পরিচয় শিশু সাহিত্য
১৫তম সংখ্যা
|
| পরিচয় শিশু সাহিত্য | ১৫তম সংখ্যা | প্রকাশ ১২ই অক্টোবর ২০২৩ |
প্রকাশ:
- বাংলা: ২৪শে আশ্বিন ১৪৩০
- ইংরেজী: ১২ই অক্টোবর ২০২৩
- বার: বৃহস্পতিবার।
- সময়: সকাল ০৭টা ( কলকাতা টাইম জোন)
আজ আবহাওয়া: ৩৪°C (পশ্চিমবঙ্গ)
- বেশিরভাগ হাসিখুশি
- বৃষ্টিপাত: ২০%
- আর্দ্রতা: ৬৫%
- বাতাস: ১০ কিমি/ঘন্টা
আজ ঘটনা:
- ১৪৯২- পর্তুগিজ নাবিক কলম্বাস পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জে (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) পৌঁছান, আবিষ্কার হয় আমেরিকা মহাদেশ।
- ১৫৩২ - ফ্রাসোয়া পিজারোর নেতৃত্বে স্প্যানিশ বাহিনী পেরুর উপর হামলা চালায়।
- ১৭৮১ - ব্রিটিশ সেনাবাহিনী দক্ষিণ ভারতের নাগাপট্টম অধিকার করে।
- ১৯০৯ - কলকাতায় অনুশীলন সমিতি নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়।
- ১৯৬৪- তিন রুশ নভোচারী ভ্লাদিমির কোমানভ, কন্সতান্তিন ফিওক্তিস্তভ ও বোসি ইয়োগোরভ নভোযান ভস্তক-২৪ এ করে মহাশূন্যে পাড়ি দেন। তারা ২৪ ঘণ্টা ১৭ মিনিট মহাশূন্যে ভ্রমণ শেষে ভূপৃষ্ঠে অবতরণ করেন।
- ১৯৬৮ - ঘানা, স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করতে সক্ষম হয়।
- ১৯৭২ - বাংলাদেশের সংবিধান সর্বপ্রথম গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।
- ১৯৭৬ - বিশ্বের বৃহত্তম মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হয় । সৌদি আরব এই মসজিদ নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ করে, তাই এই অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সৌদি আরবের বাদশাহ খালেদ।
- ১৯৮৬ - এল সালভেদারে ভূমিকম্পে ১৮০০ জন লোকের প্রাণহানি ঘটে।
- ১৯৯২ - কলকাতায় প্রথম দক্ষিণ এশীয় উৎসব শুরু।
- ১৯৯৯ - পাকিস্তানের সেনা বাহিনী প্রধান জেনারেল পারভেজ মোশাররফ এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফকে অপসারণ করে রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করেন।
- ১৯৯৯ - হলো জাতিসংঘের ধার্য করা ” বিশ্বের ৬০০ কোটি লোকসংখ্যা দিবস”। চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের বিভিন্ন মহলের লোকেরা যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে এক বিরাট সমাবেশ অনুষ্ঠিত করে লোকসংখ্যা ও উন্নয়নের এই অভিন্ন বিশ্বজনীন সমস্যার ওপর মনোযোগ দিয়েছেন।
- ১৯৯৯ - টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি স্থাপন করা হয়।
- ২০০৮ - বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
লিখেছেন:
কবিতার নাম: মা আসছে।
কবির নাম: নিতাই শর্মা।
প্রকৃতি বার্তা দিচ্ছে মা আসছে ধরাধামে,
আনন্দধারা প্রবাহিত মায়ের সমাগমে।
মাঠের ধানের ক্ষেতে সবুজের মেলা,
আকাশে ভেসে বেড়ায় সাদা মেঘের ভেলা।
নদীতীরে কাশবনে শুভ্র ফুলে লেগেছে দোলা,
নানা স্থানে বসে নব বস্ত্রের শারদীয় মেলা।
ভোরের বাতাসে শিউলির সৌরভ ছড়ায়,
প্রভাতে শিশির বিন্দু জমে ঘাসের ডগায়।
গ্রাম বাংলার শহর নগর আর পল্লীগ্রামে,
আনন্দধারা প্রবাহিত মায়ের সমাগমে।
মুর্তি পাড়ায় আর পূজা মন্ডপে ব্যস্ততা,
আকাশে বাতাসে ভাসে আগমনী বার্তা।
কবিতার নাম: মালা হয়ে থাকি।
কবির নাম: তপন মাইতি।
ঝগড়া বিবাদ ভুলে গিয়ে
কাছাকাছি থাকি
সুখে দুখে পাশাপাশি
বিশ্বাস বন্ধন রাখি।
ভালবাসার পাড়া হবে
হৃদয় দিয়ে আঁকি
নিজের কথা আগে ভাবলে
ষোলো আনায় ফাঁকি।
হৃদয় দিয়ে হৃদয় গড়ব
মনের আয়না রাখি
বন্ধু হয়ে বাঁচতে গেলে
মিলেমিশে থাকি।
আপদ বিপদ আছড়ে পড়লে
জীবন আগলে ডাকি
আষ্টে পিষ্টে অটুট বন্ধন
আপন আপন থাকি।
সিকিমে আকস্মিক বন্যা
|
| অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো তৈরি করে চলছে উদ্ধারকাজ। |
আপডেট: ১১ অক্টোবর ২০২৩
ছন্দে ফিরতে স্কুলগুলিকে নয়া নির্দেশ সিকিম সরকারের, অনলাইনে ক্লাস শুরুর
নির্দেশিকা
৪ অক্টোবর সিকিমে প্রাকৃতিক বিপর্যয় শুরু হলে চার দিনের জন্য রাজ্যের সমস্ত
স্কুল, কলেজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল সিকিম সরকার। পরে পরিস্থিতি
পর্যবেক্ষণ করে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ রাখার নির্দেশ
দেওয়া হয়।
দুর্যোগের মেঘ কাটিয়ে ছন্দে ফেরার মুখে সিকিম। জোরকদমে চলছে উদ্ধারকাজ।
আবহাওয়াও অনুকূল হয়েছে বিপর্যস্ত রাজ্যে। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতেই
রাজ্যের স্কুলগুলির জন্য নয়া নির্দেশিকা জারি করল সিকিম সরকার। সোমবার রাজ্য
সরকারের তরফে নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয় যে, সেখানকার সমস্ত সরকারি এবং
বেসরকারি স্কুলগুলি যেন অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে পঠনপাঠনের ব্যবস্থা শুরু করে।
তবে অনলাইন ক্লাসের সুযোগ-সুবিধা পাবে শুধুমাত্র উঁচু ক্লাসের ছাত্রছাত্রীরা।
সিকিমের সমস্ত সরকারি এবং বেসরকারি স্কুলের নবম, দশম, একাদশ এবং দ্বাদশ
শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের অনলাইন ক্লাসের সুবিধা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সিকিমের শিক্ষা দফতরের দাবি, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে বহু দিন সিকিমের সমস্ত
স্কুল বন্ধ হয়ে পড়েছিল। এর ফলে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার ক্ষতি হয়েছে।
রাজ্যের পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে। তাই সমস্ত
সরকারি এবং বেসরকারি স্কুলের তরফে যেন উঁচু ক্লাসের ছাত্রছাত্রীদের অনলাইন
ক্লাস নেওয়া হয় সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কবিতার নাম: বিশ্ব দাদু।
কবির নাম: বিমল চন্দ্র পাল।
গাঁয়ে গঞ্জে নানা দাদু
কতনা হাঁক ডাক
নানা নামে ডাকলেই
ছাড়ে কতনা হাঁক।
' ভকম ' দাদু , 'গোপাল ' দাদু
দাদু নানা জাতি
'পচা ঘড়ি'ও দাদু এক
দেখায় বুকের ছাতি ।
'লাকরা' দাদু ছিল এক
মতিগঞ্জের মোরে ,
ডাকলে তারে খিস্তি খেউর -
'মুক্ত পড়ে ঝরে ।
আর এক দাদু মোহনপুরে
' একুশ ' বলে চিনি ,
রাগিয়ে দিলে বলব কি ভাই
ভীষন খারাপ তিনি ।
' ন্যাড়া ভ্যাড়া ' ছিল এক
কেষ্টপুরে বাস,
ঐ নামে ডাকলেই তাকে
বাঁধায় সর্বনাশ।
ইট পাটকেল মারে ছুঁড়ে
দেখা দেখি নাই ,
আচরণ দেখে তার
বড় দুখ পাই ।
হারান পাল সাহেবগঞ্জে
ঝড়ে পায় ভয়,
' ঝড় আসছে 'বললেই
বাঁধায় সে প্রলয়।
মেমারিতে আছে এক
চার পায়া দাদু ,
সাথে থাকে কত শিশু
এমনি তার জাদু।
কাটোয়ার 'হাদা',জ্ঞানী ,
সন্দেহ কি তায় ,
' এই হাদা' , বলে তাকে
ছেলেরা রাগায়।
লক্কা বুড়ো পায়ে খোঁড়া
কালনায় বাস ,
রাগিয়ে দিলে তাকে ভাই
খুব সর্বনাশ ।
পোকা দাদু ছিল এক
সোদলপুরের বাজারে,
' পোকা ' বলে ডাকলেই
হাত -ছোড়ে হুঙ্কারে।
খোঁড়া নয় খোঁড়া দাদু
খোঁ ও ও ও ড়া বলে ডাকলেই
হম্বিতম্বি শুরু করে
কাউকে সে দেখলেই ।
ড্যাম দাদু ছিল এক
মনসাতলার বাজারে
ড্যামু বলে থাকলেই
হাত পা ছোড়ে হুঙ্কারে।
বেহুলার শীতলাতলায়
এক ছিল মহান দাদু
' পাকা ল্যাটা ' ডাক শুনে
মুখে ঝরে কী যে 'মধু' !
লওগোপাল দাদু একদিন
যাচ্ছিল এক পথে ,
সেদিন কেউ ডাকল না
চলে একা নিজ রথে ।
যেতে যেতে হাঁক পাড়ে
"তোরা মরেছিস নাকি ",
আজ কেন চুপচাপ
আমি কী করে থাকি ?
মরল যেদিন গোপাল দাদু
বলব কি আর ভাই ,
শ্মশানেতে হাজার লোক
অবাক লাগে তাই ।
জীবন ভোর কষ্ট পেয়ে
আনন্দেতে গেল ,
সেদিন থেকে গোপাল দাদু
বিশ্ব দাদু হল ।
দুর্গা পূজা 2023 (কলকাতা)
|
| জোরকদমে: বেলগাছিয়ার একটি পুজো মণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের কাজ। |
আপডেট: ১১ অক্টোবর ২০২৩
কেউ মণ্ডপে আলোর কাজ এখনও শুরুই করতে পারেননি, কারও আবার এখনও তৈরি হয়নি থিম
সঙ্গীত। বহু জায়গাতেই বাঁশের ভারা বাঁধা রয়েছে। খোলা হয়নি মণ্ডপ ঢেকে কাজ
করার জন্য লাগানো প্লাস্টিক, ত্রিপলও! চক্ষুদান তো হয়ইনি, প্রতিমার
সাজসজ্জাও চূড়ান্ত হয়নি, এমন পুজোর সংখ্যাই বেশি। অথচ, আজ, বুধবার থেকেই
ইউনেস্কোর প্রতিনিধিদের কলকাতার একাধিক মণ্ডপ ঘুরে দেখার কথা। কিন্তু
কার্যক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, ইউনেস্কোর গন্তব্যের তালিকায় থাকা পুজো
কমিটিগুলির প্রায় ৯৫ শতাংশেরই কাজ এখনও শেষ হয়নি। মঙ্গলবার সারা রাত জেগে
অনেকেই কাজ উতরে দেওয়ার কথা বললেও বাস্তব চিত্র অন্য রকম।
২০২১ সালে ইউনেস্কোর আবহমান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের (ইনট্যানজিবল কালচারাল
হেরিটেজ) তালিকায় দুর্গাপুজো স্থান পাওয়ার পর থেকেই বিদেশি প্রতিনিধিরা
কলকাতায় পুজোর আবহ প্রত্যক্ষ করতে আসেন। সেই মতো আজ থেকে আগামী রবিবার
পর্যন্ত কলকাতার বেশ কয়েকটি পুজো মণ্ডপ ঘুরে দেখবেন তাঁরা। সন্ধ্যা ৬টা থেকে
রাতভর চলবে এই মণ্ডপ-সফর। ইউনেস্কোর তরফে এই বিশেষ প্রাক্-প্রদর্শনীর
খুঁটিনাটি প্রকাশ করে দুর্গাপুজো তথা বিশ্বের বৃহত্তম শিল্প উৎসবকে বিশ্বের
সামনে মেলে ধরার একটি জুতসই পরিসর বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ‘মাস আর্ট’ বলে একটি
মঞ্চের ওয়েবসাইটে প্রাক্-প্রদর্শনীটি দেখার খবরাখবর মিলবে। দুর্গাপুজোর
প্রাক্-প্রদর্শনীর জন্য ২২টি বারোয়ারি থিম পুজো, দু’টি সাবেক পুজো এবং দু’টি
বনেদি পুজো-বাড়িকে বেছে নেওয়া হয়েছে। কলকাতার সেরা শিল্পীদের পুজো, নামী ও
জনপ্রিয় থিম পুজো, জনপ্রিয় সাবেক পুজো এবং বনেদি বাড়ির পুজো— এই ক’টি ভাগে
ভাগ করে নিয়ে পুজোগুলি বাছা হয়েছে বলে খবর।
‘মাস আর্ট’-এর তরফে শৈবাল দত্ত বললেন, ‘‘জার্মানি, বেলজিয়াম, গ্রিস,
আয়ারল্যান্ড, মঙ্গোলিয়া, সাইপ্রাস, অস্ট্রেলিয়া, ফিজি এবং নেপালের
রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে অনেকেই এসে গিয়েছেন। জার্মানির নদী আর কলকাতার গঙ্গা
নিয়ে ‘জল কথা বলে’ শিরোনামে একটি বিশেষ শব্দ প্রদর্শনীও রয়েছে।
রাষ্ট্রদূতেরা ছাড়াও আমেরিকার একটি কলেজের প্রতিনিধিরা আসছেন, থাকছে
ইন্টারন্যাশনাল ডেলফিক কাউন্সিলের ৭০ জনের এক প্রতিনিধিদল। প্রথমে টাউন হলে
উদ্বোধনের পরে দুর্গাপুজো প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে টালা প্রত্যয়ের
মণ্ডপে। সেখান থেকে মনোনীত পুজো কমিটিগুলিতে প্রতিনিধিদের যাওয়ার কথা।’’
কিন্তু এই প্রদর্শনী ঘিরে শহরে উৎসবের বোধন হয়ে গেলেও সব গুছিয়ে উঠতে
কার্যত নাজেহাল মনোনীত পুজো কমিটিগুলি। তালিকায় থাকা অন্যতম পুজো চোরবাগান
সর্বজনীনের উদ্যোক্তারা জানাচ্ছেন, এখনও মণ্ডপের কাজ শেষ হয়নি। শুরু করা
যায়নি আলোর কাজও। বালিগঞ্জ কালচারালের পুজোকর্তা অঞ্জন উকিল বললেন, ‘‘বৃষ্টি
যা ভোগাল! বেশ কিছু কাজ বাকি। তবে মনে হচ্ছে, এক দিনের মধ্যে শেষ করে ফেলতে
পারব। থিম সঙ্গীতটা বাকি থাকবে, সেই জায়গায় অন্য গান বাজানো হবে।’’
সুরুচি সঙ্ঘের কর্তা কিংশুক মৈত্রের দাবি, ‘‘ডেডলাইন মিস হয়েই গিয়েছে। কিছু
করার নেই। তবু যতটা হয়েছে, সেটাই অতিথিদের দেখানো হবে।’’ ‘ফোরাম ফর
দুর্গোৎসব’-এর সাধারণ সম্পাদক তথা হাতিবাগান সর্বজনীনের পুজোকর্তা শাশ্বত বসু
বলেন, ‘‘রাত জেগে কাজ করেও কুলিয়ে ওঠা যাচ্ছে না। ৯৫ শতাংশ মণ্ডপ তৈরি নয়।
তবে, এটা তো পুরস্কারের ব্যাপার নয়। বিচারকেরা যখন আসবেন, তখন সব ঠিক আছে কি
না, দেখাতে পারলেই হল।’’
গল্পের নাম: পেয়ারা ও ছোট্ট কাতু।
লেখক: পার্থ গোস্বামী।
ঝড় বৃষ্টির সেই রাতে ছোট্ট কাতু মানে কাঠবিড়ালির কথা বলছি ও বেশ ভয়
পেয়েছে, গুটিসুটি মেরে পেয়ারাদের বাড়িতে কোনমতে সেই রাতে আশ্রয় নিলো।
সকালে সূর্যের আলোতে ছোট্ট কাতুকে দেখে পেয়ারার বাবা-মা খুব চিন্তায় পড়ে
গেল। কিন্তু ততক্ষণে পেয়ারা কাতুর সাথে পুরো গাছ জুড়ে নানান খুনসুটিতে আর
খেলায় মেতে উঠেছে।বেশ ভালো বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে ওদের মধ্যে, পেয়ারার বাবা ও
মা পেয়ারা কে ডেকে বুঝিয়ে বললো শোন বাবা পেয়ারা ওই কাঠবিড়ালি একদিন বড়
হবে আর আমাদের সবাইকে খেয়ে ফেলবে!ওকে আমাদের বাড়িতে রাখিস না। কিন্তু
পেয়ারা ছোট্ট কাতুকে ছাড়তে নারাজ দিলো কান্না জুড়ে,এমনকি খাওয়া-দাওয়া
বন্ধ করে দিয়ে মন খারাপ করে চুপটি করে বসে রইল।এমন অবস্থায় অন্য কোন উপায়
না পেয়ে পেয়ারার বাবা-মা বাড়িতে ছোট্ট কাতুকে রাখতে রাজি হলো।পেয়ারা খুব
খুশি বেশ কাটছে দুই বন্ধুর,পুরো গাছ জুড়ে সকাল বিকেল ছুটোছুটি করে নানা
রকমের খেলায় মেতে ওঠে। এদিকে কাতুও আস্তে আস্তে বড় হতে লাগলো। হঠাৎ একদিন
ওইরকমই এক ঝড় বৃষ্টির রাত্রিতে পেয়ারাদের বাড়িতে এসে অন্য এক কাঠবিড়ালি
উপস্থিত হলো। পেয়ারারা সবাই তখন ঘুমের দেশে ওই কাঠবিড়ালি কাতুকে চুপিচুপি
বললো তুমি তো এদের সাথে অনেক দিন আছো বন্ধু এবার এদের ছাড়ো তাছাড়া বুঝলে
বন্ধু আমার খুব খিদে পেয়েছে চলো দুজন মিলে ভাগাভাগি করে এই পেয়ারাদের খেয়ে
ফেলি। কিন্তু কাতু কিছুতেই রাজি হলো না,শুরু হল কাতুর সাথে ওই কাঠবিড়ালি
লড়াই অবশেষে কাতুর কাছে ওই কাঠবিড়ালি হার মানে এবং পেয়ারাদের বাড়ি থেকে
সেই রাতেই চলে যায়। আর এইসব দৃশ্য পেয়ারার বাবা-মা দেখে কাতুকে আর দূরে
সরিয়ে না রেখে আপন করে নেয় বলে তুমি আমাদের আর একটা ছেলে এসো কাতু কাছে
এসো।কাতুও নতুন বাবা মা পেয়ে বেশ খুশি,এরপর থেকে ও নিজের পরিবার মনে করে
সবকিছু দিয়ে পেয়ারার পরিবারকে রক্ষা করতে থাকে।।
নারীর অধিকার রক্ষায় হযরত মোহাম্মদ (সা.)
লেখক: অপু দেবনাথ।
নারী শব্দটি উচ্চারিত হলেই মানসপটে ভেসে আসে সমাজের এক অবহেলিত গোষ্ঠীর করুণ
চিত্র, যারা প্রতিনিয়ত ছিটকে পড়ছে তাদের শাশ্বত মর্যাদার আসন থেকে; যুগ যুগ
ধরে হয়েছে নির্যাতিত, নিষ্পেষিত। ব্যাবিলনীয় সভ্যতা, গ্রিক সভ্যতা, মিসরীয়
সভ্যতা, সনাতন ধর্মের সতীদাহ প্রথা সকল ক্ষেত্রে নারীদের ভোগ্য পণ্যের সাথে
তুলনা করা হয়েছে। যুগের পর যুগ নারী কেবল ভোগ্যপণ্যের মতো জীবনযাপন করেছে;
কোনো সমাজই তাকে তার প্রাপ্য সম্মান বুঝিয়ে দেয়নি। এমনকি পশ্চিমা বিশ্বেও
নারীর অধিকার নিয়ে ১৭ শতকের আগে লক্ষণীয় কোনো আন্দোলন-ই শুরু হয়নি।
ইসলাম ধর্মের আবির্ভাবের আগে তৎকালীন বিশ্বে নারীর অবস্থা ছিলো অত্যন্ত
শোচনীয়। নারীকে দেখা হতো ঘৃণার দৃষ্টিতে। কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দেয়া
হতো। সনাতন ধর্মে যখন ৩০০ বছর পূর্বে পুরুষের পাশাপাশি স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে
নৃশংস হত্যার দৃশ্য দেখতে পায় বিপরীতে ইসলাম ধর্মে ১৫০০ বছর আগে নারীর অধিকার
নিয়ে হযরত মোহাম্মদ স. অবদান আমরা দেখতে পায়। নারীর সেই ঘোর দুর্দিনে নারীকে
তার প্রাপ্য সম্মান, অধিকার দিয়ে নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছে ইসলাম।
পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ, কন্যা সন্তানের জন্মকে সুসংবাদ বলেছেন। ইসলামে
কন্যা সন্তানের প্রতিপালন জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তির উপায় হিসেবে বিবেচিত
হয়। মা, স্ত্রী, কন্যা যেকোনো রূপেই নারী সম্মানিত।
নারীর অধিকার রক্ষায় হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর অবদানঃ
১। তৎকালীন সমাজে সাধারণ আরবদের মধ্যে নারী নির্যাতনের রেওয়াজ ছিল। মহানবী
(সা.) এ বিষয়ে সতর্ক করে বলেন,
‘নারীরা আল্লাহ তাআলার দাসী, তোমাদের নয়। তাদের কখনোই মারধর করবে না।’ (আবু
দাউদ)
২। মহানবী (সা.) জাতি-ধর্ম-বর্ণ-শত্রু-মিত্রনির্বিশেষে সবার সঙ্গে ন্যায়সংগত
আচরণ করতেন। তবে নারীর প্রতি উত্তম আচরণের ব্যাপারে তিনি বিশেষ দৃষ্টি
রাখতেন। কোনো সফরে নারীরা অংশগ্রহণ করলে সবাইকে তিনি ধীরে ধীরে চলতে বলতেন।
নারীদের আবেগ-অনুভূতির প্রতিও তিনি যথেষ্ট খেয়াল রাখতেন।
৩। মহানবী (সা.) তাঁর স্ত্রীদের মতামতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতেন।
স্ত্রীর গুরুত্ব সম্পর্কে মহানবী (সা.) বলেন, ‘উত্তম স্ত্রী সৌভাগ্যের
পরিচায়ক।’ (মুসলিম)। স্ত্রীর প্রতি সদাচরণের ইঙ্গিত দিয়ে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ
হয়েছে,
‘তোমরা (নারীর) সঙ্গে উত্তম আচরণ করো এবং উত্তম আচরণ করার শিক্ষা দাও।’
(সূরা নিসা: ১৯)
৪। নারীর অধিকার রক্ষায় হযরত মোহাম্মদ (সা.) বলেন,
‘তোমাদের মধ্যে সেই উত্তম, যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।’ (তিরমিজি)
৫। মহানবী (সা.) নারীর অধিকার রক্ষায় বলেন,
‘মায়েদের পদতলে জান্নাত।’ (মুসলিম)
৬। কন্যা সন্তানের গুরুত্ব বোঝাতে মহানবী (সা.) বলেন,
‘যার তিনটি, দুটি বা একটি কন্যাসন্তান থাকবে এবং সেই ব্যক্তি যদি তার
কন্যাসন্তানকে সুশিক্ষিত ও সুপাত্রস্থ করে, তার জান্নাত নিশ্চিত হয়ে যায়।’
(আবু দাউদ, তিরমিজি)
৭। মহানবীই (সা.) প্রথম নারীর উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠা করেন। তা ছাড়া,
বিধবাদের সাহায্যকারীদের সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘যারা বিধবা নারীর ভরণপোষণের
দায়িত্ব নেয়, তারা যেন আল্লাহর পথে জিহাদকারী এবং নিরলস নামাজি ও সদা রোজা
পালনকারী।’ (বুখারী ও মুসলিম)
সমাজে নারীর ভূমিকা অনন্য। নারীই পরিবার ও সমাজের ভিত রচনা করে দেয় এবং
পরবর্তী প্রজন্ম নারীর কাছ থেকেই মৌলিক শিক্ষা লাভ করে। বাংলাদেশে প্রতিদিনই
নারী নির্যাতন ও নারীর প্রতি বৈষম্যভাব বেড়েই চলছে। নারীকে হত্যা, ধর্ষণসহ
নানারকম নির্যাতনের নির্মম ঘটনা প্রায়ই বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে।
আমাদের সমাজের কোথাও নারী নিরাপদ নয়। পরিস্থিতি এমন যে আমরা যেন আইয়ামে
জাহেলিয়াতের চেয়েও আরও কঠিন সময়ে বসবাস করছি! নারী নির্যাতন, নারীর প্রতি
সহিংসতা রোধ ও নারী অধিকার রক্ষায় মহানবী (সা.)-এর নির্দেশিত নারী নীতিমালা
অনুসরণ করা আবশ্যক।
গান
লিখেছেন: রবিন রায়।
কষ্টের দিন গুলি মোর পার হয়ে গেছে,
আর কারোর তরে টান নাই পাছে ;
যা গেছে তা গেছে চির তরে মুছে,
হারাবার খেদ নাই বিন্দুমাত্র,
এ মনের
আনাচে কানাছে।
বিটপ জীবনে কত ফুল যে ফোটে শাখে,
তলে কত ফুল ঝরে ঝাঁকে ঝাঁকে ;
নব পল্লব মুকুলিত কাক্ষিক পর্বকক্ষে,
মধুপায়ীর অভাব নাই ভবে,
থাকিলে মৌ এই ভরা বক্ষে।
কষ্টের দিন গুলি মোর পার হয়ে গেছে,
আর কারোর তরে টান নাই পাছে ;
লক্ষ তারার মাঝে যদি একটি যায় খসে,
মহাকাশের তাতে কিছু যায় না আসে;
কে ধরে তারে, ক্ষনেই যায় নিরুদ্দেশে,
জ্বলে পুড়ে ভস্ম হয় স্বত্তা,
আপনিই
বাতাসে যায় মিশে।
যা গেছে তা গেছে চির তরে মুছে,
হারাবার খেদ নাই বিন্দুমাত্র,
এ মনের
আনাচে কানাছে।
ধ্রুবতারা সম অচল রই সদা উত্তর গগনে,
আজো আছি স্বত্তা বজায় এই প্রমাণে;
আমায় দেখেই নাবিকে দিক নিরীক্ষণে,
আর কি চাই পরিচয় মোর,
বিশ্ব
ব্রহ্মাণ্ডের বিস্ময় সৃজনে।
কষ্টের দিন গুলি মোর পার হয়ে গেছে,
আর কারোর তরে টান নাই পাছে ;
কষ্টের দিন গুলি মোর পার হয়ে গেছে,......!
গঙ্গারামপুর
‘প্রতিভা’ কম নেই, দরকার সহযোগিতার
তাঁতশিল্পীদের দাবি, এক বান্ডিল টানা সুতোর দাম প্রায় ২,৩০০ টাকা। চিকন সুতোর দাম
২,৫০০ টাকা। সাত বান্ডিল সুতোয় ৮০ পিস শাড়ি তৈরি হয়। একটা শাড়িতে হ্যান্ডলুমের
জন্য শ্রমিক-মজুরি ১৫০ টাকা।:
দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরের সবচেয়ে বড় তাঁত ব্যবসায়ী আশিস সাহা এখন
বাড়িছাড়া। নবদ্বীপের একটি বিড়ির দোকানে দিন মজুরিতে কাজ করেন তিনি। যাঁর বাড়িতে
শতাধিক কর্মচারী ছিলেন, তিনি অন্যের দোকানে কর্মী। ফোনে গলা ভারী শোনায়। বললেন,
‘‘আমার বাড়িতে ৬০-৬৫টি পরিবার কাজ করত। রমরমা শাড়ির ব্যবসা করতাম। উৎপাদন খরচের
সঙ্গে তাল মিলিয়ে শাড়ির দাম বাড়ানো যাচ্ছিল না। ঋণের ফাঁদে পড়ে ব্যবসা বন্ধ হয়ে
গেল।’’
বিদ্যুৎ চালিত ‘পাওয়ার লুম’ আসার পরে, আশিস বাড়িতেই ২৮টি ‘পাওয়ার লুম’
বসিয়েছিলেন। সাড়ে চার লক্ষ টাকা ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়েছিলেন। কিন্তু করোনা সংক্রমণে
লকডাউনের পরে, ব্যবসা শেষ হয়ে যায়। করোনার পরে যখন আবার তাঁত চালু করবেন, দেখেন,
বাজারে সুতোর দাম এক ধাক্কায় অনেক বেড়ে গেছে।
প্রতি বান্ডিল সুতোর দাম প্রতি বছর ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা করে বাড়ে। ঠ্যাঙাপাড়ার
সবচেয়ে পুরনো ও বড় সুতোর কারবারি সুনীল বসাক বাড়িতে নিজের ২৭টি তাঁতকলের
পাশাপাশি, আরও ১৫০টি তাঁতকল লিজে চালাতেন। এখন তাঁর সব তাঁত বন্ধ। টিমটিম করে
সুতোর ব্যবসা চলছে। বছরে যাঁর কয়েক কোটি টাকার সুতোর ব্যবসা ছিল তিনি শাড়ির
বরাতের জন্য ঘুরছেন। তাঁর আক্ষেপ, ‘‘প্রায় এক কোটি টাকা বাজারে পড়ে রয়েছে।
ব্যবসাও শেষের দিকে।"
তাঁতশিল্পীদের দাবি, এক বান্ডিল টানা সুতোর দাম প্রায় ২,৩০০ টাকা। চিকন সুতোর দাম
২,৫০০ টাকা। সাত বান্ডিল সুতোয় ৮০ পিস শাড়ি তৈরি হয়। একটা শাড়িতে হ্যান্ডলুমের
জন্য শ্রমিক-মজুরি ১৫০ টাকা। ‘পাওয়ার লুম’-এ মজুরি ৭০ টাকা। তার সঙ্গে রঙের দাম
আলাদা রয়েছে। ‘পাওয়ার লুম’-এ বিদ্যুতের খরচ রয়েছে। সব মিলিয়ে এখানে যে শাড়ি তৈরি
হয় তার উৎপাদন খরচ গড়ে ৩৫০ টাকা। কিছু লাভ রেখে, বাজারে সেই শাড়ি বিক্রি করতে
গেলেই ক্রেতা মেলে না। কারণ, ১৫০-২০০ টাকার হরেক রকমের ছাপা শাড়িতে বাজার
ছয়লাপ।
বিশ্বরেকর্ড রো-হিটম্যান শর্মার! কোহলির ঘরের মাঠে ভারত অধিনায়ক ছক্কায় ছাপিয়ে
গেলেন ক্রিস গেলকে
কবিতার নাম: মনের কষ্ট।
কবির নাম: মিহির সেন।
নদীর কষ্ট জল শুকালে
গাছের পাতা ঝরা,
রাতের কষ্ট গুমরে কাঁদা
যখন চন্দ্র হারা।
ফুলের কষ্ট ভ্রমরা বিরূপ
বিদ্যুৎ বিনা মেঘ,
জলভর্তি নদী কাঁদে
হারিয়ে তার বেগ।
আকাশ কাঁদে মেঘের তরে
পাহাড় কাঁদে একা,
মরু কাঁদে শুকনো চোখে
প্রাণের নেই দেখা।
বোবা কান্না গুমরে মরে
না ফোটে তার কথা,
ভাবুক মন কষ্টে কাঁদে
পেয়ে বুকে ব্যথা।
ঝরা ফুলের জীবন বৃথা
পড়ি অনাদরে,
বুভুক্ষু মন কষ্ট পায়
ভালোবাসার তরে।
কবিতার নাম: মালা হয়ে থাকি।
কবির নাম: তপন মাইতি।
ঝগড়া বিবাদ ভুলে গিয়ে
কাছাকাছি থাকি
সুখে দুখে পাশাপাশি
বিশ্বাস বন্ধন রাখি।
ভালবাসার পাড়া হবে
হৃদয় দিয়ে আঁকি
নিজের কথা আগে ভাবলে
ষোলো আনায় ফাঁকি।
হৃদয় দিয়ে হৃদয় গড়ব
মনের আয়না রাখি
বন্ধু হয়ে বাঁচতে গেলে
মিলেমিশে থাকি।
আপদ বিপদ আছড়ে পড়লে
জীবন আগলে ডাকি
আষ্টে পিষ্টে অটুট বন্ধন
আপন আপন থাকি।
ছড়া: অঙ্কের ভূত।
কবির নাম: বদ্রীনাথ পাল।
অঙ্কের ভূত যদি ধরে ভাই ঘাড়ে-
রক্ষেতো নেই আর বাঁচাবে কে তারে !
খাওয়া ঘুম সবকিছু উঠে যাবে লাটে,
ডুমুরের ফুল দেখা দেবে শুয়ে খাটে।
শাঁই শাঁই বন্ বন্ মাথা যাবে ঘুরে-
সর্ষের ফুল শুধু দুই চোখ জুড়ে।
দিন রাত কেবলই তো ওঠবোস্ হবে-
শতকিয়া গান গা'বে ভোঁ ভোঁ রবে।
ভুলে যাবে ঘুম এলে বিছানায় শুতে-
ধরে যদি ঘাড়ে ভাই অঙ্কের ভূতে !!
তমলুকে দুর্ঘটনা
|
| তমলুকের পুকুরে উল্টে পড়া সেই পুলকার। |
আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০২৩
তমলুকে পড়ুয়া বোঝাই পুলকার উল্টে পুকুরে! মৃত্যু ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রের, আহত
বেশ কয়েক জন
স্থানীয় সূত্রে খবর, তাম্রলিপ্ত পুরসভার ১৪নম্বর ওয়ার্ড স্টিমারঘাট এলাকায়
সোমবার দুপুরে ওই দুর্ঘটনা হয়েছে। তাতে অর্ণিম ভট্টাচার্য নামে ১১ বছরের এক
ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।
স্কুল ছুটির পর বাচ্চাদের বাড়ি নিয়ে যাচ্ছিল একটি পুলকার ভ্যান। এক ছাত্রকে
তার বাড়ির সামনে নামিয়ে গাড়ি ঘোরাতে গিয়ে হল অঘটন। গাড়ি উল্টে গিয়ে পড়ল
রাস্তার পাশের পুকুরে। ঘটনাস্থল পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের স্টিমারঘাট
এলাকায়। মৃত্যু হয়েছে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রের। গুরুতর আহত হয়েছেন
গাড়িচালক-সহ পড়ুয়ারা।
স্থানীয় সূত্রে খবর, তাম্রলিপ্ত পুরসভার ১৪নম্বর ওয়ার্ড স্টিমারঘাট এলাকায়
সোমবার দুপুরে ওই দুর্ঘটনা হয়েছে। তাতে অর্ণিম ভট্টাচার্য নামে ১১ বছরের এক
ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। তাম্রলিপ্ত পাবলিক স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির পড়ুয়া ছিল
সে। এই ঘটনায় শোকস্তব্ধ এলাকা। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পুলকারটি এক এক করে
পড়ুয়াদের বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল। ঠিক তমলুকের স্টিমারঘাটের পাশে
উত্তরচড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে এক ছাত্রকে নামিয়ে গাড়ি ঘোরাতে গিয়েই এই
বিপত্তি ঘটে। ওই সময়ে গাড়িটিতে পাঁচ জন পড়ুয়া ছিল। গাড়িচালকের চেঁচামেচি
শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসেছিলেন। তাঁরা পড়ুয়াদের উদ্ধারে হাত লাগান। গাড়িচালক
এবং চার শিশুকে দ্রুত উদ্ধার করা গেলেও এক পড়ুয়া গাড়ির ভিতর আটকে ছিল। প্রায়
মিনিট ১৫ চেষ্টার পর সংজ্ঞাহীন অবস্থায় ওই শিশুকে উদ্ধার করা হয়। তাকে দ্রুত
নিয়ে যাওয়া হয় তাম্রলিপ্ত মেডিক্যাল কলেজে। কিন্তু চিকিৎসকেরা অর্ণিমকে মৃত
বলে ঘোষণা করেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, বাকি চার পড়ুয়াকে প্রাথমিক চিকিৎসার
পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী লক্ষ্মীকান্ত বেরা, মানেকারানি কর্মকাররা জানান,
গাড়িচালকের চিৎকার চেঁচামেচি শুনে তাঁরা পুকুরের দিকে ছুটে যান। তার পর
শিশুদের উদ্ধারও করেন। কিন্তু এক পড়ুয়াকে উদ্ধার করতে অনেকটা সময় লেগে যায়।
কবিতা নাম: সোনা রোদ হাসছে ।
কবির নাম: বিবেক পাল।
চক ডাষ্টার ধরার স্বপ্ন, বিক্রি হয় কয়েক লাখে !
মন্ত্রী ,আমলার নিকট আত্মীয়ের চাকরি হয় খালি হাতে ,
মেধাবীরা ( ছাত্র-ছাত্রীরা) ধর্নায় ,অনশন মঞ্চে---
প্রাপ্য অধিকার বুঝে নিতে----
আকাশের নীচে ফুটপাথ ঠিকানা ,
আগামীর ভবিষ্যতের-------
সাম্প্রদায়িক জিগির
বড় বিষন্ন বেলা----
হাসি-মুখ বিজ্ঞাপনে আকাশ ঢাকা !
গ্রীষ্মের খরতাপে কার্তিকের হিম ঝরা
রাতে , জয়ের স্বপ্ন শিয়রে ফুটপাথে ,
পলাশের দাউ দাউ আগুন বুকে---
"ঠান্ডা রূপো দিয়ে গড়া শীতল সুদূর চোখ
নিরেট পাথরে খোদাই করা কঠিন মুখ
ঠোঁট দুটো ঝকঝকে ছোরা ।"
টিয়ার-গ্যাস, জল-কামানে সারে স্নান
খোলা আসমানের নীচে-----
দু'চোখে ধরেছে জ্বালা,সারা শরীর ভিজে ।
অন্ধকার ঠাসা সময়ে---
শীতল বাতাসে ভেসে আসে অচেনা কন্ঠস্বর----
হিম রাত্রি শেষে ভোরের পাখির ডানায় সোনা রঙ ।
শাল বৃক্ষের মতো ; মেরুদন্ড টানটান রেখে
ন্যায্য দাবী আদায়ের আন্দোলনে ওরা হাঁটছে ,
জয়ের নিশান উড়ছে বাতাসে ।
স্মৃতি আর শ্রুতিতে নয়----
বাস্তবে ; শঠ প্রবঞ্চকের মুখোশ খসে পড়ছে ,
পূব আকাশে আপন ছন্দে সোনা রোদ হাসছে !
কবিতার নাম: দেখতে যাবো ঠাকুর।
কবির নাম: পৃথ্বিশ মাল।
মেট্রো রেলে চড়ে এবার দেখবো ঠাকুর আমি
জামা খানা পড়বো গায়ে সবার থেকে দামি।
সারাটা রাত চলবে মেট্রো চিন্তা নেই তো কিছু
ট্যাক্সি করে ঠাকুর দেখা ব্যায় কমবে পিছু।
কলকাতার ওই উত্তর প্রান্তের ঠাকুর দেখতে মজা
দমদম থেকে মেট্রোয় উঠে শোভাবাজার সোজা।
কুমোরটুলির আশেপাশে ঠাকুর কত আছে
একটু হাঁটলে গিরিশ পার্কের স্টেশন পাবো কাছে।
মহম্মদ আলি পার্কের ঠাকুর সবার থেকে সেরা
কলেজ স্কোয়ার আর বাদাম তলার পুজো বাঁশে ঘেরা।
শ্রীভূমির ওই ঠাকুর দেখতে হয় তো ভীষণ কষ্ট
দিনের বেলা দেখাই ভালো হয় না সময় নষ্ট।
বালিগঞ্জের ঠাকুর দেখতে দক্ষিণেতে চলো
কতো ঠাকুর দেখবে সেথা সংখ্যায় তুমি বলো।
যাদবপুরের ঢাকুরিয়ার নেই তো কমতি সেথা
হরিশ পার্কের ম্যাডক্স স্কোয়ারের দেখতে যাবো যেথা।
বেহালার ওই দিকে গেলে ঠাকুর হয় তো ভালো
চারিদিকে শহর সাজে দিয়ে শুধু আলো।
দশমীর দিন পায়ের ব্যাথায় থাকবো শুয়ে ঘরে
বিদায় দেবো দেবী মাকে ঢাকের তালের ঝরে।।
তরুণ শিল্পী শঙ্কুর ৬০ কেজির দুর্গা পাড়ি দিচ্ছে আমেরিকা, তৈরি হয়েছে
ফাইবার আর কাঠ দিয়ে
তাপস দে নামে এক প্রতিবেশীর মাধ্যমে এই প্রথম দুর্গাপ্রতিমা তৈরির বরাত পান
শঙ্কু। তার কিছু দিন পর কোরিয়া থেকেও দুর্গাপ্রতিমা তৈরির অনুরোধ আসে। কিন্তু
হাতে সময় না থাকায় সেই বরাত তিনি নিতে পারেননি।
আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০২৩
মাটি দিয়ে প্রতিমা গড়েননি পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাট থানার জাহান্নগর
পঞ্চায়েতের মাগনপুর গ্রামের শিল্পী শঙ্কু দেবনাথ। তরুণ এই শিল্পীর হাতে তৈরি
ফাইবার এবং কাঠের দুর্গাপ্রতিমা পাড়ি দেবে আমেরিকায়। বিদেশে পাড়ি দেওয়ার
আগে নজরকাড়া প্রতিমাটি এক বার দেখার জন্য ভিড় উপচে পড়ছে শিল্পীর বাড়িতে।
অল্প বয়সেই তাঁর শৈল্পিক দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন শঙ্কু। তিনি কাজ শিখেছেন
কৃষ্ণনগরে। মূলত সিমেন্ট, ফাইবার, পাথর এবং পিতল দিয়ে শিল্পকর্ম করেন ওই
শিল্পী। তাঁর তৈরি বিভিন্ন মূর্তি এর আগেও শিল্পমহলে সমাদৃত হয়েছে। তবে ২৪
বছর বয়সি শিল্পী এ বারই প্রথম দুর্গামূর্তি তৈরির বরাত পেয়েছেন। তা-ও আবার
সূদূর আমেরিকা থেকে। তিনি জানান, বরাত আসে মাত্র দু’মাস আগে। সময় কম বলে
দিনরাত এক করে পরিশ্রম করেছেন। প্রতিমা তৈরির কাজও প্রায় শেষ। এখন শেষ
মুহূর্তের তুলির টান দিচ্ছেন তিনি। শঙ্কু বলেন, ‘‘আগামী বুধবার বিমানে
দুর্গাপ্রতিমা পাড়ি দেবে আমেরিকা।’’
ছড়া: বালক।
কবির নাম: সুশান্ত সেন।
বালক সিধু দুগ্ধপোষ্য
দুষ্টুমিতে সে নমস্য
পাঞ্জাবিটা কালির দাগে
ভরিয়ে দিলো বেজায় রাগে।
কুলের আচার করল ফাঁক
পেট টা হলো জয়ঢাক।
সবাই তখন বলল এসে
বেশ হয়েছে , একটু
হেসে
পেটটা এবার কাটতে হবে
ডাক্তার কি ডাকব
তবে ?
সিধু কেঁদে উঠলো জোরে
সবাই পড়ে আতন্তরে
।
গল্পের নাম: জাহান্নাম ও জান্নাত।
লেখক: শেখ আসমত।
নবাবের মহলের বাইরে নদীতীরের বটতলায় এসেছেন এক দরবেশ ফকির |দলে দলে প্রজারা
চলেছে আশীর্বাদ নিতে |তিনি একে একে সবাইকে আশীর্বাদ করছেন এবং যে যেমন প্রশ্ন
করছে, তিনি তাকে তেমন উত্তর দিচ্ছেন |তাঁর উত্তর শুনে সকলের মনের অন্ধকার
কেটে গিয়ে ফুটে উঠেছে এক আশ্চর্য আলো, যার কোন তুলনাই হয় না|
কথাটা নবাবের এক সৈনিকের কানে গেল| ফকিরের আশির্বাদ
গ্রহণের তার কোন বাসনাই ছিল না| তার মনে বহুদিন থেকে একটি প্রশ্ন উঁকি মারে:
জাহান্নাম ও জান্নাত বলে সত্যিই কি কোন বস্তু আছে? নাকি সবই অলীক কল্পনা?
মাঝে মাঝে এই প্রশ্ন বড় উদভ্রান্ত করে তুলে তাকে| তাই তার বাসনা হল প্রশ্নটি
নিয়ে ফকিরের কাছে যেতে| দেখা যাক, ফকিরের কাছ থেকে তার কোনো সদুত্তর পাওয়া
যায় কিনা এই প্রশ্নের ওপর|
সেইমতো সে ফকিরের পাদবন্দনা করে দাঁড়ালো তাঁর সামনে |
ফকির, জাহান্নাম বা জান্নাত বলে সত্যিই কি কিছু আছে বলে আপনি মনে
করেন?
ফকির তার মুখের দিকে তাকালেন, জানতে চাইলেন তার পরিচয়|
তুমি কে?
আমি নবাবের সৈনিক|
ফকির তার গর্বিত উত্তরে মনে-মনে হাসলেন, বিদ্রুপ পূর্ণ কণ্ঠে বললেন"
কী রকম নবাবের সৈনিক তুমি! তোমাকে দেখে তো ভিখিরি মনে হয়!"
ভিখিরি! নবাবের সৈনিক কে ফকির ভিখিরি বলায় সে চটে লাল | ক্রোধে জ্বলে
উঠলো তার আপাদমস্তক| ফকিরের এত বড় সাহস, তাকে বলে কিনা ভিখিরি!
কাল বিলম্ব না করে সে সরোষে তার তলোয়ার খানা খাপ থেকে বের করে ফকিরের
শিরশ্ছেদের জন্য এগিয়ে গেল! ফকির হা হা করে হেসে উঠলেন|
বললেন, জাহান্নাম আছে কিনা তুমি জিজ্ঞেস করেছিলে না? এই হল জাহান্নাম|
এবার তুমি জাহান্নামে এসেছো|
কথাটা শুনে তার কৃতকর্মের জন্য লজ্জা পেয়ে যায় ওই সৈনিকটি| সে থতমত
খেয়ে তরবারিটি খাপে ভরে ফেলে|
ফকিরের অট্টহাসি ও থামলো | গম্ভীর মুখে তিনি বললেন, " এই হল জান্নাত,
বুঝলে সৈনিক? এবার তুমি জান্নাতে পৌঁছে গেলে|"
কবিতার নাম: সম্পর্ক ভালো রাখতে।
কবির নাম: মোহাঃ নাসিমুদ্দিন হক।
নানা কাজের চাপেও পরস্পরের
জন্য সময় করতে হবে বের ;
তবেই পছন্দ অপছন্দ সহ একে
অপরকে বুঝতে পারবে ঢের।
ইতিবাচক কথা দিয়ে জানান
ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা ও তারিফ ;
এতে সঙ্গীর সাথে সম্পর্ক আরো
সুন্দর ও আরও হবে গভীর।
কারণ ছাড়া ছোট ছোট উপহার
প্রায়ই দিয়ে সঙ্গীকে রাখুন খুশি ;
একে অপরের জন্য কতটা ভাবি
বা খেয়াল রাখি বোঝা যায় বেশি।
বিশেষ ব্যক্তির স্পর্শে মস্তিষ্কের
অক্সিটোসিন হরমোন বেশি ক্ষরিত হয় ;
ভালোবেসে সঙ্গীর বিভিন্ন অঙ্গে স্পর্শ,
সম্পর্কের গভীরতা বহুগুণ বাড়ায় ;
কথা ও কাজে সামঞ্জস্য রেখে
সুযোগ বুঝে এমন কিছু করে দেখান ;
যাতে সঙ্গী বোঝেন আপনার
জীবনে তাঁর কতটা পবিত্র স্থান।
আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ 2023
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সব ফরম্যাট মিলিয়ে সব থেকে বেশি ছক্কা মারলেন ভারত অধিনায়ক।
আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে অষ্টম ওভারে এই রেকর্ড গড়লেন তিনি।
বিরাট কোহলির ঘরের মাঠে বিশ্বরেকর্ড করলেন রোহিত শর্মা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সব
ফরম্যাট মিলিয়ে সব থেকে বেশি ছক্কা মারলেন ভারত অধিনায়ক। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে
অষ্টম ওভারে এই রেকর্ড গড়লেন তিনি। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিন ফরম্যাট
মিলিয়ে রোহিতের ছক্কার সংখ্যা ৫৫৫। ক্রিস গেলের ছক্কার সংখ্যা ৫৫৩।
আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে নামার আগে ৫৫১টি ছক্কা ছিল রোহিতের। অর্থাৎ, গেলকে টপকাতে
গেলে তিনটি ছক্কা মারতে হত তাঁকে। ম্যাচের পঞ্চম ওভারের দ্বিতীয় হলে লং অফের উপর
দিয়ে প্রথম ছক্কা মারেন রোহিত। সপ্তম ওভারের চতুর্থ বলে ডিপ স্কয়্যার লেগের উপর
দিয়ে আসে দ্বিতীয় ছক্কা। সেই সঙ্গে গেলকে ছুঁয়ে ফেলেন রোহিত। পরের ওভারে পঞ্চম
বলে মিড উইকেট এলাকায় নিজের পছন্দের পুল শটে ছক্কা মেরে গেলের রেকর্ড ভেঙে দেন
ভারত অধিনায়ক। পরের ওভারে আরও একটি ছক্কা মারেন তিনি।
আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৩
ছড়া: আরশোলা।
কবির নাম: দর্পনা গঙ্গোপাধ্যায়।
আরশোলা তিড়িং বিড়িং
টিকটিকি নড়িং চড়িং
নেচে নেচে আরশোলা
নেই কোন চাল চুলা
টিকটিকি খপ করে
ডিনারেতে খায় ধরে।
ডানা ঠ্যাং যায় উড়ে
দেওয়ালেতে ঘুরে ঘুরে
টিকটিকি টিক টিক
করে যায় ঠিক ঠিক।।
কবিতার নাম: উন্মুক্ত উঁচুতে।
কবির নাম: ইমরান খান রাজ।
চলো, মনভরে আজ ভিজি বৃষ্টিতে
নেই কোন পিছুটান, নেই হারানোর ভাবনা !
তাই চলো আজ উল্লাসে মাতোয়ারা হই-
তুমি আর আমি।
বৃষ্টি জলে করি খেলা, উষ্ণ ছোঁয়ায়
চলো ভিজে ভিজে বৃষ্টি দেখি আজ দু'জনায়।
চারিদিকে ভীষণ অন্ধকার,
রাত্রির নিরবতায় হারিয়ে আবার,
চলো মিলিত হই উন্মুক্ত উঁচুতে,
চলো মিলিত হই এক বিন্দুতে !
Poem Name: GUDGEMENT
Tapas Maity
A few days to come
I don't fear of defeat.
I came round fighting with death
On the far end of the sky.
I am standing on the field
Without any fear.
And there the judgement
Would be delivered,
Who of us two
Dares to be burst in the fire.
ছড়া: মনের কথা কাগজে।
কবির নাম: দেবব্রত মাজী।
বসেছে লিখতে কাজের মাঝে
নতুন ঘরনী আছে বেশ সাজে।
পার্কে গেছে তাইতো লিখতে
ভাবছে সবাই গেছে মিলতে?
মনের কথা কখনো হয়না বলা
যায় সে কাজে সকাল বেলা।
ধরিয়ে দেবে এলে কাগজখানা
যাতে শুকিয়ে যায়না মুখখানা।
কয়লা খনি ধস
রানিগঞ্জে কয়লা খনিতে ধস নামার খবর, আটকে রয়েছেন বেশ কয়েক জন ‘অবৈধ’ শ্রমিক?
খতিয়ে দেখছে প্রশাসন
সূত্রের খবর, রানিগঞ্জে ইসিএলের কুনুস্তরিয়া এলাকার নারায়ণকুড়ি খোলামুখ
কয়লাখনিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বুধবার বিকেলে নারায়ণকুড়ি খনিতে ধস নামে বলে
স্থানীয়দের দাবি।
অবৈধ ভাবে কয়লা খনি থেকে কয়লা সংগ্রহ করতে গিয়ে বেশ কয়েক জনের চাপা পড়ার খবর
পাওয়া যাচ্ছে। বুধবার রাতে এই খবরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার
আসানসোল-রানিগঞ্জ এলাকায়। যদিও এই ঘটনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত ইসিএল কর্তৃপক্ষ কিংবা
পুলিশ সরকারি ভাবে কিছু জানায়নি। পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলাশাসক ঘটনা প্রসঙ্গে
ইসিএল কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চেয়েছেন। কিন্তু আসলে ঘটনাটি কী এবং ঠিক কত জন
এখনও পর্যন্ত চাপা পড়ে আছেন বা আদৌ চাপা পড়েছেন কি না তা নিয়ে সঠিক তথ্য
পাওয়া যায়নি।
সূত্রের খবর, রানিগঞ্জে ইসিএলের কুনুস্তরিয়া এলাকার নারায়ণকুড়ি খোলামুখ
কয়লাখনিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বুধবার বিকেলে নারায়ণকুড়ি খনিতে ধস নামে বলে
স্থানীয়দের দাবি। সেই ধসেই চার থেকে পাঁচ জন চাপা পড়েন বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই এক
জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রাক্তন সাংসদ তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী
বংশগোপাল চৌধুরী। সিপিএম নেতা বংশগোপালের দাবি আরও চার জন নিখোঁজ রয়েছে বলে তাঁর
কাছে খবর এসেছে। রানিগঞ্জ থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। স্থানীয়
বাসিন্দাদের একাংশ অভিযোগ করছেন তাঁদের পরিবারের লোকেরা চাপা পড়ে আছেন।
উদ্ধারকারী দলকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলেই জানা যাবে আসল ঘটনা কী।
অন্যদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে নিখোঁজ ব্যাক্তিদের বাড়িতে যান বিজেপির স্থানীয়
বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর সামনে নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের লোকেদের
কান্নাকাটিও করতে দেখা গিয়েছে। আগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ‘‘পেটের জ্বালায় গ্রামের
মানুষজন দু’-চার বস্তা কয়লা বের করে বিক্রি করে সংসার চালান, রাজ্য সরকার তো কজের
ব্যবস্থা করেনি। তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাঁরা এই কাজ করে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।
এখন স্থানীয় জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয়েছে। প্রশাসন দেখি কী ব্যবস্থা নেয়। না হলে
আরও বড় আন্দোলন হবে।’’
Poem Name: My Childhood.
Sanjoy Banerjee
Childhood
My Childhood
Getting out of Childhood.
I remember many things.
Early school days.
New friends, what joy.
No worries, No thoughts.
Joy and Joy.
Everything is a memory now.
I had a very good Childhood.
কবিতর নাম: উআগমনী বার্তা।
কবির নাম: নিতাই শর্মা।
বর্ষার বিদায়ে শরতের আগমনে,
সাদা মেঘেরা ভেসে বেড়ায় গগণে।
নদীতীরে কাশবনে লেগেছে দোলা,
চারিদিকে আলো আঁধারের খেলা।
বাতাসে শিউলির সৌরভ ছড়ায়,
প্রভাতে শিশির বিন্দু ঘাসের ডগায়।
প্রকৃতি বার্তা দিল শরৎ এসে গেছে,
জগৎ জুড়ে আনন্দধারা বহিছে।
মহালয়ার সুপ্রভাতে মা হন জাগ্রত,
মধুময় চন্ডিপাঠে গা হয় শিহরিত।
পিতৃতর্পণ হয় মহালয়ার প্রভাতক্ষণে,
আনন্দধারা বহে মায়ের শুভাগমনে।
মহা ষষ্টি তিথিতে হয় মা দুর্গার বোধন,
সপ্তমীতে মায়ের পূজোর আয়োজন।
অষ্টমী তিথিতে ভিড় বাড়ে মন্দিরে,
নবমীতে ভক্তের চোখের জল ঝড়ে।
দশমী তিথি আসে বিদায়ের পালা,
মাকে বিদায়ে বুকে বড়ো জ্বালা।
আসছে বছরের প্রত্যাশা বুকে নিয়ে,
জলভরা চোখে ফেরে মায়ের বিদায়ে।
বিশ্ব দৃষ্টি দিবস
প্রতি বছর অক্টোবরের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) সারাবিশ্বে পালন করা
হয় বিশ্ব দৃষ্টি দিবস। মহামূল্যবান চোখের গুরুত্ব বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতেই
আজ সারাবিশ্বে একযোগে পালিত হচ্ছে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস।
মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ চোখ। কিন্তু এ বিষয়ে সাধারণ মানুষ উদাসীন।
বিশ্বব্যাপী চোখের যত্নের পাশাপাশি চোখের গুরুত্বের ওপর গণসচেতনতা তৈরিই হলো
বিশ্ব দৃষ্টি দিবসের মূল লক্ষ্য। এ ছাড়া দিবসটি সবার জন্য এমন একটি মঞ্চ তৈরি
করে যেখানে সরকার, প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তি একযোগে চক্ষুসেবা গড়ে তুলতে ভূমিকা
পালন করে।
জন্মদিনের শুভেচ্ছা
- ১৯০২ - উমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, পর্বতপ্রেমিক, অক্লান্ত পরিব্রাজক ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভ্রমণ কাহিনিকার।
- ১৮৬৪ - কামিনী রায়, বাঙালি কবি।
- ১৯২৪ - কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী
- ১৯২৭ - এহতেশাম হায়দার চৌধুরী, পাকিস্তানি এবং বাংলাদেশি চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক।
- ১৯৪০ - প্রখ্যাত বাঙালি প্রযুক্তিবিদ ও বিজ্ঞানী, অভিনেতা বিকাশ রায়ের পুত্র সুমিত রায়।
- ১৯৪৪ - কারী আব্দুল গণী, বাংলাদেশি ইসলামি পণ্ডিত ও কারী
- ১৯৫৫ - হরিশংকর জলদাস, বাংলাদেশী লেখক।
শ্রদ্ধ জানাই
- ১৯২৪ - ফরাসী কথাশিল্পী আনাতোল ফ্রাঁস।
- ১৯৬৮- ইরানের মিনিয়েচার শিল্পের অন্যতম স্থপতি হোসেইন বেহজাদ।
- ১৯৭৮- প্রখ্যাত সমাজসেবী ও সর্বোদয় সেবক শিশিরকুমার সেন। (জ.১৮৯৬)
- ১৯৮১- ভারতের পদার্থবিদ ও রসায়নবিদ ড. গুরুপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়।
- ১৯৮৬ - চীনে কোটনিসের নেতৃত্বে ভারতের মেডিক্যাল মিশনের অন্যতম সদস্য ডাঃ বিজয় কুমার বসু, ভারতে আকুপাংচার চিকিৎসার সূচনাকারী।(জ.০১/০৩/১৯১২)
- ১৯৯১ - ভারতের কমিউনিস্ট ব্যক্তিত্ব ও স্বাধীনতা সংগ্রামী বিশ্বনাথ মুখোপাধ্যায় ।
- ১৯৯৭ - উমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, পর্বতপ্রেমিক, অক্লান্ত পরিব্রাজক ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভ্রমণ কাহিনিকার। (জ.১২/১০/১৯০২)
📌 বিভিন্ন ধরনের ফ্রিতে ইবুক ডাউনলোড করুন: book.porichoymagazine.in
🔹️ ই- সম্মাননা পত্র ডাউনলোড করুন - Click Now
🔸️ লেখা ও শিল্পকলা পাঠান -
Click Now
🔹️ হোয়াটসঅ্যাপ পরিবারের যুক্ত হন -
Click Now
🔸️ ফেসবুক পরিবারের যুক্ত হন-
Click Now









