পরিচয় শিশু সাহিত্য | বারো সংখ্যা | প্রকাশ ৯ই অক্টোবর ২০২৩

পরিচয় শিশু সাহিত্য

১২তম সংখ্যা
পরিচয় শিশু সাহিত্য | বারো সংখ্যা | প্রকাশ ৯ই অক্টোবর ২০২৩

প্রকাশ:
  • বাংলা: ২১শে আশ্বিন ১৪৩০
  • ইংরেজী: ০৯ই অক্টোবর ২০২৩ 
  • বার: সোমবার।
  • সময়: সকাল ০৭টা ( কলকাতা টাইম জোন)
আজ আবহাওয়া: ৩৪°C   (পশ্চিমবঙ্গ)
  • আংশিক মেঘলা
  • বৃষ্টিপাত: ২০%
  • আর্দ্রতা: ৭৩%
  • বাতাস: ১০ কিমি/ঘন্টা
আজ ঘটনা:
  • ১৪৪৬ - কোরিয়ায় হানগুল বর্ণমালা চালু হয়।
  • ১৫১৪ - ফ্রান্সের রাজা দ্বাদশ লুই মেরি টিউডরকে বিয়ে করেন।
  • ১৭০৮- রাশিয়া-সুইডেনের মধ্যকার ঐতিহাসিক ডেনিপার যুদ্ধ সমাপ্ত।
  • ১৭৭৯ - তাঁত বয়নে যন্ত্রপাতি প্রবর্তনের প্রতিক্রিয়ায় ম্যাঞ্চেস্টারে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা দাঙ্গা শুরু করে।
  • ১৮৭৪- বিশ্বে ডাক ব্যবস্থা চালু।
  • ১৮৯৯- লন্ডনে প্রথম পেট্রোল চালিত মোটরযান চলাচল শুরু।
  • ১৯১১- চীনে রাজতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু।
  • ১৯১১ - দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকায় হটেনটট বিদ্রোহ শুরু হয়।
  • ১৯৪০ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জার্মানি লন্ডন শহরের ওপর বোমা নিক্ষেপ করে।
  • ১৯৬২- আফ্রিকান দেশ উগান্ডার স্বাধীনতা অর্জন।
  • ১৯৭৬ - মুম্বাই ও লন্ডন শহরের মধ্যে সরাসরি আন্তর্জাতিক টেলিফোন যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
  • ১৯৯৬ - সাবেক প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন।
  • ২০০৪ - আফগানিস্তানের ইতিহাসে প্রথমবারের মত সরাসরি ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
  • ২০০৬ - উত্তর কোরিয়া প্রথম পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

কবিতার নাম: পিঁপড়া।

কবির নাম: উদয় নারায়ণ বাগ।

লাল লাল পিঁপড়েরা 
কুট কুট কামড়ায়, 
ফসকা পড়েছে তাই 
রেবতীর চামড়ায়। 

রেবতীর দাদা ছিল 
নিধিরাম সরদার, 
পিঁপড়ে দেখিলে ছাড়ে
হুংকার বারবার। 

ঘর থেকে ছুটে আসে 
রেবতীর বড়দিদি, 
চেঁচামেচি কান্নাতে 
ভেঙে গেছে তার নিদি।

হেনকালে নিধিরাম 
ডেকে কয় সারা পাড়া, 
চল তোরা করি গিয়ে 
পিঁপড়েকে দেশ ছাড়া। 

ভয় পেয়ে পিঁপড়ারা 
গর্ততে ঢুকে যায়, 
নিধি আর দলবল 
পিঁপড়েকে নাহি পায়।

কবিতার নাম: জীবন এক সংগ্রাম।

কবির নাম: নিতাই শর্মা।

শৈশব কৈশোর প্রৌঢ় বার্ধক্য শেষে,
চারি স্তর মানব জীবন নির্বিশেষে।
শৈশব কাটে অবুঝ খেলাচ্ছলে,
প্রকৃত স্তর শুরু কৈশোর এলে।

কৈশোর জীবন গড়ার প্রকৃত সময়,
প্রকৃত শিক্ষায় জীবন হয় সুখময়।
দুর্বার গতি থাকে বয়:সন্ধিকালে,
জীবন উন্নত হয় সঠিক শিক্ষা নিলে।

কৈশোর শুরু হয় বয়স আঠারো হলে,
অবারিত শক্তি সামর্থ্য থাকে সমকালে।
নেতিবাচক বিষয়গুলো ঘুরাফেরা করে,
কল্পনার আবেশ প্রভাবিত মনের উপরে।

নেতিবাচক ধারণা গুলো যাবে দূরে চলে,
ইতিবাচক চিন্তা চেতনায় প্রভাবিত হলে।
জীবন ধন্য হবে তাদের পরবর্তী কালে,
উপযুক্ত গুরু পেয়ে আদেশ মেনে চলে।

মাতাপিতা সাক্ষাৎ দেবতা প্রকৃত শিক্ষাদাতা,
মাতাপিতার আদেশ মেনে নিলে খুশি বিধাতা।
পৃথিবীর প্রথম শিক্ষক হন মাতা জননী,
মায়ের কাছে শেখা হয় প্রথম শিক্ষাখানি।

হাজারো শিক্ষকের সমান হন জননী মাতা,
শিক্ষিত মা জননী হন প্রথম শিক্ষাদাতা।
মায়ের পরে শিক্ষক হন আসল কারিগর,
শিশুর বিকাশ হয় প্রকৃত শিক্ষার উপর।

কবিতার নাম: ছেলেবেলা।

কবির নাম: মিহির সেন।

পড়া ছিল প্রথম কথা
তার পরে খেলা,
দিন কাটতো মজা করে
আমার ছেলেবেলা।

বইএর ভারে হতাম কাত
ছেঁড়া জুতো পরে,
দল বেঁধে স্কুল যেতাম
কখনো হাত ধরে।

শিক্ষক মশাই বাসতেন ভালো 
কেউ খেতো কানমলা,
করতো নাকো পড়াশুনা 
যতই হোক বলা।

কেউ বাইরে হাঁটু গেড়ে 
কেউ কান ধরে,
কারো পিঠে বেতের বারি
পড়তো জোড়ে জোড়ে।

দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পড়া বলা
নিত‍্যকার কাজ,
সেদিনের কঠিন শাসন
পড়ছে মনে আজ।

যতই করো দুষ্টামি সেথা
পড়াটা চাই আগে,
তা নাহলেই দক্ষযজ্ঞ
শিক্ষক মশাইয়ের রাগে।

ছড়া: দুজনে কুজনে।

কবির নাম: দেবব্রত মাজী।

আজও চলেছি দুজনে
গাহিয়া গান কুজনে।
পুরনো রাস্তার ধারে,
কখনো নদীর তীরে।
কষ্ট হয়না টানতে
যাব হাসতে হাসতে।
সদা থাকো সাথে
যাবেনা ফেলে পথে।

নাম- মনোজ চৌধুরী।
ছবির শিরোনাম- যাতায়াতের আলোআঁধারি।

ট্রেনের এক একটা কামরায় নিহিত থাকে 
যাতায়াতের কত আলোআঁধারি ঘরের কথা
কত ধূসর ছায়া 
কত অপ্রকাশিত শব্দ 

একদিন সেসব হোঁচট খেয়ে পড়ে 
কোনো এক মুহূর্তের শাসনে। 

মনোজ চৌধুরী।
৮ অক্টোবর, ২০২৩

কবিতার নাম: বাজলো তোমার আলোর বেণু।

কবির নাম: মোহাঃ নাসিমুদ্দিন হক।
 
বাজলো তোমার আলোর বেণু, 
মাতলো তোমার এ ভুবন ;
সময় এসেছে, হিংসা বিদ্বেষ 
পাপাচার হবে আবার দমন।
 
বাঙালিদের কানে, মায়ের 
আগমনের ঘণ্টাধ্বনি বাজে;
প্রস্তুতি শুরু হয়েছে, মা এর 
সামনে যাবে কে কোন্ সাজে।
 
এ সময় পোশাক কেনাকাটায় 
বাঙালিরা সবাই ব্যতিব্যস্ত ;
বছরের এ বড়ো উৎসবে 
বহু টাকায় করেছেন ন্যস্ত।
 
মা দুর্গার বাহন ভেদে পড়তে
দেখা যায় শুভ-অশুভ প্রভাব ;
গজ যদি হয় দেবীর বাহন, 
থাকবে না আর কোনো অভাব। 
 
রং ভেদে পোশাক ও ফুল দেবে
দেবীর কৃপা, ভক্তদের বিশ্বাস ; 
দেবীর পছন্দের খাবার 
খুলবে ভাগ্য, তা বড়ো আশ্বাস। 
 
বিসর্জনের পরে ভক্তরা রঙ 
খেলে করেন দিনটি পালন ;
মায়ের বিদায়ে কাঁদেন সকল 
ব্যথিত পুরোহিত সনাতন।

কবিতার নাম: মেঠোপথ।

কবির নাম: ইমরান খান রাজ।

গ্রামের আঁকাবাঁকা মেঠোপথ ধরে- 
হেঁটে যাচ্ছিলাম, 
পথের দু'ধারে আম-জাম-কলা গাছের সারি, 
সাথে মৃদু শীতল বাতাসে যেনো প্রাণ জুড়ায়। 
ছোটছোট ছেলেমেয়েরা সাইকেলের টায়ার- 
এবং কঞ্চি দিয়ে বানানো গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছে। 
গাছের ডালে দোয়েল আর শালিক পাখিরা 
ডেকে যাচ্ছে আনমনে, যেনো প্রকৃতিতে বসন্ত লেগেছে। 
কিছুদূর এগিয়ে বয়ে গেছে নদী, স্রোতধারা নদী। 
যেনো সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে চলেছে সে ! 
কয়েকজন জেলে মাছ ধরছে আর 
একজন বংশীবাদক মনের সুখে বাজিয়ে যাচ্ছে- 
মন ভোলানো বাঁশির সুর, আহা! 

কবির নাম: শরৎ বেলা।

কবির নাম: তপন মাইতি।

নীলাকাশে থোকা থোকা 
পেঁজা তুলো দেখি 
নীলের গায়ে সাদা আঁকা 
মিলে যাচ্ছে একি!

শেফালী ফুল সেই মেয়েটা কোথায় দেখি যেন...
মন পড়েছে পদ্ম দিঘী 
মেঘ করেছে কেন?

ঢাকে কাঠি বাদ্যি বাজলে 
অভিমান যায় উড়ে 
ঘরে ঘরে আসছে দুগ্গা 
মনের আকাশ জুড়ে। 

প্রিয় ঋতু বলছি তোমায় 
দিও একটি কথা 
আমায় তুমি এনে দিও 
ঘৃতকুমারী লতা।

আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ 2023
১৬৫ রানের জুটি, কোহলিকে ছাপিয়ে গেলেন পরিশ্রমী বিরাট, সঙ্গত রাহুলের।
মাত্র ২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা ভারতীয় দল এবং সমর্থকদের চাঙ্গা করলেন বিরাট কোহলি এবং লোকেশ রাহুল। কোনও লোক দেখানো শট নয়, ক্রিকেটীয় দক্ষতাতেই বাকিদের থাকা আলাদা হলেন তাঁরা।

আপডেট: ০৮ অক্টোবর ২০২৩
রান তাড়া করার ক্ষেত্রে বিরাট কোহলিই রাজা। রবিবার চেন্নাইয়ের মাঠে সে কথা আরও এক বার প্রমাণিত। তার সঙ্গী হলেন চোট সারিয়ে দলে ফেরা লোকেশ রাহুল। ২ রানে ৩ উইকেট হারানো দলকে নিয়ে গেলেন ১৬৭ রানে। চতুর্থ উইকেটে বিশ্বকাপে ভারতের সব থেকে বেশি রানের রেকর্ডও গড়লেন বিরাট এবং রাহুল।

চেন্নাইয়ের পিচে ব্যাট করা কঠিন ছিল। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের কাজ কঠিন করে দিয়েছিলেন ভারতের স্পিনারেরা। আর বিরাটের কাজ কঠিন করেছিলেন ঈশান কিশন, রোহিত শর্মা এবং শ্রেয়স আয়ার। ভারতের তিন ব্যাটার কোনও রান না করে সাজঘরে ফিরে গেলেন। ২০০ রান তাড়া করতে নেমে ২ রানে ৩ উইকেট হারালে যে কোনও দলই চাপে পড়ে যায়। ভারতীয় দলে একটা বিরাট থাকায় এ যাত্রায় বেঁচে গেল।

বিরাট এবং রাহুল সিঙ্গলস নিয়ে জুটি গড়তে শুরু করেন। তাঁরা কোনও তাড়াহুড়ো করেননি। বিরাট শুধু ১২ রানে ব্যাট করার সময় একটি বাউন্সারে ভুল ব্যাট চালিয়েছিলেন। সেই ক্যাচ ফেলে দেন মিচেল মার্শ। সেটাই কাল হল অস্ট্রেলিয়ার। একটি একটি করে রান আর বল বুঝে কখনও স্ট্রেট ড্রাইভ, কখনও কভার ড্রাইভ আবার কখনও লেগ সাইডে হাল্কা পুশ করে চার মারলেন বিরাট-রাহুল। অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের চেন্নাইয়ের গরমে এমনিতেই ঘাম বেরিয়ে গিয়েছিল। বিরাটেরা তাঁদের আরও হতাশ করে দিলেন ক্রিজ কামড়ে পড়ে থেকে।

বিরাট (৮৫) যখন আউট হলেন, তখন ভারতের জয়ের জন্য চাই আর ৩৩ রান। হার্দিক পাণ্ড্য নেমে যা দ্রুত তুলে দিলেন। রাহুল চেষ্টা করেছিলেন শতরান করার। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া এতটাই কম রান করে যে, রাহুলের পক্ষে সেটা সম্ভব হয়নি। ৯৭ রানে অপরাজিত থেকে যান রাহুল।

কবিতার নাম: খোকনের বিয়ে।

কবির নাম: বাপী নাগ।

খোকন যাবে বিয়ে করতে 
      সঙ্গে যাবে পুচকু।
পুচকু তো হাঁটে হেলে দুলে
       সে তো কতটুকু। 

নতুন সাজে খোকা যাবে
   ঘোড়ার গাড়ি চড়ে।
ধুতি পাঞ্জাবি গলায় মালা
    যাবে আনন্দ করে। 

ঘোড়ার গাড়ি নেই লাইট
    জ্বালায় দারোয়ান।
রাস্তায় নেই কোন আলো 
    চারিদিক শুনশান।

খোকার আজ মহা আনন্দ
    ঘরেতে বউ আসবে।
শ্বশুরবাড়ি মধুর হয় হাড়ি
     খোকা বসে খাবে।

ঘুমের ঘোরে হঠাৎ খোকা 
    তাকিয়ে দেখে ঘরে।
হয়তো স্বপ্নটা দেখছিল সে
    খোকা ঘুমের ঘোরে।  

রাত পেরিয়ে ভোর হলো
     উঠলো সে জেগে।
বউকে নিয়ে ফিরতে হবে
     স্বপ্ন গেছে ভেঙ্গে।

প্রিয় জন্মভূমি দ্বীপ কুতুবদিয়া

এইচ.এম.সাজিদ চৌধুরী

জন্মেছি আমি সাগরের বুকে ছিঁড়ে জেগে উঠে দ্বীপে-
চতুরপাশে বঙ্গবসাগর বেষ্টিত অপরূপ লীলাভূমি! সৈকতের নোনা বালিচর ও জ্বল_নৌকা সারি_ সারি_আর সাদা সাদা গাংছিল !
 সাদা কালো মেঘের ভেলা আর পশ্চিমা নীল গগণে
ডানা মেলে উড়ে আর নোনা জ্বলে ভাসছে_নোনা বালির চরে লাল কাঁকড়ার দল ঝাঁকে ঝাঁকে_
ভ্রমণে টুরিস্ট মন_প্রাণে উল্লাস দেখে_
ঝাউবনে ছিচির গন্ধে প্রতিকূল বায়ু কী! অদ্ভুত স্বাদ_ দেখে মনে হবে রূপের ভাসানচর !
ধন্য আমি জন্মেছি বলে_ধন্য তুমি! অন্যান্য প্রিয় জন্মভূমি দ্বীপ কুতুবদিয়া ||

দ্বীপের দক্ষিণ পশ্চিম প্রান্তে বিখ্যাত বায়ু বিদ্যুৎ পর্যটক ও জেটি _দ্বীপেকে আরও সৌন্দর্য্য রূপদান করিয়াছে_উত্তর পূর্বাঞ্চলে শেষ প্রান্তে_
পারাপারের ঘাট বা জেটি,
দ্বীপের পূর্ব প্রান্তে আরও তিনটি জেটি_
সবচেয়ে জনপ্রিয় পারাপারের ঘাট দরবার জেটি অপূর্ব রহস্য ঘেরা! আমায় করিয়াছে মুগ্ধতা ছড়িয়েছে দ্বীপের সৌন্দর্য্যতা || 

 দ্বীপের হিন্দু-মুসলিম মানুষের যতত্র সহঅনুভূতি আর সভ্য আচরণ ভালবাসা আমি দেখিয়াছি_দেখেছি মানুষের আপ্যায়ন যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শনে_
প্রিয় জন্মভূমি দ্বীপে! এ দুটি জাতি জন্মভূমির কে গড়িয়েছে সভ্য সজ্জিত ঐতিহাসিক ||

 বঙ্গভূমির অন্যান্য অঞ্চল জাতি-মানুষ বিহালদশা_
মানুষে মানুষে খাপ হিন্দু-মুসলিম, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বা উপজাতি সহজেই মেলে বা খাপ খাই না_
আমার প্রিয় জন্মভূমি দ্বীপ কুতুবদিয়া ব্যতিক্রম!
স্নেহপরায়ন_একে অপরের সুখ-দুঃখে , সহযোগিতা-সহমর্মিতা পুরো বঙ্গ মেলে_
 রয়েছে কদর সুখ্যাতি ||

দ্বীপের বিখ্যাত বাতিঘর দেয় আলো প্রদর্শনী
মিটিমিটি মিট_বঙ্গবসাগরের চট্টগ্রাম বন্দর জাহাজ, দ্বীপের নৌকা,বোট-ডিঙ্গি ছোট বড়_আপন মনে ভয় কাটিয়ে ফিরে ঘরে নীড়ে মাঝিমাল্লারা !
আবার জীবন তাগিদে সংসার_জীবন ছুড়ে ফেলে_
চলে নৌকা,বোট-ডিঙ্গি কাঁলো ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে,
বঙ্গোপসাগরে গভীর থেকে গহীন গভীরে__||

 কেউ কেউ ফিরে প্রাণ নিয়ে আবার প্রাণ শেষ হয় বঙ্গোপসাগর নোনা জ্বলে জেলে মাঝিমাল্লাদের!
খবরের পাতায় ছাপা হয় তাজা খবর_ কাশেম মাঝির লম্বা জালের নৌকা ডুবে তিন জেলে মৃত্যু নিখোঁজ চারজন জেলের ||উ

সকাল-সন্ধ্যায়,মধ্যহ্নে বাজার ধূরুং-বড়ঘোপ বঙ্গবসাগরের তাজা তাজা লইট্রা,সুন্দরী,টেংরা,আর সাদা চিংড়িসহ বহুজাতের মাছের সমাহার! 

প্রাক_প্রাথমিক থেকে কলেজ অবদি অধ্যায়ন 
করেছি দ্বীপের শ্রেষ্ট বিদ্যাপীঠ ধূরুং আদর্শ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ ক্যাম্পাসে!
শ্রেষ্ট শিক্ষক দ্বারা স্বয়ং আমি গড়িয়াছি আমাতে_
প্রিয় জন্মভূমি দ্বীপ_ প্রিয় ক্যাম্পাসে_ প্রিয় সুন্দর সমারোহে শৈশব থেকেই যৌবন ||

কাটিয়েছি শৈশব-বাল্যকাল সৈকতে শতাংশ কিংবা যৌবনের অর্ধেক_
সকাল_সন্ধ্যায় ফুটবলে জমজমাট গোধূলি লগ্নে_ সাগরের ঢেউয়ে ঢেউ খেলে যায়_
সাঁতার ঝাঁপ জোয়াড়-ভাটায়_ আর গাঢ় সন্ধ্যায় 
গল্প-আড্ডায় মাতোয়ারা_সাগরের বিশালতা ছুঁয়ে যায় আমার এ মন-প্রাণ ||

হ্যাঁ,প্রিয় জন্মভূমির দ্বীপের আপামর জনতা_
শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষক, পাঠক-গুণিজন, শিল্পী_
কবি-লেখক, সাংবাদিক অন্যান্য ব্যক্তিত্ব লোকমুখ !
দ্বীপের ইতিহাস ও ঐতিহ্য_ সংস্কৃতি-সৌন্দর্য্য_
 ছড়িয়ে পড়ুক আপামর জনতার কাছে তোমার আমার লাল সবুজের বাংলাদেশে!
আমি রচিয়াছি আমার কর্মে-কলমে_ 
 এ এক খান কবিতা_
আমার ক্ষুদ্র মস্তিষ্কের প্রত্যাশা কলমের মূল উদ্দেশ্য ||


কবিতার নাম: গ্রামের হাট। 

কবির নাম: শুভব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। 

শনি রবি ছুটির দিনে
মানুষ আসে পণ্য কিনতে,
গ্রামের শেষ প্রান্তরেতে
হাট বসে ঐ দিনগুলোতে।

সব পাওয়া যায় যা কিছু চাও
হাট বাজারের দোকান থেকে,
এক সপ্তাহের মালপত্র
লোকে কেনে এখান থেকে।

শাক সবজি আলু পেঁয়াজ 
সবই পাবে হাটে,
বিক্রি করতে আসে যারা
তারা প্রচুর পরিমানে খাটে।

চাল ডাল মাল মসলা 
সব আসে ঐ হাটে,
গরু, ছাগল, মহিষ, মুরগী -
তাও বিক্রি হয় এই ঘাটে।

মাটির হাঁড়ি কলসী নিয়ে
গরুর গাড়ি বোঝাই করে,
মদন খুড় এই হাটেতে 
বিক্রি করতে আসে।

উৎসবেতে এই হাটেতে
নানা পণ্যের হয় সমাহার,
মেলার সাথে এ হাট চলে
হয় না তাহার প্রত্যাহার।

মানুষ আসে কত কত 
নানা গ্রামের প্রান্ত থেকে,
বেচা কেনা করে সবাই
আমাদের এই গোহাট থেকে।

হাটের শেষে মানুষ ফেরে
আনন্দে উল্লাসে,
বিক্রি বাট্টা হলে ভালো 
বাড়ি ফেরে মহল্লাসে।

ফসল ফলায় কৃষক চাষী 
ঘাম ঝরিয়ে দেহের থেকে,
হাটে এসে বিক্রি করে 
কি পায় তারা অবশেষে?

ভারত-শ্রীলঙ্কা ফেরি সার্ভিস
ভারত-শ্রীলঙ্কা ফেরি সার্ভিস
এই ফেরিই চলাচল করবে ভারত এবং শ্রীলঙ্কার মধ্যে।

আপডেট: ০৮ অক্টোবর ২০২৩
ভারত এবং শ্রীলঙ্কার মধ্যে ফেরি পরিষেবা শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার থেকে, জলপথে আবারও জুড়বে দুই দেশ
প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, তামিলনাড়ুর নাগাপট্টিনম থেকে ফেরি ছেড়ে শ্রীলঙ্কার জাফনায় পৌঁছবে। মোট তিন ঘণ্টা সময় লাগবে ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় পৌঁছতে।

ভারত এবং শ্রীলঙ্কার মধ্যে ফেরি পরিষেবা শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার থেকে। সব কিছু ঠিক থাকলে ওই দিন থেকেই ফের জলপথে জুড়বে দুই দেশ। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, তামিলনাড়ুর নাগাপট্টিনম থেকে ফেরি ছেড়ে শ্রীলঙ্কার জাফনায় পৌঁছবে। মোট তিন ঘণ্টা সময় লাগবে ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় পৌঁছতে।

এই ফেরি পরিষেবার দায়িত্বে থাকছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ‘শিপিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া’ (এসসিআই)। তাদের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, অল্প খরচে প্রতিবেশী দেশ দু’টিতে পাড়ি দিতে পারবেন ভারত এবং শ্রীলঙ্কার বাসিন্দারা। ‘চেরিয়াপানি’ নামের একটি ফেরি প্রতি দিন যাতাযাত করবে দুই দেশের মধ্যে।

ছড়া: মিমি।

কবির নাম: দর্পণা গঙ্গোপাধ্যায়।

একটি মিমি সবার প্রিয়
 সকাল হলে ইস্কুলে যায় 
বই বোঝাটি পিঠের পরে 
ইস্কুলে যেতে দু চোখ ভরে 
দেখছে সবাই পড়ে মিমি
 বাবা-মা তো চাকরিতে যায়
ঠাম্মি দাদুর গর্ব হলেও 
বাংলা কথায় নয়কো দড়ো
খেলার সময় নেই তার
দিদিমণি এসে জেরবার।।

গল্পের: হাত বাড়ানো বন্ধূ।

লেখক: বিমল চন্দ্র পাল।

চার বছরের মেয়ে অদ্রিয়াকে নিয়ে অলোকেন্দু
বেড়াতে বেড়িয়েছে নিউ টাউনের বিশ্ববঙ্গ নামের গোল গেটের কাছে। কাছেই একটা ফ্লাটে তাদের বাস। সময়টা তখন বেলা চারটা হবে। বিকেল হলেই হকাররা অস্হায়ী ভাবে নানা রকম খাবার ও খেলনা প্রভৃতি নিয়ে 
রাস্তার পাশে সার বেধে বসে। সামনের খোলা জায়গায় প্রচুর মানুষ জমেছে । তারা গল্প গুজব করছে । চারিদিকে বড় বড় উঁচু উঁচু বাড়ি। জগতের সব সম্পদ যেন এখানে এনে জড়ো করা হয়েছে। বিপুল প্রাচুর্যের মধ্যেও প্রদীপের তলাকার অন্ধকারের মতো
দৃশ্যও বর্তমান। অনেকক্ষণ ধরে একজন বৃদ্ধা
ফেলে দেওয়া প্ল্যাস্টিকের দ্রব্য গুলো একটা বস্তায় ভরতে ভরতে মাঝে মাঝে একটু ক্লান্ত হয়ে বসে কাপড়ের খুঁটে মুখ মুছে বিশ্রাম নিয়ে আবার একই কাজ করে যাচ্ছে। কেউ কেউ তাকে ধমক দিয়ে দু একটা খারাপ কথাও বলেছে। অদ্রিয়া অন্যান্য দিনের মত 
খেলায় মন দিতে পারছে না। সে মাঝে মাঝে বৃদ্ধার দিকে তাকিয়ে দেখছে।
এক সময়ে সে বাবার হাত ধরে টেনে বলল,' বাবা,ঐ ঠাকুমাকে একটু জল দেবে ?' 
বাবা বলল,'কেন কি হয়েছে?' অদ্রিয়া বলল,'ওর খুব কষ্ট হচ্ছে,একটু জল দাওনা।
বাবা অবাক হয়ে মেয়ের মুখের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বলল,'তোর কাছে তো একটা কেক আছে ,ওটাও দিবি?' অদ্রিয়ার মুখ খুশীতে ভরে উঠল। সে বলে উঠল হু হুঁ দেব। অলোকেন্দু মেয়েকে নিয়ে বৃদ্ধার কাছে গিয়ে মেয়ের হাত দিয়ে কেক ও জল দিয়ে
বলল,' তোমার তো খুব কষ্ট হচ্ছে, তুমি এগুলো খাও।‌ ' বৃদ্ধা অনেক ক্ষণ ধরে তার দিকে তাকিয়ে থাকল। হয়তো সে সাময়িক ভাবে তার পরিবারের কথা ভেবে বেদনাতুর হয়ে পড়েছিল।
তারপর ধীরে ধীরে হাত পেতে সেগুলো নিয়ে
বলল,' তোমার ভালো হোক দাদু ভাই। তোমরা সুখে থাকো।' তারপর পরম তৃপ্তি ভরে সে গুলো খেল।

বৃদ্ধার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাবা বলল,'তুই
এসব শিখলি কোথা থেকে।' অদ্রিয়া বলল,'তোমরা দিনরাত যাকে খারাপ বলো, সেই মোবাইলে দেখে শিখেছি । এই ঠাকুমাদের সাহায্য করা দরকার। তাই না ?' বাবা নির্বাক হয়ে অদ্রিয়ার মুখের দিকে তাকিয়ে রইল।

কবিতার নাম: ভোরের শিশির।

কবির নাম: শান্তি দাস।

হেমন্তের সকালে মৃদু মৃদু হালকা বাতাস,
ভোরের বেলা ঘাসের উপর শিশির কণা গুলো ভাসে। 
স্নিগ্ধতা ভরা সকালে বিন্দু বিন্দু শিশির ঝরে। 
নক্সীকাঁথার মাঠের ভিতর ঘাস গুলো ভিজিয়ে। 

এমন করে যখন রোদ্দুর নামে মন খারাপের গায়ে, 
শিশির কণা নূপুর জড়িয়ে ধরুক সবুজ পাতার উপর। 
মাঠের ভিতর হাজার শিশিরের ভীড়ে বইছে হিমেল হাওয়া, 
ঘাসগুলো সব চুপসে আছে নয়ন ধরে ধরে। 

হেমন্তের এই মশরুমে শিশির কণা ঘাসের গাঁয়ে পরে, 
সুর্য যখন উঠবে শিশির গুলো শুকিয়ে যাবে পায়ে পায়ে। 
সূর্যের তাপে ছড়িয়ে যখন পড়েছে সারা মাঠে, 
শিশির গুলো শুকিয়ে যাচ্ছে কৃষকেরা নামছে ক্ষেতে।

হিমেল হাওয়া শিশিরে ভিজে পাপড়ি মেলে রঙিন গোলাপে, 
শীতের পরশ সদাই ঘাসের ডগায় রবির আলোয় শিশির কণা ঝরে পরে।

সিকিম বন্যা
সিকিম বন্যা
চলছে পর্যটকদের উদ্ধারকাজ সিকিমে।

আপডেট: ০৮ অক্টোবর ২০২৩
এখনও ৪০০০ পর্যটক আটকে সিকিমে, বৃষ্টিপাত এবং খারাপ আবহাওয়ায় ব্যাহত উদ্ধারকাজ
সিকিম সরকারের তরফে শনিবার বার্তা দেওয়া হয়েছে, পর্যটকেরা সেখানে সুরক্ষিত রয়েছেন। হোটেল, গেস্ট হাউস, সরকারি ভবনগুলিতে পর্যটকদের নিখরচায় থাকা-খাওয়ার সমস্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে সরকারের তরফে।

কবিতার নাম: সাগরের টানে।

কবির নাম: বিবেক পাল।

জীবনের মুখোমুখি হয়ে দেখি 
ক্ষয়ে যাওয়া এক চালচিত্র
বেনিয়াদের দখলে জল জঙ্গল জমিন ।

সব ঋতুতেই ঘাম ঝরে
দিনান্তে হেঁসেলে আগুন জ্বালাতে ।
অপুষ্টি নিয়ে দাওয়ায় বসে শিশু ভোলানাথ খেলা করে ।

তেভাগার স্বপ্ন লালনে বাপ দাদা
গেছে উজানে----
জীবনের রঙ বদলায় আকাশের মতো !

প্রতীক্ষার প্রহর
নদীর বুকে ঢেউ ভাঙ্গে 
সাগরের টানে ।

বাতাসে গুঞ্জরণ
ধুলোঝড় উড়ছে-------

কবিতার নাম: বনের পশু কথা।

কবির নাম: দীপক রঞ্জন কর।

হালুম হালুম ডাকে ঐ 
সুন্দর বনের বাঘ,
শিকার না পেলেই তবে 
ভীষণ দেখায় রাগ।

হস্তী থাকে মস্তীতে ভাই
 ঐ বন জঙ্গলের পাশে,
নদী ঝর্ণার জল পানে 
বেড়িয়ে তখন আসে।

চিতা দৌড়ায় বেগে বেশ
  খুবই তার গতি,
পশুর মাঝে চালাক সে
 বড়ই নাকি অতি।

হরিণ দুটি নদীর চরে 
 জল পানের তরে
জলে কুমির দেখে হরিণ
পালায় বন গভীরে।

জোনাকি চ্যারিটেবল ট্রাস্ট 
বন্যপ্রাণ সপ্তাহের ষষ্ঠ দিনে বন্যপ্রাণী সংরক্ষনের বার্তা দিলেন জোনাকির বালু শিল্পী মুস্তাফা খাঁন ।

৭ ই অক্টোবর ২০২৩ : জাতীয় বন্যপ্রাণ সপ্তাহের ষষ্ঠ দিনে খেজুরির সমুদ্র সৈকতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা বন বিভাগ এবং হলদিয়া পৌর পাঠভবন এর যৌথ উদ্যোগে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ নিয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় | অনুষ্ঠানের শুরুতে,ছাত্র-ছাত্রীদের খেজুরির ঐতিহাসিক স্থান সম্বন্ধে বর্ণনা করেন উপস্থিত সম্মানীয় শিক্ষক শিক্ষিকারা | তারপর সমস্ত ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং সমস্ত স্যারেরা একসঙ্গে খেজুরি সমুদ্র সৈকতে মিলিত হন | গর্বের বিষয়, এই মহতী অনুষ্ঠানে আপনাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠান জোনাকিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল | জোনাকির বালু শিল্পী মুস্তাফা খাঁন খেজুরি সৈকতে লাল কাঁকড়া, ডলফিন এবং একটি কচ্ছপ তৈরি করে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের বার্তা দেন | শিল্পীর এমন শিল্পকে সবাই কুর্নিশ জানিয়েছেন | মহতী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, খেজুরির প্রাক্তন বিধায়ক - কৃষি বিজ্ঞানী - মাননীয় ডক্টর রামচন্দ্র মন্ডল মহাশয়, কাঁথি ফরেস্ট রেঞ্জের রেঞ্জ অফিসার - মাননীয় সমীক জানা মহাশয়, বিশিষ্ট শিক্ষক - মাননীয় নিকুঞ্জ জানা মহাশয়, খেজুরির বিট আধিকারিক মাননীয় শুভদীপ চ্যাটার্জী মহাশয়, নিজকষাবার বিট আধিকারিক মাননীয় সৌরভ কর্মকার মহাশয় সহ সম্মানীয় সাংবাদিক, শিক্ষক শিক্ষিকাগণ | জোনাকি থেকে উপস্থিত ছিলেন মধুমিতা মন্ডল, সুলতানা খাতুন, শুভ প্রামাণিক, সুব্রত মন্ডল, জোনাকির কর্ণধার সেক আসমত |


কবিতার নাম: কুমির।

কবির নাম: অধীর কুমার রায়।

সাদা পালের নাও ভেসে যায়
পদ্মানদীর জলে‌।
রুই কাতলা চেয়ে দেখে
নৌকা চলে পালে।
কুমির ব্যাটা পিছে পিছে
ঠিক রেখেছে তাক।
সুযোগ পেলে ঝাঁপিয়ে পড়বে
লক্ষ্য করে নাক।
কুমির আছে সব সমাজে
বনের মাঝে বাঘ।
মানুষ কুমির আরো ভয়ের
সে দেখেনা মাঘ।
খাল কেটে যে কুমির আনে
তাকেই মারে প্রাণে।
প্রবাদ ছড়ায় ডালে ডালে
কুমিড়ও তা মানে।

The Greatest Religious Leader 

Sanjoy Banerjee 

You are the Hero 
You are the Spiritual Leader 
One of the greatest 
Swami Vivebakananda 

You were born in the famous city in Calcutta 
Then you were Narendra nath Dutta. 

You are meet The Spiritual Guru Sri Ramakrishna.
Your life were changed 

You are the Spiritual leader 
Religious reformar and you are the Greatest Philosopher. 

Today Your Birthday 
161th Birthday Clebration 
One of the Greatest 
Swami Vivebakananda. 

কবিতারনাম: সময়ের কাজ সময়ে।

কবির নাম: সুপ্রিয়া গঙ্গোপাধ্যায়।

সময়ের কাজ সময়ে করো;
নষ্ট করো না সময়।
যদি নাই মানো এই উপদেশ,
পস্তাতে হবে তোমায়।
কর্মবিহীন জীবন শুধু যে
অসফলতায় ভরা!
কাজ করে যাও ফল ভুলে;
চির সাফল্য দেবে ধরা।
ভালো কাজ এক মনে করো ;
যথা,পড়ার সময়ে পড়া।
খাবারদাবার হাত ধুয়ে খেয়ো;
রাতে শুয়ে পড়ো ত্বরা।
খেলার সময়ে খেলো;বাকি রয়
মাকে সাহায্য করা_
ভুল নয়, দেবী সাদরে তোমার
ধরাকে বানান সরা!
পাখির ডাকে জেগে আনন্দে
জীবনটি হোক গড়া।
সার্থক হোক মানবজনম,
সার্থক লেখাপড়া।।

কবিতার নাম: জীবন।

কবির নাম: পূর্ণা গাঙ্গুলী।

জীবন অনেক কিছু আমায় তুমি দিয়েছো,
জীবন অনেক কিছু আমার তুমি নিয়েছো।
জীবন আলোর দিকে এগিয়ে চলার নাম,
জীবন দুঃখের মাঝে নিজেকে সামলানোর নাম ।
জীবন নিজেকে উজাড় করে মেলে ধরে,
জীবন নিজেকে গুটিয়ে নিতে সাহায্য করে ।
জীবন,পরস্পর বোঝাপড়ার এক নিবিড় বন্ধন,
জীবন,পরস্পর সমঝোতার এক সুদৃঢ় বন্ধন ।
জীবন অচেনাকে চেনায় জানায় শিক্ষকের মত,
জীবন এগোতে সাহায্য করে শিক্ষকের মত ।


শুভ জন্মদিন দিন 
  • ১৮৭৭ - সমাজসেবক,সংস্কারক,সাংবাদিক, কবি ও প্রাবন্ধিক উৎকলমণি গোপবন্ধু দাস
  • খ্যাতনামা বাঙালি কবি, অনুবাদক ও ঔপন্যাসিক লোকনাথ ভট্টাচার্য
  • ১৯৪৫ - সুমিতা সান্যাল, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্রাভিনেত্রী।
বিশ্ব ডাক দিবস
বিশ্ব ডাক দিবস

বিশ্ব ডাক দিবস (World Post day) ১৮৭৪ সালের এই দিনে সুইজারল্যান্ডের বের্ন শহরে বিশ্ব ডাক সংস্থার (ইউপিইউ) প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীকে স্মরণ করে প্ৰতি বছর ৯ অক্টোবর গোটা বিশ্বজুড়ে পালন করা হয়। বিশ্ব ডাক সংস্থা চিঠি লিখে তথ্য আদান-প্রদান এবং যোগাযোগের মাধ্যমে ডাক বিভাগে বৈশ্বিক বিপ্লবের সূচনা করে। ডাক সেবার প্রচার এবং প্রসার এই সংস্থার মূল উদ্দেশ্য।


🔹️ ই- সম্মাননা পত্র ডাউনলোড করুন - Click Now
🔸️ লেখা ও শিল্পকলা পাঠান - Click Now
🔹️ হোয়াটসঅ্যাপ পরিবারের যুক্ত হন - Click Now
🔸️ ফেসবুক পরিবারের যুক্ত হন- Click Now

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)