পরিচয় শিশু সাহিত্য
১৪তম সংখ্যা
প্রকাশ:
- বাংলা: ২৩শে আশ্বিন ১৪৩০
- ইংরেজী: ১১ই অক্টোবর ২০২৩
- বার: বুধবার।
- সময়: সকাল ০৭টা ( কলকাতা টাইম জোন)
আজ আবহাওয়া: ৩৪°C (পশ্চিমবঙ্গ)
- বেশিরভাগ হাসিখুশি
- বৃষ্টিপাত: ০%
- আর্দ্রতা: ৬৫%
- বাতাস: ১০ কিমি/ঘন্টা
আজ ঘটনা:
- ০৬৩২ - ইয়ামমার যুদ্ধে ভণ্ড নবী মুসায়লাম কাজ্জাব নিহত হয়।
- ১৫০৩ - দ্বিতীয়বার ভারত ভ্রমণ শেষে পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা মোজাম্বিকের তাগুসে উপস্থিত হন।
- ১৬৬৯ - পিটার দি গ্রেট রাশিয়ার জার হন।
- ১৭৩৭ - কলকাতায় যুগপৎ ভূমিকম্প ও ঘূর্ণিঝড়ে তিন লাখ লোকের মৃত্যু ঘটে।
- ১৮৭১ - শিকাগোর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড আয়ত্তে আনা হয়।
- ১৮৯৯ - দক্ষিণ আফ্রিকায় হল্যান্ড ও বৃটিশদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ১৯২৩ - জার্মান মুদ্রার বিপজ্জনক মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। ১ পাউন্ডের মূল্যমান দাঁড়ায় ১ হাজার কোটি মার্ক।
- ১৯৩৭ - চীনের সাংহাইএ চীন আর জাপানের সেনাবাহিনীর মধ্যে তীব্র লড়াই হয়। এই লড়াইয়ে দু’পক্ষের বিপুল সংখ্যক সৈন্য হতাহত হয়।
- ১৯৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী পদত্যাগ করেন।
- ১৯৬২ - চীন-ভারত যুদ্ধ শুরু হয়।
- ১৯৬৪ - কায়রোতে ৪৭ জোট নিরপেক্ষ দেশের সম্মেলন সমাপ্ত হয়।
- ১৯৭২ - চীন আর জার্মানীর মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৪ - গিনি-বিসাউ ও গ্রানাডা জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৭৮ - জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বর্ণবাদবিরোধী বিশেষ অধিবেশন অনষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৯ - তিব্বতের রাজধানী লাসায় অবস্থিত পোতালা প্রাসাদের মেরামত প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এই প্রকল্পে চীন সরকার ৩ দশমিক ৫ কোটি ইউয়ান বরাদ্দ করে।
- ১৯৯১ - সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে পড়ার কিছু আগে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা কেজেবির তৎপরতা বন্ধ করে দেয়া হয়।
- ২০০০ - লন্ডনে প্রথমবারের মত একটি মুসলিম মাধ্যমিক স্কুলকে সরকারী হিসাবে অনুমোদন দেয়া হয়।
- ২০০০ - চীনের ইনজিনিয়ারীন , প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান মহলের সবচেয়ে বড় আকারের এবং সবচেয়ে উচ্চ পর্যায়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলন – আন্তর্জাতিক ইনজিনিয়ারীন, প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান সম্মেলন পেইচিংএর গণ মহা ভবনে মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হয়।
- ২০০১ - চীনের রাষ্ট্রীয় মানদন্ডকরণ ব্যবস্থাপনা কমিটি পেইচিংএ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০০২ - চীনের ছ’টি বে-সামরিক বিমান পরিবহন লিমিটেড কোম্পানি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা করা হয়।
লিখেছেন:
কবিতার নাম: কেউ তো একজন আসোক জুড়ে বসুক জীবনে।
কবির নাম: এইচ.এম. কবি সাজিদ চৌধুরী।
কেউ তো একজন আসোক_ জুড়ে বসুক জীবনে-
চাই বা বড্ড প্রয়োজন আমার একাকীত্বের এ প্রহরে,
প্রিয়তম হয়ে কেবল জীবন সঙ্গী চিরজীবনের ||
খুব কাছে এসে চোখ_ চোখ রেখে করুক জিজ্ঞাসা-
কেমন আছ?এত পরিপাটি জীবন?
এত কী ভাব সর্বদাই- কবি'র মতোই!
হাওয়ার শীসের মতোই কানে এসে বলবে,
কবি কবিতা কে ছাড়া কারো প্রেমে পড়ো না!
গ্রীষ্মের খরতাপে অতিষ্ট রোদে_ বিছিয়ে রাখবে বুকে শীতলপাটি! বলবে এ বুকে শুধুই
তোমাকে বসতে দিলাম- ট্রি শার্ট পড়তে গিয়ে বলবে_আজ তোমার বড্ড তাড়া না_আচ্ছা
আমায় দাও আমি পড়িয়ে দিই_ আর বলবে সাবধানে যেয়ো!
অমন মিষ্টি মধুর কন্ঠে শুনে অবাক হয়ে রবো আমি-
আখি নাহি ফেরাবো_প্রিয় অপরিচিতা!
প্রেম পিয়াসী-প্রেমিককে গড়ো_প্রেমিকা হয়ে এসে আমায়-
একটু শাসণ-বারণে! বুকের ভেতর জমানো অজস্র- ভালবাসায়_রাঙিয়ে দেবো প্রিয়সী
তোমায়-
কেউ একজন এসে প্রিয় বলেডাকুক আর-
মিষ্টি সুরে বলুক আমাকে_চলনা আজ ভ্রমণ করি কবি!
চিরসবুজ বৃক্ষ_সমারোহ প্রকৃতিকে ভরপুর সেখানে-
যতই দেখিবো অতই ব্যাকুল হয়ে উঠিবে,
প্রিয় তুমি তো আবার_কবি মানুষ বড্ড প্রিয় প্রকৃতি||
চল ----এসো----দুজনে একসাথে হাতে-হাত ধরে চলব নিঃশ্বাসে_বিশ্বাসে ভালবাসার অটুট
বন্ধনে! মিষ্টি-মধুর হাসিসুরে_ভালবাসার কথোপকথন আর গল্প শুনাবো প্রিয়
প্রিয়তম! সবুজ ঘাসের তুলে কাশফুল তোমার হাতে আর খোঁপায় ভরিয়ে দেবো_ হাঁটতে
হাঁটতে শুনাবো দু'টো বাক্যালাপ_এ জীবনে ঠিক তোমাকেই চেয়েছি চিরন্তন সত্য
ভালবাসায় প্রিয়-প্রিয়তম অপরিচিতা---------||
প্রিয় কবি? প্রকৃতির অপরূপ-
চিরসবুজের মাঝে আজ হারিয়ে যাবো তুমি আর আমি!
প্রিয় কবি আমার_ ঠিক আমায় নিয়ে লিখবে তো-
একখান কবিতা-ছন্দে ছন্দে প্রিয়তমা আমাকেই সাজাবে_
বড্ড অস্থির করে তুলবোই কবি তোমাকেই শুনায়তে আমায়_কবিতা!
কেউ তো একজন আসোক_ জুড়ে বসুক জীবনে-
ভুল পথে পা বাড়ালেই _বকবে
আর সাবধান করবে,ভীষণ কড়া শাসনে!
রাগ-অভিমান জর্জরিত জীবনে-
রাগ-অভিমান ভাঙ্গাবে_মিষ্টিহাসি
আর অদ্ভুত- ভালবাসায় বন্দি করে বুকে জড়িয়ে নিয়ে,
বলবে এত রাগ_মোটে ঠিক নহে প্রিয় কবি!
ঘড়ির কাঁটার মতোই চোখে চোখে আঁকড়ে রাগবে_
আর বন্ধ ঘরের খোলা জানালায় আকাশ দেখাবে,
বলবে প্রিয় কবি আমার _পাখি হয়ে আমায় আকাশে উড়াও_
চাঁদ হয়ে এ জীবনে আলো জ্বালাও _ জোৎস্নার রাতে তাঁরা হয়ে আমাদের
নীলিমায় জোৎস্না ছড়াও!
কেউ তো একজন আসোক_ জুড়ে বসুক জীবনে-
কেউ তো একটা চাই বা বড্ড প্রয়োজন,
আমার একাকীত্বের এ প্রহরে, প্রিয়তম হয়ে-
কেবল কিছুটা সে তার মতোই থাক কিছুটা আমার মতোই ||
কথাসাহিত্যিক কবি লেখক,
এইচ.এম. সাজিদ চৌধুরী
বিএ অনার্স অধ্যায়ন পটিয়া সরকারি কলেজ, চট্টগ্রাম।
কুতুবদিয়া,কক্সবাজার,
কবিতার নাম: নিশিকুটুম।
কবির নাম: উদয় নারায়ণ বাগ।
নিশিকুটুম নিশিকুটুম
কোথায় তোমার ডেরা,
তোমার জন্যই আমার ঘরটি
পাঁচিল দিয়ে ঘেরা।
মা বলেছে নিশিকুটুম
দেখতে ছুঁচোর মতো,
অলিগলি ঘুরে বেড়ায়
ঘোমটা দিয়ে কত।
মায়ের কথা শুনব না আজ
দেখব তোমার গতর,
রাতবারোটা বেজে গেছে
এসো খুঁজে বতর।
বাপ রে বা বা তুমি যে এক
জলজ্যান্ত মানুষ!
তবে ওরা তোমার নামে
উড়ায় কেন ফানুস?
তুমি এত রোগা কেন
পাও না নাকি খেতে?
কাছে এসে একটু বসো
মাদুরখানা পেতে।
কিছু খাবে আনছি তবে
রান্নাঘরে গিয়ে,
সেই সকালের পান্তা কিছু
ছাঁচি পেয়াজ দিয়ে।
কোত্থাও তুমি যাবে না তো
একটু আসছি আমি,
আজকে তুমি মেহমান যে
আমার কাছে দামি।
ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত
কবিতার নাম: প্রজাপতি।
কবির নাম: অনল হেমব্রম।
প্রজাপতি প্রজাপতি
কোথা তুমি যাও?
তোমার সাথে কথা আছে
একটু শুনে যাও।
কানে কানে বলবো তোমায়
কাউকে বলো না,
আমিই তোমার কাছের বন্ধু
ভুলে যেওনা।
হরেক্ রঙের রঙিন ডানা
কোথায় তুমি পাও?
চুপি চুপি আমায় শুধু
একটু বলে যাও।
তোমার মতো উড়ে উড়ে
দুনিয়া দেখতে চাই,
তাইতো আমি তোমার মতো
ডানা মেলতে চাই।
মনের খুশি উড়তে তোমার
নেইতো কোন বাধা
আমিই শুধু হোঁচট খাচ্ছি
যেন একটা গাধা।
তোমার মতো সবুজ সিগনেল
পায় না আমার রথ,
কেই বা আমায় বলে দেবে
এগিয়ে যাওয়ার পথ?
বুঝতে তুমি চাও না কেন
আমার মনের কথা?
উড়তে যদি পেতাম আমি
থাকতো না তো ব্যাথা।
ছড়া: গোলুর মাছ ধরা।
কবির নাম: রাজা দেবরায়।
গোলু যাবে মাছ ধরতে,
বড়শি ফেললো পুকুরে।
যেইনা বড় মাছ উঠলো
তাড়া করলো কুকুরে!
কুকুরের তাড়া খেয়ে
গোলু খেলো হোঁচট।
হুমড়ি খেয়ে পড়ে
হাঁটুতে পেলো চোট।
চোট সারাতে গোলু
ফুসিডিন মাখলো।
হাঁটুর ক্ষতস্থান সে
বেন্ড-এইডে ঢাকলো।
কৃষ্ণা নদীর জল বিবাদ
জলবণ্টন ঘিরে আবার সংঘাতের আবহ দক্ষিণ ভারতে। কাবেরীর পরে এ বার কৃষ্ণা নদীকে
ঘিরে। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ওয়াইএস জগন্মোহন রেড্ডির সরকার মঙ্গলবার
জলবণ্টন বিবাদের সমাধান চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্নাটক এবং মহারাষ্ট্রের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কৃষ্ণা নদীর জলের ভাগ
নিয়ে তিনটি রাজ্যের মধ্যে বিবাদ দীর্ঘদিনের। প্রায় দেড় দশক আগে জলবণ্টন বিবাদ
নিরসনের জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ব্রিজেশ কুমারের নেতৃত্ব গঠিত হয়েছিল
ট্রাইব্যুনাল। যা কর্নাটকের আলমাত্তি বাঁধের উচ্চতা ৫১০ মিটার থেকে বাড়িয়ে ৫২৪
মিটার করার অনুমতি দিয়েছিল। এই অনুমতি নিয়ে গোড়া থেকেই আপত্তি ছিল
অন্ধ্রপ্রদেশের।
মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী জগন্মোহনের নেতৃত্বে অন্ধ্রের মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ সরকারি
আধিকারিকদের বৈঠকে স্থির হয়েছে, বর্তমান জলবণ্টন নীতি পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে
শীর্ষ আদালতে আবেদন জানানো হবে। আলমাত্তি বাঁধের উচ্চতা বৃদ্ধির পরে শুখা মরসুমে
অন্ধ্রপ্রদেশে প্রয়োজনীয় জল পাচ্ছে না বলেও অভিযোগ জগন্মোহন সরকারের। প্রসঙ্গত,
কাবেরী নদীর জলবণ্টনের ক্ষেত্রেও অতীতে কর্নাটকের বিরুদ্ধে বাড়তি জল টেনে নেওয়ার
অভিযোগ তুলেছিল তামিলনাড়ু। পরে শীর্ষ আদালত গঠিত ট্রাইব্যুনাল বিষয়টিতে
হস্তক্ষেপ করে।
কবিতার নাম: বীরসিংহের সিংহ শিশু।
কবির নাম: মিহির সেন।
ইংরেজ যখন করতে শোষণ
ভরতে ছিল জেল,
সমাজপতিরা তোষণ করে
তাদের মাকাচ্ছিল তেল।
হাজার রকম বাধার মাঝে
কুসংস্কারের ঠেলা,
ধর্মান্ধতায় করতে লড়াই
কেটে যেত বেলা।
শিক্ষা দীক্ষার ধার না ধেরে
কুপমন্ডুক সেজে,
ধর্মের নামে মিথ্যাচার
চলতো সকাল সাঁঝে।
এমনই এক কাঁটার মাঝে
বীরসিংহের বীর,
তেজ বীর্যে দেখিয়ে দিলেন
নয়তো নত শির।
লড়াইয়ের এই ময়দানে
জীবন করি পণ,
স্বার্থমগ্ন এই দুনিয়ায়
নয় আত্মসমর্পণ।
শিক্ষা বিনা মুক্তি নাই
নারী কেন পিছে,
নারী জাতির এই অপমান
দিলেন তিনি মুছে।
ভারতমাতার সিংহশিশু
আপন গুণে বীর,
বুঝিয়ে দিলেন দেহের উপর
আছে একটা শির।
কবিতার নাম: শরৎ-কিশোর।
কবির নাম: তপন মাইতি।
শরৎ-কিশোর আকাশ দেখে
নীলাকাশে সাদা
অরুণ আলো মুখে মেখে
হালকা হাওয়ায় বাদা।
শুভ্র কাশবন প্রস্তুতি নেয়
স্বপ্ন পূরণ হবে
কঠিন কঠোর পরিশ্রম দেয়
আকাশ চূড়া ছোঁবে।
আপনা আপনি লড়ে যেও
কৃষাণ ফসল পাবে
অঘোষ তুমি হও অমেয়
পৌঁছে তুমি যাবে।
সোনালী ধান ভরুক গাছে
শরৎ কিশোর শীষে
ভুরি ভুরি স্বপ্ন আছে
উৎসব মুখর মিশে।
শরৎ-কিশোর কল্পনা নয়
সৌন্দর্য মন মায়া
বলতে গেলে প্রকৃতি হয়
জীবন স্বপ্নের ছায়া।
|
|
চিত্র অঙ্কন শিল্পীর নাম: ভিক্টর পাল। (৭ বছর) |
কবিতার নাম: আমার অভ্যেসের আলপন।
কবির নাম: রবীন রায়।
দুঃখের সঙ্গে থাকতে থাকতে -
ব্যাথার সাথে যেনো -
কেমন একটা অভ্যেস হয়ে গেছে ;
এখন তো ওই ক্ষণিকের -
সুখকে বড্ড ভয় করে -
দীর্ঘ অভ্যেস হারায় নাকি পাছে!
এই যাতনার অনুভবটুকুও যদি -
হারায় এ জীবন থেকে -
আমি সেদিন সত্যিই মরে যাবো ;
আমি জানি তো, এ বেদনা -
কখনোই আমাকে ছেড়ে-
যাবে না, যতক্ষণ না মৃত্যু পাবো।
বুকে জ্বালা নিয়েই তো আমি-
সুদীর্ঘ দিন ধরে বেঁচেছি-
গেয়েছি কন্ঠ ছেড়ে বিচ্ছেদের গান;
দহনে নয়নে জল না এলে -
আমার হৃদয়ে জাগে না সাড়া,
আবেগে আসে না মোহিত সুর টান।
কষ্টের সাথে এতো ওঠা বসা,
চলাফেরা, ভাবভালোবাসা-
অনুভবে মিশে মিশে হয়েছি রপ্ত ;
আমি সুখের রূপ ভুলেই গেছি -
অভাবে বিস্মৃত তার স্বভাব,
বিরহের ভাবটাই যে পরিব্যাপ্ত।
আমি ছাড়তে চাই না তাই হেলায়-
কারোর মিথ্যে ভালোবাসায়-
আমার জীবন মরনের এই সাথী ;
শোনো গো হে ভগবান তুমি!
আমার এই আকুল আবেদন,
নিবারনে নিভিও জীবনের বাতি।
আইসিসি বিশ্বকাপ 2023
কবিতার নাম: লোভে পাপ ,পাপে সাজা।
কবির নাম: শিবনাথ মন্ডল।
হনুমানের ইচ্ছে হলো
মৌচাকের মধু খেতে
মুখের স্বাদ নষ্ট হয়েছে
কলা খেতে খেতে।
মৌচাকের মধু খেতে যেই
হাত দিয়েছে চাকে
শত শত মৌমাছিরা
হুল দিয়েছে নাকে।
মৌ মাছিদের বিষের জ্বালাই
হনুমান করছে ছটফট
বিষের জ্বালায় জ্বলে পুড়ে
দাঁত করে কটমট।
মনে মনে ভাবছে হনু
কলা খাওয়াই ভালো
মধু খাওয়ার লোভে পড়ে
এমন বিপদ হলো।
আর কখনো মধু খেতে
আসব নাকো ভুলে
মৌমাছিদের বিষের জ্বালায়
মুখ টা গেছে ফুলে।
কলা খাওয়াই ভালো ছিল
আর খাব না মধু
মৌচাকে তে মধু পেলাম না
পেলাম বিষের জ্বালা শুধু।।
ছড়া: ইলিশ।
কবির নাম: দর্পণা গঙ্গোপাধ্যায়।
ইলশে গুঁড়ি ইলশে গুঁড়ি
ইলিশ ঝুড়ি ঝুড়ি
ইলিশ এনে পিস কাটিয়ে
কলাপাতায় মুড়ি ।
রূপালী রঙ ঝকঝকা ঝক
নোটের তাড়া চকচকা চক
ফেললে পরেই টকটকা টক
পেয়ে যাবে গোটা কতক।
খাওনা ভেজে তেলে ঝালে
সরষে বেটে ভাপিয়ে নিয়ে
টক বানিয়ে তেঁতুল গুলে
কচুশাকের ঘন্টা দিয়ে ।
খাবার পরে ভাবনা কোর
হিসাব খাতা তখন খুলো
আরাম করে ঘুমিয়ে পোড়ো
স্বপ্নে থাকুক ইলিশ গুলো।।
ছড়া: শত্রু যখন টিকটিকি।
কবির নাম: সুপ্রিয়া গঙ্গোপাধ্যায়।
ঠাকুরঘরে ফোটোর পিছে
টিকটিকি এক থাকে;
আম্মু যখন পুজোয় বসেন
টিক টিক টিক ডাকে।
আরশোলাদের প্রবেশ মানা;
ঢুকলে বনবে ' খাবার '।
দেখতে পেলেই খপাৎ করে
ধরবে; করবে সাবার!
ফোটোর গায়ে আটকে শরীর
মাথাখানি উচুঁ করা।
ভক্তসম শুনতে থাকে
ব্রতকথা বই পড়া।
গা জ্বলে যায় মিষ্টি সোনার;
দুষ্টুটা সন্দেশে
ছুঁয়ে দিলে আর পাবে না
প্রসাদের সঙ্গে সে।
এমন অসুখ হতে পারে
পারবে না সারাতে
বদ্যি,হাকিম যাকেই ডাকো....
জ্ঞান হবে হারাতে।
বাবা, মাকে খুঁজে না পেয়ে
ভুতের দেশে গিয়ে
অন্ধকারে মরবে ভয়ে
ওঠো শত চেঁচিয়ে!
টিকটিকিদের চিনে রাখো,
জেনে রাখো স্বভাব;
জানা শত্রু পারে না যে
খাটাতে তার প্রভাব!
সাবধান হও, বন্ধুরা সব।
যা পেলে তাই খেয়ো না!
ঢেকে রাখা খাবার ছাড়া
বায়না করতে যেয়ো না।।
প্রবন্ধ: ১৮ছিলেন ছবি আঁকিয়ে হলেন।
বিজ্ঞানী: অনিন্দ্য পাল।
এখন আর কেউ চিঠি লেখে না! কথাটা একশ শতাংশ ঠিক না হলেও কাছাকাছি যাবে,, একথা
নিঃসন্দেহে বলা যায়। মোবাইল, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, পামটপ এর যুগে কাগজ কলমে শখ
করে চিঠি লিখতে যাবেই বা কেন মানুষ। যেখানে এক ক্লিকে মেসেজ, ইমেল, হোয়াটস
অ্যাপ মনের খবর পৌঁছে দিচ্ছে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে, সেখানে
গয়ংগচ্ছ পোষ্টাল সার্ভিস যে মিউজিয়মে মিশরের মমির পাশে শোয়ার দশায় উঠবে সে তো
অতি স্বাভাবিক। কিন্তু এই রকম ঘটনা শুধু এই শতাব্দীতে ঘটছে তা কিন্তু একেবারেই
নয়। এর উদাহরণ অনেক যুগ আগেও পাওয়া যাবে। সেই ২৪০০ খৃষ্টপূর্বে ইজিপ্টে
ফ্যারাওরা নিজস্ব কুরিয়র ব্যবস্থা ব্যবহার করতেন, এমন প্রমাণ পাওয়া গেছে,
কিন্তু মানুষ তো থেমে থাকে নি। তাই চেষ্টা করেছে আরও উন্নত কোন ব্যবস্থা তৈরী
করতে যাতে তারা অনেক কম সময়ের মধ্যে অনেক কম খরচে, কম খাটুনিতে খবরাখবর আদান
প্রদান করতে পারে।
ঊনবিংশ শতকের কাছা কাছি সময়ের কথা। মানুষের কাছে খবরাখবর আদান প্রদান করার উপায়
বলতে তখন রানারের পিঠে খবরে বোঝাই ব্যাগই সবচেয়ে আধুনিক পদ্ধতি। এছাড়া পায়রার
পায়ে চিরকূট বেঁধে খবর পাঠানোর রেওয়াজ ও ছিল। তবে অনেক ক্ষেত্রেই ঘোড়ার পিঠে
চড়ে খবর পৌঁছে দেওয়ার রীতি ও ছিল। কিন্তু ঐসব পদ্ধতি ছিল অনেকটাই শারিরীক
ক্ষমতা নির্ভর এবং সময় সাপেক্ষ। তাই চেষ্টা চলছিল বিশ্ব জুড়ে, একটা নতুন কিছু
আবিষ্কারের । সেই ইচ্ছাতে অক্সিজেন যোগালো বিদ্যুতের আবিস্কার । সপ্তদশ থেকে
অষ্টাদশ শতাব্দী জুড়ে বেন্জামিন ফ্রাঙ্কলিন থেকে শুরু করে মাইকেল ফ্যারাডে
-বিদ্যুতের প্যান্ডোরা বক্স খুলে দিলেন মানুষের সভ্যতার জন্য। সেই বিদ্যুৎ কে
কাজে লাগিয়ে বিজ্ঞানী রা তৈরী করতে চাইলেন দ্রুতগামী কোন বার্তা বাহক।
ইংল্যান্ড, ফ্রান্স আর জার্মানির বিজ্ঞানীরা বিদ্যুৎ সংকেত ব্যবহার করে কোন
বার্তা পাঠানোর চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু সফল হননি কেউ। তবে সফলতা এলো। অদ্ভুত
ব্যাপার এটাই, যার হাত দিয়ে এল সেই সফলতা তিনি কোন বিজ্ঞানী ছিলেন না।
কস্মিনকালেও কেউ ভাবে নি যে সেই ব্যাক্তি বিজ্ঞান গবেষণা করতে পারেন! তিনি
নিজেও ভেবে ছিলেন বলে মনে হয় না। আর ভাববেনই বা কি করে? তিনি ছিলেন তো একজন ছবি
আঁকিয়ে, একজন শিল্পী।
নাম তাঁর স্যামুয়েল ফিনলে ব্রিস মোর্স। সংক্ষেপে আমরা তাকে মোর্স সাহেব বলেই
ডাকবো। আমেরিকার বাসিন্দা এই মোর্স সাহেব আদতে ছিলেন একজন চিত্রকর। আমেরিকার
ম্যাসাচুসেট্স এর চার্লস টাউনে ১৭৯১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়
এর "ফাই-বিটা-কাপ্পা" সাম্মানিক স্নাতক হন ১৮১০ সালে। তাঁর বিষয় ছিল ধর্মীয়
দর্শন, গণিত এবং অশ্ব বিজ্ঞান ( science of horses) ।
ছবি আঁকিয়ে হিসেবে মোর্স সাহেব মোটামুটি খ্যাতি পেয়েছিলেন। তাঁর আঁকা বিখ্যাত
ছবি গুলোর মধ্যে অন্যতম Landing of pilgrims, Dying Hercules, Jonas Platt, The
House of Representative প্রভৃতি। ছবি আঁকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই ছিল, তবে সেই
সময়ের প্রখ্যাত শিল্পী ওয়াশিংটন অ্যালিস্টন এর সাহায্যে লন্ডনে কয়েক বছর থেকে
তিনি দক্ষ এবং পারদর্শী চিত্রকর হয়ে ওঠেন। এর স্বীকৃতি হিসেবে ১৮১১ সালে তিনি
রয়্যল অ্যাকাডেমির সদস্য পদ পেলেন। আমেরিকান হলেও ইউরোপের ইতালি,
সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স এর মত দেশে তাঁর ছবি প্রশংসিত হয়েছিল। এভাবেই ১৮২৫ সাল
পর্যন্ত তাঁর শিল্পী জীবন এগিয়ে চলেছিল, ভালোই। তখন তাঁর বয়স ৩৫, নিউইয়র্ক শহরে
একটি ছবি আঁকার অনুরোধ পান। তিনি কাজটা নেন এবং গভীর মনোযোগে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
একদিন তিনি পেন্টিং এ ব্যস্ত, তখন ঘোড়ার পিঠে চড়ে এক জন পত্রবাহক একটা চিঠি
পৌঁছে দিল তাঁর কাছে। চিঠিটা এসেছে তাঁর বাড়ি থেকে। নিউইয়র্ক শহর থেকে প্রায় ৮০
মাইল দূরে নিউ হেভেন থেকে তাঁর বাবা লিখেছেন, তোমার প্রিয়তমা স্ত্রী এখন আগের
চেয়ে সুস্থ আছে। মোর্স সেদিনই জানলেন যে তাঁর স্ত্রী অসুস্থ হয়েছিলেন। আবার
ঠিক তার পরের দিন তিনি আবার একটা চিঠি পেলেন, তাঁর বাবা লিখেছেন, তোমার স্ত্রী
মারা গেছে। তক্ষুণি তিনি রওনা দিলেন বাড়ীর দিকে। কিন্তু যখন পৌঁছালেন, ততক্ষণে
তাঁর স্ত্রীর মৃতদেহের সৎকার হয়ে গেছে। কফিন বন্দী শরীরটা মাত্র কিছুক্ষণ আগেই
মাটির নিচে ঠাঁই পেয়েছে।
খুব আঘাত পেলেন মোর্স সাহেব। তাঁর সবচেয়ে কষ্ট হল এই ভেবে যে, তাঁর প্রিয়তমা
স্ত্রী কিভাবে কবে কখন অসুস্থ হলেন, কবে মারা গেলেন তিনি কিছুই জানতে পারলেন
না। জানতে যখন পারলেন, তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। সব শেষ হয়ে গেছে। শোকের এই
আবহের মধ্যেই তিনি মনে মনে ঠিক করলেন এমন কোন উপায় তিনি তৈরি করবেন, যার
সাহায্যে আরও দ্রুত খবর পাঠানো যায়।
১৮৩২ সাল। ইউরোপ থেকে ফিরছিলেন মোর্স সাহেব।
ইউরোপ গেছিলেন পেন্টিং এর জন্যই। কিন্তু ভিতরে কুরে কুরে খাচ্ছিল একটা কষ্ট,
একটা চিন্তা। কি করে বানানো যায় এমন একটা কিছু যাতে অনেক কম সময়ে অনেক দূরে
কোন খবর পাঠানো যাবে।ফিরছিলেন যে জাহাজে, তাতেই ছিলেন একজন বিজ্ঞান গবেষক।
বোস্টনের চার্লস থমাস জ্যাকসন। তিনি তড়িৎচুম্বকত্ব বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ছিলেন। আলাপ
হল তাঁর সঙ্গে। আগ্রহের সঙ্গে জ্যাকসনের পরীক্ষা নিরীক্ষা সম্পর্কে জানলেন। এতে
যেন ধিকি ধিকি জ্বলা আগুনে ঘি পড়লো। তিনি বুঝলেন, এই তড়িৎচুম্বকত্ব কে কাজে
লাগিয়ে কিছু একটা করা যেতে পারে। ব্যস। শিল্পীর সত্ত্বাকে ঘুম পাড়িয়ে দিলেন।
পেন্টিং গুলোকে চালান করলেন লুভরের গ্যালারিতে। শুরু হল বিজ্ঞান গবেষণা। শিল্পী
হয়ে উঠলেন বিজ্ঞানী। দিনের পর দিন বছরের পর বছর চলতে লাগলো পরীক্ষা নিরীক্ষা।
১৮৩৫ সালে অবশেষে তৈরী করে ফেললেন একটা মাত্র তার বিশিষ্ট এমন একটা যন্ত্র যেটা
বিদ্যুৎ কে কাজে লাগিয়ে সংকেত পাঠাতে পারে একস্থান থেকে অন্য স্থানে। এটাই ছিল
একতার বিশিষ্ট বৈদ্যুতিক টেলিগ্রাফ যন্ত্র। তবে প্রথমে কয়েকশো গজের বেশী
পৌঁছাতে পারেনি। চলতে থাকে অবিরাম গবেষণা। আরও দূরে পাঠানোর মত টেলিগ্রাফ
আবিষ্কার করতেই হবে । অল্প কদিনের মধ্যেই এল সাফল্য। এবার প্রায় ১৬ কিমি দূরে
পাঠানো গেল। ১৮৩৮ সালের ১১ ই জানুয়ারি, জনসমক্ষে মোর্স সাহেব দেখালেন তাঁর এই
আবিষ্কার। সবার চোখের সামনে একটা কারখানায় ৩.২ কিমি লম্বা তার দিয়ে পাঠালেন
প্রথম টেলিগ্রাফ বার্তা " A Patient waiter is no loser " । অবাক জনগন ধন্য
ধন্য করেছিল সেদিন। এই অসাধারণ আবিষ্কার বদলে দিতে পেরেছিল গতানুগতিক খবরাখবর
আদান প্রদান ব্যবস্থার খোলনলচে। কয়েক বছরের মধ্যেই সমস্ত পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছিল
টেলিগ্রাফ,আরও উন্নত হয়ে। তবে বীজটা পুঁতে দিয়ে গেলেন স্যামুয়েল মোর্স সাহেব।
আজকের বৈদ্যুতিক এবং বৈদ্যুতিন বার্তা বাহক এর আদি পুরুষ এভাবেই একজন শিল্পীর
বৈজ্ঞানিক চেতনার সন্তান হয়ে ভূমিষ্ঠ হয়েছিল। এই মহান শিল্পী বিজ্ঞানী ১৮৭২
সালের ২ রা এপ্রিল নিউইয়র্ক শহরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
Poem Name: Autumnal Festival.
Written by Shubhabrata Banerjee.
When the monsoon Clouds take a leave
The brightness of the Sun comes out,
The blueness of the sky scatters everywhere,
The Clouds sail like light cottons there.
The Sun shines its golden light all over,
The new born corn in the green agricultural field
Seems to be a piece of golden article
In our eyes where ever our views go.
The greenery is visualized in every sphere of life,
The water bodies are filled with waters,
The Lily blossoms with its own beauty all around
The Autumnal flowers spread its essence in our life.
Autumn, the festive season in our land, brings happiness
Glows the beauty of nature in our mind,
Brings a spiritual love with the Godesses and Human Beings
Hears beautiful tune of Morning Songs in our mind.
We the family persons hear the steps of the Mother with Power
Who comes for a short visit with her parents along her daughter and sons.
We treat her as our own relative from our Heart and Soul
And make our life in a festive mood along with the nature hold.
But Still, Nature becomes our enemy and makes our life a hell
The sudden attack of the Thunder demolishes the creation all around.
The overflowing of water in the river washes away lives a lot,
Deprives the sweat of the farmers given in the agricultural fields.
Yet, Autumn, the Queen of all the seasons we experience in a year,
Gives a pleasure in our mind and enthusiasm in our spirit.
It sets a connection with the hot and cold atmosphere on earth
It enlightens the power of work who embrace the season with love.
কবির নাম: তুমি ও আমি।
কবির নাম: তাপস মাইতি।
তুমি মেঘ আমি বর্ষা
তুমি সততা আমি ভরসা।
যদি তুমি হও নদী
তবে
আমি তার ঢেউ
যদি তুমি হও আগুন
আমি জ্বলি
দাউ- দাউ।
তুমি আকাশ আমি নীল
তুমি দরজা আমি খীল।
যদি তুমি হও চাঁদ
তবে আমি
তার জোছনা
যদি তুমি হও রাত
তবে
আমি ভোর রচনা।
দূর্গা পূজা 2023 (কলকাতা)
আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০২৩
কোথাও মণ্ডপের সাজ পরিবেশবান্ধব ঠোঙায়, কোথাও বা পুরনো
প্লাস্টিকেই
উত্তর কলকাতার তেলেঙ্গাবাগানের মণ্ডপ জুড়ে যেমন দেখা যাচ্ছে পরিবেশ সচেতনতার
বার্তা। তাদের এ বারের পুজোর থিমও বাছা হয়েছে সে কথা মাথায় রেখে।
কোথাও পরিবেশ সচেতনতার বার্তা দিতে মণ্ডপ সাজছে কাগজের ঠোঙায়। কোথাও আবার
মণ্ডপসজ্জায় দেদার ব্যবহৃত হচ্ছে প্লাস্টিক, থার্মোকলের উপকরণ। শহরের বড়
পুজোগুলির একটি বড় অংশ মণ্ডপ তৈরিতে প্লাস্টিকের ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতন
থাকলেও অপেক্ষাকৃত কম বাজেটের পুজোগুলির অবাধ প্লাস্টিকের ব্যবহারের ছবি
কার্যত ভয় ধরাচ্ছে। যা পুজোর উদ্যোক্তাদের ভূমিকা নিয়ে যেমন প্রশ্ন তুলছে,
তেমনই প্রশ্ন উঠছে নজরদারি নিয়েও।
উত্তর কলকাতার তেলেঙ্গাবাগানের মণ্ডপ জুড়ে যেমন দেখা যাচ্ছে পরিবেশ
সচেতনতার বার্তা। তাদের এ বারের পুজোর থিমও বাছা হয়েছে সে কথা মাথায় রেখে।
সচেতনতার বার্তা দিতে প্লাস্টিকের ব্যাগের বিকল্প হিসাবে কয়েক হাজার কাগজের
ঠোঙা দিয়ে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে মণ্ডপ। বিভিন্ন আকৃতির কাগজের ঠোঙা দিয়ে মণ্ডপের
অন্দরমহলে তৈরি করা হচ্ছে নানা অবয়ব। এই থিমের পিছনে গত কয়েক বছরে পরিবেশের
বিপুল পরিবর্তনের ভাবনা কাজ করেছে বলে জানাচ্ছেন উদ্যোক্তারা। পরিবেশ নিয়ে
বার্তা দিতে এই ভাবনা বলেই জানাচ্ছেন শিল্পী গোপাল পোদ্দারও।
ছড়া: লুটতরাজ সমান তালে।
কবির নাম: দেবব্রত মাজী।
মা আসছেন ঘোড়ায় চড়ে
আমরা যাবো টোটো করে।
ঘুরতে হবে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে
শেষে পায়ে ছেঁড়া স্যান্ডেলে।
কত দোকান কত সাজের
ব্যাস্ত সবাই নিজ কাজের।
যেমন পারে খুশিতে লুটছে
প্যান্ডেলে গিয়ে কুকুর শুকছে।
কবিতার নাম: অত্যাচারিত শৈশব।
কবির নাম: বিমল চন্দ্র পাল।
অফিস ফেরৎ মা বাবা বিনোদন রত ,
আমাকে করে মোবাইল নেশা গ্রস্ত ।
দিনে দিনে আমার মস্তিষ্ক যায় শুকিয়ে
মানসিক রোগী হতে থাকি শিশু সমস্ত।
আমার খেলার সাথী ফিরিয়ে দাও
রক্ত মাংসের বন্ধুদের সাথে চাই খেলতে,
আমার কষ্ট বোঝোনা কেন তোমরা
আমাকে মুক্ত করো একথাটাই চাই বলতে।
কেউ আমাকে খেলার কথা বলেনা
শূধু নাচ,গান,ছবি আঁকা আর বই পড়া,
মনের আনন্দ কবে গেছে হারিয়ে
আমি যেন যন্ত্র, ইট কাঠ পাথরে গড়া।
আমার মনের কথা বোঝার নেই কেউ
হতে হবে সকল বিষয় এক নম্বর,
আমার কথা কেউ ভাবেনা কখনো
আমি যেন দূর্বার গতিশীল এক সম্বর!
কবিতার নাম: দরজার গুরুত্ব।
কবির নাম: মোহাঃ নাসিমুদ্দিন হক।
দরজা দেয় নিরাপত্তা,
পায় বেশ কিছু ক্ষয়ক্ষতি ;
তা ছাড়া একদমই নেই
আমাদের কোনো গতি।
বাড়ির দরজা খারাপ হলে
থাকে যতটা ঝুঁকি ;
বেশি বিপজ্জনক, যদি
চলন্ত গাড়ির খারাপ
দরজা দিয়ে মারি উঁকি।
লেখাপড়া ভালো না করলে
হবে বন্ধ শিক্ষার দরজা;
বেশ কয়েক মাস অপেক্ষা
করে তবেই তা খোলা সোজা।
তবে মন দিয়ে ঐ দিনগুলি
লেখাপড়া করা চাই জরুরী ;
ফাঁকি দিয়ে সময় অতিবাহিত
করলে দরজা খুলবে না কারুরই।
ছড়া: ইচ্ছে হলে।
কবির নাম: ইমরান খান রাজ।
ইচ্ছে হলে আসিস ফিরে
থাকতে দিব বুকে,
আসুক যতই বাধা বিপদ
রাখবো তোকে সুখে৷
ইচ্ছে হলে হাতটি ধরিস
হাটবো পাশাপাশি,
বাসবো ভালো শুধুই তোকে
দিন-রাত বারোমাসি।
ইচ্ছে হলে রাখিস মাথা
আমার উঁচু কাধে,
একসাথে কাটাবো জীবন
হাত রেখে হাতে।
শুভ জন্মদিন
অমিতাভ বচ্চন
(জন্ম: ইনকিলাব শ্রীবাস্তব, ১১ অক্টোবর ১৯৪২) হলেন একজন জনপ্রিয় ভারতীয়
চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক, টেলিভিশন উপস্থাপক ও সাবেক রাজনীতিবিদ। ১৯৭০-এর
প্রথম দিকে তিনি বলিউড চলচ্চিত্র জগতে "রাগী যুবক" হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করেন
এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
ব্যক্তি হয়ে ওঠেন। অমিতাভের পুত্র অভিনেতা অভিষেক বচ্চন, এই জন্য অমিতাভ 'বিগ
বি' বা বড় বচ্চন নামেও পরিচিত। বলিউডের শাহেনশাহ ও সহস্রাব্দের সেরা তারকা
হিসেবে পরিচিত বচ্চন তার পাঁচ দশকের অধিক সময়ের কর্মজীবনে ১৯০টির অধিক
চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। বচ্চনকে ভারতীয় চলচ্চিত্র তথা বিশ্ব চলচ্চিত্রের
অন্যতম সেরা ও প্রভাবশালী অভিনেতা হিসেবে গণ্য করা হয়। ১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকে
ভারতীয় চলচ্চিত্রে তার একচ্ছত্র আধিপত্যের জন্য ফরাসি চলচ্চিত্র সমালোচক ও
পরিচালক ফ্রঁসোয়া ত্রুফো তাকে "একক-ব্যক্তি চলচ্চিত্র শিল্প" বলে অভিহিত করেন।
কবির নাম: পুজোর গন্ধ নিয়ে।
কবির নাম: বিমান প্রামানিক।
পুজো পুজো গন্ধ নিয়ে এসেছে শরৎ ভাই,
রাতের শেষে সাজি হাতে যে শিউলিতলায়।
পুকুর পাড়ে, নদীর ধারে কাশের বনের মেলা,
পদ্ম, শালুক যেন সরোবরে করছে সকল খেলা।
বাবা আমার শহরে থাকে আসছে ছুটির দিনে,
অপেক্ষায় কাটে দিন, আসছে নতুন জামা কিনে।
দাদা দিদি থাকে হোষ্টেলে কলেজে পড়াশোনা,
তারাও ফিরবে বাড়ি, দিন কয়েক হাতে গোনা।
গ্রামখানি যেন উঠেছে সেজে, বাজে আগমনী গান;
আমারও স্কুলে দেবে ছুটি, আনন্দে নাচে প্রাণ।
মা যে সাজিয়েছে ঘর দোর, উমাকে করবে বরণ,
মুড়কি, নাড়ু রকমারি খাবারের করছে আয়োজন।
বাবা সেদিন শহর থেকে ফোনে কথা কয়,
আর ক'টা দিন পরেই যাবো বাড়ি বলল আমায়।
দাদা দিদির চিঠি এলো, লেখা আছে তাতে,
তারাও ঠিক ফিরবে বাড়ি পুজোর দুদিন আগে।
সবার হলো ছুটি, ফিরলো সবাই আপন ঘরে,
পড়ল ঢাকে কাঠি, চারিদিকে জোরে জোরে।
উমা আসে বাবার ঘরে, আনন্দে কাটে দিন,
চারদিন পরে উমা আবার ফেরে মন বিষাদে ক্ষীণ।
গণেশ, কার্তিক আর সাথে লক্ষ্মী সরস্বতী,
কৈলাশ হতে পিতৃগৃহে আসে অশুরের দুর্গতি।
বাঙালির ঘরে উৎসব আনে শঙ্খ উলুধ্বনি,
ঠিক শরতের সাথেই আসে, বাজে আগমনী।
ছড়া: খুকু,মিমি আর হুলো।
কবির নাম: পূর্ণা গাঙ্গুলী।
ছোট্ট খুকুর বায়না বড়ো,
চাইই চাই তার রঙিন জুতো,
পুজোয় যাবে ঠাকুর দেখতে,
ঘুরবে এ প্যান্ডেল ও প্যান্ডেলে..!
সঙ্গে যাবে পুচকি মিমি..
কোনো বায়না সে করেনি,
খুশি থাকে শুধুই দুধ ভাত পেলে,
ঘোরে সারা বাড়ি লেজ দুলিয়ে দুলিয়ে,
ঠাকুর দেখতে যাবে সেও,
সঙ্গে নেবে হুলোটাকেও,
সবাই মিলে গাড়ি করে..
দেখবে ঠাকুর খুব মজা করে !
কবিতার নাম: সময়ের অবসান।
কবির নাম: বাপি নাগ।
জীবনে নেমে এলো অন্ধকার
হারায়নি অচেনা ভীড়ে।
করেছিলাম তোমার অপেক্ষা
কবে আসবে এই নীড়ে।
ভেবেছিলাম তুমি একদিন
আসবে আমার কাছে।
অপেক্ষার অবসান কাটিয়ে
থাকবে আমার পাশে।
অনেক অপেক্ষার পর আমি
বুঝেছি যে এখন।
সময়ের সাথে বদলে গেছো
ভালো ছিলে তখন।
মনে পড়ে সেই ভোরের কথা
তোমার মিষ্টি ভালবাসা।
শীতের সকালে হেঁটে বেড়ানো
মনের কথা বলতে আশা।
তুমি আসবে বলে হৃদয়ে
স্বপ্ন এঁকে রেখেছি।
তোমার ভালোবাসা আজ
মনে অনুভব করেছি।
আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস
কবিতার নাম: বই।
কবির নাম: বিবেক পাল।
পরম বন্ধু তুমি
শুভ্র বুকে কালো কালো অক্ষর মালা ।
অসময়ের সহায় সম্বল
ভালোবাসা সান্ত্বনায় সমুজ্জ্বল।
বুকজুড়ে আগলে রেখেছো কতশত
যুগ যুগান্তরের ঘটনার ঘনঘটা !
তোমার শুভ্র পাতায় নিয়েছেন ঠাঁই
যুগে যুগে কত শত মন ও মনীষা ।
দুঃশাসনের মগজ ধোলাই-
বোঝাতে, তুমিই তো শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ।
প্রাণের শান্তি মনের আরাম তোমাতে-
পেয়েছে যে জন, তোমা বিনে সে অচল।
তোমার ভয়ে শ্রমচোরেরা কাঁপে সদাই থরথর
ওদের স্লোগান তাই মূর্খরাই জগতের আলো !
তোমার শুভ্র পাতার বুকজোড়া কালো কালো অক্ষর
ওদের নিদ্রাহীন রাত ; দুলে ওঠে সিংহাসন !
তড়িঘড়ি করে তোমাকে করে কোন ঠাসা, বাজেয়াপ্ত
আগুনের লেলিহান শিখায় পোড়ায় নির্বোধেরা তোমায়।
তুমি যে রয়েছ মানুষের মণিকোঠায়
এ চরম সত্য, বোঝে কেবলই রাঙা সূর্য।
তুমি অক্ষয় ,মূক-বধিরে সদা চঞ্চল
এ'ধরায় একমাত্র তুমিই পরমবন্ধু, মানুষের ।
ছড়া: নাক নিয়ে নাকাল।
কবির নাম: শংকর ব্রহ্ম।
এই সেরেছে, এই মেরেছে ওই নিল যা
নাক নিল যে কাক
তাই না শুনে নাকু বাবু দিলেন বেজায় হাক,
কে আছিস রে যা ছুটে যা
গিয়ে বদ্যি কিংবা কোন বিচ্ছুছেলে ডাক।
সাতসকালে বাড়ির ছেলে ডাকতে গিয়ে বদ্যি
সেই ছেলে ফিরল ঘরে দুপুরবেলার মধ্যি,
রোদে ঘুরে বাজিয়ে নিয়ে নাকে বেজায় সর্দি
তাই না শুনে নাকুবাবু দেখেন এবার চেয়ে
ছেলের নাক তো নাকেই আছে
পাছে লোকে ভাবেন কিছু তাই সে বলেন যেচে
যাক এবার বদ্যি কিংবা কোন বিচ্ছুছেলে থাক।
কবিতার নাম: শুনে রাখ।
কবির নাম: সুশান্ত সেন।
কাছে আয় বলে কারা যেন ডাকে
শাক দিয়ে মাছ ঢেকে দিয়ে রাখে।
এক কান দিয়ে গুনগান শুনে
ফেলবার কড়ি ট্যাকে রাখি গুনে,
মঙ্গলবারে টক খেতে মানা
ঠোকরাবে শুধু পোস্ত'র দানা।
তিন কাল গেলে এক কাল থাকে
বোঝাতে এসোনা অঙ্ক আমাকে
আর্যভট্ট আমাদের গুরু
তার কাছে যেন পাঠ পড়া শুরু।
ব্যাঙ থেকে যেন ব্যাঙাচিরা হয়
অন্যথা কভু নয় নয় নয় ।
আফগানিস্তানে ভূমিকম্প
|
|
ভূকম্পে মৃত্যু ৩ হাজার ছুঁইছুঁই শনিবার পর পর সাতটি কম্পনে কেঁপেছে পশ্চিম আফগানিস্তান। আপাতত ১০টি বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধারকার্য চালাচ্ছে আক্রান্ত এলাকায়। |
Poem Name: My Village.
Written by Sanjoy Banerjee.
My Village ,My Village
My favorite place.
I was living in a Village.
District in Uttar Pradesh.
Many green Trees
Many small and big pound.
Fresh air and very Quiet My Village.
I love my Village
I love my Village friends too.
I was living at the time in a Village.
My Village, My loving Village.
ছড়া: ছোট পাখি।
কবির নাম: অতুল সেন।
শুনেছ আকাশ ডাকছে তোমায়
ছোট ওই পাখি,
বারে বারে তোমায় সে
দিয়ে যায় ফাঁকি!
তোমার বুকে উড়ে বেড়ায়
সে দিবা - রাত্রি...
তবু তুমি না রেগে
বলে যাও তোমার সাথী!
তোমায় সে কষ্ট দেয়
তবু নেই তোমার বেদনা,
বারে বারে হাসি মুখে বলে যাও
যা পাখি উড়ে যা।
জন্মদিনের শুভেচ্ছা
- ১৮৭১ - আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ, বাঙালি সাহিত্যিক ও প্রাচীন পুঁথি সংগ্রাহক।
- ১৮৭৭ - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়,প্রখ্যাত বাঙালি লেখক ও ঔপন্যাসিক, সম্পাদক ও অনুবাদক।
- ১৯৪২ - অমিতাভ বচ্চন, জনপ্রিয় ভারতীয় অভিনেতা
- ১৯৬৫ - রনিত রায় ভারতীয় জনপ্রিয় ধারাবাহিক আদালতের অভিনেতা
শ্রদ্ধ জানাই
- ১৯৩৮ - নগেন্দ্রনাথ বসু, বাংলা বিশ্বকোষের প্রথম প্রণেতা,প্রত্নতাত্ত্বিক ও ইতিহাসবিদ।
- ১৯৬৩ - জঁ ককতো, ফরাসি লেখক, নাট্যকার, শিল্পী ও চলচ্চিত্র নির্মাতা।
- চিন্ময় কুমার ঘোষ,শ্রী চিন্ময়,নামে পরিচিত, বাঙালি মহাত্মা ও হিন্দুধর্মের সংস্কারক, লেখক, শিল্পী, কবি ও সঙ্গীতজ্ঞ।
- ২০২১ - বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী স্বপন গুপ্ত।
🔹️ ই- সম্মাননা পত্র ডাউনলোড করুন - Click Now
🔸️ লেখা ও শিল্পকলা পাঠান -
Click Now
🔹️ হোয়াটসঅ্যাপ পরিবারের যুক্ত হন -
Click Now
🔸️ ফেসবুক পরিবারের যুক্ত হন-
Click Now









