পরিচয় শিশু সাহিত্য | ২০তম সংখ্যা

।। পরিচয় শিশু সাহিত্য ।।

   ।। ২০তম সংখ্যা ।।    



📢 প্রকাশ:
  • বাংলা: ৩০শে আশ্বিন ১৪৩০
  • ইংরেজী: ১৮ই অক্টোবর ২০২৩ 
  • বার: বুধবার।
  • সময়: সকাল ০৭টা ( কলকাতা টাইম জোন)
🔆 আজ আবহাওয়া: ৩৩/২৪°C (পশ্চিমবঙ্গ)
  • কুয়াশা 
  • বৃষ্টিপাত: ০%
  • আর্দ্রতা: ৮১%
  • বাতাস: ৩কিমি/ঘন্টা
📌 আজ ঘটনা:
  • ১৫৬৫ - ফিলিপাইন আনুষ্ঠানিকভাবে স্পেনের উপনিবেশে পরিণত হয়।
  • ১৭৪৮ - গ্রেট ব্রিটেন, স্পেন ও সার্ডিনিয়ার মধ্যে ‘আইলা শাপেল’-এর শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
  • ১৮৬৬ - রাশিয়া সরকারিভাবে আলাস্কাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেয়।
  • ১৯১০ - চীনের সাংহাইএর খ্রিষ্টিন ধর্মের যু্ব সমিতির উদ্যোগে চীনের প্রথম জাতীয় গেমসের উদ্বোধন হয়।
  • ১৯১২ - ইতালী ও তুরস্কের ওসমানীয় খেলাফতের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
  • ১৯১২ - বুলগেরিয়া, সার্বিয়া, গ্রীস ও মন্ট্রিনিগ্রো ওসমানিয় তুর্কী সেনাদের ওপর হামলা শুরু করার মাধ্যমে প্রথম বলকান যুদ্ধ শুরু করে।
  • ১৯৬৭ - রুশ মহাশূন্যযান ভেনাস-৪ প্রথমবারের মতো শুক্রে নিরাপদে অবতরণ করে।
  • ১৯৭১ - পাক-ভারত সীমান্ত থেকে উভয়পক্ষের সৈন্য প্রত্যাহারের জন্য মস্কোস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রস্তাব।
  • ১৯৭৩ - মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো চা ও মেডিকেল টিম প্রেরণ করা হয়।
  • ১৯৮৪ - আফ্রিকার মহা দেশে বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় খরা দেখা দেয়। এ সব দেশের মধ্যে ইথিওপিয়ার দুর্যোগ সবচেয়ে গুরুতর। আফ্রিকার ৩৪টি দেশ সাংঘাতিক খরার শিকার হয় এবং ২৪টি দেশে অনাহার দেখা দেয়। কমপক্ষে এক কোটি লোক গৃহহারা হয়।
  • ১৯৮৫ - দক্ষিণ আফ্রিকার বোথা সরকারের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ কবি বেঞ্জামিন মালায়েস [২৮]-এর ফাঁসি হয়।
  • ১৯৮৫ - চীনের প্রথম জাতীয় কিশোর-কিশোরী গেমস চীনের জেনযৌ শহরে সাফল্যজনকভাবে সমাপ্ত হয়।
  • ১৯৮৯ - পূর্ব জার্মান কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান এরিক হোনেকার ক্ষমতা হারান।
  • ১৯৯২ - চীনা কমিউনিস্ট পার্টি চতুর্দশ কংগ্রেসে সমাজতান্ত্রিক বাজার অর্থনীতির প্রতি সমর্থন জানায়।
  • ১৯৯৫ - চীনের রাজধানী পেইচিংএ চীন আর রাশিয়া দু’দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে দু’দেশের পশ্চিমাংশের সীমান্ত নির্ধারণ সংক্রান্ত চুক্তি অনুমোদন হয় ।
  • ১৯৯৮ - এশিয়া ও প্রশান্ত মহা সাগরীয় অঞ্চলের পরিবেশ আর উন্নয়ন সম্মেলনের ষষ্ঠ বার্ষিক অধিবেশন চীনের গুয়েলিন শহরে সমাপ্ত হয়।
  • ২০০১ - চীনের সাংহাইএ এপেকের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় । এই শীর্ষ সম্মেলনে অংশ গ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের নেতাদের মধ্যে সন্ত্রাস দমন ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হয়। চীনের তৎকালীণ প্রেসিডেন্ট চিয়াং ছে মিন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট বুশ যথাক্রমে এই শীর্ষ সম্মেলনে ভাষণ দেন।
  • ২০০২ - চীনের তথ্যকরণ নেত্রী গ্রুপ ‘ চীনের জাতীয় অর্থনীতি আর সমাজ উন্নয়নের পঞ্চম দশম পালা পরিকল্পনার তথ্যকরণ পরিকল্পনা’ প্রকাশিত হয়।
  • ২০২০ - দীর্ঘ ৩০ বছর পর সৌদি ও ইরাকের মধ্যে স্থলসীমান্ত উন্মুক্ত করা হয়।

✒️ লিখেছেন:
কবিতার নাম: গ্র‍্যাজুয়েশন।
কবির নাম: আফরিনা সুলতানা ঈশিতা।

মনে হচ্ছে এইতো সেদিন
বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলাম
সবুজ হিজাব, কালো বোরখা
সাথে কালো ব্যাগ টাও নিলাম।

সময়ের কি তাড়া;
দেখতে দেখতে গ্র‍্যাজুয়েশন শেষ 
জীবন টাই যে স্মৃতি ভরা।

ক্লাস শেষে বন্ধুরা মিলে
নদীর পাড়ে যেতাম,
থাকতো হাতে ফুচকার বাটি
সাথে ঝালমুরি টাও নিতাম।

এক এক করে হারিয়ে গেল 
সোনালী সেই দিন,
এখন তবে চাকুরি খোঁজ
দেখবে সুখের দিন৷ 

সংবাদ:(কলকাতা)
সামনে ‘রুবিক কিউব’, অপলক ফ্রেমবন্দি সন্তান, জীবনের ধাঁধায় পুজোপাট চুকেছে দীপিকা-সরোজের
কেউ সৌরনীলের কথা জানতে চাইলে চোখের জলেই আসে জবাব। পুজো নিয়ে প্রশ্ন করলে একটাই বাক্য ভেসে আসে, ‘‘আমাদের কোনও পুজো নেই!’’ চারদিকে উৎসবের মঞ্চে জেগে থাকে সন্তানহারা দম্পতির বোবা কান্না।
সৌরনীলের ছবির সামনে এখনও রাখা জন্মদিনের প্যাকেটবন্দি উপহার ‘রুবিক কিউব’। —নিজস্ব চিত্র।

১৭ অক্টোবর ২০২৩
ঠাকুরপুকুরে ঠাকুর এসেছেন। ঠাকুরপুকুরের আরএন ঠাকুর রোডেও ঠাকুর এসেছেন। দুগ্গাঠাকুর।

দেবীপক্ষ শুরু হয়ে গিয়েছে। উৎসবে মাতোয়ারা কলকাতা শহর। বেহালার ঠাকুরপুকুরের আরএন টেগোর রোডের নবপল্লির দুর্গাপুজোতে আলোর রোশনাই। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। পাড়ার আনাচেকানাচে উৎসবের ছোঁয়া। তার মধ্যে একটি বাড়ি জেগে রয়েছে বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো। প্রতিদিন সন্ধ্যা নামতেই যে বাড়িতে অন্ধকার নামে। পুজোর আলোর রোশনাই যে অন্ধকারকে আরও গাঢ়, আরও গভীর করে দেয়।

১০২/৩ আরএন টেগোর রোড। মাস চারেক আগে এই তিনতলা বাড়ি সাত বছরের এক শিশুর কোলাহলে মুখর ছিল। তার দুষ্টুমিতে অতিষ্ঠ হতেন মা দীপিকা সরকার। বিরক্ত হয়ে কখনও-সখনও তাকে মৃদু বকুনিও দিতেন বাবা সরোজ সরকার। এক মিনিটও এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়াত না সৌরনীল।

৪ অগস্ট থেকে সে সব থেমে গিয়েছে। ৪ অগস্ট থেকে এই বাড়ির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঝুলে থাকে দীর্ঘশ্বাস। দীপিকা-সরোজ প্রায় মূক। সৌরনীলের কথা জানতে চাইলে চোখের জলে জবাব আসে। পুজো নিয়ে প্রশ্ন করলে দীপিকা কোনও মতে বলেন, ‘‘আমাদের কোনও পুজো নেই!’’ তাঁর হাহাকার চার দিকের রোশনাইকে ঢেকে দেয় অন্ধকারে। উৎসবের মঞ্চে জেগে থাকে এক সন্তানহারা দম্পতির বোবা কান্না।

অকালে চলে-যাওয়া পুত্রের স্মৃতিগোটা বাড়িতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে। আলমারির ওপরে সার দিয়ে এখনও রাখা তার প্রিয় সফ্‌ট টয়েজ়। বাড়ির দরজায় তার অপটু হাতে আঁকা ছবির সমাহার।

ছড়া: খোকা জানে।
কবির নাম: শংকর ব্রহ্ম।

খোকা হঠাৎ বাইর গেলে
বাদুর ছোটে পাখা মেলে,
হঠাৎ পেঁচা ডেকে ওঠে
বাঁশবাগনে বাতাস ছোটে,
বলতে পার রাত দুপুরে
কে কথা কয় নাকি সুরে?

এসব কথা খোকা জানে
বলবে তোমায় কানে কানে
যদি তুমি জানতে চাও
খোকার কাছে ছুটে যাও।

আমার বলা বারণ আছে
ভয় পেয়ে যাও তুমি পাছে
ভূতবাবাজী খোকার সাথে
খেলতে আসে মধ্যরাতে।

কবিতার নাম: মাতৃভাষা।
কবির নাম: মৌবনী কুন্ডু।

বাংলা আমার প্রানের ভাষা 
বাংলা ভালোবাসা
সকল ভাষার চাইতে সেরা 
আমার মাতৃভাষা! 
এত মিষ্টি মধুর ভাষা
 শুনিনি আর কোথাও 
ভাষার জন্য জীবন দান
 কেউ করেছে আর কোথাও?
 বাংলা আমার হৃদয় জুড়ে
 বাংলা শিরায় শিরায়
 বাংলা আমার সুখে - দুঃখে
 সকল ভালোবাসায়
বাংলা নিয়ে গর্ব করি
বাংলায় গান বাঁধি
বাঙালি হয়ে জন্মেছি
এ কম সৌভাগ্য নাকি।

সংবাদ:
SSC Recruitment
হাই কোর্টের নির্দেশে জট কাটতেই শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তুতি শুরু এসএসসির, কবে থেকে কাউন্সেলিং?
এসএসসিতে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় আটকে ছিল উচ্চ প্রাথমিকের প্রায় ৯০০০ শিক্ষকের নিয়োগ প্রক্রিয়া। এঁদের নাম প্রকাশিত হয়েছিল ২০১৬ সালের প্যানেলে। কিন্তু তার পর কাউন্সেলিং হয়নি।

কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য প্রস্তুতি শুরু করল এসএসসি। দুপুরে হাই কোর্ট বলেছিল, উচ্চ প্রাথমিকের আটকে থাকা প্যানেলের নিয়োগের কাউন্সেলিং শুরু করা যাবে। সন্ধ্যার আগেই রাজ্যের স্কুল সার্ভিস কমিশন বা এসএসসি জানিয়ে দিল, তারা কাউন্সেলিংয়ের বিজ্ঞপ্তিও দেবে। হাই কোর্টের নির্দেশ মেনেই দেওয়া হবে ওই বিজ্ঞপ্তি।

এসএসসিতে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় আটকে ছিল উচ্চ প্রাথমিকের প্রায় ৯০০০ শিক্ষকের নিয়োগ প্রক্রিয়া। এঁদের নাম প্রকাশিত হয়েছিল ২০১৬ সালের প্যানেলে। কিন্তু তার পর কাউন্সেলিং হয়নি। এ ব্যাপারে এসএসসির তরফেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার আর্জি জানিয়ে হাই কোর্টে মামলা করা হয়েছিল। মঙ্গলবার হাই কোর্টের দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ অর্থাৎ কাউন্সেলিং শুরু করতে পারে। তবে নিয়োগ হবে আদালত নির্দেশ দিলে তবেই।

আদালতের এই নির্দেশের পরই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এসএসসির চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘‘বড় জট কাটল। আদালতের নির্দেশে স্বস্তি পেল এসএসসি। আমরা দ্রুত বিজ্ঞপ্তি জারি করব। আজ (মঙ্গলবার) থেকে সরকারি হিসাবে ছুটি পড়ে যাচ্ছে এসএসসিতে। তবে আদালতের এই নির্দেশের জন্য কালও (বুধবারও) কাজ হবে। পুজোর পরে ৩০ অক্টোবর কাউন্সেলিংয়ের কললেটার আপলোড করবে এসএসসি। যাঁরা প্যানেলে রয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেককে সেই কললেটার ডাউনলোড করে নিয়ে কাউন্সেলিংয়ে যোগ দিতে হবে।’’


এসএসসি সূত্রে অবশ্য খবর, কাউন্সেলিংয়ের একটি খসড়া বিজ্ঞপ্তি আগামিকাল অর্থাৎ বুধবারই প্রকাশ করতে পারে এসএসসি। তবে সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চয়তা নেই। ওই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হোক বা না হোক ৩০ অক্টোবর অর্থাৎ লক্ষ্মীপুজোর এক দিন পরে সোমবার কললেটার প্রকাশ করা হবেই। তার পরে শুরু হবে কাউন্সেলিং।

এসএসসির চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, ‘‘মোট ১৪৩৩৯টি শূন্যপদ রয়েছে উচ্চ প্রাথমিকে, তার মধ্যে ২০১৬ সালের প্যানেল থেকে ৯০০০ জনকে প্রথমে ডাকা হবে। তার পর নেওয়া হবে ওয়েটিং লিস্ট থেকে।’’

তবে এসএসসি সূত্রে খবর, আদালতের নির্দেশ মেনে এখনই সুপারিশপত্র দিতে পারবে না এসএসসি। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, শুধু কাউন্সেলিং করানো যাবে। তবে চেয়ারম্যান আশাবাদী, ভবিষ্যতে সেই নির্দেশও পাওয়া যাবে। এসএসসি সুপারিশপত্র দিলে তার পর আসে নিয়োগপত্র হাতে তুলে দেওয়ার পর্ব। এতদিন ওই দায়িত্ব পালন করত মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। কিন্তু এসএসসি সূত্রে জানা গিয়েছে, এর পর নিয়োগপত্র দেওয়ার দায়িত্বও পর্ষদের হাতে থাকছে না। স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি নিয়োগপত্র দেবে। এই নিয়োগপত্র দেওয়াকে কেন্দ্র করে নিয়োগ দুর্নীতিতে বহু বার নাম জড়িয়েছিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদের। তার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

কবিতার নাম: শারদ প্রকৃতি।
কবির নাম: নিতাই শর্মা।

বর্ষার অবিরত বারিধারা শেষে শরৎ এলো,
কৃষ্ণ কালো মেঘমালা বিদায় নিয়ে গেলো।
নীল গগণে চলছে আলো আঁধারের খেলা,
নিখিল আকাশ জুড়ে সাদা মেঘের ভেলা।

গ্রামের ধানের ক্ষেতে বসেছে সবুজের মেলা,
নদীর তীরে বাতাসে কাশবনে লেগেছে দোলা।
শিউলির সৌরভ ছড়ায় ভোরের মৃদু বাতাসে,
জলাশয়ে আর বাগিচায় পদ্মফুলেরা হাসে।

নির্মল আকাশে পাখিরা সানন্দে বেড়ায়,
বন্য পশুরা গহন বনে সুখে দিন কাটায়।
প্রজাপতি ফরিং এর দল উড়িয়া বেড়ায়,
প্রভাতের শিশির বিন্দু জমে ঘাসের ডগায়।

গরমের তীব্রতা কমে গেছে শরতের ছোয়ায়,
শরতের শুভ্রতায় জন মানসে উল্লাস দেখা যায়।
নানা দেবদেবীর পূজা হয় শারদীয় বেলায়,
বছরের বিষাদ ভুলে সকলে মাতে পূজায়।

কবিতার নাম: প্রভাতের বুলবুলিটা।
কবির নাম: বিমল চন্দ্র পাল।

উঠোন - তারে বুলবুলিটা
দিচ্ছে কেমন দোল
মধুর সুরে গাইছে গান
বাহার তারই বোল।

গানের শ্রোতা শালিক ঘুঘু
এক মনে গান শোনে
ঘরের খাঁচায় ময়না রানী
অবাক প্রমাদ গোনে।

নকুল ভায়া দৌড়ে কোথায়
খাবার খোঁজে বটে
গানের ‌সুরে দাঁড়িয়ে পড়ে
রঙ্গন গাছের ঘাটে।

ঈর্ষাকাতর কাকাতুয়া
কাঁপিয়ে তোলে গানে
বুলবুলিটা গেয়েই চলে 
বিভোর আপন মনে।

ময়না আর কাকাতুয়া
শেষে দিল ক্ষ্যান্ত
তারাও শেষে শ্রোতার দলে
বুলবুলি নয় ক্লান্ত।

মুগ্ধ আমি সুরের দোলায়
বারান্দাতে বসে
লিখে ফেলি কয়েক পাতা
সুরের অবশেষে।

সংবাদ 
দক্ষিণের অনেক প্ল্যাটফর্মেই নেই জল-শৌচালয়ের ব্যবস্থা
নিত্যযাত্রীরা জানান, অনেক প্ল্যাটফর্ম জুড়ে ছাউনি তৈরি হয়নি। ট্রেন ধরার জন্য রোদ-বৃষ্টিতে খোলা আকাশের নীচে দাঁড়াতে হয়। প্ল্যাটফর্মের আশপাশে আগাছার জঙ্গল।

Update: 17 October 2023
পুজোয় প্রতিবারই দক্ষিণ ২৪ পরগনার গ্রামীণ এলাকা থেকে বহু মানুষ কলকাতায় ঠাকুর দেখতে যান। যাতায়াত মূলত রেলপথে। কিন্তু শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার অনেক স্টেশন থেকেই দীর্ঘক্ষণ অন্তর ট্রেন চলে। পুজোয় দর্শনার্থীদের কথা ভেবে ট্রেন বাড়ছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পূর্ব রেল জানিয়েছে, পুজোয় বাড়তি ট্রেন চালানোর বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। কিন্তু দক্ষিণ শাখার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের বেহাল পরিকাঠামোর কি উন্নতি হবে? বিশেষ করে পানীয় জল এবং শৌচালয়ের?

কারণ, ওই দুই পরিষেবা নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অব্যবস্থায় নিত্য দুর্ভোগে পড়েন তাঁরা। তাঁরা জানান, অনেক স্টেশনের শৌচালয় এতটাই নোংরা থাকে যে ব্যবহার করা যায় না। কোথাও পানীয় জল মেলেই না। কোথাও মিললেও খাওয়ার অযোগ্য। পুজোর ভিড়ে দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলেইঅনেকের আশঙ্কা।

পূর্ব রেলের তরফে দাবি করা হয়েছে, পরিকাঠামো উন্নয়নে নিয়মিতই কাজ করা হয়। বর্তমানেও অনেক প্ল্যাটফর্মে কাজ হচ্ছে। বেশ কিছু প্ল্যাটফর্ম উঁচু করার কাজ চলছে। যাত্রী সুরক্ষায় অন্যান্য বিষয়েও নজর দেওয়া হচ্ছে।

অভিযোগ, শিয়ালদহ-ডায়মন্ড হারবার ও শিয়ালদহ-নামখানা শাখার বহু স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে পরিকাঠামোগত ত্রুটি রয়েছে। পানীয় জলের ব্যবস্থা বা শৌচালয় পর্যন্ত নেই অনেক স্টেশনে। রেল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ডায়মন্ড হারবার থেকে শিয়ালদহ পর্যন্ত প্রায় ৬০ কিলোমিটার রেলপথে ২৫টি স্টেশন রয়েছে। তার মধ্যে কয়েকটি বড় স্টেশন বাদে বাকিগুলির প্ল্যাটফর্ম বেহাল। একই ভাবে নামখানা থেকে শিয়ালদহ পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার রেলপথে ৩১টি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। সেখানেও পরিস্থিতি একই।

নিত্যযাত্রীরা জানান, অনেক প্ল্যাটফর্ম জুড়ে ছাউনি তৈরি হয়নি। ট্রেন ধরার জন্য রোদ-বৃষ্টিতে খোলা আকাশের নীচে দাঁড়াতে হয়। প্ল্যাটফর্মের আশপাশে আগাছার জঙ্গল। খানাখন্দে ভরা প্ল্যাটফর্মগুলিতে পানীয় জলের ব্যবস্থা নেই, নলকূপ ভাঙা। কয়েকটি প্ল্যাটফর্মে মহিলা শৌচালয়ও নেই। জলের অভাবে সব সময়ই নোংরা হয়ে থাকে শৌচালয়। অনেক ক্ষেত্রেই শৌচালয়ের দরজা-জানলা ভাঙা।

কিছু প্ল্যাটফর্ম ট্রেনের কামরা থেকে অনেকটা নিচুতে হওয়ায় বয়স্ক মানুষের ওঠানামা করতে হয় ঝুঁকি নিয়ে। প্ল্যাটফর্মে ছাউনির নীচে পাখা ঘোরে না, আলোর ব্যবস্থাও বেশ টিমটিমে। সন্ধের পরে অন্ধকারে ভরে থাকে স্টেশন। ট্রেনের মহিলা কামরা প্ল্যাটফর্মের ঠিক কোথায় পড়বে, তা উল্লেখ করা থাকে না বলেও অভিযোগ। ফলে, অসুবিধায় পড়তে হয় মহিলা যাত্রীদের। দু’টি প্ল্যাটফর্মের সংযোগকারী ওভারব্রিজ নড়বড়ে হয়ে গিয়েছে অনেক জায়গায়। এক সঙ্গে অনেকে পারাপার করলে টলমল করে। ডায়মন্ড হারবার শাখার নেতড়া স্টেশনেই ওভারব্রিজের মুখে দু’দিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পারাপার করতে হচ্ছে অনেক ঘুরপথে। স্টেশনে কেবলমাত্র এক নম্বর প্ল্যাটফর্মেই টিকিট কাউন্টার রয়েছে। সে ক্ষেত্রে ২ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ঘুরে এসে টিকিট কাটতে হয় যাত্রীদের।

অভিযোগ, বহু বছর আগে তৈরি প্ল্যাটফর্মগুলি পাকাপাকি ভাবে সংস্কার হয়নি। নিত্যযাত্রী দেবব্রত সরকার, তপন ময়রাদের অভিযোগ, ২০-২৫ বছর ধরে ট্রেনে কলকাতায় যাতায়াত করছি। সেই শুরু থেকে আজ পর্যন্ত স্টেশনগুলির পরিকাঠামোর কোনও পরিবর্তন হল না। রেল কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে সমস্ত স্টেশনগুলির পরিকাঠামো উন্নয়নের ব্যবস্থা করুক।

কবিতার নাম: পুজোর আনন্দ।
কবির নাম: দেবব্রত মাজী।

শরতে শিউলি ফুলের সুবাসে
এসেছে সবাই আপন নিবাসে।
মাতবে এবার পুজোর আনন্দে
কাটাবে ক'দিন মনের সানন্দে।
খাওয়া দাওয়া হবে একই বিচে 
থাকবে একই ঘরের ছাদের নিচে।
দেখবে পূজা প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে
ঘুরবে সবাই নিত্য নতুন স্যান্ডেলে।

কবিতার নাম: ক্ষমতার আস্ফালন।
কবির নাম: মিহির সেন।

ক্ষমতার বড়াই আর
শ্রেষ্ঠত্বের আস্ফালনে,
ধরাকে সরা জ্ঞান 
প্রতি ক্ষণে ক্ষণে।

ফুলের মত তাজা প্রাণ
নিমেষে হনন,
হিরোশিমা নাগাসাকি
প্রত‍্যক্ষ উদাহরণ।

ঝলসে যায় সজীবতা
পৃথিবী হয় লাল,
ধ্বংসের এই আগ্রাসন
থাকে চিরকাল।

পৃথিবী হারায় উর্বরতা
শৈশব বিকলাঙ্গ,
পারমাণবিক তেজস্ক্রিয়তা 
সৃষ্টি করে সাঙ্গ।

সুপ্ত আশা সমাহিত
বধ‍্য ভূমির গোরে,
স্বপ্ন আজ নিথর বধির
ব‍্যর্থ অনাদরে।

কবিতার নাম: খোকনের বিয়ে।
কবির নাম: উদয় নারায়ণ বাগ।

আয় কোয়েল আয় দোয়েল 
আয় না শ্যামা টিয়ে, 
খোকন সোনা বর সেজেছে 
আজকে তারি বিয়ে। 

ময়না আসে ফিঙেও আসে 
আসছে ঘুঘু পাখি, 
হলুদ-তেলে খোকন সোনা 
হয়েছে মাখা-মাখি। 

অচিন দেশে বিয়ে আসর
সানাই সুরে বাজে, 
পেখম তুলে নাচে ময়ূর 
সোনার ঘর মাঝে। 

চড়ুই পাখি সেজেছে অতি 
শালিক সাজে রঙে, 
কাকের মাসি কোকিল আজি
গাইছে নানা ঢঙে। 

বাবুই নীড়ে হবে বাসর 
সাজাতে সব যায়, 
বউ আসছে ওই দূরেতে 
আয় রে ছুটে আয়।

সংবাদ 
‘কাল কী খাব জানি না, আমাদের আবার পুজো’
আমপানে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছিল প্রশাসন। সে সময়ে পাঁচ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ পান তারকনাথ। কিন্তু সেই টাকায় সংসারে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার পরে বাড়ি সারানো আর হয়ে ওঠেনি।
আবাস যোজনার ঘরের অপেক্ষায় হিঙ্গলগঞ্জের এই বাসিন্দা।

আমপানে ঘর ভেঙেছিল। তারপর থেকে মাটির দেওয়ালে কোনও রকমে ত্রিপলের ছাউনি দিয়েই চলছে বসবাস। হিঙ্গলগঞ্জের নারকেলতলা এলাকার বাসিন্দা তারকনাথ মণ্ডল আবাস যোজনায় বাড়ির আবেদন করেছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, এত বছরেও সেই ঘর মেলেনি। তারকনাথ জানান, বর্তমানে দু’বেলা দু’মুঠো ভাত জোগাড় করতেই হিমসিম খেতে হচ্ছে। বাড়ি সারানোর সামর্থ্য নেই। খাবার জোগাড় হবে কী ভাবে, সেই ভাবনায় ফিকে হয়ে গিয়েছে পুজোর আনন্দও।

আমপানে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছিল প্রশাসন। সে সময়ে পাঁচ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ পান তারকনাথ। কিন্তু সেই টাকায় সংসারে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার পরে বাড়ি সারানো আর হয়ে ওঠেনি। ভাঙা বাড়ি কোনও রকমে দাঁড় করিয়ে চলছে। এলাকার বহু মানুষ ভিন্ রাজ্যে কাজে চলে গিয়েছেন। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার জন্য যেতে পারেননি তারকনাথ।

এলাকায় দু’শো টাকার দিনমজুরি করে কোনও রকমে সংসার চলে। এর মধ্যেই বড় মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। বছর চোদ্দোর ছোট মেয়ে পড়াশোনা করে। মেয়ে এবং স্ত্রীকে নিয়ে ভাঙা বাড়িতেই কোনও রকমে কাটে দিন। পুজোর আনন্দ সে ভাবে প্রভাব ফেলতে পারেনি তারকনাথের পরিবারে। তারকনাথ বলেন, “আমপানে বাড়িঘর ভেঙে যাওয়ার পরে মাত্র পাঁচ হাজার টাকা পেয়েছিলাম। তা থেকে দু’হাজার টাকা স্থানীয় নেতাদের হাতে তুলে দিতে হয়েছিল। তিন হাজার টাকা দিয়ে রান্নাবান্নার জন্য হাঁড়ি, কড়া ও সংসারের অন্যান্য জিনিসপত্র কিনি। আর কোনও সরকারি সাহায্য মেলেনি। আবাস যোজনায় নাম থাকলেও টাকা পাইনি। দিনমজুরির কাজও রোজ মেলে না। এ ভাবেই চলছে।”

তারকনাথের স্ত্রী সবিতার কথায়, “দু’বেলা দু’মুঠো পেট ভরে খেতে পারি না। পর দিন সকালে কী খাব তা ভেবে রাতে ঘুম আসে না। তার উপরে মাথা গোঁজার জায়গার এই অবস্থা। রোজগার যা হয়, ওষুধ কিনতেই চলে যায়। কোনও রকমে রেশনের চালটুকু ফুটিয়ে খেয়ে বেঁচে আছি। আমাদের আবার পুজো!” কেন ঘর পেলেন না তারকনাথ? সরকারি সাহায্যই বা সে ভাবে নেই কেন? স্থানীয় প্রশাসনের তরফে এ ব্যাপারে কেউ মন্তব্য করতে চাননি।

কবিতার নাম: প্রাণের মাঝে।
কবিতার নাম: শান্তি দাস।

সকালেই শুনি কলকাকলি
পাখিরা কি যে বলে গানে গানে,
কত যে সুরের মাধুরী তাহাদের
সুরে দোলা দিয়ে যায় প্রাণে।

ভোরের বেলা পাখির কলরব
সূর্যোদয়ে সকলের ঘুম ভাঙলো।
কিচিরমিচির ডাকে চলছে ওরা
ছুটছে আকাশে সকলে জাগলো।

রজনী অতীত হলো সূর্যোদয়ে
চারিদিক আলোয় আলোকিত,
পাখিরা নীড় ছাড়ে খাবারের খোঁজে
প্রাণ পেলো মন ওদের পুলকিত ।

গানে গানে ডানা মেলে উড়ে 
আকাশ জুড়ে স্বাধীনতায় চলে,
সীমানা ছাড়িয়ে এপ্রান্ত ওপ্রান্তে
ওরা সারাদিন ঘুরে দলে দলে।

ছড়া: বাজলো ছুটির ঘন্টা।
কবির নাম: দর্পনা গঙ্গোপাধ্যায়।

 মেঘেদের আজ ছুটি ছুটি
 তাড়াহুড়ো করে হুটোপুটি 
পুজো পুজো তাই সাজ গোজ
 চার দিন চলে ভুরিভোজ 
পূজো মানে হয় খানাপিনা
 ছুটি পেয়ে সব আনাগোনা। 
কাজ কাজ শুধু, চাপ বড়
 চাপ ছেড়ে দিয়ে, হয়ে জড়ো
 জুড়াতে চায় শুধু প্রাণটা
 ওই বাজলো ছুটির ঘন্টা।।

কবিতার নাম: শারদোৎসব।
কবির নাম: শুভব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।

নীল আকাশে মেঘেরা ভাসে
খেলা সে করে নিজের তরে।
কাশের দোলা জীবন খোলা
খুশি যে আনে মেদের প্রাণে।
মহালয়াতে আনন্দেতে
উঠলো মেতে হৃদয় পেতে,
পিতৃকালের অবসানের
মাতৃ ক্ষণে এলো সে রণে।
আমরা শুনি পায়ের ধ্বনি
জীবন জুড়ে গানের সুরে।
মৃন্ময়ী মা চিন্ময়ী সে
মোদের মাঝে উঠলো সেজে।
উমার নামে এলেন ধামে
সবার সাথে ভরে সে হাতে।
পঞ্চমীতে দেবী এলেন
উঠলো সবে খুশির রবে।
বোধন মানে অস্ত্র দানে
দেবীর হাতে সেই যে রাতে।
সপ্তমীতে মহামন্ত্রে,
উঠলো বেজে ঢাকীর তেজে।
ভোরের বেলা লোকের মেলা
সিনান করে নিজের তরে।
পত্রিকা বেশে সাজেন হেসে
রূপে সে মায়ে কাপড় গায়ে।
কাঁসর ঢাকে মন্ত্রে মাকে
ডাকি যে তারে জীবন পারে।
সন্ধি কালে নাচের তালে
আরতি হয় বলে সে জয়।
ঠাকুর দেখা মনে সে রেখা
হৃদয় মাঝে খুশির সাজে।
খাওয়া আছে মনের কাছে
খেলাম যাহা বলি সে আহা,
মনের ঘরে রাখি সে ধরে
পুজোর দিনে বাজায় বীণে।
অষ্টমীতে অঞ্জলিতে
আমরা মিলে ডাক সে দিলে,
মনের কথা হয় সে যথা
মায়ের সাথে জীবন পাতে।
রাতের বেলা পুজোর খেলা
সন্ধি কালে ঢাকের তালে,
মায়ের পদে শোভে পদ্মে
একশো আটে মন্ত্র পাঠে।
বেড়িয়ে পরি রাত্রি ধরি
উত্তরেতে আনন্দেতে।
নবমী এলে মনের তলে
বিষাদ রাখে জীবন ফাঁকে।
শেষর দিনে সুখের গানে
সবার জাগে হৃদয় ভাগে।
দশমী এলে হৃদয় তলে
অশ্রু ভাসে প্রাণ সে আশে।
আবার কবে আসবে তবে
উমা সে ফিরে বাপের নীড়ে।
জয় দুর্গা বলে আমরা
পাঠাই মাকে তালে সে ঢাকে।
লক্ষ্মী আসে ফিরে সে বাসে
শান্তি নিয়ে মনে সে দিয়ে।
রুপেতে কালী শক্তি মালী
স্বামীর বুকে খাঁড়া না সুখে,
রক্তে ভরা জীবন ধরা
মুণ্ডু কাটা ভীতিতে কাঁটা।
অমাবস্যা রাতে সহসা
পুজো সে করি ভীতি সে ধরি,
ভাইকে প্রীতি সেই যে রীতি
দান সে করি জীবন ধরি।
উৎসবের সকল জের
আবার আসবে ফিরে
সময় হলে ফের।।

সংবাদ 
ICC ODI World Cup 2023
৬৫,৪০০ অর্ডার! ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে অনলাইন বিক্রিতে রেকর্ড দেশে
নতুন রেকর্ড হয়েছে মাঠের বাইরেও। এক দিনে অনলাইনে বিক্রির সব নজির ছাপিয়ে গিয়েছে বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ।
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে নতুন রেকর্ড হয়েছে মাঠের বাইরেও। এক দিনে অনলাইনে বিক্রির সব নজির ছাপিয়ে গিয়েছে বিশ্বকাপের এক ম্যাচ। শনিবার খেলার দিন সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত একটি ই-কমার্স সংস্থায় ৬৫,৪০০ অর্ডার হয়েছে, যা এক দিনে সর্বাধিক।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের ৬০০টি শহর থেকে অর্ডার করা হয়েছে। সেই তালিকায় খাবারের পাশাপাশি মুদিখানার জিনিস, এমনকি, রূপচর্চার সামগ্রীও রয়েছে। তবে সব থেকে বেশি অর্ডার করা হয়েছে খাবার। মোট অর্ডারের ৪৭ শতাংশ খাবার সংক্রান্ত।

ভারতের যে পাঁচটি শহর থেকে সব থেকে বেশি অর্ডার করা হয়েছে সেগুলি হল— দিল্লি, মুম্বই, পুণে, বেঙ্গালুরু ও হায়দরাবাদ। দিল্লি থেকে ৭৮৫২, বেঙ্গালুরু থেকে ৭৫৮৬, মুম্বই থেকে ৩৭৭০, পুণে থেকে ৩৭২৯ ও হায়দরাবাদ থেকে ৩২৩১টি অর্ডার করা হয়েছে। এ ছাড়া অন্তত ৭০টি শহর রয়েছে যেখান থেকে ১০০ বা তার বেশি অর্ডার করা হয়েছে।

খাবারের পাশাপাশি ফ্যাশন (২৫ শতাংশ), বৈদ্যুতিন (৯ শতাংশ), মুদিখানা (৮ শতাংশ), ঘর ও রান্নাঘর (৭ শতাংশ), রূপচর্চা (৩ শতাংশ) ও স্বাস্থ্যচর্চা (১ শতাংশ) সংক্রান্ত সামগ্রীও বিক্রি হয়েছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ চলাকালীন। পাশাপাশি ভারতের চারটি শহর থেকে সেই ই-কমার্সের সংস্থার মাধ্যমে প্রায় ১০ লক্ষ ট্যাক্সি বা অটোরও বুকিং করা হয়েছে সে দিন।

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে ডিজিটাল মাধ্যমে সব থেকে বেশি দর্শক খেলা দেখেছেন। প্রায় সাড়ে ৩ কোটি। আগের সব রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে। এ বার ই-কমার্সেও নতুন রেকর্ড গড়ল ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ।

ছড়া: দিন শেষে একা।
কবির নাম: অতুল সেন।

অন্ধকার সবার প্রিয়
নিশি রাতের দেশ! 
ছায়াও যে সঙ্গ ছাড়া 
একাই আমি বেশ; 
শান্ত মনে ভাবনা ভাবায় 
একলা মনে প্রশ্ন জাগায়
 রাতের শেষে সূর্য উদয়! 
ছায়াও যে ঘুরে তাকায় ৷

কবিতার নাম: কথা ছিল।
কবির নাম: বিবেক পাল।

কথা ছিল---
গ্রীষ্মের প্রখর দাবে দগ্ধ জীবন
বনস্পতির নিবিড় স্পর্শে আফিমের বুঁদ টুটবার।

কথা ছিল---
ক্লান্তিমাখা ধূসর মুখগুলো--
সকল ঋতুতেই ভিজবে, অমল রোদ্দুরের সুধায়।

কথা ছিল---
বিষাদের সকল স্মৃতি ভুলে,বকুল,জুঁই,হাসনুহানার ---
মধুর আবেশে বন্দীশালার কপাট ভাঙবার।

কথা ছিল---
সমস্ত শরীর ভিজিয়ে বয়ে যাওয়া
নদীর বুকের গোপন কথা জানবার।

কথা ছিল---
ব‍্যাভিচারের প্রতিবাদ প্রতিরোধের জ্বলন্ত আগুনে
কালবেলার সাথী হবার।

কথা ছিল---
ইতিহাসের নক্ষত্র ছোঁয়া অভিযানের 
না জানা তত্ত্বের সন্ধান করবার।

কথা ছিল----
দর্পণের সামনে
দাঁড় করিয়ে নিজেকে, জীবন নোঙর করবার।

কথা ছিল----
সোনালী ভালোবাসার ঠিকানার সন্ধানে
কালো রাত্রিকে বশে আনবার।

ধরণীর বুকে দাঁড়িয়ে শুধু ভিজছি---
নয় শুধু --শ্রাবণ ধারায়!

পূবদিগন্ত আজ রঙিণ সাত রঙে
ছাত্রসমাজ প্রতিবাদ প্রতিরোধে
রাজপথ জুড়ে হাঁটছে----

কিংশুক রাঙা পতাকা হাতে
জীবনকে ভালোবেসে,জীবনের জন‍্যে
ব‍্যারিকেড ভাঙছে।

সংবাদ 
মা শুভদুর্গা আসলে কে? সর্বত্রই তিনি কিন্তু দুর্গার ভিন্ন রূপ হিসেবে পরিচিতা
চট্টগ্রাম, বগুড়া, মময়মনসিংহ বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন কথায় বিভিন্ন ভাষ্য। কিন্তু সর্বত্রই ইনি দুর্গার ভিন্ন রূপ, পার্বতী বলেই পরিচিতা। যিনি মানুষের কল্যাণে নিজেই নিজেই নিজের ব্রত প্রচার করেন।

এই প্রসঙ্গে খুব স্বাভাবিক একটা প্রশ্ন জাগতেই পারে পৌরাণিক দূর্গার সঙ্গে চন্ডীর যোগসূত্র থাকলেও তাঁদেরকে লৌকিক দুর্গা বলে অভিহিত করা হচ্ছে কেন?

ক্ষেত্র সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে, বঙ্গজ প্রাচীন সংস্কৃতিতে এই সমস্ত লোকিক দেবদেবীরা তাদের ঐশী, দৈবী সংযোগ ছাড়াই মানুষের দেবতা বা লোকেশ্বর হয়ে যুগ যুগ ধরে রয়ে গিয়েছেন।

মানুষের মনে স্থির নির্দিষ্ট বিশ্বাস ছিল— ‘‘হারালে পায়, ম’লে জিওয়, নিধনের ধন হয়, অপুত্রার পুত্র হয়, খাঁড়ায় কাটে না, আগুনে পোড়ে না, জলে ডোবে না, কাটা মাথায় জোড়া লয়, সতীন মরে ঘর হয়, রাজা মরে রাজ্য পায়। ” (প্রবচন)

পৌরাণিক ধর্মগুলি যখন ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠা পেতে লাগল, পৌরাণিক মতবাদগুলি যখন ধীরে ধীরে ভারী হয়ে প্রভাব বিস্তার করতে লাগল, তখন পৌরাণিক এবং লৌকিকের মধ্যে একটা অদৃশ্য সমঝোতা তৈরি হয়ে গেল। মানুষের মনের ভিতরেই অনেক লৌকিক দেবদেবী পৌরাণিকত্বের আড়ালে নিজেদেরকে লুকিয়ে এক হয়ে গেলেন।

আবার, অনেক পৌরাণিক ধারণা অবস্থা প্রেক্ষিতে গড়ে ওঠা লৌকিকের সাথে মিলেমিশে গেল। বিভিন্ন লৌকিক দুর্গা দেবী চণ্ডিকা, দেবী সিংহবাহিনী দেবী গনেশ জননী। তাঁরা ভাবনায় শিব-দুর্গার সঙ্গে এক আবার কর্মে, ব্রত যাপনে ভিন্নও বটে।

‘মা দুর্গা’ নামটি মঙ্গলদায়িনী শক্তি হিসেবে বাঙালির মননের গভীরে গেঁথে গিয়েছে। তার আরেকটি প্রকৃষ্টতম উদাহরণ হল, মা শুভদুর্গার পূজা। মা শুভদুর্গা মায়ের একটি লৌকিক রূপ হিসাবে ধরা হয়।

মা শুভদুর্গা অতি সামান্যেই তুষ্ট। যে কোনও দিন, যে কোনও মাস বা শুভ তিথির দিবা ভাগে স্নান সেরে পরিচ্ছন্ন গাত্রে, শুদ্ধ মনে একটি মাটির সরায় কলা পাতায় দুধ-কলা আর চালের নৈবেদ্য সাজিয়ে মা’কে এক মনে স্তব করলেই মা এসে ভক্তের কল্যাণ করেন, এমনই বিশ্বাস।

বলবেন, ‘যাহ, এমন আবার হয় নাকি! মায়ের পূজা কোনও নির্দিষ্ট দিন- তিথি নেই!

মায়ের ব্রত কথাটিই যে এমন— ” বিপদের দিনে চরম আকুল হয়ে মাকে ডাকলেই তিনি সাড়া দেন।”

আসুন জানা যাক, ‘‘সে এক সময়। সে সময়ে মস্ত সব রাজা-রাজড়াদের বাস। গরিব বিধবা এক ব্রাহ্মণী আপনার সন্তানকে নিয়ে অতি কষ্টে সুতো কেটে দিন অতিবাহিত করেন। সন্তানটির বৃদ্ধি কাল, তার বন্ধুবান্ধবদের দেখে আর বিবিধ ভালমন্দ, মাছ মাংস খাবার লোভ করে। কিন্তু তাদের এমনই অবস্থা, যে শাক পাতা জোগাড় করতেই দিন সাঙ্গ হয়। একদিন সে ছেলে ব্রাহ্মণীর কাছে কেঁদে পড়ল। ব্রাহ্মণীর অত পয়সা কোথায়? অনেক কষ্টে এক মেছুনিকে এই শর্তে রাজি করালেন যে, মাছের ঝোলটি রাঁধা হয়ে গেলেই সেই ঝোলটি তুলে রেখে ভাজা মাছটি দিয়ে দেবেন। যেমন কথা তেমন কাজ। দুপুরবেলা খেতে বসে সেই স্বাদ গ্রহণ করে, ছেলে তো আরও লালায়িত হয়ে পড়ল।না জানি মাছের স্বাদ কেমন হবে? কিন্তু ওই যে, কথা আছে না, লোভে পাপ আর পাপে পাপে মৃত্যু। ছেলেটিও তাই করল।

একদিন রাজার হাঁসগুলি যখন চরতে বেরিয়েছে সে, একটি হাঁসকে হত্যা করে তার মাংস খেল। এ দিকে সেই দৃশ্য ধরা পড়ল রাজার এক বিশ্বস্ত কর্মচারীর চোখে। রক্ষীর দল ছেলেকে নিয়ে হাজির করল রাজার সম্মুখে। এমন ভীষণ পাপের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। ব্রাহ্মণীর কাছে খবর যাওয়া মাত্র ব্রাহ্মণী আকুল হয়ে কেঁদে পড়লেন। সেই ভর দুপুরে আলুথালু বেশে ঘরের কোণে মা শুভ-দুর্গার নাম করতে বসলেন।

এক দিকে ব্রাহ্মণী মা দুর্গার নাম করেন। অন্য দিকে এ গ্রামের পথে লাঠি হাতে, জটাধারী বৃদ্ধা বার হলেন ভিক্ষায়। ভিক্ষা করতে করতে তিনি এসে হাজির হলেন সেই হাঁসের পালকের কাছে। পথের থেকে দুর্বাঘাস তুলে, পুকুরের জল নিয়ে ছড়া দিতেই হাঁস জীবন ফিরে পেল।

রাজার কাছে ১০৮ টি হাঁসের সংখ্যাটি ঠিক থাকায়, সেই ছেলেটিও নির্দোষ প্রমাণ পেয়ে ছাড়া পেয়ে গেল। উপরন্তু দরিদ্র ব্রাহ্মণকে পীড়া দেবার জন্য মার্জনা হিসাবে, রাজকন্যা ও অর্ধেক রাজত্ব দিলেন রাজা।

সব নিয়ে জাঁকজমক করে বাড়ি ফিরে, ব্রাহ্মণীর কাছে সন্তান এসে শোনে মা শুভদুর্গার কথা। কাঁদতে কাঁদতে সে বেরলো দুর্গা মায়ের খোঁজে।

বটগাছের তলায় মা দুর্গা জটাজুটো ধারী, নড়ি হাতে বৃদ্ধার বেশে দর্শন দিলেন। বললেন, ‘‘আমিই শুভদুর্গা। বৃক্ষে আমার অধিষ্ঠান। ভক্তি ভরে সম্পূর্ণ বিশ্বাস ও সমপর্ণে আমাকে ডাকলেই সাড়া দেব।’’

এই ভাবেই ধরাধামে প্রচার পায় ‘মা শুভ দুর্গা’ র ব্রত।

চট্টগ্রাম, বগুড়া, মময়মনসিংহ বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন কথায় বিভিন্ন ভাষ্য। কিন্তু সর্বত্রই ইনি দুর্গার ভিন্ন রূপ, পার্বতী বলেই পরিচিতা। যিনি মানুষের কল্যাণে নিজেই নিজেই নিজের ব্রত প্রচার করেন। অধুনা প্রায় লুপ্ত হলেও, আজও বহু পরিবারের পিদিমের আলোয়, ভক্তি ও সমর্পণে মায়ের অধিষ্ঠান।

তথ্যসূত্র: লৌকিক দুর্গা (কামিনী কুমার রায়), বাংলা মঙ্গলকাব্যের ইতিহাস (আশুতোষ ভট্টাচার্য)

কবিতার নাম: ইচ্ছে হলে
কবির নাম : প্রদীপ গুহ। 
                                               
সারি সারি আকাশমনি গাছে তিনদিকে তে যেন বাগান ,
অন্যদিকে ছোট্ট একটা নদী মাঝখানে
 তার আমাদের এই গ্রাম -- সোনাচূড়া গ্রাম।                                                          

আকাশ তলে সবুজ মাঠে সোনার ফসল ফলে,
 সেথা নাই কোলাহল নাইকো দ্বেষ, 
 সবাই মিলে আনন্দ তে --- সরল জীবন চলে।                                                     

এখন কচি কাচার হৈ হুল্লোর আটচালার ঐ ঘরে, 
 দুগ্গা পুজো হবে এবার অনেক বড় করে।
 বাজবে ঢাক, বাজবে কাসি আসবে যাত্রাপালা ---- 
 দীঘির পারে বসবে কত রকমারী মেলা।

ইচ্ছে যদি হয় তোমাদের আমার সাথে-- 
 এই গ্রামেতে যেতে, 
 ষষ্ঠীর দিনে সকাল সকাল জড়ো হ'য়ো চুঁচুড়ার ঐ ইমামবারার মাঠে।

কবিতার নাম: শরৎ যখন...
কবির নাম: তপন মাইতি।

পুজো পুজো সময় যখন 
শরৎ আকাশ ভালো 
ঢাকে কাঠি পড়ল তখন 
মাঙ্গলিক দীপ জ্বালো। 

শরৎ সকাল শিশির ভেজা 
নেইকো স্কুলে ডাণ্ডা 
নীলাকাশে তুলো পেঁজা 
সন্ধ্যা ভোরে ঠাণ্ডা।

স্কুল কলেজে একমাস ছুটি
ঘুরতে যেতে হবে 
ফুটপাত শিশু পায় না রুটি 
অসাম্যটা ঘুচবে?

শরৎ যখন শারদীয়া
দিঘী ভরে পদ্ম 
সুখের বাদ্যি বাজায় হিয়া 
অকাল বোধন সদ্য।

Strange Noise
Pritam Ghosh

knock knock knock! 
I was sitting in a dark room.
Suddenly at our big door,
The sound is knock knock knock.
Dog barking outside,
Roar Roar Roar.
I opened the door and saw, 
There is no one outside.
But I'm sure, 
There was someone outside.
Knock knock knock!

📣 শুভ জন্মদিন:
  • ১৭৮৫ - টমাস লাভ পিকক, ইংরেজি ঔপন্যাসিক, কবি এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তা।
  • ১৮০৪ - রাজা মংকুট, শ্যামদেশের (থাইল্যান্ডের) চক্রী রাজবংশের চতুর্থ রাজা ছিলেন। (মৃ. ১৮৬৮)
  • ১৮৫৪ - বিলি মারডক, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার। (মৃ. ১৯১১)
  • ১৮৫৯ - অঁরি বের্গসন, বিশিষ্ট ফরাসি দার্শনিক। (মৃ. ১৯৪১)
  • ১৮৭৫ - লেন ব্রন্ড, বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা। (মৃ. ১৯৫৫)
  • ১৮৯৪ - এইচ. এল. ডেভিস, মার্কিন ঔপনাসিক ও কবি। (মৃ. ১৯৬০)
  • ১৮৯৮ - লট্টে লেনিয়া, অস্ট্রীয়-মার্কিন অভিনেত্রী। (মৃ. ১৯৮১)
  • ১৯০২ - মিরিয়াম হপকিন্স, আমেরিকান অভিনেত্রী। (মৃ. ১৯২২)
  • ১৯০৫ - ফেলিক্স হওফোয়েত-বোদরি, আইভেরিয়ান রাজনীতিবিদ এবং প্রথম রাষ্ট্রপতি। (মৃ. ১৯৯৩)
  • ১৯০৬ - শিল্প ও সাহিত্যজগতের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব লেডি রাণু মুখোপাধ্যায়। (মৃ.২০০০)
  • ১৯১৮ - পরিতোষ সেন, ভারতীয় বাঙালি চিত্রশিল্পী।(মৃ.২২/১০/২০০৮)
  • ১৯১৯ - পিয়ের ট্রুডো, কানাডীয় রাজনীতিবিদ এবং কানাডার ১৫ তম প্রধানমন্ত্রী। (মৃ. ২০০০)
  • ১৯২০ - মেলিনা মার্কুরি, গ্রিক অভিনেত্রী, গায়িকা ও রাজনীতিবিদ। (মৃ. ১৯৯৪)
  • ১৯২৫ - ইলা মিত্র, বাঙালি মহীয়সী নারী এবং সংগ্রামী কৃষক নেতা। (মৃ.১৩/১০/২০০২)
  • ১৯২৬ - চাক বেরি, মার্কিন গায়ক, গীতিকার এবং রক এ্যান্ড রোল সংগীতের প্রবর্তক। (মৃ. ২০১৭)
  • ১৯২৬ - ক্লাউস কিন্‌স্কি, জার্মান অভিনেতা। (মৃ. ১৯৯১)
  • ১৯২৭ - জর্জ সি. স্কট, মার্কিন অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক। (মৃ. ১৯৯৯)
  • ১৯৩৩ - আরউইন মার্ক জ্যাকবস, তড়িৎ প্রকৌশলী।
  • ১৯৩৯ - লি হার্ভে অসওয়াল্ড, মার্কিন রাষ্ট্রপতি জন এফ. কেনেডির আততায়ী। (মৃ. ১৯৬৩)
  • ১৯৪০ - পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্র অভিনেতা।
  • ১৯৫০ - ভারতীয় এবং ব্রিটিশ অভিনেতা ওম রাজেশ পুরী।
  • ১৯৫২ - রয় ডায়াস, শ্রীলঙ্কার সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও কোচ।
  • ১৯৫৬ - মার্টিনা নাভ্রাতিলোভা, বিখ্যাত আমেরিকান টেনিস খেলোয়াড় ও কোচ।
  • ১৯৬১ - গ্ল্যাডস্টোন স্মল, সাবেক ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।
  • ১৯৬৪ - শেখ রাসেল, শেখ মুজিবুর রহমানের সর্বকনিষ্ঠ পুত্র। (মৃ.১৯৭৫)
  • ১৯৬৫ - জাকির নায়েক, ইসলামি পণ্ডিত ও গবেষক।
  • ১৯৬৮ - স্টুয়ার্ট ল, অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার।
  • ১৯৭৮ - জয়তিকা সারাভানান, ভারতীয় তামিল অভিনেত্র।
  • ১৯৮১ - নাথান হারিৎজ, সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।
  • ১৯৮৪ - ফ্রিডা পিন্টো, ভারতীয় অভিনেত্রী এবং মডেল।
  • ১৯৮৪ - এস্পারেন্জা স্পলডিং, আমেরিকান জ্যাজ বেসবাদক, সেল্লোবাদক এবং গায়ক।
  • ১৯৮৭ - জ্যাক এফ্রন, আমেরিকান অভিনেতা এবং গায়ক।

📣 শ্রদ্ধ জানাই:
  • ১৬৭৮ - চিত্রশিল্পী ইয়াকপ ইয়োরদানস।
  • ১৮৭১ - চার্লস ব্যাবেজ, ইংরেজ গণিতবিদ। (জ. ১৭৯১)
  • ১৯১৪ - কবি আজিজুর রহমান।
  • ১৯২৩ - মোহাম্মদ নজিবর রহমান, বাংলা ভাষার ঔপন্যাসিক। (জ. ১৮৬০)
  • ১৯৩১ - টমাস আলভা এডিসন, মার্কিন উদ্ভাবক এবং ব্যবসায়ী।(জ.১১/০২/১৮৪৭)
  • ১৯৩৪ - সান্তিয়াগো রামোন ই কাহাল, স্পেনীয় রোগবিজ্ঞানী, কলাস্থানবিদ এবং স্নায়ুবিদ। (জ. ১৮৫২)
  • ১৯৭৮ - রামোন মের্কাদের, স্পেনীয় সাংবাদিক, লিওন ট্রটস্কির হত্যাকারী। (জ. ১৯১৪)
  • ১৯৮০ - দেবব্রত বিশ্বাস, রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী। (জ. ১৯১১)
  • ১৯৯৩ - শহীদ ডাঃ মিজানুর রহমান ও মোঃ বোরহান উদ্দিন শাহাদাত।
  • ২০০৪ - শঙ্কু মহারাজ প্রখ্যাত বাঙালি ভ্রমণ সাহিত্যিক। (জ.৭/০৩/১৯৩১)
  • ২০০৫ - জনি হেইন্স, ইংরেজ ফুটবলার। (জ. ১৯৩৪)
  • ২০০৭ - লাকি ডুবে, দক্ষিণ আফ্রিকার একজন রেগে শিল্পী। (জ. ১৯৬৪)
  • ২০১৮ - আইয়ুব বাচ্চু, বাংলাদেশী সঙ্গীত শিল্পী। ( জ. ১৯৬২)
🔹️ ই- সম্মাননা পত্র ডাউনলোড করুন - Click Now
🔸️ লেখা ও শিল্পকলা পাঠান - Click Now

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)