পরিচয় শিশু সাহিত্য | ১৯তম সংখ্যা

।। পরিচয় শিশু সাহিত্য ।।

   ।। ১৯তম সংখ্যা ।।    
পরিচয় শিশু সাহিত্য | ১৯তম সংখ্যা
ভাবনা: শ্রীমতি সুপ্রিয়া গঙ্গোপাধ্যায়।

📢 প্রকাশ:
  • বাংলা: ২৯ই আশ্বিন ১৪৩০
  • ইংরেজী: ১৭ই অক্টোবর ২০২৩ 
  • বার: মঙ্গলবার।
  • সময়: সকাল ০৭টা ( কলকাতা টাইম জোন)
🔆 আজ আবহাওয়া: ৩৩/২৫°C (পশ্চিমবঙ্গ)
  • কুয়াশা। 
  • বৃষ্টিপাত: ০%
  • আর্দ্রতা: ৮৭%
  • বাতাস: ২কিমি/ঘন্টা
📌 আজ ঘটনা:
  • ১৬৩০ - আমেরিকার বোস্টন শহর প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • ১৭৮৭ - ফিলাডেলফিয়ার পেনিসেলভেনিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান স্বাক্ষরিত হয়।
  • ১৮৪৬ - সাপ্তাহিক ‘দর্পণ’ প্রকাশিত হয়।
  • ১৮৪৮ - সাপ্তাহিক সংবাদপত্র ‘সাপ্তাহিক অরুণোদয়’ প্রকাশিত হয়।
  • ১৮৭১ - সুইজারল্যান্ড মন্ট সেনিস রেলওয়ে টানেল উদ্বোধন করা হয়।
  • ১৯০৩ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাইট ভ্রাতৃদ্বয় অরভিল রাইট ও উইলবার রাইট সাফল্যের সঙ্গে উড়োজাহাজের উড্ডয়ন ঘটান।
  • ১৯০৫ - বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেন ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটি।
  • ১৯১৪ - গ্রিস ও এশিয়া মাইনরে প্রচন্ড ভূমিকম্পে ৩ হাজারেরও বেশি লোকের প্রাণহানি ঘটে।
  • ১৯২০ - প্রবাসে [তাসখন্দে] ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি গঠিত হয়।
  • ১৯২৪ - হিন্দু মুসলমান সম্প্রীতির জন্য মহাত্মা গান্ধীর অনশন।
  • ১৯৩৬ - ইরান-তুরস্ক শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হয়।
  • ১৯৪০ - মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর নেতৃত্বে ব্যক্তিগত সত্যাগ্রহ শুরু হয়।
  • ১৯৪৪ - ওস্টল্যান্ড হতে এস্তোনিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।
  • ১৯৪৮ - আরব ইসরাইল যুদ্ধ এবং ফিলিস্তিন সংকট বিষয়ক জাতিসঙ্ঘের মধ্যস্ততাকারী কেন্ট বার্ণাডোট বায়তুল মোকাদ্দাসে ইহুদী অধ্যুষিত এলাকায় ইহুদীবাদীদের হাতে নিহত হয়েছিলেন।
  • ১৯৫৭ - মালয়েশিয়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
  • ১৯৬২ - গণবিরোধী হামুদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলায় ছাত্র আন্দোলন ও হরতাল পালিত হয়।
  • ১৯৬৩ - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে জেনিভা নিরস্ত্রিকরণ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী যুক্তরাষ্ট্র আর সোভিয়েত ইউনিয়নসহ ১৭টি দেশের উত্থাপিত একটি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। এই প্রস্তাবে সকল দেশের উদ্দেশ্যে পরমাণু অস্ত্র অথবা অন্য যে কোনো গণ বিধ্বংসী অস্ত্র পৃথিবীর কক্ষপথে মোতায়েন না করার আহ্বান জানানো হয়।
  • ১৯৭০ - জর্দান সেনা বাহিনী ফিলিস্তিনীদের উপর ব্যাপক গণহত্যা অভিযান শুরু করেছিল।
  • ১৯৭২ - বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় হন্ডুরাস।
  • ১৯৭৪ - বাংলাদেশ, গ্রানাডা এবং গিনি-বিসাউ জাতিসংঘে যোগদান করে।
  • ১৯৮০ - নিকারাগুয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট আনাসতোসিও সমোজা দেবাইলি প্যারাগুয়েতে নিহত হন।
  • ১৯৮০ - ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শহীদ মোহাম্মাদ আলী রাজাই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সম্মেলনে দেয়া ভাষণে তার দেশের ওপর ইরাকের ব্যর্থ সরকারের চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বিশদ ব্যাখ্যা দেন।
  • ১৯৮২ - হানাদার ইসরাইলী সেনারা লেবাননের সাবরা ও শাতিলা শরণার্থী শিবিরে আশ্রয়গ্রহণকারী নিরিহ ফিলিস্তিনীদের উপর ব্যাপক গণহত্যা চালায়।
  • ১৯৮৩ - ভ্যানেসা উইলিয়াম প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মিস আমেরিকান হন।
  • ১৯৮৮ - সিউলে ১৬০টি দেশের অংশ গ্রহণে ২৪তম অলিম্পিক গেমসের উদ্বোধন হয়।
  • ১৯৮৯ - যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোনির্য়া উত্তরাঞ্চলে প্রচন্ড ভূমিকম্প হয়। অনেক সড়ক আর সেতু এই ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হয় । এই ভূমিকম্পে কমপক্ষে ২৭১ জনের মৃত্যু হয়। তা ছাড়া, দুর্গত এলাকায় কমপক্ষে ৫০০ জন আহত।
  • ১৯৯১ ‌ - উন্মুক্ত সোর্সকোড ভিত্তিক কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্স কার্নেলের প্রথম সংস্করণ (0.01 Version) ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়।
  • ১৯৯১ - এস্তেনিয়া, লাতভিয়া, লিথুয়ানিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া, মাইক্রোনেশিয়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
  • ১৯৯৪ - চীনের শিনচিয়াংএর চিওহো প্রাচীন নগরে চীনের হ্যান রাজবংশের সমাধি সংগ্রহশালা আবিষ্কার করা হয়।
  • ২০০৫ - দেশে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে বাণিজ্যিক ভাবে কয়লা উত্তোলন শরু।

✒️ লিখেছেন:

কবিতার নাম: ঘন্টিরাম। ডি। ২৪।

কবির নাম: বিমল চন্দ্র পাল।

ঘন্টিরাম পোদ্দার
               মোহনপুরে বাস ,
মস্ত বড়ো হেকিম হবে
               ছিল তার আশ ।

আদালত যায় সে 
              হেলিতে দুলিতে ,
সুবিচার একটাও 
              ছিল না ঝুলিতে।

মক্ষিকা গোঁফ তার
              কি বাহার দেখতে ,
দোষীদের সাজা দেয়া
              নেই তার খাতাতে।

ওপরওয়ালা সব
             করে শুধু ছি: ছি: ,
বিচারক পদটা
             রাখো মিছামিছি ।

দেখে শুনে ছেলে তার
             পায় ভারী দুখ ‌ এক 
দোষী পেলে সাজা ,
             হ'তো বড় সুখ ।

অবশেষে ঘন্টিরাম
            নিল অবসর ,
ছেলে তার দুখীরাম 
             র'লো বরাবর।

কবিতার নাম: অসুরসংহারিনী।

কবির নাম: হীরামন রায়।

সিংহের পিঠে চেপে রনংদেহি রূপে 
             দশ হাতে দশ অস্ত্র নিয়ে মা।
মোষের পেটটি ফেঁড়ে অসুর আসে তেড়ে 
             বাজে দুন্দুভি শুরু যুদ্ধের দামামা।।
কাঁপে ধরা থরথর ভয়ে সব জড়সড়
             এ প্রলয়ে নেই কারো নিস্তার। 
স্বর্গ মর্ত্য পাতাল এই বুঝি যায় রসাতল
             দেবতা নরে স্তব করে ইষ্টদেবতার।।
নীল আকাশের কোলে যুদ্ধ নিনাদ ভুলে 
              এই রণে কে উড়াবে বিজয় তোরণ।
শঙ্খ ঘন্টা উলূধ্বনী ঢাকের বলে জয়ধ্বনী
              আজ বাদে কাল মায়ের হবে বোধন।।
লম্ফঝম্ফ নাই কূলাকূল হঠাৎ মা বাগিয়ে ত্রিশুল
              দিল অসুরের বুকটা ফেঁড়ে।
জয়ের উল্লাসে মাতে পুষ্প বৃষ্টির সাথে সাথে 
              বিজয় ডঙ্কা বাজে ত্রিভুবন জুড়ে।।
মর্তে কাশের মেলা পঙ্কে শতদলের খেলা
              শিউলি ঝরে রাশি রাশি ভোরে।
মায়ের চরণের তরে বিকশিত বিশ্ব জুড়ে 
             শরৎ শুভ্র ঐ মেঘের করিডোরে।।
দুর্গা দূর্গতিনাশিনী তুমি মোর মাতা জননী
             শারদীয়া তুমি অসুরসংহারিনী।
তোমার আগমনে পিতৃপক্ষের অবসানে
             চণ্ডীমন্ডপে বাজে তোমার জয়ধ্বনী।।

Poacher killed 

Sanjoy Banerjee 

I love listening to stories. I love a chilling story on a very cold night or under the moon light. 
My mother used to tell me many stories. 
One Winter night my mother told me a chilling story. 
Such horror stories still strike fear in my mind on Winter nights. 
For my father's work, my parents used to live in a quarter in the forest of Sunderban.
I have not yet come to this World. 
My father was a forest officer. 
One day my father was doing night duty in the forest. 
My father was a very brave man. 
Many nights in the uninhabited forest someone kept calling my father's name. 
Winter night, the forest is full of beautiful moonlight. 
Hearing the call my father came to a pond. 
There was no one there. 
When my father saw nothing and thought to go back, that's when the incident happened. 
A black clad man stood in front of my father for a while and disappeared. 
My father stood there for a while in surprise and left. 
The next morning the father learns that a poacher killed the tiger two days ago.
His body was not found. 

কবিতার নাম: পরিবেশ ও আমরা।

কবির নাম: মিহির সেন।

সুন্দর এ পৃথিবী জীবের বাঁচার অনুকূলে,
একে অপরের পরিপূরক, দ্বিধা দ্বেষ ভুলে।
সবুজে সাজানো দেশ বাগিচায় ভরা,
নদীনালা নীলাকাশ প্রকৃতির নিজ হাতে গড়া।
পাহাড় থেকে ঝর্ণা ঝরে, নদী বয়ে যায়,
মাঝি মল্লা নৌকা চালায়, ভাটিয়ালি গায়।
পাখি করে বিচরণ, সবুজ বাগিচায়,
কালো মেঘে গর্জন, অঝোর বর্ষায়।
পৃথিবী গড়েছে প্রকৃতি, অকৃপণ দানে,
জীব উদ্ভিদ বেঁচে আছে এই মেলবন্ধনে।

কিন্তু মানুষ স্বার্থপর, আরও বেশী কিছু চায়,
তাই নীরবে দিনরাত করে চলেছে অন‍্যায়।
যে ডালে বসে, সেই ডাল কাটে কালিদাস সেজে,
মানুষ শ্রেষ্ঠ জীব আজ প্রকাশ‍্য সমাজে।
প্রকৃতির পরিবেশ ভুলি, কৃত্রিম করি তারে,
নিত‍্যনতুন সাজ সজ্জা নানাবিধ উপাচারে।
পরিবেশ বিপন্ন আজ আধুনিকতার ফাঁদে,
মৃত‍্যুকূপ খুঁড়ছি আমরা, প্রতি পদেপদে।
পরিবেশ অসুস্থ হলে, নেই কোন ছাড়,
নিজ স্বার্থে রক্ষা করবো পরিবেশ, হোক অঙ্গীকার।

গল্পের নাম: সবুজ টিয়া পাখিটা।

লেখক: সামসুজ জামান।

বৈদ্যপুরে রথের মেলায় গিয়ে খুব খুশি হয়ে গেল মঙ্গল। টিয়া পাখি তার এমনিতেই খুব পছন্দের পাখি আর একটা লোক খাঁচার মধ্যে টিয়া পাখি নিয়ে বিক্রি করছে। দাম শুনে একটু পিছিয়ে ছিল সে কিন্তু মুহূর্তেই সিদ্ধান্ত বদল করে ভাবল খেলনা কেনার জন্য মা যে টাকা দিয়েছে সেটার বদলে সে টিয়া পাখি কিনবে। খুব আনন্দে মঙ্গল বন্ধুদের নিয়ে একটা টিয়া পাখি পছন্দ করে খাঁচার সঙ্গে নিয়ে নিল।
সকালবেলায় যখন সে রথের মেলায় আসার অনুমতি চেয়েছিল মায়ের কাছে স্বাভাবিকভাবেই মা পিছে গিয়েছিলেন কিন্তু পাড়ার সৌমেন টুবলু রফিক এরা যেহেতু সঙ্গে যাচ্ছে এই শর্তে বাবা খুব সহজে রাজি হয়ে গিয়েছিলেন এবং মা ও সেই হিসেবে অনুমতি দিয়েছিলেন মেলায় যাবার জন্য। আর এখন সেই সব বন্ধুদের সঙ্গে নাচিতে নাচতে একটা টিয়া পাখি নিয়ে তারা ফিরল।
কিন্তু বাড়িতে ঢুকতেই বাবা প্রবল আপত্তি করে উঠলেন একটা পাখিকে কেন শুধু শুধু খাচায় বন্দি করে রাখা তবে এখন মা বেঁকে বসলেন বললেন পয়সা দিয়ে যখন কেনা মঙ্গলের ইচ্ছা অনুযায়ী ও পাখিটা পশু নিরুপায় বাবা অগত্যা বাধ্য হলেন সারাটা দিন পাখির পিছনে পড়ে রইলো মঙ্গল ঝোপে জঙ্গলে মাঠে ময়দানে ঘুরে ঘুরে পাখির খাবার যোগাড় করতে লাগলো সে নতুন উৎসাহ উদ্যমে। ঘাসে বসে থাকা গঙ্গা ফড়িংগুলো দেশলাই বক্সের খুলে চাপা দিয়ে ধরে আর গাছ থেকে পেয়ারা সবজি বাগান থেকে কাঁচালঙ্কা ছিড়ে এনে পাখির খাবারের জন্য ব্যবস্থা করছিল নেওয়া খাওয়া প্রায় ভুলে যাবার অবস্থা।
খাঁচার মধ্যে টিয়া পাখি ছাড়া বেলা ছটফট করে কাটালেও কেটে গেল যেমন তেমন ভাবে কিন্তু সন্ধ্যের পর থেকেই শুরু হল পাখিটার চিৎকার বাবা অনেকবার বোঝালেন মঙ্গল কে কিন্তু সে কিছুতেই পাখিকে ছাড়া বান্দা নয় আর মুশকিল বাড়লো রাত বেশি হলে। অবশেষে অনেক বুঝিয়ে শুুঝিয়ে মঙ্গল কে বিছানায় নিয়ে যাওয়া হলো। তারপর সে ঘুমিয়ে পড়লেও একসময় কিন্তু পাখিটার চিঞ্চিত কার কিছুতেই থামে না।
শেষমেষ বাবা অমগ রায় দিলেন টিয়াটাকে ছেড়ে দেয়া হোক মঙ্গলের অজান্তে। মা চেয়েছে উঠলেন কিছুতেই না তাহলে সকাল বেলা মঙ্গলকে সামলানো কিছুতেই সম্ভব হবে না এদিকে পাখির চিৎকার বেড়েই চলেছে। আর তাতে বাবা-মা কিছুতেই বিছানায় শুতে যেতে পারছিলেন না। তাই শেষমেষ বাবা মঙ্গল কে ঘুম থেকে জাগিয়ে নিয়ে গেলেন পাখির কাছে। বললেন দেখ পাখিটার অবস্থা দেখ একে ছেড়ে না দিলে আমরা কেউই ঘুমাতে পারবো না।
কিন্তু মঙ্গল বায়না ধরল কিছুতেই সে এই পাখিকে ছাড়বে না অগত্যা বাবা স্নেহের সঙ্গে তার মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন মনে কর তুমি কাল সকাল থেকে নিখোঁজ হয়ে গেলে হারিয়ে গেলে দূরে কোথাও তুমি কি থাকতে পারবে মঙ্গল ছুটে মাকে জড়িয়ে ধরে বলল কিছুতেই না। আমি মাকে ছেড়ে একদিনও থাকবো না বাইরে। তাহলে পাখিটার কথা ভাবো বাচ্চা একটা পাখি তার মাকে হারিয়ে রাতের বেলা চিৎকার করছে কত কাঁদছে মায়ের কাছে যাবার জন্য সেটা কি তোমার ভালো লাগছে খুব?
মঙ্গল পাল্টে গেল হঠাৎ বাবার কথা শুনেই সে বলল বাবা ওকে ছেড়ে দিলে পাখিটা যে আর আমার কাছে আসবে না ওতো আর ফিরে আসবে না বাবা বললেন সে তো নিশ্চয়ই। ও তোর মায়ের কাছে চলে যাবে। আবার আসবে কেন তোমাকে কেউ ধরে নিয়ে গেলে একবার যদি মায়ের কাছে দেখা করিয়ে দেয় আবার নিয়ে চলে যায় আর তার কাছে আটকে রাখে তাহলে কি তোমার মন ভরবে মঙ্গল মাকে জড়িয়ে ধরে পাগলের মত। যদিও তার মন খুব খারাপ হয়ে গেল খাঁচাটা নিজের হাতে তুলে নিয়ে মঙ্গল ফিরে এসে বাবার হাতে দিয়ে বলল বাবা আমি ছাড়তে পারবো না পাখি ডাকে বাবা আদর করে তার মাথায় আবার হাত বুলিয়ে কাঁচার দরজাটা খুলে দিতেই পাখিটা উড়ে গিয়ে গাছের ডালে বসলো মঙ্গল অজান্তেই টাটা বাই বাই বলতে বলতে হাতটা ছিল। কিন্তু চোখ দিয়ে জল পড়ছিল তার।
মা মঙ্গলকে জড়িয়ে ধরে ওর মাথায় চুমু খেতে লাগলেন আর আদর করে বললেন পাগল ছেলে কাঁদে না ওভাবে আর বাবা বললেন শোনো তুমি খুব ভালো কাজ করলে একটা। একটু পরে পাখি দাও ওর মায়ের কাছে ফিরে গিয়ে এইরকমই আদর খাবে। যেমন তুমি এখন মায়ের কাছে খাচ্ছ বোকা ছেলে কাঁদে কখনো একটা পাখি বন্দি হয়েছিল সে এখন মায়ের কাছে ফিরে যাচ্ছে তোমার তো খুব আনন্দ হওয়া উচিত অকারনে খুব জোরে হেসে উঠলো হঠাৎ আর হাসতে গিয়ে কান্নায় তার গলা বুঝে গেল মা আবার বুকের চেপে ধরলেন মঙ্গলকে। আর অবাক হয়ে দেখলেন ওর বাবা আড়ালে মুখটা লুকিয়ে জামার কোনটা দিয়ে নিজের চোখের কোনটা মুছে নিলেন একবার।


কবিতার নাম: হাতের পুতুল।

কবির নাম: দীপঙ্কর বৈদ্য।

আমরা সবাই হাতের পুতুল
দিদা খালি বলে,
পুতুল খেলার যায় না সময়
সব বয়সেই চলে।

দিদার গড়া উলের পুতুল
জীবন ফিরে পায়,
তাক্ ধিনা ধিন্ খেলার সাথী
ডাকে কেবল আয়।

নাওয়া-খাওয়া নিয়মমাফিক
গড়গড়িয়ে হয়,
চোখের আড়াল হলেই তখন
লাগে যেন ভয়।

হঠাৎ করেই পেলাম খবর
দিদা যে আর নাই,
মুঠোফোনে স্বর আসে না --
এসো দাদু ভাই।

দিদা ছিল সুখে দুখের
মন ভরানোর কল,
তাকিয়ে দেখি পুতুলেরও
ঝরে চোখের জল!

ছড়া: মহালয়ার ভোরে।

কবির নাম: শংকর ব্রহ্ম।

মহালয়ার ঠিক ভোরে
                     মা এসেছে আমার দোড়ে
তাকে আর ফিরাই যে কি করে?
                      এনে বসাই নিজের ঘরে।

মাকে বলি এক কাপ চা খাবে?
                       মা একটু যেন কি ভাবে,
বলে চা কি দিবি কাপে?
                   আমি আছি যে বড় চাপে।

আমি বলি চাপ কীসের?
            মা বলে কি যে হবে গনেশের
ও খাবে আর কি করে
                        শূরে সেই কাপ ধরে?

আমি ভাবি তাই তো
                 ঘরে আর কিছু নাই তো।

গল্পের নাম: পনের বাকি টাকার জন্য।

লেখক: শেখ আসমত।

সাধনবাবু প্রতি পুজোয় দুপাঁচশো টাকা চাঁদা দিয়ে পাড়ার ছেলেদের হাতে রাখার চেষ্টা করে।চাঁদা তো নয়, ঘুষ- সাধন বাবু মনে করে। না দিলে তার ডাইনে-বাঁয়ে রোজগারের লাইন বন্ধ হয়ে যায়।
 সাধন বাবু আরো জানে, এদেশে টাকাই সব| এমনকি, একমাত্র ছেলে রাজারামের বিয়েতেও সে পণ নিয়েছে 50 হাজার টাকা। বাকি 10 হাজার টাকা লছমন লালা যোগাড় করতে পারেনি।সাধনবাবুর দুহাত জড়িয়ে ধরে লছমন লালা বলেছিল," দাদাজি, মেহেরবানী করুন।দশ হাজার রুপিয়া এক সালের মধ্যে শোধ দিয়ে আসবো।
 ছেলে রাজারামের মতিগতি বুঝতে পেরে সাধন বাবু সম্মতি দিলো বিয়েতে।মেয়েকে যখন লছমন চোখের জলে বিদায় দিচ্ছিল, তখন সাধন বাবু ভিড় ঠেলে কাছে গিয়ে জানিয়ে আসে, রুপিয়া শোধ না দিয়ে এলে বহু কে তার বাপের বাড়ি সে পাঠাবে না।মনে থাকে যেন!
 কিন্তু সাধনবাবু চতুর লোক।বছর না ঘুরতেই সে তার বৌমা সুমতি কে তার বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে আর আনার নাম করে না| লছমন কয়েকবার এসে চোখ মুছতে মুছতে ফিরে গেল। সাধন বাবুর এক কথা, রুপিয়া শোধ না দিলে সুমতির কাছে এ বাড়ির দরজা বন্ধ।
 পাড়ার ছেলেরা সব শুনলো।বিকাশ পাড়ার ক্লাবের সেক্রেটারি।সে বলল, ঠিক আছে। এবছর পুজোয় সাধন বাবুর কাছে চাঁদা নেওয়া হবে না।
 তাই হল। সাধন বাবু দেখল, পাড়ার ছেলেরা চাঁদা নিতে এল না এবছর। ভালোই হলো।500 টাকা তো বাঁচল।
 কিন্তু পুজোর পরেই ছেলেরা ফেঁদে বসল একটা বিরাট জলসা! বড় বড় শিল্পীরা আসতে রাজি হয়েছেন।হু হু করে টিকিট বিক্রি হয়ে গেল।কিন্তু একি! সাধন বাবু অবাক চোখে দেখলো, রাস্তায় রাস্তায় পোস্টার পড়েছে- সাধন বাবুর ছেলের পনের বাকি টাকার জন্য ফান্ড তৈরির জলসা। ক্লাবের অফিসে সাধন বাবু স্বয়ং হাজির হয়।
 এ আপনারা কি করছেন, বিকাশ বাবু? 
 খারাপ তো কিছু করিনি।আপনার ছেলের বিয়ের পনের বাকি 10 হাজার টাকা আজ জলসায় এসে সবার সামনেই নিয়ে যাবেন।
 সাধনবাবু খপ করে বিকাশের হাত দুটো চেপে ধরে।
 বিকাশ বাবু, আজই বহু কে নিয়ে আসছি| আপনি পোস্টার তুলে নিন। জলসায় বলে দিন, সাধনবাবু বহুকে ঘরে নিয়েছে, লেকিন রুপিয়া লিবে না।

Title: Autumnal holiday

Rhymer: Smt Supriya Gangopadhyay.

This is Autumnal holiday;/
Be happy and gay./
One,two,three_/
You are free./
Two,three,four_/
Don't study more./
Three,four,five_/
That is a bee hive./
Four,five,six_/
Lucky is Phoenix./
Five,six,seven_/
God lives in heaven./
Six, seven,eight_/
Cross the road straight./
Seven,eight,nine_/
You are late; give fine./
Eight, nine, ten_/
Write with pen./
Sky is blue./
Religious festival/
Floating us in joy/
All over the bengal./
Essence of Night Jasemine!/
Enjoy the smell./
Not a dream_ reality!/
It's a magic spell!!

কবিতার নাম: মৃত্যুর ও শ্রেণী আছে।

কবির নাম: বিবেক পাল।

সীমাহীন অভাবের তাড়নায় পাড়ি দেয় 
কৈশোর,যৌবন ভিনরাজ্যে , ভিন দেশে 
সাধারণ কামরায় গাদাগাদি ভিড়ে ,
হুইসেল বাজিয়ে ট্রেন চলে গন্তব্যে !

একে একে সরে যায় এতোদিনের চেনা 
পথঘাট বন বনানী দিগন্তে শুয়ে থাকা নদ নদী ,
ঝাপসা হয়ে আসে দু' নয়ান
সহসা গাড়ীর দোলানিতে সম্বিৎ ফিরে !

কামরায় আলো নিভে ; চিৎকার চেঁচামেচি
সবকিছু'র উর্দ্ধে চেতনা স্হবির---
অবশেষে লাশকাটা ঘরে
২৩৩ নং লেখা প্ল্যাকার্ড ঝুলে পায়ের নিথর আঙ্গুলে !

ঘরেতে বৃদ্ধ মাতাপিতা ,ভ্রাতা ভগ্নী জায়া
অপেক্ষায় প্রহর গুনছে তারা----
অসংরক্ষিত কামরার ভ্রমণরত যাত্রীদের- 
নাম নেই লাশের তালিকায় , বিচিত্র এই দেশ !

শ্রেণী বৈষম্যের আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা দেশে 
মৃত্যুর ও শ্রেণী রয়েছে -------------
জন্মভূমির আঁচল ভিজে
অগণিত মেহনতী মানুষের রক্ত, ঘামে !!

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য ঘটনা ; ট্রেন দুর্ঘটনায় 
বেলা গোধূলিতে ঘরে ঘরে নেমে আসে আঁধার !
ভালোবাসার আকাশে ডানা মেলে অসংখ্য শকুন 
অপেক্ষারত চোখের তারায় অকাল বরিষণ !

রাম রহিমের শায়িত নিথর দেহ 
শীতল ভূমে ; নেই আজ কোন সংস্কার
পরিচয় আজ কেবলই 
নাম গ্রোত্রহীন লাশ------শুধুই লাশ !

কবিতার নাম: টাকার দরকার।

কবির নাম: শুভব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।

ছুটে বেড়াই আমরা শুধু
টাকার পিছু পিছু
সুস্থ হয়ে বাঁচতে গেলে
মোদের লাগে কিছু।

পরের তরে ভরসা করে
বাঁচা উচিত নহে,
আজকে আছে কাল কি হবে
মন আমাদের কহে।

একটু যদি পাই গো টাকা
মনে না রয় ভীতি,
নিজের জীবন পাবে তখন
একটু যেন স্থিতি।

একটু পেলে জমাও তাহা
ভিন্ন পথে তুমি,
বৃদ্ধকালে ভরসা তখন
দেবে তোমায় চুমি।

বিপদ এলে জীবন তরে
লাগবে তখন টাকা,
বল ভরসা তোমার তখন
গচ্ছিত হয় রাখা।

কবিতার নাম: হেমন্তের পাকা ধান।

কবির নাম: বাসুদেব সরকার।

শরতের পর সোনার বাংলায় 
হেমন্তকাল এলে, 
কৃষক মনে কী আনন্দ 
খুশির ডানা মেলে। 

সোনার ক্ষেতে সোনালী ধান 
কাঁচা ধান সব পেকে, 
কৃষক মনে খুশির জোয়ার 
সোনার ফসল দেখে। 

চারিদিকে মউমউ করছে 
পাকা ধানের গন্ধে, 
কৃষকের মন নেচে উঠে 
কী যে মধুর ছন্দে। 

ধান কেটে সব আঁটি বেঁধে 
কৃষক তোলে ঘরে, 
নতুন ধানে কৃষাণ বধূর 
খুশিতে মন ভরে। 

কবিতার নাম: নিয়তি। 

কবির নাম: ইমরান খান রাজ।

ধরতে গেলে পালিয়ে বেড়াও 
পিছু ফিরলে করো অভিমান 
শয়নে, স্বপনে দেখি সেই চোখ 
যাকে ঘিরে থাকে অভিযান। 
ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আকাঙ্খা থেকে 
চাহিদাগুলো আকাশের পরে- 
আজ বিকেলে কল্পনাতে 
ঘুরেফিরে কেনো গেলে অগোচরে ! 
নিয়তি যেথায় নিয়ে যাবে 
সেথায় হবে তোমার বাস 
যতই করো মিছে ভাবনা 
বেঈমানী হলে সর্বনাশ ! 

ছড়া: শিউলি।

কবির নাম: মহা রফিক শেখ।

শিউলির গন্ধে
 সকাল হতে সন্ধ্যে
মন মহানন্দে
নেচে উঠে ছন্দে।

শিউলির রঙে
 কল্পনার ঢঙে
নানারূপ সঙে
  মন রঙচঙে।।

শিউলির বাসে
ভালোবাসা আসে
তারে পেয়ে পাশে
মন শুধু হাসে।

শিউলির লাজে
শরৎ ই সাজে
বাদ্যিও বাজে
মনের মাঝে।

কবিতার নাম: অনলাইন।

কবির নাম: নিতাই শর্মা।

আজকাল দৈনন্দিন জীবন প্রভাবিত অনলাইনে,
মানুষের যেতে হয় না বাজারে অনলাইনে কেনে।
খাবারদাবার ঘরে বসে পাওয়া যায় অর্ডার করে,
রান্নার ঝামেলাটা নেই আজ অভিজাত পরিবারে।

অফিসে যেতে হয় না আজ কাজ করার তরে,
ঘরে বসেই অফিসের কাজ সারে তারা সার্ভারে।
খাবার থেকে শুরু করে প্রসাধনী সামগ্রী যতো,
ঘরে বসেই ইন্টারনেটে পাওয়া যায় ইচ্ছে মতো।

টাকার বোঝা আজ আর বইতে হয় না বর্তমানে,
ঘরে বসে অনায়াসে পেমেন্ট করা যায় প্রয়োজনে।
চোর ডাকাতের ভয়টা কমে গেছে টাকা লেনদেনে,
অহোরাত্র টাকা তোলা যায় নিজের প্রয়োজনে।

চাকরির দরকাস্ত আজ আর হয় না হাতে লিখতে।
ওয়েব সাইটে গিয়ে ফর্মটা হয় পূরণ করতে।
রেলের আর ফ্লাইটের টিকিট কাটা যায় অনলাইনে,
ব্যাঙ্ক অফিস আদালত অচল নেটওয়ার্ক বিহনে।

চিঠিপত্র এখন আর হয় না কলম দ্বারা লিখতে ,
মহুর্তে খবরটা পাঠানো যায় ইন্টারনেট জগতে।
এস এম এস হোয়াটস এপ ফেসবুকের দৌলতে,
জরুরী ভিত্তিতে যোগাযোগ হয়ে যায় মুহুর্তে।

অনলাইনের আবশ্যকতা যায় না অস্বীকার করা,
তাইতো এর জনপ্রিয়তা পেয়েছে নিখিল বিশ্বভরা।
অনলাইনের আবশ্যকতা বেড়েছে সময়ের তালে,
যুগের প্রয়োজনে মানুষ আজ ইন্টারনেটের কবলে।

ছড়া: নৌকা বিহার।

কবির নাম: দেবব্রত মাজী।

মাঝিহীন পালহীন নৌকায়,
চলেছে নৌকা মাঝ দরিয়ায়।
নতুন প্রেমের হাবুডুবুতে মগ্ন,
মন করেছে তাদের নগ্ন।
নীরবে নির্ভয়ে নিশ্চিন্তে,
মৃদু বহমান নদীর স্রোতে।
আত্মার আনন্দে হৃদয় নাচে,
খোলা আকাশের নীচে।

কবিতার নাম: ছাত্র-ছাত্রী।

কবির নাম: অনল হেমব্রম।

আমরা সবাই ছাত্র-ছাত্রী
মিলে মিশে থাকি,
ইসকুলেতে ক্লাসের সময়
দিই না কেউ ফাঁকি।

পড়তে মোদের ভাল লাগে না
তবুও পড়তে হয়,
কলম নিয়ে লিখতে গেলেই
পাতার নয় ছয়।

পড়া শুনতেও নেই ইচ্ছা
তবুও শুনতে হয়,
না শুনলে মনের মাঝে
আছে অনেক ভয়।

এর পিছনে ওর পিছনে
লাগতে ভালো লাগে,
দুস্টুমিতে আছি মোরা
সবার চেয়ে আগে।

জানলা দিয়ে বাহির পানে
তাকাই ক্ষনে ক্ষনে,
কি যে দেখি কি যে ভাবি
থাকি আনমনে।

বলার আছে জানার আছে
অনেক প্রশ্ন মনে,
কোথায় কারে বলবো মোরা
ভাবি আপণমনে।

বড়রা তো ধমক্ দেয়
কিছু বলতে গেলেই,
মা বাবার কাছে গিয়েও
বলার সাহস নেই।

মনের কথা মনের কোনে
লুকিয়ে রাখি তাই,
সূযোগ পেলে সাথীর সঙ্গে
গল্পে মেতে যাই।

সকাল থেকে সন্ধ্যা মোরা
বই নিয়েই থাকি
সরস্বতী তবুও কেন
দেয় আমাদের ফাঁকি।

কবিতার নাম: বিষন্নতা।

কবির নাম: আফরিনা সুলতানা ঈশিতা।

  ইচ্ছেরা আজ মনমরা
দেয়না কোনো সাড়া,
   কার বিরহে বিরহীনি
কার মায়াতে পাগলপারা?

  কে ডাকে তবে 
দেখেছি কবে
ছুয়েছি তোকে নেই মনে নেই কিছু,
  আল্লাহ ইচ্ছেগুলো 
হচ্ছে এলোমেলো 
লাগে নাতো ভালো, বিষন্নতা নিয়েছে পিছু।

 খুব একলা লাগে আজ,
নেই তুই কাছে তাই
এ আমার কেমন করুন সাজ!

 তুই সব ভুলে চলে আয়,
শুণ্য হৃদয় একাকী কাঁদে
আয়রে তুই ছুটে আয়।

কবিতার নাম: স্কুলে যেতে হবে।

কবির নাম: বদ্রীনাথ পাল।

বলতে পারো, কোন্ পাখিদের নেইকো নিজের বাসা-
রঙটি গায়ের কালো হলেও গান করে সে খাসা?
বলতে পারো, কোন্ পাখিদের দর্জি পাখি বলে-
রাত আঁধারে কাদের বাসায় জোনাক বাতি জ্বলে?

বলতে পারো, কোন্ প্রাণীরা বইছে বাসা ঘাড়ে-
দেখলে বিপদ লুকোয় সেথায় যায় না দেখা তারে ?
বলতে পারো, কোন্ পাখিদের নজর ভালো রাতে-
নিজের ঘরে যায় ফিরে সে ভোরের সাথে সাথে ?

বলতে পারো,পাখির মতো ডানা মেলে তবু-
কারা এমন-পাখি বলে নয় গন্য কভু ?
এই প্রশ্নের উত্তর ভাই জানতে হলে তবে-
পায়ে পায়ে ইস্কুলেতে তোমায় যেতে হবে।

কবিতার নাম: রেলে হুইসেল।

কবির নাম: দীপক রঞ্জন কর।

রেলে হুইসেল
বাজলো যেই
ছুটলো রেল ধেই ধেই।
তন্দ্রা ছেড়ে
উঠল জেগে
শব্দ তুলে ছুটলো বেগে।
হাজার বোঝাই
নিয়ে মানব 
ছুটে চলেছে যন্ত্র দানব ।
পাহাড় গুহা
পেরিয়ে হাট 
পেছনে ফেলে ফসল মাঠ।
হরদম করে 
যাওয়া আসা
তুফান সম মাতিয়ে নেশা।
অতীত স্মৃতি 
পেছনে ফেলে
জীবন পথে এগিয়ে চলে ।
 বাজলো আবার
 হুইসেল যেই
থামলো রেল গন্তব্যে এসেই ।

কবিতার নাম: তুই ছিলি বলে!! 

কবির নাম: উদয় নারায়ণ বাগ।

তুই ছিলি বলে দুর্গাপূজাটা 
রঙেতে রঙিন হল,
তোর ছোঁয়াতেই হৃদয় মাঝার 
হলো মোর টলমল। 

তোর আঁখি চেয়ে ঘুরলাম কত 
দূর থেকে বহুদূরে, 
ক্লান্ত সময়ে তোর মাধুরিতে 
কাছে এলো খুশি ঘুরে। 

হৃদয় পিপাসা মিটিল আমার 
বাসনা ছিল যা আগে, 
গুনগুন করে নয়ন-পাখিরা
গাইল নিজের বাগে।

তোর রাঙা ঠোঁট ডাকল যখন 
আমার নামটি ধরে, 
সেই মিঠা সুর শুনে রে আমার 
মন-প্রাণ গেল ভরে। 

পথ চলা শেষে ভিড়ের আড়ালে  
যখন দাঁড়ালি তুই, 
নয়ন মাঝারে আঁধার নামিল
হৃদয় হারাল ভুঁই। 

একবার যদি বলে যেতি তুই 
আবার হবে রে দেখা, 
স্বপ্নের জাল বোনে বোনে আমি 
লিখতাম কত লেখা। 

চিরদিন তরে ফেলে গেলি তুই 
আমাকে করে যে একা,
হৃদয় মাঝারে রইল কিছুটা 
ফেলে যাওয়া স্মৃতি-রেখা।

আবার কখনো ফিরলে দেখবি
তোকে চেয়ে আমি বসে, 
মন-কাননের শুকনো পাপড়ি 
পড়ছে কেমন খসে।

কবিতার নাম: অন্ধকারের মাঝে।

কবির নাম: সুস্মিতা ঘোষ।

রজনী ঘনাইয়ে এল
বুঝি কিয়ৎক্ষণ বাকি আঁধার নামিতে ,
শঙ্খ বাজিছে ঘরে ঘরে প্রতি বাড়িতে ।
প্রদীপের পানে চেয়ে, বসিয়াছে একটি মেয়ে
অতিমন যোগে শুনিছে ,
হাওয়ায় স্পর্শে পাতার মরমর
কাঁপিতেছে সারারঙ্গ শিশিরে শিশিরে থরথর ।
গীতা হাতে নিয়ে বসেছেন মা  
       ঘরের উঠানে ,
মা মৃদু স্বরে বলে আর মেয়েটি
বির বির করে নিজ মনে ।
কখনো সে হাসিয়া ওঠে
      নিজের খেয়ালে ,
কখনো সে ভয়ে কাঁদিয়া ওঠে
        নিজের ছায়া দেখে
      পাশের দেওয়ালে।
কী অদ্ভুত তার মায়া
যদি গিয়া দেখো গোয়ালে,
গভীর আঁধারে প্রদীপ লয়ে
আলিঙ্গন করে গরুর বাছুর -রে ।
হঠাৎ প্রদীপ নিভিয়া যায়
চারিপাশ আঁধার ঘোরে ।
ছোট্ট মেয়েটির গাল অশ্রু -ময়,
নিঝুম আঁধারে সে পাইতেছে ভয়।
ঐ ছোট্ট একটা মেয়ে
দিশাহীন অন্ধকারের মাঝে,
নিষ্পাপ নয়ন দুখানা
বার বার এক রাশি আলো খোঁজে ।

কবিতার নাম: উচ্চতা।

কবির নাম: তাপস মাইতি।

সকলে উপরে উঠতে চায়, 
সকলেই

লতা- পাতারাও
আকর্শি মেলে, লতিয়ে লতিয়ে
যেতে চায় সেই দিকে। 

মাটি, জল ঢুঁসিয়ে পাহাড়েরাও
কম উচ্চতা পায় নি

এত বিস্তৃত শাখা- প্রশাখা
তাও সাঁকো বেঁধে
আরও দীর্ঘ করে নিজেকে, পথ। 

মাটি ফুঁড়ে বাড়িও
এক'শ ষাট তালায় পৌঁছেচে

অথচ সব উচ্চতাকে একদিন
রাখালদাস বন্দোপাধ্যায়ের আবিষ্কার হ'তে হয়। 

গল্পের নাম: মার।

লেখিকা: দর্পণা গঙ্গোপাধ্যায়। 

আধুনিক যুগে সবাই সবাইকে এত মারতে ব্যস্ত হাতে,--- ভাতে ,---
বলার কথা নয়। একদিন পাঁচু ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখে ,--- 
দেখে অবাক বিস্ময়ে চেয়ে থাকে ! পাঁচু একজন খেতাবি ব্যারিস্টার। তাঁর বাবা একজন গরুর গাড়ির কোচোয়ান ছিলেন। তিনি গরুকে জোর জোর পেটাতেন, গরু যন্ত্রণায় ছটফট করে ছুটে পালাতে চাইত, গরুর গাড়ি তত দ্রুত ছুটত।

 এভাবেই তিনি মাইলের পর মাইল ভারী জিনিসপত্র আনা নেওয়া করে টাকা রোজগার করতেন। ঘরে ফিরে গরুদের খাবার দিতেন, আদর করতেন, ফাঁকা মাঠে ছেড়ে আসতেন, সন্ধ্যেবেলা সময় মতো ঘরে তুলতেন ,স্নান করাাতেন ,পরিচ্ছন্ন জায়গায় থাকতে দিতেন ,----কিন্তু গাড়ি চালানোর সময় মানুষটা এমন আচরণ করতেন। 

আমি ছোটবেলায় পড়াশোনা করতে চাইতাম না। পড়া মুখস্ত হতো না। উনি সন্ধ্যেবেলা বাড়ি ফিরে পড়া ধরতেন না পারলে প্রচুর মার পিঠে পড়তো। খাওয়া বন্ধ, অবশেষে পড়া দিয়ে তবেই মুক্তি। এভাবেই উনি আমার লেখাপড়ার নেগেটিভিটি কাটিয়ে পজিটিভিটি এনে মানুষ তৈরি করে গেছেন।

 আমি ভয়ের চোটে ওই গরুটার মতন পালাতে চেয়ে ব্যারিস্টার হয়েছি এবং গ্রামের বাড়ি ছেড়ে শহরে বিশাল একখানা বাড়ি হাঁকিয়ে ঝি চাকর ছেলে বউ নিয়ে বসবাস করি। 

আজ হঠাৎ আমার নাতি যখন কিছুতেই লেখাপড়া করতে রাজি নয় ওর মা মানে বৌমা চিৎকারে বাড়ির মাথায় করে তুলছে তখন হালটা ধরতে আমি অগ্রসর হলাম। অপরপক্ষে মারার পর সেই মার সহ্য করার ক্ষমতা তার আছে কিনা , সে অন্য পথ অবলম্বন করবে কিনা ,---তা নিয়ে আমার স্ত্রী বেশ চিন্তিত কিন্তু আমি নাছোড়।

 আদরের নাতি গোপালকে সকালে নিজেই পড়াতে বসলাম আর শাস্তি দিয়ে একই কথা বলতে বললাম ,-----কেঁদে কেঁদে বলে যেতেই লাগলো তারপর ঘুম আসছে দেখে ,---এক ঘা কষিয়ে দিলাম! তারপর খাতা পেন্সিল দিয়ে বললাম লিখে যাও ,
থামবে না ---থামলেই আবার ----
প্রথমবারেই গোপাল না দেখে লিখে ফেলল। যা দেখে বৌমা অবাক হয়ে গেল! 

হায়রে পোড়া কপাল !এসব মিথ্যে স্বপ্ন! বাস্তবে এমনটা কিছুই হলো না, যৎপরনাস্তি সকালে উঠেই টিফিন খেয়ে কাঁধে ব্যাগ তুলে স্কুলের দিকে হাঁটা দেবে গোপাল, এমন সময় বললাম ব্যাগটাই ভারি। লেখাপড়া টা বড় হালকা হয়ে গেছে। গোপাল উত্তরে বলল তুমি আমার বয়সে কত কি পারতে ? হাউ টু ডেল ইউ ! স্পিক অ্যাবাউট মি ! বউমা নিরুত্তর ,ছেলেও নিরুত্তর, গিন্নি বললে আজকালকার ছেলে, কেন ওদের সঙ্গে মুখ লাগাতে যাও,--- 
আমি গুটিয়ে কাঁচুমাচু হয়ে লজ্জিত অপমানিত হয়ে নীরব হলাম। তারপর ঘরে চলে গেলাম! এইটাই কি শিক্ষা !
এটাই কি সংস্কৃতি---।।

কবিতার নাম: ভাবের চাঁদ।

কবির নাম: রবিন রায়।

ও গো আমার চাঁদ,
তোমার এত কিসের ভাব?

আমার ভালোবাসা আমায় -
দেবে ফিরিয়ে, 
তবুও তুমি নাও কেন -
মুখ ঘুরিয়ে?
বলো প্রিয়া, মোর হিয়া ;
এ কোন ভাবনার প্রভাব? 

ও গো আমার চাঁদ,
তোমার এত কিসের ভাব?

দিচ্ছি ঢেলে, মন খুলে-
তাজা প্রাণের উচ্ছ্বাস,
তুমি যে শুধুই আমার -
চাই কেবল এইটুকু বিশ্বাস।
বলো সজনী, এই রজনী -
পাও নাকি আমি ভিন্ন বিভব? 

ও গো আমার চাঁদ,
তোমার এত কিসের ভাব?

আমার কিরণ তোমার বুকে-
ফুটুক হয়ে স্নিগ্ধ জ্যোৎস্না,
চলুক বয়ে চিরদিনে মধুর -
মিলন ক্ষণ নাম তার পূর্ণিমা।
ওগো প্রিয়তমা, হে নিরুপমা -
নেই তো তোমার সদিচ্ছার অভাব? 

ও গো আমার চাঁদ,
তোমার এত কিসের ভাব?

গেছো সরে, এসো ফিরে -
আপণ কক্ষে সমক্ষে,
প্রেমের বহ্নি রাখবো জ্বেলে, 
উদ্ভাসো প্রতীক্ষা স্থির চোক্ষে।
আমার জান, ওরে মন-
এবার নয় ছাড়ো মিথ্যে বিভাব! 

ও গো আমার চাঁদ,
তোমার এত কিসের ভাব?

 ছড়া: স্বার্থপর।

কবির নাম: অতুল সেন।

বাবা মায়ের আদরে
বড়ো হয়েছ তুমি,
 সুখ দুঃখ পেয়ে তবু
 মানুষ হয়েছো আজ! 
বাড়ি ছেড়ে চলে গেলে 
ভুলে গেলে ভালোবাসা- আদর; 
তাইতো তোমাকে আজ
 সারা পৃথিবী বলে স্বার্থপর।

ছড়া: খুকুমনির বিয়ে।

কবির নাম: মোহাঃ নাসিমুদ্দিন হক।
 
অনেক কিছুই দিয়ে হলো 
খুকুমনির শখের বিয়ে ;
সবার পছন্দের বর অনেক 
খুশি, এতসব পেয়ে।   
 
সোনা গয়নায় খুকুমনিকে
বাড়ির সবাই দিয়েছে সাজিয়ে;
শশুর বাড়ির পাশের নতুন 
বউরা এসবে অনেক পিছিয়ে। 
 
লেখাপড়ায় সে অনেক ভালো, 
তাই শশুর বাড়িতে খুব কদর ;
গুণবতী বউ পেয়ে বাড়ির সবাই 
তাকে কতই না করে আদর।
 
নতুন বউয়ের হাতের রান্না 
খেয়ে বাড়ির সবাই খুব খুশি ;
অনেক দিন পর সবার মুখে
ফুটলো গালভরা হাসি ।। 


 ছড়া: পুরী ভ্রমণ

কবির নাম: অধীর কুমার রায়।

এবার নাকি পুরী যাবে
দত্ত বাড়ির বুড়ি।
পথে খেতে সঙ্গে নিলেন
একটু গুর ও মুড়ি।

খবর পেয়ে মেনি বিড়াল
করে ভীষণ কান্না।
সারাদিন সে ছাতু খেলো
ছেড়ে দিয়ে রান্না।

খবর কি আর চাপা থাকে
বায়ুর আগে ছোটে।
তল্পি বেঁধে নিয়ে ইঁদুর
সবার আগে জোটে।

সবাই মিলে চেপে বসে
কাছিমের পিঠে।
পুরী ভ্রমণ হলো শেষে
মধুর চেয়ে মিঠে।

কবিতার নাম: আজ মনে চেয়েছে।

কবির নাম: শান্তি দাস।

ইচ্ছে করে ইচ্ছে ডানায় ভর করে খোলা আকাশে ঘুরে বেড়াই,
আজ মন চেয়েছে সীমান্তে ঐ মেঘের সাথে হাত মেলাতে।
মন ছুটে যায় তেপান্তরের মাঠে ছুটবো খেলবো আপন মনে,
বৃষ্টি যখন পড়বে ঝমঝমিয়ে খুশিতে কাটাবো বৃষ্টির সঙ্গে ।
মন ছুটে যায় ওই বাদল আকাশ আনন্দে নাচতে,
বৃষ্টির জলে ভিজতে চাই যে হৃদয় জুড়ে দিন কাটবে।
তেপান্তরের ঐ মাঠে পড়ে খোলা আকাশের নীচে,
থাকবে না কোন বাঁধা নেই কো তাতে কোন মানা।
আজ মন চেয়েছে শুধু মনের মানুষটির সাথে চলতে,
নীরবে ভালোবাসা মেঘের সাথে সারাটা দিন কাটাতে।
বৃষ্টিস্নাত এমন দিনে হৃদয় জুড়ে শুধু স্বাধীন ভাবে ঘুরতে,
ছুটবো চলবো হাতে হাত রেখে ভালোবাসা উজাড় করা মনে।
ভালোবাসায় একে অপরের হাতে হাত রেখে চলতে,
সব বাধাবিপত্তি এড়িয়ে প্রতিদিন
আপন মনে দূর-দূরান্তে ।
মনে হয় ঐ তেপান্তরের মাঠে ছুটবো খেলবো হাসবো,
সেখানে আর কেউ রবে না তোমার আমার মিলনে।

কবিতার নাম: বিষয় আশয়।

কবির নাম: সুশান্ত সেন।

বিষয় আশয় কঠিন সে ঠাই
কখনো সুখের , কখনো জবাই।

তাইতো এখন ঘুমের ঘোরে
লম্বা হাঁচি হাচ্ছি জোরে,
তোরা যারা বিষম খেলি
কাশী যারে বেলা বেলি।

হরেক রকম উকিল এসে
ডজন খানেক আইন ঠেসে
রক্ষে করে বিষয় আশয় 
কর্তা খানেক নিশ্চিত রয়।

সবাই মিলে ফন্দি করে
লক্ষ্মীর ঘট আপনি ভরে।
ধাই ধপাধপ তবলা বাজা
কর্তা মশাই হলেন রাজা।

কবিতার নাম: ইচ্ছে।

কবির নাম: তপন মাইতি।

ছেলেবেলার ইচ্ছেগুলো 
অদ্ভুত রকম মিল 
বনের ধারে ডাকত হুলো 
পাশে মতি ঝিল। 

ঝিলের ধারে পেয়ারা গাছ 
স্কুলের পাশে আখ 
ছিপ বড়শি দিয়ে ধরতাম মাছ 
শালুক তোলা থাক। 

টোকো কুলের আচার হবে 
কাঁচা আমে নুন 
লঙ্কা লবণ রৌদ্রে সবে 
ভীষণ টকে চুন। 

নাটা লাল্টু কাঁদত বসে 
দিও বড় ফল 
নারকেল গাছে দড়ি কষে 
ডাব যে খাব চল।

দঙ্গল বেঁধে সাঁতার নদী 
চলে যেতাম পার 
লাল্টুর মনে পড়ে যদি
বলে ওসব ছাড়। 

বর্তমানে মনে পড়লে 
ভীষণ হাসি পায় 
আকাশ ভেঙে বৃষ্টি ঝরলে 
স্মৃতি ফিরে চায়।

কবিতার নাম: পাহাড়ের বুকে নিঃসঙ্গ।

কবির নাম: কার্তিক চন্দ্র বল।

পাহাড়ের বুকে কালোছায়া -
ঝরণা - পথভ্রষ্ট নেই কোনো মায়া।
রক্তমুখে দূর্যোধন -
এক টুকরো কাপড় দাও 
গা ঢাকবো মা-
অন্ধ-জীবন্ত লাশ সমাজ - 
কথা বলেনা ! 
কৃষ্ণ মায়াবী ঘুমে-
আমি নিঃসঙ্গ পাথরের বুকে -


কিছু সমস্যার জন্য সংবাদ ও বিনোদন, আপনাদের সামনে পরিবেশন করতে পারা গেল না। আজ, আগাকাল থেকে করার চেষ্টা করা হবে।

📣 শুভ জন্মদিন:
  • ১৫৭৭ - ক্রিস্টফানো আলরি, ইতালীয় চিত্রশিল্পী।
  • ১৭৭৪ - লালন, বাঙালি আধ্যাত্মিক বাউল সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক, দার্শনিক, অসংখ্য অসাধারণ গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক। (মৃ.১৭/১০/১৮৯০)
  • ১৮১৭ - সৈয়দ আহমদ খান, ভারতীয় উপমহাদেশের দার্শনিক ও রাজনীতিবীদ। (মৃ. ১৮৯৮)
  • ১৮২৬ - বের্নহার্ট রিমান, বিখ্যাত জার্মান গণিতবিদ।
  • ১৮৭৮ - বার্লো কারকিক, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ও রাগবি খেলোয়াড়। (মৃ. ১৯৩৭)
  • ১৮৮৯ - সাতকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের সংগ্রামী ও সশস্ত্র বিপ্লবী।(মৃ.০৬/০১/১৯৩৭)
  • ১৮৯০ - রয় কিলনার, ইংরেজ ক্রিকেটার। (মৃ. ১৯২৮)
  • ১৯০০ - জাঁ আর্থার, আমেরিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা।
  • ১৯১৫ - আর্থার মিলার, মার্কিন নাট্যকার, প্রাবন্ধিক এবং লেখক। (মৃ. ২০০৫)
  • ১৯১৭ - মার্টিন ডনেলি, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার। (মৃ. ১৯৯৯)
  • ১৯১৮ - রিটা হেওয়ার্থ, মার্কিন অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী। (মৃ. ১৯৮৬)
  • ১৯১৯ - ঝাও জিয়াং, চীনা রাজনীতিবিদ। (মৃ. ২০০৫)
  • ১৯২০ - মন্টগামারি ক্লিফট, মার্কিন অভিনেতা। (মৃ. ১৯৬৬)
  • ১৯২৫ - ড. খালিদ মাহমুদ, পাকিস্তানি বিচারক ও দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত (মৃ. ২০০৫)
  • ১৯৩৩ - উইলিয়াম অ্যান্ডার্স, হংকং বংশোদ্ভূত আমেরিকান জেনারেল ও মহাকাশচারী।
  • ১৯৩৪ - জনি হেইন্স, ইংরেজ ফুটবলার। (মৃ. ২০০৫)
  • ১৯৩৭ - পাক্সটন হোয়াইটহেড, ইংরেজ অভিনেতা।
  • ১৯৪৪ - বিভু ভট্টাচার্য, বাঙালি অভিনেতা।
  • ১৯৪৪ - রেইনহোল্ড মেসনার, ইতালিয়ান পর্বতারোহী এবং অভিযাত্রী।
  • ১৯৪৭ - বৃন্দা কারাত, ভারতীয় রাজনীতিবিদ।
  • ১৯৫৫ - স্মিতা পাতিল, ভারতীয় চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও মঞ্চ অভিনেত্রী। (মৃ. ১৯৮৬)
  • ১৯৬৫ - অরবিন্দ ডি সিলভা, শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার।
  • ১৯৭০ - অনিল কুম্বলে, ভারতীয় ক্রিকেটার ও কোচ।
  • ১৯৭২ - ওয়াইক্লেফ জঁ, হাইতীয়-মার্কিন সঙ্গীতশিল্পী ও সঙ্গীত পরিচালক।
  • ১৯৭৯ - মার্ক গিলেস্পি, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার।
  • ১৯৮০ - মোহাম্মদ হাফিজ, পাকিস্তানি ক্রিকেটার।
  • ১৯৯২ - মাহনাজ সানী রাজেন,বাংলাদেশী প্রকৌশলী
  • ১৯৯৪ - বেন ডাকেট, ইংরেজ ক্রিকেটার।

📣 শ্রদ্ধ জানাই:
  • ১৫৮৬ - ফিলিপ সিডনি, ইংরেজ সভাসদ ও কবি।
  • ১৬৬৫ - স্পেনের রাজা চতুর্থ ফিলিপ।
  • ১৮৩৭ - জহান নেপমুক হুমেল, অস্ট্রিয়ান পিয়ানোবাদক ও সুরকার।
  • ১৮৪৯ - ফ্রেদেরিক ফ্রান্সিস শোপাঁ, পোলিশ পিয়ানোবাদক ও সুরকার।
  • ১৮৮৯ - রুশ সাহিত্যিক নিকোলাই চেরনিশেভস্কি।
  • ১৮৯০ - লালন, বাঙালি আধ্যাত্মিক বাউল সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক, দার্শনিক, অসংখ্য অসাধারণ গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক। (জ.১৭/১০/১৭৭৪)
  • ১৯১৮ - গর্ডন হোয়াইট, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার। (জ. ১৯৮২)
  • ১৯৩৩ - শৈলেন্দ্রচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী। (জ. ১৯১৪)
  • ১৯৩৪ - নোবেলজয়ী [১৯০৬] স্পেনীয় জীববিজ্ঞানী শান্তিয়াগো রামন হাই কাজাল মৃত্যুবরণ করেন।
  • ১৯৩৭ - ক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ঠাকুর পরিবারের আদি ব্রাহ্মসমাজের কর্মী ও লেখক।(জ.২৪/০৯/১৮৬৯)
  • ১৯৪৮ - এমিল লুধউইক জার্মানীর খ্যাতনামা জীবনীকার।
  • ১৯৫৪ - সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার বাঙালি লেখক ও সম্পাদক। (জ.১৮৯১)
  • ১৯৫৮ - চার্লি টাউনসেন্ড, ইংরেজ ক্রিকেটার। (জ. ১৮৭৬)
  • ১৯৬১ - আদনান মেন্দেরেস, তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
  • ১৯৬৩ - জাক আদামার, ফরাসি গণিতবিদ। (জ. ১৮৬৫)
  • ১৯৬৯ - চীনের ছিং রাজবংশের শেষ রাজা ফুই চিকিৎসার ব্যর্থতায় মারা যান।
  • ১৯৭৭ - উইলিয়াম টলবোট, ইংরেজ উদ্ভাবক ও ফটোগ্রাফির পুরোধা।
  • ১৯৮৩ - ফ্রান্সের বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী রেমন্ড এ্যারন মৃত্যুবরণ করেন।
  • ১৯৮৭ - আব্দুল মালেক উকিল, বাংলাদেশী আইনজীবী এবং রাজনীতিবিদ। (জ. ১৯২৪)
  • ১৯৯১ - টেনেসি এরনিএ ফোর্ড, আমেরিকান গায়ক ও অভিনেতা।
  • ১৯৯৩ - সাংবাদিক এস এম আলী।
  • ১৯৯৭ - কার্লোস এস্কালেরাস, হন্ডুরীয় রাজনীতিবিদ ও পরিবেশবাদী। (জ. ১৯৫৮)
  • ১৯৯৮ - হাকিম সাইদ, পাকিস্তানি পণ্ডিত ও রাজনীতিবিদ।
  • ২০১২ - হেনরি ফ্রিডলাডের, জার্মান বংশোদ্ভূত আমেরিকান ইতিহাসবিদ ও লেখক।
  • ২০১২ - আলেক্সান্দ্র কশক্যন, রাশিয়ান মুষ্টিযোদ্ধা।
  • ২০২২ - মাসুম আজিজ, একুশে পদকপ্রাপ্ত বাংলাদেশী অভিনয়শিল্পী, নাট্যকার এবং নাট্য নির্মাতা।

🔹️ ই- সম্মাননা পত্র ডাউনলোড করুন - Click Now
🔸️ লেখা ও শিল্পকলা পাঠান - Click Now

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)