পরিচয় শিশু সাহিত্য | ২১তম সংখ্যা

।। পরিচয় শিশু সাহিত্য ।।

   ।। ২১তম সংখ্যা ।।    
পরিচয় শিশু সাহিত্য | ২১তম সংখ্যা

📢 প্রকাশ:
  • বাংলা: ১লা কার্তিক ১৪৩০
  • ইংরেজী: ১৯শে অক্টোবর ২০২৩ 
  • বার: বৃহস্পতিবার।
  • সময়: সকাল ০৭টা ( কলকাতা টাইম জোন)
🔆 আজ আবহাওয়া: ৩৩/২৪°C (পশ্চিমবঙ্গ)
  • রৌদ্রোজ্জ্বল 
  • বৃষ্টিপাত: ১০%
  • আর্দ্রতা: ৬১%
  • বাতাস: ১৩কিমি/ঘন্টা
📌 আজ ঘটনা:
  • ১৩৮৬ - জার্মানীর সর্বাপেক্ষা প্রাচীন উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • ১৩৮৬ - ওসমানীয় বাহিনী বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়া দখল করে।
  • ১৭৮১ - যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ সেনা প্রধান লর্ড কর্ণওয়ালিস মার্কিন সেনা প্রধান জর্জ ওয়াশিংটনের কাছে আত্মসমর্পণ করার মাধ্যমে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসান ঘটে।
  • ১৮১২ - প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার কারণে নেপোলিয়ন মস্কো ত্যাগে বাধ্য হন।
  • ১৮৮৮ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠা করেন।
  • ১৯২৩ - কামাল পাশার নেতৃত্বে আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র তুর্কি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • ১৯৪২ - চলচ্চিত্রবিষয়ক প্রথম মাসিক পত্রিকা ‘চিত্রপঞ্জি’ প্রকাশিত হয়।
  • ১৯৪৪ - ফিলিপাইনে মার্কিন সেনাদের সাথে জাপানী সৈন্যদের সংঘর্ষ শুরু হয়।
  • ১৯৫০ - জাতিসংঘ বাহিনী উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ং ইয়ং দখল করে।
  • ১৯৫১ - ব্রিটেন সুয়েজ খান অঞ্চল অধিকার করে।
  • ১৯৫৪ - একদল অস্ট্রেলীয় অভিযাত্রী কর্তৃক পৃথিবীর ষষ্ঠ উচ্চতম পর্বত চো ওইয়ু বিজয়।
  • ১৯৬২ - ভারত-চীন সীমান্ত সংঘর্ষ শুরু হয়।
  • ১৯৬৫ - চীন-নেপাল আনুষ্ঠানিক প্রত্যক্ষডাক-ব্যবস্থা চালু হয় ।
  • ১৯৭২ - বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় হন্ডুরাস।
  • ১৯৭২ - বাংলাদেশ ইউনেস্কোর সদস্যপদ লাভ করে।
  • ১৯৭৩ - স্পেনে বন্যায় ২শ’ লোকের প্রাণহানি ঘটে।
  • ১৯৭৬ - ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আলী হাসান সালামাহ্ ইহুদীবাদী ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মুসাদের ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে লেবাননে শাহাদাত বরণ করেন।
  • ১৯৭৭ - দক্ষিণ আফ্রিকার ১৮ টি বর্ণবাদ বিরোধী সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা।
  • ১৯৮৩ - বামপন্থী সামরিক অভ্যুত্থানে গ্রেনেডার প্রধানমন্ত্রী মবিশ নিহত।
  • ১৯৮৬ - দক্ষিণ আফ্রিকার সীমান্তে বিমান দুর্ঘটনায় মোজাম্বিকের প্রেসিডেন্ট সামোর মাশেল ৩০ জন সহযাত্রীসহ নিহত হন।
  • ১৯৮৮ - ভারতে পৃথক বিমান দুর্ঘটনায় ১৬৪ জন নিহত।
  • ১৯৯১ - বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের অবসান হয়।
  • ১৯৯৩ - পিপলস পার্টির নেত্রী বেনজীর ভুট্টো দ্বিতীয় বারের মতো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়।
  • ১৯৯৬ - বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সোনারগাঁয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর-এর উদ্বোধন হয়।
  • ১৯৯৬ - পেইচিংয়ে চীনের প্রথম হট এয়ারশীপ ” চীন ১ নম্বর” সাফল্যের সঙ্গে আকাশে উড়ে ।

✒️ লিখেছেন:
কবিতার নাম: প্রতিপাদের চাঁদ।
কবির নাম: রবিন রায়।

তুমি আমার প্রতিপাদের সেই চাঁদ, 
ইচ্ছে হলেও যাকে আমি ছুঁতে পারি না ;
নিশি জাগা আমি তৃষিত চকোর তোমার,
কেমনে বাঁচি বলো, না পাইলে জোছনা।
স্পর্শে, দূরত্বের ব্যবধান হইছে যে বাঁধক,
আমার জীবন আকাশে বিচ্ছুরিত তবুও
তোমার প্রেম স্নিগ্ধ রজতশুভ্র আলোক,
কায়িক না হলো, ভাবে আসি মিলিও!!
কল্পজগতে তুমি আমি একাকার,
মানসপটে হোক মধুর মিলন ;
অনুভবে আছি,
প্রেমিকই সাজি,
আমার আবেগ,
ধায় সে স্ব বেগ ;
আশার ভাসা-
মেঘ, আছে ঠাসা;
এটাই বড় পাওন,
তোমার হৃদয়টা আমার ভবন।
যদিও আমাদের প্রেমের রং সাদা-কালো,
অলীক হলেও, বাস্তবে সত্যিই জমকালো।।

ছড়া: চিন চিনে ব্যথা।
কবির নাম: শংকর ব্রহ্ম।

খিটখিটে বুড়ি এক বুড়োটাকে বকে
                       তা এড়াতে বুড়ো তাই বসে এসে রকে,
তাকে ঘিরে আরও কিছু বুড়ো জড়ো হয়
                           চার পাঁচ জন মোটে তার বেশী নয়,
যৌবনে ফেরে তারা উদ্দাম দিন
                             বুকের ভিতরে ব্যথা করে চিনচিন।

ক্ষ্যাপা বুড়ো চুপ করো বলে বুড়ি ক্ষেপে
                           অগত্যা বুড়ো যায় কথাগুলো চেপে,
তারপর বিস্ময়ে বুড়ি হতবাক
                              শুরু হয় মেঘেদের গুরু গুরু ডাক 
বুড়ি বলে,চুপকর মুখপোড়া তোরা
                        বুড়ো দেখে কই মেঘ,ছুটে যায় ঘোড়া।

সংবাদ 
ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছেন? কোন মণ্ডপে কত লাইন, অপেক্ষা কত ক্ষণের? জানাচ্ছে কলকাতা পুলিশ
কলকাতা পুলিশের ফেসবুক পেজে বুধবার অর্থাৎ চতুর্থীর রাত থেকে এই সরাসরি সম্প্রচার শুরু হয়েছে। কলকাতার বড় বড় ১৬ থেকে ১৭টি পুজোর তালিকা সেখানে দেওয়া হয়েছে।

কলকাতার বড় পুজোগুলিতে কোন মণ্ডপে ঠাকুর দেখতে গেলে কত ক্ষণ লাইন দিতে হবে, কোথায় কত ভিড় হয়েছে, সরাসরি তা জানাচ্ছে কলকাতা পুলিশ। তাদের ফেসবুক পেজ থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে পুজোমণ্ডপের পরিস্থিতির খবরাখবর। আগামী এক সপ্তাহ এই তথ্য কলকাতা পুলিশের ফেসবুক পেজে ‘লাইভ’ পাওয়া যাবে। ফলে ঠাকুর দেখতে বেরোনোর আগেই দর্শনার্থীরা ভিড় সম্পর্কে সচেতন হতে পারবেন। সেই অনুযায়ী তাঁরা কখন কোন মণ্ডপে যাবেন, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

কলকাতার পুজোমণ্ডপে ঠাকুর দেখার ভিড়।


কলকাতা পুলিশের ফেসবুক পেজে বুধবার অর্থাৎ চতুর্থীর রাত থেকে এই সরাসরি সম্প্রচার শুরু হয়েছে। কলকাতার বড় বড় ১৬ থেকে ১৭টি পুজোর তালিকা সেখানে দেওয়া হয়েছে। প্রতি পুজোর নামের পাশে থাকছে অপেক্ষার সময়। কত ক্ষণ আগে ওই সময়ের তথ্য আপডেট করা হয়েছে, তা-ও থাকছে নীচেই।

আহিরিটোলা সর্বজনীন, বাবু বাগান, বোসপুকুর তালবাগান, চেতলা অগ্রনী, কলেজ স্কোয়ার, দেশপ্রিয় পার্ক, একডালিয়া এভারগ্রিন, কুমোরটুলি পার্ক, মুদিয়ালি ক্লাব, নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘ, সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার, শিবমন্দির, সিংহী পার্ক, সুরুচি সঙ্ঘ, টালা প্রত্যয়, ত্রিধারা সম্মিলনী আপাতত কলকাতা পুলিশের তালিকায় রয়েছে। সরাসরি সম্প্রচারে মাঝেমধ্যে সময় এবং পুজো কমিটির নাম বদলে যাচ্ছে।

বুধবার রাত ৯টা ১১ মিনিটের তালিকা অনুযায়ী, আহিরিটোলায় এক মিনিট, বাবু বাগানে তিন মিনিট, বোসপুকুর তালবাগানে চার মিনিট, চেতলা অগ্রনীতে নয় মিনিট, কলেজ স্কোয়ারে নয় মিনিট, দেশপ্রিয় পার্কে ১০ মিনিট, একডালিয়া এভারগ্রিনে ছয় মিনিট, কুমোরটুলি পার্কে ছয় মিনিট, মুদিয়ালি ক্লাবে এক মিনিট, নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘে দুই মিনিট, সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে ১৮ মিনিট, শিবমন্দিরে ছয় মিনিট, সিংহী পার্কে দুই মিনিট, সুরুচি সঙ্ঘে ১৬ মিনিট, টালা প্রত্যয়ে ১৫ মিনিট এবং ত্রিধারা সম্মিলনী ছয় মিনিট লাইন দিয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে দর্শনার্থীদের। ভিড় অনুযায়ী এই সময়ের হিসাব প্রতি মুহূর্তে বদলে যাচ্ছে।

পুজোর ভিড় এ বছর চতুর্থীর আগেই নজির গড়ে ফেলেছে। মহালয়ার দিন থেকেই ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে পড়েছেন মানুষ। রাস্তায় উপচে পড়ছে দর্শনার্থীদের ভিড়। পুজোর উন্মাদনাও এ বছর চোখে পড়ার মতো। ভিড় সামাল দিতে এখন থেকেই হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ। আশঙ্কা, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমীতে ভিড়ের চাপ আরও বাড়বে। তাই এ বছর মানুষের সুবিধার্থে পুলিশের অভিনব এই উদ্যোগ।

কবিতার নাম: গোধূলির চিত্রপট।
কবির নাম: উদয় নারায়ণ বাগ। 

গোধূলির প্রতিপল নিদারুণ বালুচর, 
চারিদিক খাঁখাঁ রব এগোতেই লাগে ডর।
ক্ষুরাধার মেঘাগম তবু নেই বরিষণ, 
তৃষাতুর আবেগের যাতনার আরাধন।

দিবাকর ডুবে যায় সারারাত জ্বালাময়,
স্নেহহীন আঁধারের ভয়ানক পরিচয়। 
বিরহের স্মৃতিপট অবিরাম বিচরণ, 
আশাহীন জীবনের নিরুপায় আচরণ। 

সময়ের রোষানল অতিশয় কলরব, 
রজনীর বিছানায় জ্বলে যায় হৃদি-শব।
পুনরায় দিবাকর ধরা-ভূম ছুঁয়ে যায়, 
কেন তাও আঁখিকোণ ভরে যায় কুয়াশায়? 

জীবনের মধুকাল সে তো আজ কদাকার, 
অবশেষ অবসান খেয়াঘাট পারাপার। 
স্বপনের খেলাঘর নিরাশায় শিহরণ, 
অশনির নিনাদেই ভেঙে যায় তনু-মন। 

দিবা-রাত কেঁদে যায় গোধূলির মৃদু আশ,
বুঝি এই হবে শেষ মমতায় বাঁধা শ্বাস। 
ওঠে ঝড় চারিপাশ গালে বয় আঁখিজল, 
শমনের এসে চর টেনে হাত বলে চল।।

কবিতার নাম: আমি খবরের কাগজ।
কলমে: মিহির সেন।

আমি দৈনিক খবরের কাগজ 
আমার কদর জানো ?
রং বেরঙের বিজ্ঞাপনে মোড়া
তাজা খবর চমকানো।
ট্রান্সপোর্ট বা রেল ওয়াগন
ভর্তি করে মোরে,
পৌঁছে যাই গ্রাম গঞ্জ
শহর কিংবা দূরে।
পেপারওয়ালা পৌঁছে দেয় 
অফিস বাড়ি ঘুরে,
উল্টে পাল্টে চর্বন মর্দন
গ্রাহক আমায় পড়ে।
তারপরের পরিণাম ভাই 
না বলাই ভালো ,
গাদায় পড়ে সেথা অনাদরে
সেকি হাল হলো।
ওজন দরে বস্তা ভরে
হকারের ঠেলায় চড়ে,
ঠিকানা হয় নিত‍্য দোকান 
ঠোঙা তৈরী ঘরে।
কেউ রাখে চপ বেগুনি 
কেউ লবন ভরে,
মন্ডা মিঠাই পণ‍্য কত
আমায় ভর করে।

ছড়া: ছড়া লেখার ইস্কুল।
কবির নাম: গোবিন্দ মোদক।

ছড়া লেখার ইস্কুলেতে 
ভর্তি হয়ে টিয়ে, 
সেজে-গুজে ইস্কুলে যায় 
কাগজ কলম নিয়ে!

ইস্কুলেতে ছন্দ শেখায় 
দাঁড়কাকের মাসি, 
সুর আর তাল শেখায় 
গাধার মেজো পিসি! 

বানান ভুল হলে পরে 
শুধরে দেয় বিড়াল, 
সবকিছুতেই নজর রাখে 
চশমা পরা শিয়াল! 

তবুও তো টিয়াপাখির 
শেখা হলো না ছন্দ,
ট্যাঁ ট্যাঁ করে উড়ে বেড়ায় 
খোঁজে ফলের গন্ধ!!

কবিতার নাম: চাঁদ মামা।
কবির নাম: বিমল চন্দ্র পাল।

ঐ তো মাগো পূব আকাশে
গাছ গাছালির ফাঁকে ,
গোলাকার ঐ হলুদ থালা
ডাকছে বলো কাকে?

ওটাই কি মা চাঁদ মামা 
নরম কিরণ তার
বাঁশ বাগানের মাথার উপর
দেখতে চমৎকার।

ওর বুকেতে ঐ বুড়িটা
বলোনা কার দিদা
ওর দেহটা কালো কেন
বলোনা মাগো সিধা।

আকাশের ঐ চাঁদ মামা 
টুকি দিয়ে যায়
মা তোর কোলে থেকে থেকে
চাঁদকে দেখি তায়।

দিনের বেলা কড়া সূর্য
রাতের বেলা চাঁদ
বলোনা মা কেন এমন 
কে পেতেছে ফাঁদ ?

আদর করে বলল মা,
' বলছি খোকন শোন
বড় হলে জানবি সব
ঘুমিয়ে পর এখন।

কবিতার নাম: ফুলের ঝগড়া।
কবির নাম: শিবনাথ মন্ডল।

কাগজের ফুল আর বনফুলের 
হলো রেষারেষি 
কে চিরদিন টাটকা থাকে 
কে ক্ষণে কে হয় বাসি।
ফুল বলে আমি প্রকৃতির পরশে
 হ‌ই বন ফুল
 শুভ কাজে আমার যে
 গুণ অতুল।
দেব দেবীর স্থানেতে 
রই সারাক্ষণ
 সুভাষ ছড়িয়ে আমি 
কেড়ে নেই মন।
সুন্দরী কাগজের ফুল
 নেই তোর সুবাস 
শুভ কাজে লাগার আজো 
 পেয়েছিস কি আভাস ?
জগতে তোকে কেউ চাইবে না 
কোন শুভ কাজে 
কাগজের ফুল তুই 
মর এবার লাজে !
কাগজের ফুল বলে
 ওরে শোন বনফুল 
কালকে তুই কেঁদে কেঁদে
 হবি যে আকুল ।
আজকে ফুলদানিতে
 তোর কত হাসি
 একবার ভেবে দেখ 
কাল তুই বাসি।।

সংবাদ 
ইজ়রায়েল বোমা ফেলা বন্ধ করলেই বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হবে, শর্ত দিয়ে বার্তা হামাসের
গাজ়ার হাসপাতালে হামলার নিন্দা করেছে সব রাষ্ট্রই। পশ্চিমি দেশগুলোর কারও মুখে ইজ়রায়েলের নাম নেই। কারও নাম না করে নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, ‘‘যারা এই ঘটনায় জড়িত, তাদের দায় নিতে হবে।’’

আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০২৩
ইজ়রায়েলের কাছে হামলা থামানোর আর্জি জানাল প্যালেস্টাইনি গোষ্ঠী হামাস। এ-ও জানাল, ইজ়রায়েলি বন্দিদের মুক্তি দিতে তারা রাজি, তবে শর্তসাপেক্ষে। শর্ত হল, অবিলম্বে গাজ়ায় সামরিক আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে ইজ়রায়েলকে। গত দশ দিনের যুদ্ধে গাজ়ায় নিহতের সংখ্যা ৩৭৪৮ ছাড়িয়েছে। জখম ১২,০৬৫ জন। মঙ্গলবার গাজ়ার আল আহলি হাসপাতালে আছড়ে পড়ে ক্ষেপণাস্ত্র। নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়ায় কালই। তার পরে আর হিসেব নেই। এই হামলার পরেই ‘সমঝোতার’ বার্তা দিয়েছে হামাস। ইজ়রায়েল অবশ্য হাসপাতালে হামলার দায় নিতে রাজি নয়। হামাসের আর্জির কোনও উত্তরও দেয়নি তারা।

লুণ্ঠিত শৈশব, বিপন্ন কৈশর: আল শিফা হাসপাতালে জখম শিশু। গাজ়ার বুরেজি ত্রাণ শিবিরে, ধ্বংসস্তূপে প্যালেস্টাইনি কিশোর।


‘আলোর সন্তানদের সঙ্গে অন্ধকারের সন্তানদের লড়াই। মানবাধিকার বনাম জঙ্গলের আইনের লড়াই’ —গত কাল এমনই এক টুইট করেছিলেন ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তার ঘণ্টাখানেকের মধ্যে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল গাজ়া। এক অতি-শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র এসে পড়ে আল আহলি হাসপাতালে। হামলার মুহূর্ত পরেই এক্স-হ্যান্ডলে ছড়িয়েছিল, ‘ব্রেকিং নিউজ়: গাজ়ায় একটি হাসপাতালের ভিতরে হামাসের সন্ত্রাস-ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইজ়রায়েলি বায়ু সেনা।’ সেই পোস্ট কিছু ক্ষণ পরেই মুছে দেওয়া হয়। একই হ্যান্ডল থেকে পরে লেখা হয়, ‘রহস্যময় বিস্ফোরণ। হামাসের রকেট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে, না হলে আন্তর্জাতিক সহানুভূতি পেতে নিজেরাই ঘটিয়েছে।’ সাংবাদিক বৈঠক করে আজ ইজ়রায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক হামাসকেই দায়ী করেছে। প্রায় একই কথা শোনা গিয়েছে ইজ়রায়েল সফররত আমেরিকান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মুখে। তিনি বলেছেন, ‘‘এই ঘটনায় আমি আহত। যা দেখছি তাতে বুঝতে পারছি, অন্য পক্ষ এটা করেছে।’’ রাষ্ট্রপুঞ্জে প্যালেস্টাইনের দূত রিয়াদ মনসুর ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, ‘‘ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী এক জন মিথ্যাবাদী। ওঁর মুখপাত্রই এক্স হ্যান্ডলে জানিয়েছিলেন, ওঁরা ভেবেছিলেন হাসপাতালের কাছে হামাসের ঘাঁটি রয়েছে। সেই ভেবে হামলা চালিয়েছিলেন। পরে উনি সেই পোস্ট মুছে দেন। আমাদের কাছে সেই পোস্টের কপি আছে... এখন ওঁরা গল্প বদলে প্যালেস্টাইনিদের ঘাড়ে দায় চাপাচ্ছে।’’

গাজ়ার হাসপাতালে হামলার নিন্দা করেছে সব রাষ্ট্রই। তবে পশ্চিমি দেশগুলোর কারও মুখে ইজ়রায়েলের নাম নেই। কারও নাম না করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, ‘‘যারা এই ঘটনায় জড়িত, তাদের দায় নিতে হবে।’’ চিনও কারও নাম করেনি। ইজ়রায়েলের দাবি প্রসঙ্গে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, হামাসের কাছে কি সত্যিই এত শক্তিশালী অস্ত্র রয়েছে, যা এক নিমেষে গুঁড়িয়ে দিতে পারে একটা গোটা হাসপাতাল? যুদ্ধের প্রথম দিন যখন তারা অতর্কিতে হামলা চালিয়েছিল ইজ়রায়েলে, তখনও তো এত শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়েনি তারা! সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনও শোনা যাচ্ছে, হামলার আগে ওই হাসপাতালে হুমকি ফোন এসেছিল। সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে ইজ়রায়েল। এ দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনী আজ সাংবাদিক বৈঠকে দাবি করেছে, তাদের কাছে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র আরও অনেক বেশি শক্তিশালী। গাজ়ায় সেই যুদ্ধাস্ত্র ছোড়া হলে আরও বড় ক্ষতি হত।

গাজ়ার ওই হাসপাতালের তরফেও একটি সাংবাদিক বৈঠক করা হয়েছে। সেই দৃশ্য ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। চারপাশে মৃতদেহের স্তূপ। তার মাঝে দাঁড়িয়ে বিবৃতি দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের প্রধান ফাদেল নইম জানিয়েছেন, হাসপাতালে অসংখ্য ছিন্নভিন্ন দেহ পড়ে রয়েছে। বহু মানুষ জখম। নইম বলেন, ‘‘হাসপাতালে অনেক মানুষ মারা গিয়েছেন। অনেকে জখম। লোকজন ছুটতে ছুটতে আসছিল। তাঁদের মুখে আর্তনাদ, ‘বাঁচাও, সাহায্য কর।’ যত জনকে পেরেছি বাঁচিয়েছি আমরা। কিন্তু এই ক’জন তো ডাক্তার! আহতের সংখ্যা সেই তুলনায় অনেক বেশি। বিস্ফোরণের পরে যাঁরা বেঁচেছিলেন, তাঁদের অনেককেই সাহায্য করতে পারিনি, চোখের সামনে মারা যেতে দেখেছি।’’ একটি ব্রিটিশ দৈনিকের সাংবাদিক রুশদি আবুআলউফ জানান, আজও বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের ভিতর থেকে প্রিয়জনের দেহাংশ খুঁজে চলেছেন!

গাজ়ার এই পরিস্থিতির জন্য আমেরিকা-সহ পশ্চিমি দুনিয়াকে কাঠগড়ায় তুলেছে হামাস কর্তা ওসামা হামদান। তিনি জানান, যারা ইজ়রায়েলকে সমর্থন করছে, তাদের সকলকে এই হামলার দায় নিতে হবে। মিশর প্রথম আরব দেশ, যারা ইজ়রায়েলের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করেছিল। সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, বাহরাইন ও মরক্কো ইজ়রায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে শুরু করেছিল। সৌদি আরব নিজেই চাইছিল ইজ়রায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ করতে। কিন্তু এখন তারা সকলেই একযোগে ইজ়রায়েলের নিন্দা করছে। আজ ইজ়রায়েলের মিত্র দেশ আমেরিকার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক বাতিল করেছেন জর্ডনের রাজা আবদুল্লা, মিশরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাতা এল-সিসি এবং প্যালেস্টাইনি প্রেসিডেন্ট মেহমুদ আব্বাস। উল্টো দিকে, বাইডেনকে ‘সত্যিকারের বন্ধু’ বলে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নেতানিয়াহু। তাঁকে পাশে বসিয়ে আইএস-এর সঙ্গে হামাসের তুলনা করেছেন তিনি। বলেছেন, ‘‘হামাসকে হারাতে সভ্য জগতের উচিত একজোট হওয়া। ওদের আমরা নিশ্চিহ্ন করবই।’’

কবিতার নাম: খেলবো মোরা।
কবির নাম: রবীন্দ্রনাথ দাস। 

যা খুশী তাই করবো মোরা
আজকে খেলার মাঝে, 
সবাই মিলে সাজবো রাজা
নানা দেশের সাজে। 

মিলবো মোরা একই সাথে
বিনা অস্ত্র হাতে, 
দেখবো মোরা কারোর যেনো
অভাব না হয় ভাতে। 

ঘুরবো মোরা ফুলের বনে
মন গড়া সেই দেশে,
খাতির তারা করবে তখন
হাসি খুশীর বেশে। 

ফুলের গন্ধে বিভোর হয়ে
থাকবো সবাই মিলে, 
দেখবো মোরা মাছ গুলো সব 
করছে খেলা ঝিলে। 

খেলার শেষে সবাই মিলে
ফিরবো যখন ঘরে, 
দেখবো তখন কেউ যেনো না 
পথের মাঝে ধরে।

ছড়া: সাইকেল।
কবিতা নাম: দর্পণা গঙ্গোপাধ্যায়।

সাইকেল চড়ে মধু বাবু 
দূরে দূরে গিয়ে হন কাবু 
সাইকেল কে ছাড়ে না তবু
 তার ছেলে ছিল কবি বাবু 
গলা তার সরু খায় সাবু
বন্ধু ছিল এক নাম হাবু
 পেট ছিল বড় যেন ডাবু 
প্রেমে পড়ে খেয়ে হাবুডুবু 
সাইকেল চড়ে প্রেমে চুবু 
অবশেষে পেল হাতে নাড়ু।।

কবিতার নাম: পাল্টে ফেলেছি।
কবির নাম: তাপস কুমার বর।

আগন্তুক! কেন তুমি বার বার পিছু ডাকো?
রাস্তা চেনো......
নিজেকে কেন এতোদিন বক্র করেছো?
ওই থমকে যাওয়া শব্দ
বার বার তোমায় চৌচির করে চূরমার করেছে প্রিয়!
আজ নিজেকে পাল্টে নাও
তোমার পথের সরলতা দিয়ে।
একদিন ওই ধোঁয়াশা গুলো তোমায় আশা দিয়েছিল
আজ ওরা না কি দামি উপহার চায়!
আমি পারবো না হতে নষ্ট নীড়ের মতো স্বপ্ন,
পাল্টে ফেলেছি প্রিয়
নিজেকে নিজের মতো!

পাল্টে ফেলেছি প্রিয়
আমি হতে পারবো না আর সেই স্বপ্ন!
জেনে গেছি,তোমার স্বপ্ন অনেক দামি
আমি ক্ষুদ্রতায় স্বপ্নবুনি!
তোমার দূরত্বে আমার থাক অলি-গলি
আমি নিজেকে নিজের মতো পাল্টে ফেলেছি।

কবিতার নাম: বিপন্ন বসুন্ধরা।
কবিতা: নিতাই শর্মা।

মানুষের অনিয়ন্ত্রিত কাজের ফলে,
বসুন্ধরা পড়েছে দূষণের কবলে।
লোভাতুর মানুষ বন ধ্বংস করে,
নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার তরে।

গাছপালা বৃষ্টি আনয়ণ করে,
ধরাধামে জীবন রক্ষার তরে।
অবারিত গাছ কর্তনের ফলে,
পরিবেশের ভারসাম্য বিফলে।

অবাধে বন ধ্বংসের কারণে,
পরিবেশে বিপর্যয় ডেকে আনে।
গাছপালা অক্সিজেন প্রদান করে,
কার্বন ডাইঅক্সাইড নেয় নিজের তরে।

প্রচুর পরিমাণে গাছ কাটার ফল,
বিপর্যস্ত হচ্ছে আজ ধরনীতল।
বসুন্ধরা পড়েছে আজ ফাঁপড়ে,
খরা কিংবা বন্যার কবলে পড়ে।

জলাভূমি হারিয়ে যাচ্ছে ধরায়,
বনাঞ্চল বন্ধাত্ব শুষ্ক মরুপ্রায়।
বর্ষায় বৃষ্টিহীন থাকে নানা স্থান,
শরতের শুভ্র দিন করে বারিস্নান।

সময় এসেছে সচেতন হবার,
চেতনা জাগ্রত হোক সবাকার।
উৎসব অনুষ্ঠান শুভ জন্মদিন,
বৃক্ষরোপণ করা উচিত প্রতিদিন।

সংবাদ 

সুপ্রভাত, আজ: কী হচ্ছে, কী হবে, নজরে ৪
বিশ্বকাপে ভারত-বাংলাদেশ। ওএমআর শিটকাণ্ডে ধৃত পার্থ-কৌশিকের হাজিরা আদালতে। ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ পরিস্থিতি। দুর্গাপুজোর পঞ্চমীতে কলকাতার পথঘাট ও আবহাওয়া।


বিশ্বকাপে ভারত-বাংলাদেশ

বিশ্বকাপে বৃহস্পতিবার চতুর্থ ম্যাচে নামছে ভারত। প্রথম তিন ম্যাচ জিতে রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিরা আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে। আজ সামনে শাকিব আল হাসানের বাংলাদেশ। পুণেতে ম্যাচ শুরু দুপুর ২টো থেকে। খেলা দেখা যাবে স্টার স্পোর্টসে।

ওএমআর শিটকাণ্ডে ধৃত পার্থ-কৌশিকের হাজিরা আদালতে

ওএমআর শিটকাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে ধৃত পার্থ সেন ও কৌশিক মাজিকে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করানো হবে। পার্থ ওএমআর শিট প্রস্তুতকারক সংস্থা ‘এস বসু রায় অ্যান্ড কোং’-এর কর্তা। যদিও তাঁর আইনজীবীর দাবি, ওই সংস্থাটি এখন নিষ্ক্রিয়। আর কৌশিক ছিলেন ওই সংস্থার প্রোগ্রামিং অফিসার। বৃহস্পতিবার দু’জনকে আদালতে হাজির করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি কী বলে সে দিকে নজর থাকবে।

ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ পরিস্থিতি

উত্তর গাজ়ায় একটি হাসপাতালে বিস্ফোরণে প্রায় ৫০০ জনের মৃত্যুর পর ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ এখন এই বিতর্কে কেন্দ্রীভূত। এই ঘটনার নিন্দা করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী করেছেন। মোদীর মতোই সারা বিশ্বের মানুষ এই ঘটনায় স্তম্ভিত। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইজরায়েল সফরে গিয়ে দাবি করেছেন এই কাজ ইজরায়েলের নয়। তেল আভিভ যদিও এই হামলার জন্য ‘সন্ত্রাসবাদী’ সংগঠন তথা হামাস সহযোগী প্যালেস্তিনিয়ান ইসলামিক জিহাদ (পিআইজি)কে দায়ী করেছে। এই অবস্থায় পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায় সেদিকে নজর থাকবে।

দুর্গাপুজোর পঞ্চমীতে কলকাতার পথঘাট ও আবহাওয়া

কলকাতা মেট্রো বুধবার পরিসংখ্যান দিয়ে জানিয়েছিল, তৃতীয়াতেই গত বারের ষষ্ঠীকে ছাপিয়ে গিয়েছে কলকাতার ভিড়। আজ পঞ্চমী। ফলে বৃহস্পতিবার আরও ভিড় বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। শহরের রাস্তাঘাটের অবস্থা কেমন থাকে সে দিকে নজর থাকবে। সেই সঙ্গে নজর থাকবে আবহাওয়ার খবরে। ইতিমধ্যেই আলিপুর হাওয়া অফিস পূর্বাভাস দিয়েছে, নবমী, দশমীতে বৃষ্টি হতে পারে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়।

ছড়া: যদি চাও।
কবির নাম: তাপস মাইতি।

ভ্রমরের গুঞ্জন চাও
নাকি বাঁশপাতার ঝনঝনি
বরষার গান শুনতে চাইলে
তবে শ্রাবণকে ডাকো

সাগরের কন্ঠে  
ঢেউর কলতান শুনতে হ'লে
যাও তীরের কাছে
শুনতে চাও প্রিয়ার গান
বসো তবে দীঘার উপকূলে।

কবিতার নাম: পরিযায়ী পাখি।
কবির নাম: দীপক রঞ্জন কর ।

দলবেঁধে আসে উড়ে
বিশেষ ঋতুতে 
বিল নদী জলাশয় ধারে
সমাগম শীতে ।

ভোর হতেই কলকাকলি 
দূর থেকে শুনি 
নানা রবে ডাকে ওরা 
তুলে সুর ধ্বনি।

অস্থায়ী বাসা বুনে 
বাঁচিবার তরে 
ডিম পাড়ে ছানা তুলে 
প্রজন্ম রক্ষা করে।

পরিযায়ী পাখিরা যে
প্রকৃতি বেশ বুঝে,
দূর দেশ পেরিয়ে পাখি
অনুকূল পরিবেশ খুঁজে।

আবহাওয়া চিনে পাখি 
 দেশ দেশান্তরে ঘুরে
মাস কয়েক থেকে ওরা
নিজ দেশে ফিরে।


কবিতার নাম: ব্যথাতুর হৃদয়।
কবির নাম: বিবেক পাল।

রাতের শিশির ভেজা-ঘাসে ঘুমিয়ে রয়েছে 
শিউলি-ফুল ; বিল জুড়ে নিশীথে ফোটে 
শাপলা,শালুক পদ্মের সাথে , 
মনজুড়ে আশ্বিন------

শরতের মিঠে রোদে ডানা মেলে গাঙচিল
নদীতীরে হাওয়ায় দোলে কাশফুল---
ঢাকের বাদ্যিতে অকাল বোধনের সংকেত ,
ভিজে মাটির সোঁদা-গন্ধে অভুক্ত পেটে জ্বালা ধরে !

"শ্রেণী শুধু মন নয় , শ্রেণী বাঁচার বাস্তব "
মনুষ্যত্বে আঘাত হানে , গণতন্ত্রের পূজারীরা 
নামাবলী জড়িয়ে গায়-----

নীরব অভিমানে বয়ে যাওয়া স্রোতে 
ভেসে যায় মনুষ্যত্বের চিতাভস্ম !
আকাশে সঞ্চরণশীল বাষ্পরাশি 
নেমে আসে শোকের আঁধারে ।

ব্যথাতুর হৃদয় তবুও খোঁজে তোমা
দিবানিশি ,
তব লাগি নয়নে নয়নে সজল মেঘ রাশি ।

কবিতার নাম: শিশুর ভাষা।
কবিতার নাম: সুস্মিতা ঘোষ

মায়ের গর্ভ হইতে জন্ম শিশুর
কেহ ভাষা নাহি বুঝতে পারে ,
 মা -ই তার ভাষায় সঙ্গি
এই জগৎ সংসারে ।
মনের ভাব কে প্রকাশ করে
      চোখের ইশারায় ,
মায়ের রাগ কে ভুলিয়ে দেয়
নিষ্পাপ মুখের মায়ার ।
খিল খিল করে হাসে
সে আপন খেয়ালে ,
স্বপ্নে কল্পনার তলোয়ার
হাতে বীরপুরুষ
লুকানো অন্তরালে ।
ছাপ দিতে দিতে ওঠে সে
      ঘরের উঠানে
ছোট্ট রঙিন পায় , 
অর্ধস্ফুটিত বাক্য তার
মায়ের আঁচল ছায়াই।
কোনো জিনিস দেখলে পরেই
নতুন কিছুর বায়না করে , ধমকানীতে চুপ হবে না
 সেই জিনিস কিনে না
    দিলে পরে ।
পিসি কে পিচি , সূর্য কে উয্য বলে
 এ ভাষা বোঝা সত্যিই দায় ,
এ ভাষা শুধুই মা -ই বোঝে
     মায়ের ভাষায় ।

কবিতার নাম: চলো ঘুরে আসি গ্রাম থেকে।
কবির নাম: শুভব্রত ব্যানার্জি ।

মোর সাথে এস মিলে চেয়ে দেখো গ্রাম সেই
ধান ফলে ফুল ফোটে ভোরে ডাকে পাখি তেই।
গ্রাম ছাড়া পথ আছে দূরে ছুটে যায় চলে
কোলাহলে মেতে ওঠে উৎসবে লোকে বলে।

এস ভাই দেখে যাও আমাদের ছোট্ট গ্রাম
ভূগোলের বইতে যে পাবে না সে তার নাম।
দেশ মাঝে মোর মাটি ছোট মেঠো টালি ঘর 
চাষা বাদ করে চলে জীবনের সেই চর।

সুখ আছে মোর ভূমে আনন্দেতে সবে রই
দিনে রাতে ঘরে ভাজে চালে মুড়ি আর খই।
পুকুরেতে মাছ খেলে সুখে লাফ দেয় জলে
ভালোবাসা আছে মনে মিলে সবে তাই বলে।

দিনে রাতে রবি শশী ডেকে তারা কথা কয় 
সবুজের আঙিনায় ঘিরে বাটি যেন রয়।
প্রাণের বাতাস এসে লাগে যেন সেই মনে
বাউলের তালে তালে গান সবে মিলে শোনে।

মায়ের সে স্নেহলতা এলে সেই তুমি পাবে
ভাইয়ের নিকটতা মিলে প্রাণে হেথা যাবে।
বিদায় কালে তোমার জল চোখে এসে রবে 
এমন যে স্থান তুমি কোথা গেলে পাবে ভবে?

কবিতার নাম: খাপছাড়া।
কবির নাম: সুশান্ত সেন ।

পদ্ম ফুলের গন্ধ যদি রাতের বেলা শুকতে
ঘনিয়ে আসা ঘুমটা তোমার লাগাম দিয়ে রুখতে।
কেউ মানে না আপনি মোড়ল হয়ে পাড়ার বিশু
বক্তৃতা দেয় মোড়ের মাথায় শোনে বেবাক শিশু।
চন্দ্র সূর্য্য না থাকলে আকাশ যে হয় ফাঁকা
তারার আলোয় চন্দ্রপ্রভা যায় না কেন ঢাকা !
পেটটা ফুলে সকাল সকাল পিসি বাক্যহারা
ঢেঁকুর তুলে সময় কাটান হন যে দিশাহারা,
দিন দুপুরে নিজের ভুলে বাড়া ভাত টা ঢেকে
পিসেমশাই চৌকি পেতে চলেন ছবি এঁকে।
যত কথা যাচ্ছে শোনা জানি না তার অর্থ
কুকুর ছানা পালিয়ে বেড়ায়, চেপে তাকে ধরত।

কবিতার নাম: ইচ্ছে ডানায় ভেসে।
কবির নাম: তপন মাইতি।

বর্ষা গেল শরৎ এল 
ইচ্ছে ডানায় ভেসে 
ঢ্যাংক্কুরাক্কুর বাদ্যি বাজে 
আন্তরিক সুখ মেশে। 

পরাণ মাঝি ফেরিঘাটে
ইচ্ছে ডানায় ভেসে 
কূলের বুকে ফিরতে হলে 
দাঁড়টি মারো শেষে। 

কাশবন পদ্ম শিউলি ফুল 
ইচ্ছে ডানায় ভেসে 
চারদিন ধরে পুজো হবে 
মর্ত্যভূমির দেশে। 

সম্মেলনে জড়ো হবে 
ইচ্ছে ডানায় ভেসে 
সব জায়গার সব ঠাকুর আসে 
স্বস্তির হাসি হেসে।

বলতে পার কেমন করে?
ইচ্ছে ডানায় ভেসে 
আকাশ জুড়ে শরতের চাঁদ 
ভরবে ভালবেসে। 

কবিতার নাম: আমার ঘরে চাঁদের আলো...
কবির নাম: ফরমান সেখ।

আমার ঘরে চাঁদের আলো
       রাতে করে খেলা,
চারিপাশে বসে যত
     ঝিঁঝিঁরেদের মেলা।

পাখি ডাকে কিচিমিচির
      মিষ্টি মধুর সুরে,
সোনা আমার ডাকে যেন
      গভীর অন্তঃপুরে।

জোনাকিরে জোনাক জ্বালে
     চারি ঝোপেঝাড়ে,
সোনার স্মৃতি ডাক পেড়ে যায়
      আমার হৃদয় পাড়ে।

বাতাস যে তার আপন সুরে
      কহে সোনার কথা,
কখনো সুখ দিয়ে যে যায়
      কখনো বা ব্যথা।

অন্ধকারে চাঁদের আলোয়
     ফুটে সোনার ছবি,
আমার মাঝে প্রবেশ করে
     সকল প্রেমের কবি।

কবিতার নাম: অস্ত যায়।
কবির নাম: অনিমেশ বিশ্বাস।

সংসার মাঝে পিতার ভয়ার্ত দৃশ্য
মম চোখে দেখা সেই ক্রন্দিত বিশ্ব।

গুপ্ত রাখে মুখ যবে তার ধ্বংসিত
বিলাসী পরাজয়ে বিধুরা লজ্জিত।

সংসার মাঝে সব কত আয়োজন
শ্রমজলে পলেপলে চলে যায় ক্ষণ।

পথ চেয়ে বসে থাকে, তব অভিরূপ
খালি মুঠোয় সে ফেরে হয়ে নিশ্চুপ।

ফেকাসে মুখ আর,খণ্ডিত প্রাণ মন
দায়িত্বের বোঝাভার বহে প্রতীক্ষণ।

ভালোবাসা সংসার লড়াইয়ের খেলা
সে খেলায় জয়ী হতে,বয়ে যায় বেলা।

ছড়া: "মা"।
কবির নাম: অতুল সেন।

মা ভালোবাসতে জানে না 
শুধু বোকা আর কথা শোনায়।
মা ভালোবাসতে জানে না
 টাকা চাইতে গেলে তাড়িয়ে দেয়।
মা ভালোবাসতে জানে না
 নিজে না খেয়ে সন্তানকে খাওয়ায়।
 মা ভালোবাসতে জানে না 
বয়স হলে বৃদ্ধাশ্রমে ঠাই পায়।
 মা ভালোবাসতে জানে না 
বাইরে মার খেলে, 
মা আবার ধরে মারে।
মা ভালোবাসতে জানে না
 বাড়ির সব কাজ নিজেই করে। 
মা ভালোবাসতে জানে না
 কষ্ট পেলে লুকিয়ে কাঁদে।

কবিতার নাম: ব্যস্ত জীবন।
কবির নাম: সেখ আমিরুল ইসলাম।

আজ মানুষ বড়ই ব্যস্ত ।
ব্যস্ততার জীবনে নেই কোনো স্বস্তি ,
নেই কোনো অবকাশ।
আছে শুধু পরিবারের চিন্তা, 
আর আছে কর্মজীবনের বিকাশ।

আজ মানুষ বড়ই ব্যস্ত।
সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাটে ব্যস্ততায়-
এই ব্যস্ততা এক সময় বিরক্তিতে পরিণত -
তখন বোঝা যায় এই জীবনের না আছে  
কোনো ছন্দ,
না আছে কোনো মানে।

আজ মানুষ বড়ই ব্যস্ত।
এই ব্যস্ত জীবনের ছন্দ পতন ঘটাতে চাইলেও ,
সময়ের অভাব এসে ধরা দেয়।
মানুষ ব্যস্ততার জীবন থেকে মুক্তি পেতে চায়-
 কিন্তু জীবনের সমস্ত মায়া,
 পাঁচিল হয়ে এসে দাঁড়ায়।
আজ মানুষ বড়ই ব্যস্ত-


📣 শুভ জন্মদিন:
  • ১৬০৫ - টমাস ব্রাউন, ইংরেজ সাহিত্যিক।
  • ১৮৬৪ - ওগ্যুস্ত ল্যুমিয়ের, ফরাসি চলচ্চিত্র নির্মাতা ও চলচ্চিত্রের অগ্রদূত। (মৃ. ১৯৫৪)
  • ১৮৯৬ - চারুচন্দ্র ভাণ্ডারী, প্রবীণ গান্ধীবাদী ও সর্বোদয় নেতা। (মৃ.১৯৮৫)
  • ১৮৯৭ - সেলিমুজ্জামান সিদ্দিকী, পাকিস্তানি শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী।
  • ১৮৯৯ - গুয়াতেমালার নোবেলজয়ী (১৯৬৭) কথাশিল্পী মিগুয়েল আনজেল আন্তুরিয়াস।
  • ১৯০৩ - রাইচাঁদ বড়াল, প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি সুরশিল্পী, সঙ্গীত পরিচালক।(মৃ.২৫/১১/১৯৮১)
  • ১৯১০ - সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর, ব্রিটিশ ভারতে জন্মগ্রহণকারী মার্কিন জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী।
  • ১৯২৪ - নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, ভারতীয় বাঙালি কবি। (মৃ.২৫/১২/২০১৮)
  • ১৯২৮ - মিজানুর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
  • ১৯৬১ - সানি দেওল, ভারতীয় অভিনেতা ও প্রযোজক।
  • ১৯৮৩ - রেবেকা ফার্গুসন, সুয়েডীয় অভিনেত্রী।

📣 শ্রদ্ধ জানাই:
  • ১৭৪৫ - ইংরেজ সাহিত্যিক জোনাথন সুইফট ।
  • ১৯২২ - চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায়,যশস্বী বাঙালি লেখক।(মৃ.২৭/১০/১৮৪৯)
  • ১৯৩৬ - মহান চীনা সাহিত্যিক লু স্যুন ।
  • ১৯৩৭ - আর্নেস্ট রাদারফোর্ড, নিউজিল্যান্ডীয় নিউক্লীয় পদার্থবিজ্ঞানী।
  • ১৯৭২ - কিথ জনসন, বিখ্যাত অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট প্রশাসক।
  • ১৯৭৪ - ফররুখ আহমদ,বাঙালি কবি।
  • ১৯৮৭ - মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন, লোকগীতি সংগ্রাহক ও সম্পাদক।
  • ১৯৯০ - অশোকবিজয় রাহা, ভারতীয় বাঙালি কবি, প্রাবন্ধিক ও সমালোচক। (জ.১৯১০)
  • ১৯৯৫ - জহুরুল ইসলাম, শিল্পপতি ও "ইসলাম গ্রুপ" এর প্রতিষ্ঠাতা।
  • ২০০৩ - বসনিয়ার বিশিষ্ট লেখক ও রাজনীতিবিদ আলী ইজ্জাত বেগুভিচ।
  • ২০০৪ - কেনেথ আইভার্সন, টুরিং পুরস্কার বিজয়ী কম্পিউটার বিজ্ঞানী।
  • ২০১৪ - এ. এফ. সালাহ্উদ্দীন আহমদ, বাংলাদেশের ইতিহাসবিদ ও জাতীয় অধ্যাপক। (জ.১৯২০)
  • ২০১৮ - প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশি দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর (জ. ১৯৪৯)
🔹️ ই- সম্মাননা পত্র ডাউনলোড করুন - Click Now
🔸️ লেখা ও শিল্পকলা পাঠান - Click Now

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)