পরিচয় শিশু সাহিত্য
নবম সংখ্যা
![]() |
| পচ্ছদ: মিলন পুরকাইত। |
প্রকাশ:
- বাংলা: ১৭ই আশ্বিন ১৪৩০
- ইংরেজী: ০৬ই অক্টোবর ২০২৩
- বার: শুক্রবার।
- সময়: সকাল ০৭টা ( কলকাতা টাইম জোন)
আজ আবহাওয়া: 31°
(পশ্চিমবঙ্গ)
- বিক্ষিপ্ত ঝড়বৃষ্টি
- বৃষ্টিপাত: 50%
- আর্দ্রতা: 84%
- বাতাস: 11 কিমি/ঘন্টা
লিখেছেন:
কবিতার নাম: খোকার স্বপ্ন।
কবির নাম: দীপক রঞ্জন কর।
টাট্টু ঘোড়া চড়ে খোকা
বাঘ শিকারে যায়
পানা পুকুরে ব্যাঙের স্বরে
দৌড়ে সে পালায়।
সাহস করে এগিয়ে চলে
আবার বনের বাঁকে
ধনুক বান ছিট্ কে পড়ে
খেক শিয়ালের ডাকে।
বন বিড়ালের ঝগড়া দেখে
খোকার জাগে ভয়,
শিকার ছেড়ে আসছে ফিরে
না জানি কি হয়।
বন শুয়ার আসছে দুটি
খোকার দিকে তেড়ে
ঘুম ভেঙ্গে উঠল খোকা
স্বপ্ন দেখা ছেড়ে।
কবিতার নাম: অবহেলার ফল।
কবির নাম: দেবব্রত মাজী।
ডেঙ্গি রোগ বাড়ছে দ্রুত
মরছে শত শত,
তবুও কেউ সজাগ নই
আছি যে যার মতো।
বুঝবে তখন হলে নিজের
সব হয়না মিছে,
দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা
সময় পাবেনা পিছে।
Poem Name: Father of Nation
Poet's Name: Sanjoy Banerjee
Mohandas Karamchand Gandhi.
His father was Karamchand Uttamchand Gandhi.
His mother name is Putilibai.
Mohandas had no friend
as he was shy.
Mahatma Gandhi
Beyond the Ordinary.
Father of Nation
Bapu
The most notable leaders
of the freedom movement
of India.
After all
We regard Gandhi
As the --
Father of Nation or
Bapu ji.
বিখ্যাত সাহিত্যিক বিভূতি ভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস"অশনি সংকেত"কে চলচ্চিত্রে বাস্তবায়িত করেছিলেন অস্কার বিজয়ী ভারতরত্ন পরিচালক
সত্যজিৎ রায়৷প্রায় এক মাস যাবৎ এর শুটিং হয়েছিল গোয়ালপাড়া গ্রামের এই
বাড়িতে ৷অভিনয়ে ছিলেন স্বনাম ধন্য অভিনেতা
সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়,সন্ধ্যা রায়,ও বাংলাদেশের ববিতা ..৷
|
| গোয়ালপাড়া,শান্তিনিকেতন,বীরভূম |
কবিতার নাম: শিশুদের যত্ন।
কবির নাম:- অভিজিৎ দত্ত।
ছোট, ছোট শিশুরা
লেখাপড়া করে
কী আছে তাদের মনের মধ্যে
কজনই বা তার খোঁজ করে?
অভিভাবকরা তাদের সুপ্ত ইচ্ছাগুলো
চাপিয়ে দেয় শিশুদের ঘাড়ে
শিশুদের ইচ্ছা, অনিচ্ছার
তোয়াক্কা আর কে করে?
শিশুদের দাবিগুলি আমরা কী
গুরুত্ব দিয়ে দেখছি?
তাদের ইচ্ছা, অনিচ্ছার মূল্য
আমরা কী সবসময় দিচ্ছি?
শিশুরাই জাতির ভবিষ্যত
তাই নিতে হবে ঠিক করে যত্ন
দিতে হবে সঠিক গাইড
তবেই শিশুরা হবে এক, একটি প্রদীপ।
কবিতার নাম: খুকু যাবে শ্বশুরবাড়ি।
কবির নাম: মিহির সেন।
ইচ্ছে হলো সাজবে রাণী
ভাবছে খুকু বসে,
বর থাকে অনেক দূরে
তেপান্তরের দেশে।
বর আসবে ঘোড়ায় চেপে
বরকন্দাজ সাথে,
আলো ঝলমল বাজছে সানাই
খুশিতে সব মাতে।
লাল চেলি কপালে টিপ
গয়না রকমারি,
সখীরা সব সাজবে কত
নয়তো বাড়াবাড়ি।
মা কাঁদবে কাঁদবে বাবা
কাঁদবে পরিজন,
খুকু যাবে শ্বশুরবাড়ি
তার হাজার আয়োজন।
গন্ধে গন্ধে ভরছে পাড়া
পাচক রান্না ঘরে,
কত রকম ব্যঞ্জনাদি
অতিথি সৎকারে।
বাজছে সানাই সুর করে
মেয়েরা পড়ে শাড়ি,
আজকে খুকু বাপের ঘরে
কালকে শ্বশুরবাড়ি।
কবিতার নাম: বাপের ভিটা।
কবির নাম: উদয় নারায়ণ বাগ।
কত দিন হলো ছেড়েছি যে গ্রাম
ভুলে গেছে সব আমায়,
সেই ধানখেত সেই ধূলিপথ
এখনো জড়িয়ে থামায়।
শিউলির তলে পলাশের বনে
মহুয়া ফুলের গন্ধ,
এখনো আমার চোখের কোনায়
গোবর-কুড়ের মন্দ।
খড়ে ছাওয়া ঘর কেউ নয় পর
সবাই ঘরের ধারিতে,
কত আলোচনা কত হাসাহাসি
দল বেঁধে সব সারিতে।
সেই রবিবার রেশন দোকান
কাপড়ের থলে হাতেতে,
চাল ডাল চিনি আনলেই ঘরে
খাবার পড়ত পাতেতে।
দূর টিপকলে আনত বধূরা
কলসিতে জল পূর্ণ,
কলমির শাক তেল দিয়ে ভাজা
সঙ্গে লঙ্কা চূর্ণ।
থইথই দিঘি পদ্ম-শালুক
খুশি ভরা সারা বর্ষ,
গ্রীষ্মের তাপে চিকচিক বালি
মরীচিকারই হর্ষ।
শহরের বুকে আজ বসে আমি
বুক মাঝে চাপা কান্না,
কত কত ধন বাতাসেতে ওড়ে
লকারেতে হীরে-পান্না।
তবু নেই সুখ মন মাঝে দুখ
ছুটি যে বাপের-ভিটায়,
কত খুশি হই নলেনের গুড়
লাগলে আমার পিঠায়।
|
| বিপত্তি: জমা জলের মধ্যে জুতো খুলে গিয়েছে এক পড়ুয়ার। বুধবার, আমহার্স্ট স্ট্রিটে। কোলকাতা |
মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত একটানা ভারী বর্ষণের জেরে ডুবল
শহরের একাধিক এলাকা। উত্তরের কাশীপুর, ঠনঠনিয়া, আমহার্স্ট স্ট্রিট, এম জি রোড,
চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ থেকে শুরু করে দক্ষিণের ঢাকুরিয়া, খিদিরপুর ও বেহালার
বিভিন্ন রাস্তা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। সেই জল নামতে বুধবার বেলা গড়িয়ে যায়।
এ দিন দুপুরে দিল্লি থেকে মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘‘বৌবাজার, এ জে সি বসু রোড আর
বেহালায় এখনও জল জমে রয়েছে। অন্য সব জায়গায় জল বার করা হয়েছে। সমস্ত পাম্পিং
স্টেশন কাজ করছে। ঠনঠনিয়ায় তেমন জল জমেনি। আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে, তাই সতর্ক
করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের অবস্থা খুব খারাপ। ডিভিসি আবার জল ছাড়লে দক্ষিণবঙ্গের
অবস্থাও খারাপ হবে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে।’’ সন্ধ্যায় কলকাতায় ফিরে মেয়র
পুরভবনের কন্ট্রোল রুমে যান ও পুর আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ছিলেন পুর
কমিশনারও।
কলকাতা পুরসভা সূত্রের খবর, মঙ্গলবার রাতভর বৃষ্টির পরিমাণ বালিগঞ্জে ১০১
মিলিমিটার, কলেজ স্ট্রিটে ৭২ মিলিমিটার, পামারবাজারে ৫৭ মিলিমিটার, মোমিনপুরে ৪৯
মিলিমিটার, ধাপায় ৫১ মিলিমিটার, তপসিয়ায় ৫০ মিলিমিটার ও উল্টোডাঙায় ৪৭
মিলিমিটার। প্রবল বৃষ্টিতে এ দিন সকালে শহরের কিছু রাস্তা জলমগ্ন থাকায় প্রবল
যানজট হয়। চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ, এম জি রোড, আমহার্স্ট স্ট্রিট এলাকা দীর্ঘক্ষণ
জলমগ্ন ছিল। বিভিন্ন গলিতে হাঁটুজল দাঁড়ানোয় টানা রিকশায় বাচ্চাদের নিয়ে স্কুলে
যেতে হয় অভিভাবকদের। বৌবাজার এলাকার বি বি গাঙ্গুলি স্ট্রিট-সহ বিভিন্ন গলি ও
দক্ষিণের মোমিনপুর, খিদিরপুর এলাকার কিছু অংশ ছিল জলের তলায়। বালিগঞ্জে রেকর্ড
বৃষ্টির জেরে কিছু ছোট রাস্তাতেও জল দাঁড়িয়ে যায়। একই হাল ঢাকুরিয়াতেও। সেই জল
নামতে বেলা গড়িয়ে যায়। বেহালার কিছু ওয়ার্ডে (বিশেষত ১২৩, ১২৭, ১২৮) কেইআইআইপি
নিকাশি পাইপের কাজ করায় সেই সব এলাকা জলমগ্ন হয়। মেয়র পারিষদ (নিকাশি) তারক
সিংহের দাবি, ‘‘রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে। তবে সন্ধ্যার আগে সর্বত্র জল নেমে
গিয়েছে। বেহালায় কেইআইআইপি-র কাজের জন্য জল জমার সমস্যা রয়েছে।’’
কবিতার নাম: ঘুষ।
কবির নাম: অধীর কুমার রায়।
শুনছো তুমি হাবুর বাবা
উত্তর পাড়ার গদাই।
ভীষন ভালো চাকরি করে
হাসি খুশি সদাই।
হাতা হাতা ঘুষ খায়
তবু কেমন কাবু।
ঘুষ খেয়ে কি পেট ভরে না
সে কি শুধুই সাবু?
শোন তুমি হাবুর মা
এমন খাবার ঘুষ।
যতো খাবে ততো খিদে
মনে হয়না খুশ।
রাতের বেলা ঘুম হয়না
ভয় করে যে মনে।
তবু ঘুষ খেতে হবে
মনে থাকে বেশ।
কবিতার নাম: না বলা সেই কথা।
কবির নাম: আহমদ হুসাইন লস্কর।
বর্ষা বাদল দিনে বলব কাকে না বলা সেই কথা,
কে মোছবে চোখের বারি মনের দূঃখ ব্যথা।
সব কথাতো তোমায় আমি বলে যেতে চাই
তুমি বিনে এভবেতে আপন কেহ নাই।
জানি তুমি আছ এখন দূরে অনেক দূরে
ডাকছি তাই বিভোর হয়ে আগের চেনা সুরে।
যে ডাক তোমার অতি প্রিয় শুনতে অতীত দিনে
প্রিয়জনের সংগ ছেড়ে আসতে সে ডাক শুনে।
এবার এসব স্মৃতির পাতায় বিবর্ণ সব কথা,
ভাবছি তাই আসবে পাশে ঘুচিয়ে দিতে ব্যথা।।
কবিতার নাম: পড়লো ধরা চোর।
কবির নাম: শুভব্রত ব্যানার্জি।
বাজারেতে পড়লো ধরা
সেখানেতে পাহাড়া কড়া,
আলু চুরি করতে গিয়ে
কিনে বাবু দাম না দিয়ে।
প্রতিদিন বাজারে আসে
সকলের সাথে সে হাসে।
বলে তিনি নাটক করে
সিনেমায় আলো সে ধরে।
তার নাকি অনেক টাকা
তবু তার পকেট ফাঁকা।
বউ তাকে খ্যাদায় শুধু
মুখে তার নেই কো মধু।
বাজারেতে পাঠায় মেরে
তার দিকে আসে যে তেড়ে।
বলে শুধু মাংস খাবে
যখনই সে হাতে পাবে।
কিনে নিয়ে মাংস হাতে
ফিরেছি সে বাড়িতে রাতে।
হাতে নেই একটা টাকা
নিয়েছে সে গোপনে রাখা।
লাগবে যে আলু তাহার
জমবে না আজি আহার।
এসে তাই বাজার মাঝে
লেগেছে সে নিজের কাজে।
সোনা বলে আদর করে
নিলেন সে ব্যাগটা ধরে।
গুটি গুটি দিতেই হাঁটা
পিছুনেতে মারলো ঝাঁটা।
ধরে বলে জিনিস নিলে
টাকা সব কোথায় দিলে।
লাগলো যে তক্ক ভারি
মুখটা যে হলো তো হাঁড়ি।
চোর বলে মারলো তাকে
দু'পায়ের মধ্যে ফাঁকে।
পড়ে তিনি মাটির পরে
লোকেরা তো তাকেই ধরে।
এসে যায় পুলিশ সেথা
নিয়ে যায় হাজত যেথা।
দুই চার আঘাত দিয়ে
ছেড়ে দিলো আলু যে নিয়ে।
বাড়ি এলো যখন তিনি
রাগে ফুলে ওঠেন উনি।
দিলো সব মাংস ফেলে
খেলো তাহা পাড়ার কেলে।
চুরি করে পেলো না সুখ
মলিনতা ভরা সে মুখ।
চোর বলে সবাই ডাকে
মুখ ঢেকে এখন থাকে।
কবিতার নাম: চাঁদে দেব পাড়ি।
কবির নাম: প্রদীপ গুহ।
আর বাঁধা নেই হারিয়ে যেতে সল্পদূরে চাঁদের দেশে,
কল্পনা আর গল্পকথার চাঁদ মামাকে দেখবো সবাই দু চোখ মেলে।
বই খাতা পেন ব্যাগে ভরে চারা গাছটি নিও সঙ্গে করে,
যেতে হবে বুড়ির দেশে চাঁদ যেখানে লুকোয় হেঁসে।
চাঁদের মাটি শীতল অতি রাত বিরেতে ঠান্ডা পরে,
ভুল করোনা আপন মনে কম্বল নিও সঙ্গে করে।
ছোট্ট ছোট্ট ছেলে মেয়ে যে যেতে চাও সবাই মিলে,
পিতা মাতার আদেশ নিয়ে নামটা লেখাও স্কুলে গিয়ে।
একদিন এক খোলা মাঠে, জড়ো হয়ে সব মানুষে হারিয়ে যাবো--
আমরা সবাই পূর্ণিমার ঐ আলোর দেশে।
ICC ODI World Cup 2023
|
| বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে শতরানের পর রচিন রবীন্দ্র। |
‘সচিন’, ‘দ্রাবিড়ের’ দাপট বিশ্বকাপে, প্রথম ম্যাচে হার ইংল্যান্ডের, ৯ উইকেটে
জয়ী নিউ জ়িল্যান্ড।
আপডেট: ০৫ অক্টোবর ২০২৩
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৯ উইকেটে হারিয়ে দিল নিউ জ়িল্যান্ড। গত বারের
বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ড হারিয়ে দিয়েছিল নিউ জ়িল্যান্ডকে। এ বারের বিশ্বকাপের
শুরুতে সেই ইংল্যান্ডকে হারিয়ে শুরু করল কিউইরা। আমদাবাদে প্রথমে ব্যাট করে ২৮২ রান
করে ইংল্যান্ড। সেই রান সহজেই তুলে নেয় নিউ জ়িল্যান্ড। ডেভন কনওয়ে এবং রাচিন
রবীন্দ্র ২৭৩ রানের জুটি গড়ে ম্যাচ জেতালেন।কবিতার নাম: মানুষ ও পরিবেশ।
কবির নাম: মোহাঃ নাসিমুদ্দিন হক।
অক্সিজেন ও কার্বনডাইঅক্সাইডের
সমতা রক্ষা করে গাছপালা ;
ভবিষ্যতে এটি কতটা নিরাপদ,
যাচ্ছে না তা আগাম বলা।
পরিবেশে বায়ুর সমতা নষ্ট হলে
প্রাণীকুল থাকবে অসুস্থতায় ;
সুস্থ থাকতে নির্ভর হতে হবে
ভালো মানের স্বাস্থ্য পরিষেবায়।
গাছগাছালির অভাবে বৃষ্টি কম
হওয়ায় জমিতে শস্য ফলন কম ;
এ থেকেই তো সৃষ্টি হচ্ছে
খাদ্যশস্যের আকাশছোঁয়া দাম।
একটি গাছ অনেক প্রাণ, চাই
গাছ লাগিয়ে গাছের বাগান ;
তাই পরিবেশ বাঁচাতে ও ফসল
ফলাতে বেশি বেশি গাছ লাগান;
গাছপালা, প্রাণীকুলের উপর
রেখেছে অনেক অবদান ;
বনজঙ্গল ধ্বংসে থাকতে
হবে সবাইকে অনেক সাবধান।
কবিতার নাম:- একমুঠো ভাত।
কবির নাম: তাপস কুমার বর।
ভাত চাই গো বাবু,একমুঠো ভাত
এ সভ্যতার কারাগারে,
নেই গো আর একমুঠো ভাত!
স্বার্থের দাবানলে
চুল্লি কাঁদে!
বিবেক গুলো আজ হয়েছে ফুটপাত।
ভাত চাই শুধু,খিদের হাহাকার
স্বার্থ নিয়ে কত আসছে ইতিহাস।
ওরা চিৎকার করে বলে
দিয়েছি একমুঠো ভাত।
দিনের শেষে সেই ভাত
থাকেনি ফুটপাত!
এখনো ওরা অভুক্ত কাঙাল
শাসনের লাইনে দাঁড়িয়ে,
প্রতিশ্রুতি পেয়ে--
ধোঁকা খেয়েছো বারে বার।
আর কতদিন তোমরা ভাত চাইবে ফুটপাত?
জেগে ওঠো তোমরা মহাকালের প্রলয়ে তিব্র হংঙ্কার।
বাঁচার রুটি এখনো স্বার্থের ঘরে,
একতার প্রতিবাদে ছিনিয়ে নিতে হবে।
দেখো,স্বার্থের চুল্লির স্বাধীনতায়
একমুঠো ভাতে হাসছে কত ফুটপাত!
কবিতার নাম: হাঁচ্ছো।
কবির নাম: সুশান্ত সেন।
অনেক কষ্টে কসে দিলাম হাঁচ্ছো
আওয়াজ তারই শুনতে কি ভাই পাচ্ছ ?
কর্ণে শোনার এমনতর টোটকা
কোথাও খুঁজে পাবি নারে মোটকা।
সাত সকালে কর্ণ মূলে ঢুকলো
আকাশ কাঁপা বজ্র ধ্বনির তুল্য,
ঘুমটা ভেঙে ছুটলো বিশু পাগলা
পা এর জুতো কখন হলো আগলা।
পেছন পেছন ষাঁড় দৌড়ায় দেখছি
উল্টে পড়ে রসগোল্লার ডেকচি,
হাঁচির এমন উথাল পাথাল ধর্ম
বুঝতে, পরি, লৌহ ভীমের বর্ম।
কবিতার নাম: পরাণ মাঝি।
কবির নাম: তপন মাইতি।
ভোর সকালে গামছা কাঁধে
চরের থেকে নৌকা নামায়
পরাণ মাঝি মাথা ঘামায়
কেমন করে নোঙর বাঁধে।
দক্ষ দাঁড়ে শক্ত হালে
ঝড় তুফানে নৌকা ভাসায়
রাতে ভীতে জঙ্গল শাঁসায়
আপদ বিপদ হাওয়া পালে।
সন্ধ্যা নামলে বাউল গানে
ধরেন পরাণ ভাটিয়ালি
জীবন ঢেউ-এ খামখেয়ালি
ঘেমো শরীর জুড়ায় প্রাণে।
কবিতার নাম: তোমার মহিমা।
কবির নাম: বাপী নাগ।
মায়ের কাছে প্রার্থনা করি
দাও মাগো শক্তি।
তুমি যে আছো জগৎ জুড়ে
করি তোমায় ভক্তি।
তোমার রুপের কতই মহিমা
থেকো আমাদের মাঝে।
তোমার চরণতলে পাই যেন ঠাঁই
থেকো মা হৃদয়ের মাঝে।
তুমি ছাড়া মা জগৎ আঁধার
আছো হৃদয় জুড়ে।
তুমি না থাকলে বৃথা সংসার
আছো মোদের ঘরে।
তুমি মা দুখিনী দুঃখ ঘুচাও
পাপীদের কর উদ্ধার।
তোমার চরণে মা রাখি মাথা
কাটুক মোদের আঁধার।
তোমার পূজা এই অমাবস্যা
আলোয় ভরে উঠুক
মা-গো তোমার আরাধনায়
সবাই সুখে থাক।
তিস্তার বন্যা
|
| ছবি: পিটিআই। |
তিস্তার জলের তোড়ে মর্টার শেল ভেসে এসেছিল। তার বিস্ফোরণে জলপাইগুড়িতে মৃত্যু
হল দু’জনের। জখম হলেন ছ’জন। তাঁদের জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি
করানো হয়েছে।
গল্পের নাম: পথহীন নদী।
লেখক: অতুল সেন।
অনেকদিন পরে আবার ছুটে চললুম দুর ওই পাহাড়ে, নদীর হদিসে। যাত্রাপথের সঙ্গী করে
নিলুম আমার প্রিয় পোষা কুকুর ঝিমিকে। ঝিমি যে আমাকে ছেড়ে কখনো থাকতেই পারে
না, আর আমি ঝিমিকে ছাড়া। ঝিমির বয়স প্রায় সাত বছর হবে আর কি আর আমি পঁচিশ
বছরে সবে পা দিয়েছি। যাত্রা পথের উদ্দেশ্যে বের হবার আগে তল্পিতল্পা যা লাগে
বুঝে সুজে গুছিয়ে নিলাম।
আমার বাড়ি হতে মেইন রাস্তার দূরত্ব এক কিলোমিটার হবে, কথাটা কেনো বললাম ভাবছেন
তাই তো, আসলে মেইন রাস্তা হতেই আমাকে বাস ধরতে হবে যাত্রা পথের জন্য। ঠিক সকাল
নয়টা বাজে, আমি আর ঝিমি বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়লাম পাহাড়ের উদ্দেশ্যে।
শুরুতেই বাসে উঠে দেখি যাত্রী তখন খুব একটা নেই, জনা দশেক হবে আর কি ! ঝিমি
আমার পাশের সিটেই বসেছে। বাসের ঠিক আমার সামনে এক ভদ্রমহিলা বসে আছে আর তার দুই
ছেলে।শুনলাম তিনি বাড়ি ফিরছেন। তার বাড়ি কার্শিয়াং নামক সুন্দর পাহাড়ি
এলাকায়। তার কাছ থেকে জানতে পারি পাহাড়ে থাকা জনজাতি এবং তাদের জীবন যাবনের
সম্পর্কে। কিছুক্ষন পরে তিনি সেই বাস থেকে নেমে পড়লেন কারণ, অন্য এক বাসে উঠতে
হবে ওনাকে।
আমিও নেমে পড়লাম সেই বাস থেকে, অন্য বাসে চড়ে বসলাম তখন প্রায় এগারোটা বেজে
গেছে।এই বাস চলবে পাহাড়ের ঠিক উপরের চূড়ায়। আমি আর ঝিমি খুব উৎসুক হয়ে
ছিলাম। ঘন্টা চারেক পরে আমরা আমাদের গন্তব্যে পৌঁছে গেলাম, নেমেই প্রথমে কিছু
খাবার খেলাম এবং ঝিমিকে খাইয়ে নিলাম। পাহাড়ের গায়ে উঠতে উঠতে এক দাদার সাথে
দেখা হলো, কথায় কথায় জানতে পারলাম তিনি এখানে প্রায় কুড়ি বছর ধরেই বসবাস
করছেন এই জায়গায়।বেশ ভালো লাগছিলো দাদার সাথে কথা বলে, দাদার নাম খুসান লামা।
দাদার সাথে কথা বলতে বলতে ঠিক দাদার বাড়ির সামনে আমরা আসলাম, এবং দাদা তাঁর
বাড়িতে আসার আমন্ত্রণ করলো খুবই মিষ্টি সুরে, না গিয়ে থাকতে পারলাম না। গল্পঃ
করতে করতে সন্ধ্যা নেমে পড়লো আমাদের আর ওখান থেকে বের হওয়ার জো হলো না, দাদা
হটাৎ করেই বলে বসলো আজকের রাতটা তার বাড়িতেই কাটাবার জন্য, আমিও রাজি হয়ে
গেলাম। দাদা খুব মিষ্টি ভাবে আমাকে আমার নাম জিজ্ঞাসা করে বসলো, আমি উত্তর
দিয়ে বললাম আমার নাম মিহির সরকার, আর আমার কুকুরের নাম ঝিমি।
রাত ধরে দাদার সাথে আমার গল্পঃ চললো, গল্পের ছলেই জানতে পারলাম দাদার প্রেমের
গল্পঃ। দাদা যে এতো সুন্দর একটা মনের মানুষ সেটা তাঁর কথাতেই বোঝা যাচ্ছিলো,
গল্পে জানতে পারি দাদার যখন আঠারো বছয় তখন তিনি উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে,
কিন্তু পরীক্ষার দিনে যে তিনি প্রেমে পরে যাবেন তা কখনই তিনি বুঝতে পারেননি।
তার প্রিয়তমার নাম আস্থা সুব্বা।
যেই বিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়েছিল সেই স্কুলের ছাত্রী ছিল সে, একাদশ
শ্রেণীতে পড়তো পরে সেটা জানতে পারে। পরীক্ষার শেষে যখন দাদা তার সাথে আলাপ
করতে যায়, প্রথম প্রথম সারা না দিলেও পরে তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক
গড়ে উঠে, কিন্তু কিছুদিন যাবৎ সব ঠিক থাকার পরেও এক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু
হয়, বলতে বলতেই দাদার চোখ জুড়ে বৃষ্টির ধারা নেমে পড়লো, আজকে সেই ঘটনার
কুঁড়ি বছর হয়েছে কিন্তু দাদার কথায় বুঝতে পারলাম আজও সেই প্রিয় মানুষটাকে
ভুলতে পারেনি, আর দাদা কখনই বিয়েও করেনি। প্রায় রাত এগারোটা বেজে গেছে গল্পঃ
করতে করতে, তারপর আর কি রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পড়লাম।
|
| শিল্পী: গোরাচাঁদ পাল। |
কবিতার নাম: দারুণ মজার কথা।
কবির নাম: মনোরঞ্জন ঘোষাল।
শোন বলি মজার কথা
দারুণ এক সন্ধি
মস্ত এক শোল মাছ আজ
হাঁড়ির ভিতর বন্দি।
দাপিয়ে ছিল লাফিয়ে উঠে
ডাঙার ওপর চলবে
হেথায় হোথায় চুনো পুঁটির
কানটা ধরে মলবে।
দেখে মামা বেজায় ধামা
চাপিয়ে দিলেন পিঠে
এমনি তে তাঁর সবই ভাল
মেজাজটা খিঁট খিঁটে।
দ্যাখেন, ধামা ফেলে শোল মাছটা
করছে ছোটা ছুটি
মামি তখন রাগের চোটে
ঘাড়ে, বসিয়ে দিলেন বঁটি।
তার পরে যত নুন মশলা
ব্যাটা ছেলে জব্দ
হাঁড়ির ভেতর চুপটি করে
নেই কোন সাড়া শব্দ।
কবিতার নাম: স্বপ্ন।
কবির নাম: পূর্ণা গাঙ্গুলী।
স্বপ্ন দেখছে কি পৃথিবী ?
নতুন নতুন তাজা তাজা স্বপ্ন !
আলোর স্বপ্ন.. অন্ধকারের স্বপ্ন,
এগিয়ে যেতে যেতে পিছন ফেরার স্বপ্ন,
চলতে চলতে থমকে যাবার স্বপ্ন !
আবেগের, ভালোবাসার স্বপ্ন !
যে স্বপ্নগুলো দেখেনি আলোর মুখ..
সেই স্বপ্ন!
আলোর দিকে এগোতে গিয়েও ..
পড়ে গিয়ে হারিয়ে যাবার স্বপ্ন !
অন্ধকারে হারিয়ে যেতে যেতে..
হঠাৎ ঘুড়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন !
স্বপ্ন সেতো কেবলই স্বপ্নই হয় ।।
কবিতার নাম: তরুলতা।
কবির নাম: অনিমেশ বিশ্বাস।
কেন কাঁদো তরুলতা পথের বায়ে দুলে
আসিবে যবে কলিকা হাসিবে নবফুলে ।।
বিমোহিত কত শোভনীয় তোমার শাখা
পত্রপল্লবে রঞ্জিতপুষ্প ব্যঁজনানে আঁকা ।।
পথপার্শ্বে হাওয়ায় দুলি পুলকে নৃত্য তম
পূর্ণ করো ভ্রমরার পিয়াস চিত্ত ঘরা সম ।।
কারো পদে পিষে গিয়ে জীবন দাও বলি
প্রণয়ে কেহ কুড়ায়ে সাজায়ে রাখে কলি ।।
মনোহর কত দৃশ্যপট, সরণির ধারে পাড়ে
শতরঙে বিকশিত দেহ তোমার সদাচারে ।।
|
|
আজ স্টেডিয়ামের বাইরে অপেক্ষা করছিল এক প্রতিবন্ধী ফ্যান, বিরাট কোহলি
নিজে থেকে ছেলেটির সঙ্গে দেখা করে এবং তাকে অটোগ্রাফ দিয়েছেন। জার্সি নং ১৮ মানেই আবেগ ও ইমোশন । |
Poem Name: Be a Good Child
Poet Name: Shrimoti Supriya Gangopadhyay
Teacher is coming;
Be a good child.
Are you loud?Then
You are wild!
Respect the olders;
Read and write .
Adjust with friends;
Choose, always right.
Obey Mom and Dad;
Love sister, brother,...
Enjoy Home,Classmates;
Be good for other.
Have meal and rest , plus
Don't waste anything.
Value time;Work and play,
Draw, dance and sing.
কবিতার নাম: অংক।
কবির নাম: দর্পণা গঙ্গোপাধ্যায়।
সারাদিন শুধু অংক কষি
উত্তর মেলেনি সুদ কষার
একসাথে সারাদিন মাপি
জ্যামিতির ক্ষেত্রফল যত
ঘনক ত্রিভুজ সমবাহু
সুদকষা অনুপাতে ফাঁকি
পিতা পুত্রের বয়স বাড়ে
ধরেছি সবাই মিলে বাজি
বার করবোই কারসাজি
কোথায় লুকানো সংখ্যা রাজি।।
কবিতার নাম: আঁধার গাঢ় হয়।
কবির নাম: বিবেক পাল।
সাতসতের ভেবে চলা শীতল জীবনে
নেইকো নিস্তার, সহসা ঘনিয়ে আসে আঁধার
যন্ত্রণায় কুঁকড়ে যায় জীবন !
ঘাড় ঘুরিয়ে দেখে, ফেলে আসা সেই সময়
" সন্ধে গাঢ় হয়, রাতের বয়স বাড়ে--"
ধূ ধূ আকাশে মেঘের চাদর সরাতে নক্ষত্রেরা হাজির ।
নবীন কিশোর-----
ডাক পাঠায় হেমন্তের সন্ধ্যায় ,
জমাট-রক্ত ঘাসের উপর কালশিটে !
আঁধার গাঢ় হয় , আগামী আলোয় ভাসবে বলে ।
কবিতার নাম: ব্যাঙের সর্দি।
কবির নাম: বিবেকানন্দ মাইতি।
কদিনের একটানা বৃষ্টিতে
ভরে গেছে খানা --ডোবা
বান ডাকে নদীতে
ব্যাঙগুলো হয়েছে বোবা ৷
ঘর-বাড়ি গেছে ডুবে
ঘরে ঘরে ব্যাঙেদের সর্দি
বৃষ্টি কবে থামবে ?
নেই কোন ডাক্তার বদ্যি ৷
ঘরে ঘরে হাহাকার
চেঁচামেচি আর শুধু কান্না
কানে আসছে চিৎকার
বন্ধ সব রান্না -বান্না ৷
ব্যাঙাচিরা করে কিচিমিচি
ঠান্ডায় করে হাতাহাতি
খিদে পেটে করে চেঁচামেচি
রাগে করে মাতামাতি ।
কার কিবা আসে যায় ?
ব্যাঙের কান্না বুঝতে
ব্যাঙ যদি মারা যায়
অসুবিধা কি হবে ঘুমোতে ?
কবির নাম: ময়না আমার।
কবির নাম: শংকর ব্রহ্ম।
দুধে আলতা হলদে বরণ
হরিণ টানা আঁখি,
আদর করে নাম রেখেছে
ময়না সোনা পাখি।
কথা বলে চোখে মুখে
বুঝবে কে তার মানে
দু'পায়ে তার নাচের ছন্দ
সেকথা মা-ই তার জানে।
ইচ্ছে মতো ঘুরে বেড়ায়
পায়ে নাচের ছন্দ
প্রজাপতি উড়ে বেড়ায়
মন ভরা আনন্দ।
সোনার মেয়ে ময়না পাখি
আয় না তোকে দেখি
উড়ে যাবি অন্য ঘরে
বল না সত্যি সেকি?
ভাবতে যে তা মন ভেঙে যায়
কাঁদে বাপে মায়
প্রতিবেশী যারা তাদের
মনটা পুড়ে যায়।
সিকিম বন্যা
|
| জাতীয় সড়ক জলের তলায়! দার্জিলিং-কালিম্পং হয়ে সিকিম থেকে কী ভাবে ফিরতে পারেন পর্যটকেরা? |
আপডেট: ০৫ অক্টোবর ২০২৩
প্রবল বৃষ্টিতে শিলিগুড়ি থেকে সিকিম পর্যন্ত ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক তিন জায়গায়
ধসে তিস্তায় চলে গিয়েছে। যার জেরে অবরুদ্ধ হয়ে গিয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।
তিস্তার জলের তোড়ে মর্টার শেল ভেসে এসেছিল। তার বিস্ফোরণে জলপাইগুড়িতে মৃত্যু
হল দু’জনের। জখম হলেন ছ’জন। জলপাইগুড়ি জেলার ডিএসপি (ক্রাইম) বিক্রমজিৎ লামা
বলেন, ‘‘এ রকম একটা ঘটনা ঘটেছে। দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এখনই নাম পরিচয় বা
বয়সের তথ্য পাওয়া যায়নি। বাকি ছয় জন গুরুতর আহত। তাদের জলপাইগুড়ি সুপার
স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।’’
বৃহস্পতিবার রাতে জলপাইগুড়ি জেলার মাল মহকুমার ক্রান্তি ব্লকের চাঁপাডাঙায়
ঘটনাটি ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তিস্তায় হড়পা বানে সেনা ছাউনির
মর্টার শেল ভেসে এসেছিল। এলাকার একটি ছেলে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে সেটি বাড়িতে নিয়ে
এসেছিল। সেটি পরিষ্কার করে খেলাধুলো করার সময় বিস্ফোরণ হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু
হয়েছে দু’জনে। আহত হয়েছেন ছ’জন। তাঁদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতের
সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়
হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় জলপাইগুড়ি সুপার
স্পেশালিটি হাসপাতালে।










প্রিয় "পরিচয় শিশু সাহিত্য" প্রকাশনী ও পরিচয় ম্যাগাজিন পরিবার,
উত্তরমুছুনআমি অত্যন্ত খুশি ও গর্বের সাথে এই ই-সম্মাননা পত্রটি পেয়েছি। আপনদের প্রশংসাও আমার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং উৎসাহবর্ধনী। পরিচয় ম্যাগাজিন এবং "পরিচয় শিশু সাহিত্য" প্রকাশনী সাহিত্যের মধ্যে কতগুলি মূল্যবান শিল্পকলা প্রস্তুত করে এসেছে, তা আমার জন্য একটি নির্মূল সূত্র হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
আমি এই সম্মানটি আমার পরিশ্রম, সাহিত্যিক প্রয়াস, এবং সাহিত্যিক আবেগ থেকে প্রাপ্ত মন্না মানি করতে চাই। আমি আমার সাহিত্যিক যাত্রা অধিক সুস্থ, শক্তিশালী এবং আরও উন্নত করতে সততা দেব। আমি চাই, আমি আমার লেখা ও কাজের মাধ্যমে পরিচয় ম্যাগাজিন ও "পরিচয় শিশু সাহিত্য" প্রকাশনীর সাথে আরও গভীর সম্পর্ক স্থাপন করতে পারি।
আমার এই সফলতা সম্মাননা সত্যিকার উদ্দেশ্য হোক এবং এই পুরস্কার আমার প্রয়াসের মোটিভেশন হোক। আমি পরিচয় ম্যাগাজিন এবং "পরিচয় শিশু সাহিত্য" প্রকাশনীর কর্মীদের দিকে আবারো ধন্যবাদ জানাতে চাই, যারা সাহিত্যের জন্য নতুন পথে এগিয়ে যাচ্ছেন।
আমি আপনদের পরিশ্রমের জন্য আবারো ধন্যবাদ জানাতে চাই এবং পরিচয় ম্যাগাজিন এবং "পরিচয় শিশু সাহিত্য" প্রকাশনীর জন্য সবসময় সাফল্য অর্জন করতে হবে তা আমার কামনা।
ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা সম্প্রেষণ করছি,
Moumita Mukherjee.