পরিচয় শিশু সাহিত্য
১৩তম সংখ্যা
প্রকাশ:
- বাংলা: ২২শে আশ্বিন ১৪৩০
- ইংরেজী: ১০ই অক্টোবর ২০২৩
- বার: মঙ্গলবার।
- সময়: সকাল ০৭টা ( কলকাতা টাইম জোন)
আজ আবহাওয়া: ৩৪°C (পশ্চিমবঙ্গ)
- বেশিরভাগ হাসিখুশি
- বৃষ্টিপাত: ১০%
- আর্দ্রতা: ৬৭%
- বাতাস: ৮কিমি/ঘন্টা
আজ ঘটনা:
- ৬৮০ – কারবালার যুদ্ধ: খলিফা প্রথম ইয়াজিদের সেনাবাহিনী ইসলাম-প্রবর্তক নবী মুহাম্মদের পৌত্র হোসাইন ইবনে আলীকে হত্যা করেছে। এই ঘটনার স্মৃতিরক্ষার্থে শিয়ারা আশুরা পালন করেন।
- ৭৩২ – তুরের যুদ্ধ: চার্লস মার্টেলের নেতৃত্বাধীন একটি বাহিনী পশ্চিম ফ্রান্সের পাঁইতি ও তুরের মধ্যবর্তী এক স্থানে উমাইয়া খিলাফতের বাহিনীকে পরাস্ত করে।
- ১৭৫৬ - লর্ড রবার্ট ক্লাইভ মাদ্রাজ থেকে ৫টি যুদ্ধজাহাজে ৯০০ সৈন্য নিয়ে কলকাতা দখলের জন্য যাত্রা করে।
- ১৯০২ - হল্যান্ডের হেগ শহরে আন্তর্জাতিক আদালতের প্রথম বৈঠক বা এজলাস অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯১১ - চীনে দু হাজার বছরের রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে।
- ১৯১৩ - পানামা খালের গাম্বোয়া বাধ ভেঙে আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর একাকার হয়ে যায়।
- ১৯১৭ - জার্মানির বিরুদ্ধে ব্রাজিল যুদ্ধ ঘোষণা করে।
- ১৯১৯ - পানামা খাল খনন শেষ হয় এবং একে উন্মুক্ত ঘোষণা করা হয়।
- ১৯৩২ - সোভিয়েত ইউনিয়নের নেভা নদীর উপর লেনিন জলবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হয়।
- ১৯৪২ - কবি কাজী নজরুল ইসলাম মস্তিক ব্যাধিতে আক্রান্ত (মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি আর সুস্থ হননি) হন।
- ১৯৪৩ - চিয়াং কাই শেক চীনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ১৯৫৯ - আজেন্টিনায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।
- ১৯৬৪ - এশিয়ার প্রথম টোকিও অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬৭ - প্রায় ১০০ দেশের মধ্যে মহাশূন্য চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
- ১৯৭০ - দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপ দেশ ফিজি দ্বীপপুঞ্জ ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- ১৯৭১ - দিনাজপুরের চড়ারহাট গ্রামে হানাদার বাহিনী মেতে ওঠে হত্যাযজ্ঞে। প্রায় শতাধিক মানুষকে গভীর রাতে ঘুম থেকে তুলে একত্রিত করে নির্মমভাবে হত্যা করে তারা। তাদের মধ্য থেকে গুলিবিদ্ধ ১১ জন প্রাণে বেঁচে গেলেও শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয় সেখানে। পাশের আন্দোল গ্রামটিও রেহাই পায়নি হানাদারদের হাত থেকে।
- ১৯৭২ - বঙ্গবন্ধুকে বিশ্বশান্তি পরিষদের সর্বোচ্চ সম্মান ‘জুলিও কুরি’ পদক প্রদান করা হয়।
- ১৯৭৩ - বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় গিনি।
- ১৯৮৬ - সালভাদের ভুমিকম্পে দুই সহস্রাধিক লোকের প্রাণহানি ঘটে।
- ১৯৯২ -‘বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস’ পালনের শুরু করা হচ্ছে।
- ১৯৯৭ - ফ্রান্সের ৪০ জাতি শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়।
লিখেছেন:
কবিতা নাম: বাঘা।
কবির নাম: সুশান্ত সেন।
বিশুদের কুকুরের কি যে দূর্মতি
সবাই কে তেড়ে আসে দুর্জয় অতি,
কিন্তু গায়ের কাছে যেই এসে থামে
আদরেতে ল্যাজ নাড়ে দক্ষিণে বামে।
পাশে বসে ফেলে যায় আদরের শ্বাস
ঘুরে ঘুরে মৌতাতে চলে যায় ত্রাস।
বিশু ডাকে বাঘা আয় তু তু তু
দুজনেই খেলি বসে হা ডু ডু,
বাঘা নাড়ে মাথা আর ঘুরে ঘুরে যায়
বিশু দেয় ডাল ভাত চেটে পুটে খায়।
কবিতার নাম: আরোহণ।
কবির নাম: উদয় নারায়ণ বাগ।
আজ
একচল্লিশটা বসন্ত পেরিয়ে
যখন তোমাদের গৃহের দোরে আসা,
হৃদয় মাঝারের অতৃপ্ত আশা
পূরণের জন্য শীতল বায়ে ভাসা।
পারবে কি বিলাতে হে সুধী গৌরব
সেই দেবলোকের অমৃতের ধারা,
ছন্দোময় স্বরে জোছনার প্রলেপে
ছড়িয়ে দিতে সব তোমার জ্ঞান সারা।
কাঁটাতারের বেড়া ভেঙে যখন আসা
বায়ুর বেগে বয়ে ছন্দেরই খোঁজে,
উদর ভরে নেব যত মিঠেল ছোঁয়া
সুখের আনন্দে নয়ন দুটি বোজে।
প্রাপ্তি অবসানে যখন থাকবে না
তোমরা সব সাথি আমার কাছে অতি,
তখন স্মৃতি খুলে দেখব আমি যত
তোমাদের জোগান সে সকল সুমতি।
তবে কেন ধীমান হৃদয়ে এত ডর
দিয়ে দাও সকল রুক্ষতার তরে,
সিঞ্চন হোক না জ্ঞানের ভাণ্ডার
ধন্য হয়ে সব জীবন যাবে ভরে।
আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ
|
| তামিলনাড়ুতে বাজির কারখানায় আগুন। |
আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০২৩
বাজি কারখানায় আগুন লেগে বিস্ফোরণ। প্রাণ হারালেন ১০ জন। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন
তিন মহিলা। আহত আরও ১৩ জন। তামিলনাড়ুর আরিয়ালুর জেলার ঘটনা। গত পাঁচ দিনে এই
নিয়ে দ্বিতীয় বারের ঘটনা।
কারখানার ভিতর রাখা ছিল ন’টি দু’চাকা, একটি ট্রাক এবং একটি ভ্যান। বিস্ফোরণে সব
ক’টি যান পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। আরিয়ালুরের ওই কারখানার বাজি তৈরির বৈধ
লাইসেন্স রয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ বাজি তৈরির জন্য মজুত রাসায়নিকে
আগুন লাগে। তার জেরে বিস্ফোরণ হয়। কারখানার ভিতর আটকে পড়েন বেশ কয়েক জন
শ্রমিক।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় আরিয়ালুর জেলার দমকল কর্মীরা। কিন্তু বিস্ফোরণের
তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল, কারখানার কাছে ঘেঁষতেই পারেননি তাঁরা। এর পর আশপাশের
জেলার দমকল কেন্দ্র থেকে কর্মীরা এসে পৌঁছন। কারখানার পাশেই রয়েছে চাষের ক্ষেত।
তীব্র বিস্ফোরণের কারণে বেশ কিছু দেহাংশ পাশের ক্ষেতে গিয়ে পড়েছে। পুলিশ পরে
সেগুলি উদ্ধার করে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ফরেনসিক
নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পুলিশ মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। কী ভাবে আগুন
লেগেছে, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্টালিন। মৃতদের পরিবারকে তিন
লক্ষ টাকা এবং আহতদের পরিবারকে এক লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা
করেছেন তিনি।
ছড়া: হাঁড়িতে চাল বাড়ন্ত
কবির নাম: দেবব্রত মাজী
হাঁড়িতে নেইকো আজ চাল
দূর অস্তগামী হয়েছে ডাল।
আঙিনায় হাসছে ফুটে জুঁই
ইচ্ছা করছে না তাকে ছুঁই।
আসবে কবে দিন সুখময়
সদা কাটে জীবন দুঃখময়।
জমছে মনে গভীর হতাশ
সুখে চিন্তার নেই অবকাশ।
কবিতার নাম: রেলগাড়ি।
কবির নাম: দর্পনা গঙ্গোপাধ্যায়।
রেলগাড়ি স্যাটাসট
চলে জোরে ফটাফট
নামা ওঠা ঝটাপট।
ভিড় ঢেলে চটাপট।
রেলগাড়ি এঁকে বেঁকে
গ্রাম পথ নদী রেখে
ছুটে ছুটে চলে দূরে
মন চলে ঘুরে ঘুরে ।
জানলার ধারে বসে
কত চাষী মাটি চষে
মেয়ে তোলে পদ্মফুল
স্নান করে এলো চুল।
ট্রেনে বসে কেনাকাটা
চুপচাপ লেখকটা,
গান গেয়ে ভিক্ষা চায়
মন করে হায় হায় ।
রেলে চেপে ভিড়ে ঘেমে
পৌঁছে গিয়ে ঠেলে নেমে
কাজে কাজে ভুলে যাই
রেলগাড়ি বাই বাই।।
|
|
চিত্র অঙ্কন। শিল্পী: অমৃতা চক্রবর্তী। |
কবিতার নাম: যাত্রীহীন গন্তব্য।
কবির নাম: অতুল সেন।
যাত্রীবিহীন ট্রেন চলছে এক ঘেয়ে
ট্রেনে আমি একা, আছি আনন্দে শুয়ে...
ঘণ্টার পর ঘন্টা কেটে যায় সময়
তবু পৌঁছায়নি গন্তব্যে, করছে বড্ড ভয়:
জানলার বাইরে তাকিয়ে, যেদিকেই যায় চোখ...
চারিদিক শুধুই গাছপালা, কোথাও নেই জনমানব !
যাত্রীবিহীন এই ট্রেনে একলা আমি বসে,
কনকনে বাতাস বয়ে যায়, আমার গা ঘেঁষে-
চোখ দুটো যেই করেছি বন্ধ, কেটেছে সময়,
দুচোখ খুলে দেখি যেই, সবই ছিল মায়াময়।
কবিতার নাম: প্রকৃতির শোভা।
কবির নাম:-রামপ্রসাদ পাল।
শয্যার বিশ্রামে থেকে থেকে
কড়িকাঠে রাখি চোখ
দেখি হাতি নাচে,ঘোড়া নাচে
বাঁদর বাজাই ঢোল।
সবুজ দেওয়ালেতে মৃগ চরে,
লাল পাঁচিলের গা বেয়ে ওঠে
আগ্নেয়গিরির অগ্নির ঢেউ
গিরির দুশ্চিন্তার খবর নেয় না তো কেউ!
পাশফিরে জানালায়
দেখি আরও কত কি!
তারি মাঝে নীল জুড়ে
বিহগ জমায় ভিড়।
ডেঙ্গু (কলকাতা)
কবিতার নাম: মন্দ লোকের মূল্যায়ন।
কবির নাম: শুভব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
মন্দ লোকের দাম তো বেশি
ভালো লোকের থেকে,
সাধু সেজে থাকেন তারা
অসৎ স্বভাব ঢেকে।
প্রকৃত যে ভালো মানুষ
তাদের নেই তো মূল্য,
বাজে লোকে তাদের সাথে
করে শুধু তুল্য।
মাথা নিচু করে তারা
থাকে ভুবন মাঝে,
প্রমাণ দেবে তাও পারে না
নিজেদের সব কাজে।
উচ্চাসনে আজকে যারা
রাজার পদে বসে,
ভালো লোকের চিহ্ন যে নেই
তাদের জীবন রসে।
ভালো মানুষ বসলে সেথায়
শ্রীবৃদ্ধি হয় দেশে,
মূল্যায়নে তারা সেরা
থাকবে সবাই হেসে।
কবিতার নাম: শরৎ মানে।
কবির নাম: তপন মাইতি।
শরৎ যেন বদ্ধ পাগল
ভাঙে যত বদ্ধ আগল
ভীষণ যেন অভিমানি
সুখে দুখে কানাকানি।
শরৎ যেন কেমন কেমন
খামখেয়ালি মানুষ যেমন
হঠাৎ আসে হঠাৎ পালায়
প্রাকৃতি রূপ গাঁথা মালায়।
হালকা আলতো দখিন হাওয়া
বৃষ্টি রোদে আকাশ ছাওয়া
কাশবন পদ্ম শালুক ফোটে
শিউলি ভোর ভেজা ঠোঁটে।
শরৎ মানে অন্যরকম
সুখের পায়রা বকম বকম
জোড়া শালিক পুজোর গন্ধ
শরত-কথা নয় যে মন্দ...
আজ বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস
আমাদের শারীরিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে আমরা সবসময় চিন্তা করি, কিন্তু মানসিক
স্বাস্থ্য সম্পর্কে আমরা সাধারণভাবে উপেক্ষা করতে স্বামী। মানসিক স্বাস্থ্য
গুরুত্বপূর্ণ, সে আমাদের মন এবং মানসিক স্বাস্থ্যের সাথে সম্পর্কিত। বিশ্ব
মানসিক স্বাস্থ্য দিবস একটি দিন যখন আমরা মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্বকে
সঠিকভাবে মনোনিবেশ করতে পারি এবং এটির প্রতি আমাদের সচেতন হতে সাহায্য করতে
পারি।
মানসিক স্বাস্থ্য আমাদের দৈন্য জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি সংকেত। সঠিক মানসিক
স্বাস্থ্য সাধারণ জীবনে সুখ, সাফল্য, এবং সামর্থ্যের প্রতি একটি শুভ দিক তৈরি
করে। মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান নেওয়া, আমরা আমাদের নিজের সাথে
এবং অন্যদের সাথে সম্পর্কিত হতে সাহায্য করতে পারে।
মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে আমরা তাড়াতাড়ি কোন স্টিগমা বা অপমাননা ভুলে
যাওয়া দরকার। এটি একটি স্বাভাবিক অবস্থা, এবং যেকোনো সময়ে যে কেউ মানসিক
সহানুভূতি এবং সাহায্যের দিকে মুখ ফিরে যেতে পারে।
আমরা সবাই মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকতে এবং এটির প্রতি সহানুভূতি
দেখাতে পারতে পারি। মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব বোঝার এই দিনে, আমরা সবাই
সাক্ষরতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারি এবং মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সাধারণ
জ্ঞান সাফ করতে পারি।
মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে আমরা মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব সম্মান করতে এবং
আমরা সম্পর্কিত ব্যক্তিগত যত্ন নেওয়ার জন্য অনুমতি দেওয়ার সুযোগ পেতে।
মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান নেওয়া, সহানুভূতি দেখানো, এবং সাথে
আছা সমর্থন প্রদান করা, সমাজের সাথে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সুচেষ্ট ধারণা
তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে।
আমরা সবাই মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব উল্লেখ করে,
এবং সামাজিক সমর্থন এবং সচেতনতা বাড়াতে সাহায্য করে মানসিক স্বাস্থ্য
সম্পর্কে আমাদের সমৃদ্ধ জীবন নির্মাণ করতে পারি।
মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা এবং
সাহানুভূতি সামাজিক সাথে একটি স্বাস্থ্যকর সমাজে মানসিক স্বাস্থ্যের
গুরুত্বকে বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।
কবিতার নাম: পুজোর গন্ধ বাতসে।
কবির নাম: মিহির সেন।
বাঁধন ছাড়া মেঘের ভেলা
ছুটছে আকাশ পানে,
নীল সাগরে সামিয়ানা
খুশির জোয়ার প্রাণে।
বইছে নদী শান্ত সুরে
গোপন মনের আশে,
দুকূলে আজ সাদা চাদর
হাসছে ফোটা কাশে।
আকাশ বাতাস মুখরিত
আগমনীর সুরে,
মা আসছে বাপের বাড়ি
একটি বছর পরে।
ঢাকি দিচ্ছে ঢাকে টান
প্যান্ডেল বাঁধে বাঁশে,
পাড়ায় পাড়ায় তোড়জোড়
খুশিতে সব ভাসে।
নতুন সাজে সাজছে সব
সওদাতে দেয় মন,
দিনে দিনে উৎকন্ঠা
কখন আসে শুভক্ষণ।
পুজোর গন্ধে মাতোয়ারা
আবাল বৃদ্ধ জনে,
শিউলির গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে
শরতের প্রাণে।
Poem Name: The Window.
Author: Sanjoy Banerjee.
I was lonely in my room.
I discovered the power of my window.
I looked out on the banyan tree.
l looked out the nice garden.
I looked out the fruit seller--
The postman .
All passed my way.
The way of my window.
The Window is my favorite place.
Most little children stopped beside my Window.
Hello, I said with a friendly smile.
I love my window
The Window is my favorite.
বিরাট কোহলি
আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০২৩
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে কেএল রাহুলের সঙ্গে জুটি বেঁধে ম্যাচ জেতানো ইনিংস
খেলেছেন তিনি। করেছেন মূল্যবান ৮৫ রান। সেই ইনিংস নিয়ে আগেই কথা বলেছেন
ম্যাচের সেরা রাহুল। এ বার মুখ খুললেন বিরাট কোহলি। বোর্ডের পোস্ট করা একটি
ভিডিয়োয় ব্যাখ্যা করেছেন তাঁদের সাফল্যের রসায়ন।
ম্যাচের পরের দিনই রাহুলের সঙ্গে হোটেলের বাগানে আড্ডা মারতে বসে গিয়েছিলেন
কোহলি। সেখানেই অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ নিয়ে কোহলি বলেন, “কম রানের লক্ষ্য ছিল।
কিন্তু আমরা নিজেদের তৈরি করতে কতগুলো বল খেলতে তৈরি সেটার উপরেও অনেক কিছু
নির্ভর করছিল। শুরুর দিকে আমরা কেউই বলের সংখ্যার দিকে নজর দিইনি। শারীরিক
ভাবে যে চ্যালেঞ্জগুলো সামনে রয়েছে সেগুলোর কী ভাবে মোকাবিলা করব সেটা
ভাবছিলাম। তখন যে কোনও ক্রিকেটারেরই একটু ক্লান্তি লাগে।”
কোহলির সংযোজন, “ছোট ছোট লক্ষ্য সামনে রেখে এগিয়ে যাচ্ছিলাম। সেগুলো অতিক্রম
করতে করতেই ক্রমশ লক্ষ্যমাত্রার দিকে এগিয়ে যাই। আমার মনে হয়, এটাই আমাদের
জুটির সবচেয়ে বড় সাফল্য।”
কবিতার নাম: কোথা পাব এই ঠিকানা।
কবির নাম: বিবেক পাল।
কে দেবে এই ঠিকানা আমায়-----
যেথা চৌর্য ঘৃণিত কাজ,শাস্তি হয় দরবারে ,
হয় না আড়াল অপরাধ, অপরাধীর ।
প্রতিটি সকাল শিশুর হাসির সারল্যে ভরপুর
ভূমি আর ফসলের শীষে শিকড়ে ঢালে অমৃত ,
মেঘেরা পালা করে গ্রীষ্মের শেষে !
রোদে পুড়ে জলে ভিজে
ফসল ফলায় যারা সকলের তরে
স্রেফ চাষা নয় তারা , মেরুদন্ড সমাজের ।
তাঁদেরই রক্ত ঘামের ফসল রাষ্ট্র-শক্তি
রাম রহিমের নামে লুটবে না
গণতন্ত্রের নামাবলীর আবডালে ।
হয় না হেথা নারীর সম্ভ্রম বেআব্রু
প্রতিটি প্রহর অন্ধকার বিরুদ্ধ হাওয়ায়
রক্তিম সূর্য ওঠা ভোর তারি স্বপ্নে বিভোর ।
ঝরা পাতা রক্ত কুসুম বিছানো পথে
কারা যেন হেঁটে যায়-
ঠিকানার খোঁজে !
ছড়া: বর্ষা রাণী।
কবির নাম: পূর্ণা গাঙ্গুলী।
বর্ষা রাণীর হচ্ছে অভিমান,
ফুপিয়ে ফুপিয়ে সে কেঁদেই চলেছে..
তাকে কেউ ভালোবাসে না,
অযথা দিচ্ছে গালিগালাজ সকলে !
"অসময়ে এসেছো কেন"?
..বলছে সকলে মিলে!
"তোমার সময়ে ছিলে বেপাত্তা,
অসময়ে এসে ফেলছো খালি বিপদে"..
এ কথা শুনে শুনে...
হয়েছে তার ভারী দুঃখ,
তাই তো সে অঝোর ধারায় কেঁদে চলেছে!!
কবিতার নাম: অগ্রগামী।
কবির নাম: বিমল চন্দ্র পাল।
ঐ তো মাগো চাঁদ মামা
কত দূর আর হবে!
কলকাতা থেকে কাটোয়া
যাবো সেথায় কবে?
মামার বাড়ি বেড়াতে যাবো
সেথায় মণ্ডা মিঠাই আছে,
সবার আগে যেতে হবে
অন্যে সব কিছু নিয়ে যায় পাছে।
বাজার থেকে আমায় এবার
একটা বিক্রম কিনে দিও
ওটায় চেপে যাবো সেথায়
বাবা, তোমরা দেখে নিও।
মা এসে কয় কানটি ধরে
খুব হয়েছে পাকামি ,
এবার একটু পড়তে বসো
ছেড়ে দিয়ে জ্যাঠামি।
খোকা ভাবে কী দোষ হল
কিসের হল বোকামি
কান মলাটা খেলাম তবে
কিসের দোষে বল আমি।
বাবা বলে,করছো কি
এটা পাকামি কেন হবে,
ভবিষ্যতের ভাবনা থাকলে
তবেই তো এগিয়ে যাবে !
জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তি চান অশোকনগরবাসী
|
| জলমগ্ন অশোকনগরের মোমিনপুর। |
আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০২৩;
এই মরসুমেও জল জমার ভোগান্তি থেকে পরিত্রাণ পেলেন না অশোকনগর-কল্যাণগড় পুরসভার
বহু মানুষ। প্রতি বছর নিয়ম করে দুর্গা পুজোর আগের ভারী বৃষ্টিতে জলমগ্ন হওয়া
নিজেদের ভবিতব্য বলেই ধরে নিয়েছেন এঁরা। এলাকায় জনপ্রতিনিধিরা ঘুরে যান। সামনের
বর্ষার আগে সুরাহা আশ্বাস দেন। তবে ফি বছর একই পরিস্থিতি হয়ে যায়!
এ বার কয়েক দিনের বৃষ্টিতে পুরসভার ১৩, ২২, ৫, ৬, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কিছু এলাকার
মানুষ জলবন্দি হয়ে পড়েছেন। বৃষ্টি থামলেও সেই জমা জল বের করা হচ্ছে না বলে
অভিযোগ।
এক দিকে এলাকায় জ্বর, ডেঙ্গি ছড়িয়েছে। জমা জল বেড়েছে আতঙ্ক।
১৩ নম্বর ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা গেল, কোথাও বাড়ির মধ্যে জল ঢুকে পড়েছে। কোথাও রাস্তায়
জল। সাপ, পোকামাকড়ের উপদ্রব বেড়েছে। সোমা দাস নামে এক মহিলার কথায়, "এখানে
রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি সব জলমগ্ন। জমা জল বেরোনোর জন্য কোনও নিকাশি নালা নেই। জলের
মধ্যে দিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে। বাচ্চারা এই জলের মধ্যে দিয়ে পড়তে যেতে পারে
না।" এক মহিলার কথায়, "একহাঁটু জল এলাকায়। জনপ্রতিনিধিরা সব জানেন। কিন্তু তাঁরা
এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে কিছু করেন না।" বাসিন্দারা জানালেন, প্রতি বছর জমা
জলের কারণে তাঁদের পুজোর আনন্দই মাটি হয়ে যায়।
স্থানীয় কাউন্সিলর তারক দাস বলেন, "বাসিন্দাদের দাবি সম্পূর্ণ ঠিক। এখানে জল
বেরোনোর কোনও নালা নেই। পুরপ্রধানকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। বাসিন্দারা যদি তাঁদের
বাড়ির সামনে থেকে জায়গা দেন নিকাশি নালা করতে, তা হলে পুরপ্রধান খুব দ্রুত তা করে
দেবেন। জায়গা না দিলে তখন বিকল্প ব্যবস্থা ভাবতে হবে।"
পুজোয় গঙ্গায় ইলিশের বন্যা বইবে, আশা
কবিতার নাম: ফেরিওয়ালা।
কবির নাম: নিতাই শর্মা।
মাথায় কাঁধে বোঝা বয়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরে,
নানান ডাক হেকে তাদের বানিজ্য সারে।
ওদের মাথায় নেই ছাতা পায়ে নেই জুতা,
বৃষ্টিতে ভিজে রোদে পুড়ে তুচ্ছ জ্ঞানে ব্যথা।
মাছ সবজি জামাকাপড় নানান রকম পণ্য,
ঘরে বসে পেয়ে থাকি মোদের জীবন ধন্য।
ওরা ঘৃনা কিংবা করুনার পাত্র নয় সমাজে,
সকলের উপকার তাদের একনিষ্ঠ কাজে।
সময় আর অর্থ দুইই বাঁচে ওদের শ্রমে,
অন্য বস্ত্রের সন্ধানে বাড়ি বাড়ি ঘুরে।
আধুনিক ডিজিটাল যুগে ব্যস্ত সবাই,
সময়টা বেঁচে যাবে ঘরে বসে যদি পাই।
অনলাইনের যুগে হয়না যেতে বাজারে,
প্রয়োজনীয় জিনিস পেয়ে যাব অর্ডার করে।
অনলাইনে অর্ডার করে অনেকে ক্যুরিয়ারে,
ক্যুরিয়ার বয় বাড়ি পৌঁছে দেয় যত্ন করে।
ঘরে বসে পেয়ে যাই ফেরিওয়ালার তরে,
পায়ে হেঁটে কেউ সাইকেলে ফেরি করে।
জিনিস খারাপ হলে ফিরিয়ে দিতে পারে,
নি:সংকোচে মানুষজন পন্য ক্রয় করে।
ছড়া: আমাদের শরৎ।
কবির নাম: স্বাগতা দাস।
শিউলি ফোটা শরৎ সকাল
মেঘ বালিকার ঢল।
মাঠে জুড়ে আজ কাশের বাহার
বিছিয়েছে অঞ্চল।।
স্কুলেতে আর মন বসে না
অপেক্ষায় দিন গুনি,
ইচ্ছে করে এক ছুটে যাই
কুমোরটুলির গলি।
পেজা তুলোর মেঘের সাথে;
যাই ভেসে দূর দেশে।
যেখান থেকে দুর্গা ঠাকুর
মর্তলোকে আসে।।
কবিতার নাম: পরিবেশ তুমি " মা "।
কবির নাম: বেবি চক্রবর্ত্তী।
হে ধরণী তুমি বিশ্বমাতা
তুমি প্রকৃতি তুমি সুন্দরতা।
তোমার গভীরতা আমি উপলব্ধি করি।
"মা" আমি তোমার বক্ষে জন্ম নিয়েছি।
তোমার কোলে মাথা রেখেছি।
তুমি রোদের তাপে পুড়েছ! কিন্তু আমাকে আশ্রয় দিয়েছে।
কবাডি - কবাডি শব্দের উল্লাসে শুকনো পাতা ঝড়িয়েছ ।
খুশিতে ফুল ফুঁটিয়েছ --
এই ধরণী কে তুমি সাজিয়েছ ! কথাও পাহাড়, কথাও নদী আবার কথাও ঝণা। সু - বিশাল ঘন
জঙ্গল কত পাখি ও বন্য প্রাণী'র বসবাস। তুমি প্রকৃতি !! এই যুগ যুগ ধরে কত কিছুর
সাক্ষী। ওই প্রবাহমান সমুদ্র --
আমার তোমার ওপর বাস।
না, সহবাস ।
দুটি ভ্রূণের মিলন!
জন্ম- মৃত্যুর মাঝে --
বংশপরম্পরায়!
ভালোবাসা দু'জন মানুষের।
অটুট বন্ধনের সম্পর্ক ! তোমার - আমার।
কে হিন্দু !! কে মুসলিম !! কে খ্রিষ্টান !!
দেখ না --
এই রক্তের রঙ লাল ! কিসের জাতপাত ?
একবার মনে করো না ! আমরা প্রকৃতি মায়ের সন্তান । সবাই এক। নয় কেও ভিন্ন ! একে
অপরের ওপর নির্ভরশীল।পলকে পলকে নিয়েছ নিঃশ্বাস! প্রতিনিয়ত করে চলেছ আমার বুকের
ওপর ত্রাস। অন্যায়! আমার দু'হাত ভরে দান। বৃক্ষ না থাকলে - থাকবে না, এ ধরাতল।
দেখা দেবে মরূদ্যান, খরা। স্বচ্ছ আকাশে ভরে যাবে ঘন কালো মেঘ ! এক ফোঁটা
বৃষ্টি'র মরিয়া কটবে না ! অতিশয় জীবন । আমি সবুজায়নের রূপ। যে দিন আমি শেষ হয়ে
যাব ধেয়ে অসবে পৃথিবীর বুকে অন্ধকার । চারিদিকে শোনা যাবে মানুষের হাহাকার
অক্সিজেন,খাদ্য ও জল। সবুজায়ন - না থাকলে ! এ কোন্ অভিশাপ ! বল --
প্রকৃতি তুমি "মা"। না, না তোমরা আমাকে মেরো না ! আমারও ব্যথা লাগে। আমার
রক্তের কোন রঙ নেই । আমি বাঁচতে চাই ! মেরো না, আমাকে । আমারও বুকে ব্যথা আছে !
আমারও বাঁচার অধিকার আছে।
এই ভূমণ্ডল এর সুন্দরতা আমি। সুন্দর পাখি! সুন্দর ফুল! সুন্দর গাছ। এ সবই আমার
সৃষ্টি । আমার চোট লাগলে কষ্ট হবে। বুকে ফাঁটবে শূন্য তলে পাখি আর উড়বে না !
পাখির গুঞ্জন আর শোনা যাবে না --
বড় বড় বাড়ি আমার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। প্রকৃতির সাথে নিবিড় সম্পর্ক।
সবুজায়ন
না - থকলে ! পরিবেশ এবং জলবায়ু ভারসাম্যহীন।
ওই দেখ কিছু দুষ্টু মানুষ
হাতে কাঠারি নিয়ে !
এদিকেই আসছে --
দেখে,মনে হয় ! গাছ কাটবে ।
না, আমি কথা বলতে পারি না। আমার ডালপাতা গুলো'কে -- উন্মাদের মতো !
বোঝানোর চেষ্টা করছি, না আমাকে মেরো না। সময়, একটু প্রতিক্ষার ! ওই কাঠারি'র
একটা কোপ্ আমার গায়ে পড়ল। শত যন্ত্রণা - আমার ওপরে থাকা ! ত্রক ঝাঁক পাঁখি ।
উড়ে গেল, নতুন বাঁসা' র সন্ধিক্ষণে -- কত করুণ সুর ছিল তাদের মুখে । হঠাৎ বয়ে
এল প্রাকৃতিক দুর্যোগ ! কাঠারি ফেলে দাঁড়িয়ে পড়ল আমার গাছের তলায়। দূরে, দেখি
-
আরও কিছু মুষ্টিমেয় কয়েকজন লোক। এই বৃষ্টি ভিজে ! আমাদের'কে নিয়ে গবেষণা করছে
।
এবার বোধহয় একটু প্রাণ পেলাম। ঠিক তাই!
উচ্চস্বরে চিৎকার করে --
এই বৃক্ষ বহু প্রাচীন ।আমাদের ঐতিহ্য -- এঁরা পরিবেশের সুন্দরতা ।
এ সভ্যতার কাছে চরম প্রাপ্তি।
সবুজায়ন - না, থাকলে!
অস্কিজেন এর অভাবে মানুষের হাহাকার পড়ে যাবে । পরিবেশ আমাদের আর এক "মা "
প্রকৃতির সাথে নিবিড় বন্ধনে অটুট । কিসের জাতপাত !! কিসের হিংসা !! কিসের
বিদ্বেষ, এসো !
আমরা সবাই হাতে হাত রেখে সবুজায়ন করি। এই সভ্যতাকে সুদৃঢ়, করি !! দিগন্তের
সূযের একরাশি হাঁসি , সুন্দর ঝলমলে পরিবেশ -- আগামী প্রজন্মের ! রূপকার।
ইলিশ মাছ
পদ্মা বা গঙ্গায় বাংলাদেশের মতো পশ্চিমবঙ্গেও প্রজনন মরসুমে ইলিশ ধরা যায় না।
কিন্তু আইনের বাস্তব প্রয়োগ এ রাজ্যে সে ভাবে নেই বললেই চলে।
আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০২৩
বাংলাদেশ থেকে আপাতত ইলিশ আসা বন্ধ রয়েছে। ২২ দিন ধরে সে দেশে ইলিশ ধরা ও বিক্রি
নিষিদ্ধ হওয়ায় এ বার দুর্গাপুজোয় আর এ রাজ্যে ইলিশ আসছে না। কিন্তু সরকারি ভাবে
না এলেও পুজোর মরসুমে ইলিশের ভরসায় দিন গুনছেন ফরাক্কা ও নিমতিতার কয়েকশো
মৎস্যজীবী।
১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।
তবে স্থানীয় মৎস্যজীবীদের আশা, এ বারও নিমতিতা থেকে ফরাক্কা পর্যন্ত গঙ্গায়
ইলিশের বান আসবে। গত সাত-আট বছর ধরে অক্টোবরের এই সময় বাংলাদেশ থেকে পদ্মা বেয়ে
ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ঢুকে পড়ে নিমতিতার গঙ্গায়। আর তা ধরতেই গঙ্গায় জাল নিয়ে নেমে
পড়েন মৎস্যজীবীরা। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ সরকার সে দেশের ৩৮টি
জেলায় ইলিশ ধরা ও বিক্রি করা নিষিদ্ধ করেছে ২২ দিনের জন্য। কারণ, এই সময় সমুদ্র
থেকে ইলিশ পদ্মায় ডিম পাড়তে আসে।
গত কয়েক বছর ধরে এই সময় তাই ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ হয় বাংলাদেশে। শুধু মাছ ধরাই নয়,
আহরণ, পরিবহণ, মজুত, ক্রয়-বিক্রয়, নিষিদ্ধ সব কিছুই। তাতে ইলিশের উৎপাদনও যথেষ্ট
বেড়েছে বাংলাদেশে। ১৯৭১-’৭২ সালে সে দেশে ইলিশের উৎপাদন ছিল মাত্র ৮.১৪ লক্ষ
মেট্রিক টন। ২০২০-’২১ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৪৬.২১ লক্ষ মেট্রিক টন। তাই এই সময় ইলিশ
ধরলেই মৎস্যজীবীদের মাছ ধরার সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি ১০ হাজার বাংলাদেশি
টাকা জরিমানা এমনকি ২ বছরের জেলের মতো কঠোর সাজার বিধান রয়েছে বাংলাদেশে।
কবিতার নাম: রবির চাঁদ।
কবির নাম: রবীন রায়।
ওগো চাঁদ !
তোমার তো ভাগ্য ভালো,
পৃথিবীকে সঙ্গী পেলে ;
আমি রবি,
দূর হতে দেখে তাই,
একলাই গেলাম জ্বলে।
জানি তুমি আজো -
আমার আলো করো প্রতিফলিত,
নাম তার জ্যোৎস্না ;
পৃথিবীর নিয়তিতে ছিলো
বুঝি তোমার প্রেম পাওয়া?
আমার তরে অনিচ্ছুক ছলনা।
উ
তোমার জীবন তো
কেটে যায় একমুখী -
তাকে ঘিরে আবর্তিতে ;
আমি তাই থমকে রই,
অন্তর দাহে কবে হবো
নিঃশ্বেষ চরম পরিণতিতে।।
আমি বেশ জানি,
যদি হই আত্ম ঘাতি,
দুর্ভাবনাগ্রস্তে বিস্ফারিত ;
তুমিও সমক্ষণে,
আমারই কারণ সনে-
ছিন্ন প্রাণে যাবে মূর্ছায়িত।।
তাই পারি না,
বিধির বিধান ভাঙতে,
সহে যাই অনন্ত এ দহন ;
তোমায় ভালোবেসে-
মন দিয়েছি আমি,
যদিও হবে না মিলন।।
এই বাঁধা পথে,
জীবনে গতি বিচ্যুতে,
আসি কভু যদি কাছাকাছি ;
স্থায়ীত্বের কাল যদি -
সুদীর্ঘ নাও হয়,
ক্ষণিকের তরে হলেও যাচি।।
আমি আশায় আছি,
ভেসে মহাশূন্যে,
সরার নেই কোনো উপায়;
থাকবো তবুও -
যুগযুগান্তর ব্যাকুল হৃদয়ে,
দৈব্যবলে যদি ভাগ্য বদলায়।।
তুমি আসবে তো
আমার বুকে ?
নিত্য জ্বলবার সুখে!
তুমি আঘাত হেনো,
প্রলয়ে হারিয়ে যাবো,
পরস্পরের স্পর্শ মেখে।।
কবিতার নাম: "বোকা ছেলে"।
কবির নাম: দীপক রঞ্জন কর।
খোকাবাবুর বোকা ছেলে
কান্ড ঘটায় কি !
দানা ফেলে বেদানা খায়
সাথে মেখে ঘি ।
খোকাবাবুর ছেলের কীর্তি
বলব কি যে আর !
গাছের মাথায় তেল ঢালে
নিজের মাথায় সার ।
খোকাবাবুর বোকা ছেলের
আজব অনেক কথা,
শীতে ঘুমায় খালি গায়ে
গরমে গায়ে কাঁথা ।
ছেলের ঐ আনাড়িপনা
শেষ হবে না বলে,
রোদ-বর্ষায় বেজায় হাঁটে
ছাতা বগল তলে।
ভালো-মন্দে ভেদ বুঝেনা
বোঝায় তারে যত ,
যখন তখন নাচে গায়
নিজের খেয়াল মত ।
শুভ জন্মদিন দিন
- ১৭৩৩ - রাজা নবকৃষ্ণ দেব,কলকাতার শোভাবাজার রাজপরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম দুর্গাপূজার সূচনা কারী।
- ১৮৭০ - তিনকড়ি,বাংলা রঙ্গমঞ্চের অভিনেত্রী।
- ১৯০৬ - আর. কে. নারায়ণ, ভারতীয় লেখক।
- ১৯১২ - অনিল মুখার্জি, বাংলাদেশী লেখক এবং রাজনীতিবিদ।
- ১৯১৬ - সমর সেন, ভারতীয় বাঙালি কবি এবং সাংবাদিক।
- ১৯৩০ - হ্যারল্ড পিন্টার, সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্রিটিশ সাহিত্যিক।
শ্রদ্ধ জানাই
- ১৮২৭ - উগো ফস্কল, ইতালীয় লেখক ও কবি।
- ১৯৭১ - সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ, বাঙালি কথাশিল্পী, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার।
- ১৯৯৪ - শেখ মোহাম্মদ সুলতান (এস এম সুলতান), বাংলাদেশী প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী।
🔹️ ই- সম্মাননা পত্র ডাউনলোড করুন - Click Now
🔸️ লেখা ও শিল্পকলা পাঠান -
Click Now
🔹️ হোয়াটসঅ্যাপ পরিবারের যুক্ত হন -
Click Now
🔸️ ফেসবুক পরিবারের যুক্ত হন-
Click Now









পরিচয় ই-ম্যাগাজিন অনবদ্য। শুভকামনা নিরন্তর।
উত্তরমুছুন