্লেখ্য তিনি ডাক্তারি পড়ার সুযোগও পেয়েছিলেন কিন্তু যাননি | তিনিই ছিলেন ওই কলেজের প্রথম মহিলা ছাত্রী তথা বাংলার প্রথম ইঞ্জিনিয়ার | প্রথম প্রথম মানিয়ে নিতে অসুবিধা হলেও ধীরে ধীরে ছাত্রদের সাথে বন্ধুত্ব হয়ে যায় তার | তখন ছাত্রীদের জন্যে আলাদা হোস্টেল ছিল না তাই ইলা মজুমদার থাকতেন লাইব্রেরির বাম প্রান্তের একটি ঘরে | সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান পুলিন বিহারী ঘোষ এই সময় তার পাশে দাঁড়ান | কলেজে তিনিই ছিলেন ইলার অভিভাবক |

১৯৫১ সালে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক হলেন ইলা। তারপর ট্রেনিং করতে যান গ্লাসগো | ট্রেনিং শেষে ভারতে ফিরে এসে দেরাদুনের অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিতে কাজে যোগ দেন | তিনি ভারতের প্রথম মহিলা যিনি ভারী যন্ত্রাংশ তৈরীর কারখানায় কাজ করেছেন। সেই সময় ইলা থাকতেন স্টাফ কোয়ার্টারে | ওখানে ছয় মাস চাকরি করার পর দিল্লি পলিটেকনিক কলেজে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন | এরপর কলকাতার ইনস্টিটিউট অফ জুট টেকনোলজিতে লেকচারার ছিলেন তিনি। কলকাতার প্রথম মহিলা পলিটেকনিক কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তিনি। ইলা মজুমদার ছিলেন ওই কলেজের প্রথম প্রিন্সিপাল | তার কর্মকান্ডে মুগ্ধ হয়ে ১৯৮৫ তে জাতিসংঘের তরফ থেকে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় ঢাকা শহরে একটি মহিলা পলিটেকনিক কলেজ খোলার। সেই সময় পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁকে ছাড়তে রাজি ছিলেন না। পরে অবশ্য তিনি সাফল্যের সঙ্গেই কাজটি সম্পন্ন করেন।

ইলা মজুমদার ছিলেন ব্যতিক্রমী এক মহিলা। পুরুষতান্ত্রিক কাঠামোয় এক উজ্জ্বল ব্যতিক্রম। গড়ে তুলেছেন ইতিহাস ।

কবিতার নাম: গাছ লাগা প্রাণ বাঁচা।

কবির নাম: উদয় নারায়ণ বাগ। 

আসমান কানে কানে 
বলে গেল কথা, 
তোদেরই সংসারে 
বড়ো পাই ব্যথা।

আমি বলি কেন দাদা 
ব্যথা বলো কিসে? 
সে তো বলে পৃথিবীটা 
ভরে গেছে বিষে। 

ঠিক ঠিক দাদা তুমি 
কথা বলো ঠিক, 
হাহাকার রব ওঠে 
তাই চারিদিক। 

দাদা এই বিপদের 
করো প্রতিকার, 
শান্তির দেখা পেতে
নাও কিছু ভার।

কেন কেন তোর নাকি 
জ্ঞানীগুণী জীব!
জোড়া হাতে ডাক বসে 
হর হর শিব। 

ছাড় মজা বলি তবে 
কথা এক সোজা, 
পৃথিবীকে গাছ দিয়ে 
পরা ফুলমোজা। 

দেখবি রে বৈশাখ 
বৈশাখে রবে, 
শ্রাবণেতে বারিধারা 
মিঠা কথা ক'বে। 

শরতে ফুটিবে তবে 
কাশেরই ফুল, 
বসন্তে ডাকিবে রে 
গাছে বুলবুল।  

পৃথিবীর মাটি দেবে 
ঘরে এনে সোনা, 
জলধি দেবে যে তোকে 
রুই কই পোনা।

মোহনবাগান
মোহনবাগান
মোহনবাগানের গোলদাতা দিমিত্রি পেত্রাতোস। ছবি: সংগৃহী।

আপডেট: ০৭ অক্টোবর ২০২৩
আইএসএলে মোহনবাগানের জয়রথ চলছেই। এ বার চেন্নাইয়ে গিয়ে চেন্নাইয়িন এফসিকে হারিয়ে দিল সবুজ-মেরুন। গোটা ম্যাচে দাপট নিয়ে খেলল তারা। জয়ের হ্যাটট্রিক করল মোহনবাগান।

রবিবার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে চেন্নাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে নামবে ভারত। রোহিত শর্মারা নামার কয়েক ঘণ্টা আগে চেন্নাইয়ে গিয়ে চেন্নাইয়িন এফসিকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দিল মোহনবাগান। আইএসএলে জয়ের হ্যাটট্রিক করল তারা। এ বারের প্রতিযোগিতায় তরতরিয়ে চলছে সবুজ-মেরুন নৌকা। তাদের খেলা মন ভরাচ্ছে সমর্থকদের।

চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে প্রথমার্ধেই ৫-০ গোলে এগিয়ে যেতে পারত মোহনবাগান। হ্যাটট্রিক করতে পারতেন সাহাল আবদুল সামাদ। কিন্তু সুযোগ নষ্ট করলেন তিনি। খেলার শুরু থেকে দেখে বোঝা যাচ্ছিল না বাগান অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলছে, নাকি হোম ম্যাচ। বলের দখল বেশির ভাগ সময় ছিল সবুজ-মেরুন ফুটবলারদের পায়েই। প্রথম ২০ মিনিটেই গোলের সামনে বেশ কয়েক বার পৌঁছে যান জেসন কামিংস, দিমিত্রি পেত্রাতোসেরা। কিন্তু গোল আসেনি। ২২ মিনিটের মাথায় প্রথম গোল করলেন পেত্রাতোস। বক্সের বাইরে থেকে সাহালের ঠিকানা লেখা ক্রসে হেডে গোল করেন তিনি।

পরের ২০ মিনিটে সাহাল অন্তত তিন বার গোলের সামনে পৌঁছে যান। দু’বার তাঁর শট একটুর জন্য গোলের বাইরে বেরিয়ে যায়। এক বার গোল লাইন সেভ হয়। কামিংসের একটি শট ভাল বাঁচান চেন্নাইয়ের গোলরক্ষক। মরিয়া হয়ে রক্ষণ করছিল চেন্নাই। কিন্তু প্রথমার্ধের সংযুক্তি সময়ে ভুল করে তারা। সেই ভুলের সুযোগ নিয়ে নিজের প্রথম ও দলের দ্বিতীয় গোল করেন কামিংস।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে গোল শোধ করার মরিয়া চেষ্টা শুরু করে চেন্নাইয়িন। বেশ কয়েক বার বাগান বক্সে পৌঁছে যায় তারা। কিন্তু বাগানের রক্ষণ মজবুত ছিল। ৫৫ মিনিটের মাথায় অবশেষে গোলের মুখ দেখে চেন্নাইয়িন। ফ্রি কিক থেকে গোল করেন রাফায়েল ক্রিভেলারো। তবে তাঁর শট শুভাশিস বসুর গায়ে না লাগলে হয়তো সেভ করতেন বিশাল কাইথ। যদিও সেই হাসি বেশি ক্ষণ স্থায়ী হয়নি চেন্নাইয়ের। পরের মিনিটেই গোল করে ব্যবধান দু’গোলের করেন মনবীর সিংহ। এ ক্ষেত্রেও কৃতিত্ব সেই সাহালের। চার জন ডিফেন্ডারের মাঝখান থেকে অরক্ষিত মনবীরের কাছে বল বাড়ান তিনি। গোল করতে ভুল করেননি মনবীর। ৩-১ গোলে এগিয়ে যায় বাগান।

বাকি সময়ে আরও গোল করতে পারত মোহনবাগান। গোলরক্ষককে একা পেয়েও ব্যর্থ হন অনিরুদ্ধ থাপা। সুযোগ নষ্ট করেন লিস্টন কোলাসো। শেষ দিকে পেত্রাতোসের একটি শট ভাল বাঁচান চেন্নাইয়ের গোলরক্ষক। নইলে ব্যবধান আরও বাড়ত। অন্য দিকে আক্রমণ করলেও তা কাজে লাগাতে পারছিলেন না রহিম আলি, ফারুক চৌধুরীরা। আক্রমণ ভাগের মতো বাগানের রক্ষণ ভাগও ভাল খেলে। শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলে জিতে মাঠ ছাড়ে বাগান। এ বারের আইএসএলের প্রথম তিন ম্যাচ জিতে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে গত বারের চ্যাম্পিয়নেরা।

কবিতার নাম: আতা।

কবির তাপস মাইতি।

বৃষ্টিতে ভিজে শ্যামু
                  শেষে কেনে ছাতা
ঘরে এলে মেয়ে বলে, 
                  কই বাবা খাতা ? 
রান্না ঘরে যেই তার
                  ঢুকে গেল মাথা
গিন্নি বলে হ্যাঁগো তুমি
                  এনেছো তো আতা ?

কবিতার নাম: হেড অফিসের বড়বাবু।

কবির নাম: শুভব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।

হেড অফিসের বড়বাবু লোকটা শান্ত বটে,
এমন কিছু কাণ্ড করে নিজের জীবন তটে।
কাগজ মাঝে হিসেব করে লেখেন কাব্য তিনি
দেখে তাহা চটে ওঠেন মালিক হলেন যিনি।

হাজার হাজার হিসেব কাজের মগজে সে রাখে
প্রশ্ন করলে বলে সঠিক চুলকে চুলকে টাকে।
কোথায় আছে কোন কাগজটা আছে তাহার জানা
বেশি কিছু জিজ্ঞেস করলে করতো বাবু মানা।

কোম্পানির ওই মালিক তাকে সূর্য বলে ডাকে
অসম্ভব কাজ নিমেষেতে সমাধান সে রাখে।
লোক লাগিয়ে তদাড়কি করেন বাবু একা
মোদের কাছে তাহার কীর্তি নিজের চোখে দেখা।

কিনলে নতুন আসবাব মালিক বড়বাবু আনে 
দোকানেতে কমিশনের কথা জানায় কানে।
মিষ্টি হাসি হেসে বাবু ভালো সাজেন তিনি
হেড অফিসের বড়বাবু লোকটা খাঁটি যিনি।

বছর শেষে হিসেব নিকেশ পরীক্ষা হয় যখন
বাবু পাশে থেকে দেখে কাগজ-পত্র তখন।
ভুলের কিছু হলে পরে রাস্তা বলেন সবে
কুড়ি বছর আছেন বাবু হেড অফিসে তবে।

কবিতা নাম: দুষ্টু সোনা।

কবির নাম: দর্পনা গঙ্গোপাধ্যায়

লিখতে বসেই কাটাকুটি
 পড়াশোনায় বেজায় ফাঁকি 
খাবার ফেলে খেলায় মন
 দুষ্টু সোনার হয় এমন 
বাবা-মায়ের ঝগড়া হলে
 চেয়ে থাকে ফ্যাল-ফেলিয়ে
 উদাসীভাব হারিয়ে ফেলে
 সিরিয়াস হয়ে মাথা তোলে
 বাবা মায়ের সম্বিত ফেরে 
চুপ হয়ে যায় ভুল বুঝে।।

কবিতার নাম: সত্যিটা জেনে নাও।

কবির নাম: বদ্রীনাথ পাল।

গেছো ভূত দোল খায় শ্যাওড়ার ডালে-
মেছো ভূত পচা মাছ ধরে বিলে খালে।
দুই ভূত এক হয়ে রোজ সাঁঝ বেলা
একা পেলে পথিকেরে ছুঁড়ে মারে ঢেলা।

খোনা ভূত গান করে থরহরি সুরে-
দানো ভূত তান্ডব নাচ দেয় জুড়ে।
দুই ভূত এক হয়ে রোজ নিশি রাতে-
পাঞ্জা লড়াই করে অপরের সাথে।

একানড়ে বাসা বাঁধে কোনো পোড়ো ঘরে-
কবন্ধ ভূত রোজ বাঁচে আর মরে।
দুই ভূত এক হয়ে রাস্তার ধারে-
ওৎ পেতে থাকে, চেপে বসে কারও ঘাড়ে।

এইবার সত্যিটা জেনে নাও সবে-
ভূত আছে, বলো দেখি কে দেখেছে কবে ?
একথাটি মনে রেখো সবে জনে জনে-
ভূত গুলো বাসা বাঁধে ভীতুদের মনে।

ডেঙ্গুতে মৃত্যু 
ডেঙ্গুতে মৃত্যু
উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি, কলকাতায় ফের প্রাণ গেল চার জনের, মুখে কুলুপ স্বাস্থ্যকর্তাদের
চলতি বছরে রাজ্যে ডেঙ্গির পরিস্থিতি নিয়ে মুখে কার্যত কুলুপ এঁটে বসে রয়েছেন স্বাস্থ্যকর্তারা। বেসরকারি সূত্রের হিসাব বলছে, এই চারটি মৃত্যু নিয়ে চলতি মরসুমে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৮।

আপডেট: ০৭ অক্টোবর ২০২৩
রাজ্যে প্রায় প্রতিদিনই ডেঙ্গিতে এক বা একাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। যত দিন গড়াচ্ছে, মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা ততই উদ্বেগজনক হচ্ছে। শুক্রবার এক দিনে তিন জনের মৃত্যু হল ডেঙ্গিতে। এর মধ্যে দু’জনের বয়স ত্রিশের কোঠায়। আবার, গত বুধবার ১৭ বছরের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে বলেও এ দিন জানা গিয়েছে।

কবিতার নাম: বৃষ্টি ভেজা রাত।

কবির নাম: ইমরান খান রাজ।

আজ এই বৃষ্টি ভেজা রাত 
তোমার আদুরে দু'হাত 
ছিল প্রেমের সংঘাত 
তাতে হলাম কুপোকাত! 

এই বৃষ্টি ভেজা রাত 
একা লাগে মাঝরাত 
কেন মিথ্যে অজুহাত 
দিলে হাজারো আঘাত! 

এই বৃষ্টি ভেজা রাত 
হচ্ছে দু-চোখে অশ্রুপাত 
ডেকো না পশ্চাত 
করছি তোমায় জোড়হাত। 

ছড়া: স্নেহের আদর।

কবির নাম: দেবব্রত মাজী।

দাদুর চুল সাদা
মাথা যেন বাদা।
আদর করে খুব
পায় তাতে সুখ।
দাদুর গাল টিপে
লাগে পাকা পেঁপে।
দাদুর কোলে মজা
দেয়না কেউ লজ্জা।

Poem Name: Autumn is the beautiful. 

Written by: Sanjoy Banerjee.

Autumn is the beautiful season. 
Shaluk blooms in the pond. 
Kash flowers by the forest. 

Clouds are all over the sky--
walk around, Walk around. 

Shiuli falls on the floor. 
Everywhere is the joy.
The Cute little boys and girls 
playing in joy.

Ma Durga is coming to earth. 
Though Autumn is the nice 
very nice season. 

কবিতার নাম: ছড়া ও জীবন।

কবির নাম: তপন মাইতি।

ছড়া লেখা কি আর কঠিন 
সহজ কথা সহজ নয় 
বাজার দরে আগুন তেল-টিন 
ভালো কথা ভালোই হয়। 

ছড়া লিখলে শিশু পড়বে 
পড়তে পারে সকল জন 
কুসুম ফুটলে কুসুম ঝরবে 
ছন্দে ভরবে উজান মন। 

ছড়া পড়লে শুদ্ধি হবে 
ছড়া লিখলে শুভক্ষন 
ছন্দ বুঝলাম মাত্র সবে 
শুদ্ধি হবে শিশুর মন। 

জীবন একটা পুরো ছড়া 
নৌকার মত বয়ে দাঁড়
ছড়ার ছন্দে মিঠেকড়া 
ছড়ার ছন্দে হবে পার। 

নাটকের নাম: আমরা করবো জয়।

লেখক: গোরাচাঁদ পাল।

(মাতাল বাবার প্রবেশ, ঘরে এক কোণে বসে বসে তার মেয়ে পড়ছে, মা কাজ করছে)
মদন চন্দ্র (মাতাল)- ....... নিজের ভাষায় মাতলামির কথা....
মা- আহ বাবা! শুরু হলো সকাল থেকে ওনার ছাই পাস গেলা, সারাদিন শুধু মদ মদ মদ, সংসারের দিকে কোন ভ্রুক্ষেপ নাই বাপুর।
মদনা- সকাল থেকে খ্যাসখ্যাস করো না তো, পয়সা দাও পয়সা মদ খাবো।
মা - টাকা পয়সা নাই, খেতে হবেক নাই মদ। ঘরে যে চাল ডাল বাড়ন্ত তার খেয়াল আছে।
(উল্টো দিক থেকে মেয়ের ডাক, স্কুল যাবে তাই খাবার চেয়েছে তার ডাক)
পূর্ণিমা - মা খেতে দাও মা স্কুল যাব।
মদনা- এই শুরু হলো সকাল থেকে মেয়ে হয়ে এত পড়াশোনা কিসের রে? ঘরে কাজ কর গা কাজে দেবে।
পূর্ণিমা - না আমি কাজ করবো না আমি স্কুল যাবো।
মদনা - চপ একদম চুপ, যা আমার জন্য এক গ্লাস জল নিয়ে আয়।
(পূর্ণিমা জল আনতে যাই, ইতিমধ্যে তার দাদার স্টেজে প্রবেশ হরিপদ)
হরিপদ - সকাল থেকে পড়াশোনা ছেড়ে কাজ করতে যাওয়া, খুবই বিরক্তিকর। আর ভালো লাগেনা, কপালে এমন একটা মাতাল পাপ জুটেছে, এই বয়সে আমাকে সংসারের হাল ধরতে হচ্ছে।
মা - নে বাবা নে মুড়ি জল খেয়ে নে তারপর কাজে যাবি।
মদনা---- হল হল তোমার ছেলের উপর ভাব দেখানো, এবার টাকা দাও।
হরিপদ----- নানা দেব না।
মদনা---- দিবি না, দিবি না মানে? তোরা ঘাড় দেবে।
((সেই সঙ্গে ছেলের হাত থেকে বাপ টাকা কেড়ে নেয়, এবং মেয়ের প্রবেশ।))

পূর্ণিমা---- এই নাও বাবা জল।

মদনা---- রাখ তোর জল তোর কাছে।
(( মেয়ের হাত থেকে গ্লাসটা ফেলে মদনা বেরিয়ে যায়))

হরিপদ--- (কান্নার সুরে)... ঘরে আনাজ পাতি কিছুই নাই এখন কোথায় যাব, কোথায় পাব চাল ডাল, আর বোনের টিউশনের বেতন টাও তো দিতে হবে।

মা---- নারে তোর বোনের মনে হয় আর পড়াশোনা হবে না তোর বাবা সব বই বিক্রি করে দিয়েছে ওই পাস পিন্ডি গেলার জন্য।
((এরপর মা ও মেয়ে আস্তে আস্তে স্টেজ থেকে নেমে যায় ছেলে স্টেজে উপস্থিতি থাকে))

হরিপদ----- এ কেমন বাপ এর একটা বিহিত হওয়া দরকার, এইসব মানুষের জন্য এখনো আমাদের সমাজের মেয়েরা শিক্ষার পথে পা বাড়াতে পারছে না। এইসব মানুষ কখন বুঝবে পড়াশোনা আমাদের জীবনে কতটা প্রয়োজনীয়।
((হরিপদ মন খারাপ করে স্টেজ থেকে নেমে যায়, স্টেজ খালি))

দ্বিতীয় দৃশ্য,,,,,,,
(দুই সপ্তাহ পর)

((বাচ্চারা বসে বসে পড়ছে স্যার পড়াচ্ছেন এই সময় হরির, হরির প্রবেশ))
হরিপদ----- স্যার আসতে পারি।

শিক্ষক----- আরে হরি যে আয় আয়, কি খবর বল, তোর বোনও স্কুলে আসছে না, টিউশনেও আসছে না, তুই তো না হলে পড়াশোনাটা ছাড়লি।তোর বোনকে তো পড়া।
হরিপদ----- সেই বিষয়ে কথা বলতে এসেছি স্যার.....
((হরিপদ বলতে শুরু করে, মুখে না বলে হাতের ইশারায় বোঝায়, পিছনে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক))
কিছু সময় পর.......
শিক্ষক----- সবই তো বুঝলাম, এত ঘোর অন্যায়, দেখি কাল তোদের বাড়ি যাবো যদি তোর বাবাকে বোঝানো যায়।
((হরিপদো স্যারকে আসছি বলে চলে যায় স্যার সকল ছাত্রকে ছুটি দিয়ে চলে যায়। স্টেজ খালি.....))

    তৃতীয় দৃশ্য,,,,,,,,,
                 (মদনার ঘরের দৃশ্য)
((মেয়ে ঘরে কাজ করছে, ছেলে মুড়ি খাচ্ছে বাবা মদ হাতে প্রবেশ))
মদনা---- কইগো শুনছো, মেয়ের একটা ভালো পাত্র দেখেছি, ছেলে মদ দোকানের মালিক, অনেক পয়সা এই সময় বিয়েটা দিয়ে দিলে বেঁচে যায়, আর আমিও একটু ..(একটু মদ পাবার আশায় হাসি মুখে বলে).... পেয়ে যাব।
((মদনের বারবার পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই আটকাচ্ছে গিন্নি))
সঙ্গে সঙ্গে মেয়ে বলে ওঠে......
পূর্ণিমা----- না আমি বিয়ে করবো না, মা-বাবাকে বোঝাও না আমি বিয়ে করবো না এখন।
হরিপদ----- ঠিকই তো এই বয়সে বিয়ে, এ হতে পারে না। 
 ((কথোপকথনের মাঝে শিক্ষকের প্রবেশ))
শিক্ষক---- কার বিয়ের কথা বলা হচ্ছে শুনি.....
হরিপদ------ আর বলবেন না স্যার, মদের লোভে মেয়েকে বলে দিচ্ছে।
শিক্ষক--- এ কি রকম বিচার আপনার, আমি ডায়েরি করব এ বিষয়ে, আপনি জানেন আঠারো বছর বয়সের আগে মেয়েদের বিয়ে দেওয়া আইনত অপরাধ আগে পড়াশোনা করে নিজের পায়ে দাঁড়াবে তারপর নিজের ইচ্ছায় নিজের যোগ্য মানুষের সাথে বিয়ে করবে, শুধুমাত্র তোমার মত কিছু মানুষের জন্য বাল্যবিবাহ আবার শুরু হচ্ছে, পড়াশোনা আমাদের মূল উৎস। জীবনের বড় হবার এক চাবিকাঠি। কোন পরিস্থিতিতে পড়াশোনা ছাড়া চলবে না।
মদনা--- মেয়ে কি এতদিন ধরে কি করে পুষে রাখবো, খাওয়াবো কী?
শিক্ষক--- আপনি মদ খাওয়া বন্ধ করুন যে পরিমাণ টাকা আপনি মদ্যপানে খরচ করছেন সেই টাকা সংসারের কাজে লাগান, মেয়ের পড়াশোনার কাজে লাগান....
পূর্ণিমা---- স্যার আমি পড়তে চাই।
শিক্ষক---- হ্যাঁ নিশ্চয়ই তুমি পড়বে, আমি তোমাকে পড়াবো আজ থেকে তোমার পড়াশোনার দায়িত্ব আমার।
((বাবার মুখ লজ্জায় নিচু হয়ে যায়))
               (সবাই নেমে পড়ে)
-------বক্তৃতা------
              (( My speech))
  
চতুর্থ দৃশ্য,,,,,,,,
         (কয়েক মাস কেটে যাওয়ার পর)
মদনা---- আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি। আজ থেকে আর কখনো নেশা করব না, তুই আমাকে ক্ষমা কর মা, আমি তোর ওপর অনেক অত্যাচার করেছি।
পূর্ণিমা---- না বাবা না এসব কথা বলতে না।
((বাবা কান্না ভরা চোখ মুছতে মুছতে স্টেজের মাঝখানে, মেয়ে এগিয়ে আসে সামনের দিকে, সকল অভিনাট্যরা একসঙ্গে মঞ্চে প্রবেশ করে।))
পূর্ণিমা---- আমাদের চুপ করে থাকা উচিত না, পা বাড়িয়ে এগিয়ে যেতে হবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে, আমার মত তোমরা কেউ চুপ করে থাকবে না, চলো সবাই এগিয়ে যাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়।
শিক্ষক এবং সবাই----- হ্যাঁ হ্যাঁ, আমরাও তোমার সাথে আছি।।
     ((সবাই হাত তুলে দাঁড়িয়ে থাকে এবং মাস্টারমশাই জোরে চেঁচিয়ে বলে আমরা করব জয়))
এবং এর সঙ্গে একটা ডায়লগ---(এই পৃথিবী করবো জয় শিশুশ্রম আর নারী অত্যাচার আর নয়)(শিক্ষকের কন্ঠ)
পিছন থেকে ভেসে আসে জয় গানের উলুধ্বনি......
    আমরা করব জয়......
             আমরা করব জয়......

আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ 2023
আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ 2023
৫ রেকর্ড: চলতি বিশ্বকাপেই যা গড়তে পারেন ভারতীয় ক্রিকেটারেরা
রবিবার থেকে শুরু হতে চলেছে ভারতের বিশ্বকাপ অভিযান। চেন্নাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে নামছে তারা। প্রতিযোগিতায় একাধিক রেকর্ড গড়তে পারে।

কবিতার নাম: ঋতু চক্রে

কবির নাম: বিবেক পাল।

নীলাকাশে দুধ-সাদা বৃষ্টিহীন মেঘের ওড়াওড়ি 
ভ্রমর কালো দীঘির জলে হাসে পদ্ম শালুক ,
শিশিরে শিশিরে ভেজা দুর্বাদলে শিউলি ।

হাওয়ায় দোলে আহ্লাদী কাশফুল 
হৃদয় গহীনে প্রতিধ্বনি শুনি ,
সুর আগমনীর------

আধো রাতে ঘুম ভাঙে----
টিনের চালায় শিশির ঝরা শব্দের ঝংকারে ,
অভিমানী শিউলি ঝরে নীরবে নিশীথে----

প্রতীক্ষার প্রহর বড় দীর্ঘ লাগে
ঋতু চক্রে পৃথিবীরও বয়স বাড়ে ,
আমার সাথে সাথেই-----

কবিতা নাম: মশা।

কবির নাম: মিহির সেন।

হাড় নাই, মাস নাই, শুঁড় টুকু সার,
ছ পেয়ে শত্রু , এই দুনিয়ার ।
গান গেয়ে পান করে ,শরীরের রস ,
বধিতে তারে, মনুষ‍্য কুলের যুদ্ধ নিরলস।
মশারি মর্টিন কচ্ছপ, আরও কত ধূপ,
জ্ঞান হারায়ে পা ছড়ায়ে, সাময়িক চুপ।
লাখে লাখে সন্তুতি, পৃথিবীর ভার,
মারণ রোগের বাহক, নেই উপকার।
মশা নামে খ‍্যাত তিনি, দেশ দুনিয়ায়, 
গুণী সেজে গান গেয়ে, সুখের অন্তরায়।

কবিতার নাম -"চাঁদ মামা "

কবির নাম - দীপক রঞ্জন কর

মা পাঠায় মামার বাড়ী
বিক্রম ছুটে তাড়াতাড়ি,
খবর আনতে সরাসরি 
কেমন আছে চাঁদের বুড়ি ?

বিক্রম চলছে নির্দ্বিধায়
তেইশের চোদ্দ জুলাই
পৌঁছে যায় বিনা বাধায়
তিন লক্ষ কি.মি উচ্চতায় ।

ভারত মায়ের পতাকা-কে
গেঁথে দিয়ে চাঁদের বুকে,
খবর পাঠায় ভারত মাকে
  তেইশে আগস্ট সন্ধ্যা রাতে।

দক্ষিণ মেরু নামলো প্রথম
ভারত মায়ের শ্রমের বিক্রম ,
আছেন মা গভীর ভাবনায়
ছেলে কি কি খবর পাঠায়?

কবিতার নাম: শরতের ঐ সকাল বেলায়।

কবির নাম: বিমান প্রামানিক। 

শরতের ঐ সকাল বেলায়
সাজি হাতে শিউলি তলায়---।
শরতের ঐ সকাল বেলায়
সাজি হাতে শিউলি তলায়---।
শিউলি ফুলের মালা গাঁথি
পরায় মায়ের গলে ----।
সাজি হাতে শিউলি তলায়
যায় যে সকালে----।
শরতের ঐ সকাল বেলায়
সাজি হাতে শিউলি তলায়-----।
শিউলি ফুলের মালা গাঁথি
পরায় মায়ের গলে---।
মা যে আমার দশভূজা শক্তিরূপা মা---।
তিনিই পার্বতী তিনি, কৈলাশের ঐ উমা---।
মা যে আমার দশভূজা শক্তিরূপা মা---।
শিউলি মালা গলায় পরে কৈলাশের ঐ উমা---।
শিউলি মালা গলায় পরে কৈলাশের ঐ উমা---।
শিউলি মালা গলায় পরে কৈলাশের ঐ উমা---।

শুভ জন্মদিন 

১৯২২ - ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী সমরেশ রায়
১৯৬৫ - জগলুল হায়দার, আধুনিক বাংলা অণুকাব্য ও বিজ্ঞান ছড়ার জনক

 শ্রদ্ধ জানাই 

১৮৮০ - বেঙ্গল থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা শরৎচন্দ্র ঘোষ।
১৯৯৮ - বাংলাদেশের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা জসিম
২০২০ - আনন্দদেব মুখোপাধ্যায় বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ ও সমুদ্রবিজ্ঞানী।(জ.০৫/০৫/১৯৩৮)
আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ 2023
ভারত-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের ১৯ ঘণ্টা আগে চেন্নাইয়ে প্রবল বৃষ্টি, রবিবার কী পূর্বাভাস?
বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে বৃষ্টিতে ভারতের দু’টি প্রস্তুতি ম্যাচই ভেস্তে গিয়েছে। ফলে কোনও প্রস্তুতি ছাড়াই বিশ্বকাপ খেলতে নামছেন রোহিত শর্মারা। রবিবারও কি প্রভাব ফেলবে বৃষ্টি?
আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ 2023ভারত-অস্ট্রেলিয়া
আজ রবিবার ভারত-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ হতে চলেছে, দুপুর ০২:০০ থেকে।

আপডেট: ০৭ অক্টোবর ২০২৩
রবিবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে ভারত। চেন্নাইয়ে দুপুর ২টো থেকে শুরু হবে খেলা। সেই ম্যাচের ১৯ ঘণ্টা আগে চেন্নাইয়ে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। খেলার আগের দিন সন্ধ্যায় বৃষ্টি আশঙ্কা বাড়িয়েছে ভারতীয় সমর্থকদের মনে। রবিবারও কি বৃষ্টি হবে খেলার সময়! কী বলছে আবহাওয়া দফতর?

গত কয়েক ঘণ্টায় আবহাওয়ার ছবিটা কিছুটা বদলে গিয়েছে। এর আগে পূর্বাভাস ছিল যে ম্যাচ চলাকালীন বৃষ্টি হবে না। কিন্তু আবহাওয়ার নতুন পূর্বাভাস, ম্যাচের দিন ২০ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে বৃষ্টির। তাপমাত্রা থাকবে ২৭ থেকে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমান থাকবে ৭০ শতাংশ। ম্যাচের দিন বিকাল ও সন্ধ্যার দিকে বৃষ্টি হতে পারে।

শনিবার সন্ধ্যা থেকে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে চেন্নাইয়ে। মাঠ কভারে ঢাকা রয়েছে। তার ফলে অনুশীলন করতে পারেনি দু’দল। ধারাভাষ্যকার হর্ষ ভোগলে জানিয়েছেন, মাঠের আউটফিল্ডে অনেক জায়গায় জল জমেছে। মাঠকর্মীরা সেই জল বার করার চেষ্টা করছেন। এত বৃষ্টি হওয়ায় পিচের চরিত্র কিছুটা বদলে যেতে পারে। তবে পিচের যাতে কোনও ক্ষতি না হয় সেই চেষ্টা করছেন মাঠকর্মীরা।

এ বারের বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে বৃষ্টিতে ভারতের দু’টি প্রস্তুতি ম্যাচই ভেস্তে গিয়েছে। ফলে কোনও প্রস্তুতি ছাড়াই বিশ্বকাপ খেলতে নামছেন রোহিত শর্মারা। ম্যাচের আগে রোহিত জানিয়েছেন, প্রস্তুতি ম্যাচ খেললে কিছুটা সুবিধা হত তাঁদের। কিন্তু প্রকৃতির উপর কারও হাত নেই। এখন দেখার রবিবারের ম্যাচেও বৃষ্টি প্রভাব ফেলতে পারে কিনা।


🔹️ ই- সম্মাননা পত্র ডাউনলোড করুন - Click Now
🔸️ লেখা ও শিল্পকলা পাঠান - Click Now
🔹️ হোয়াটসঅ্যাপ পরিবারের যুক্ত হন - Click Now
🔸️ ফেসবুক পরিবারের যুক্ত হন- Click Now

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

5মন্তব্যসমূহ
  1. অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই পরিবারের উদ্দেশ্যে এই সম্মান দেবার
    জন্য।

    উত্তরমুছুন
  2. অসংখ্য অসংখ্য শুভেচ্ছা ও রইল কৃতজ্ঞতা।

    উত্তরমুছুন
  3. নিরন্তর শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।

    উত্তরমুছুন
  4. অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই ❤️

    উত্তরমুছুন
  5. শুভ সকাল। আমি আপ্লুত ও আনন্দিত। ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ভালোবাসা জানাই পরিচয় ম্যাগাজিন/পত্রিকার সমস্ত এডমিন প্যানেল ও বিচারক মন্ডলীদের, আমার কবিতাটি পরিচয় শিশু সাহিত্য ১১ তম সংখ্যা প্রকাশকাল ৮ ই অক্টোবর ২০২৩ এ স্থান দিয়ে সম্মানিত করার জন্য।

    উত্তরমুছুন
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন